বুধবার, ৩০ মে, ২০১২

৬০ পাউন্ড ওজন কমালেন বিয়োন্সি

সন্তান জন্মদানের পর স্বাভাবিকভাবেই মুটিয়ে গিয়েছিলেন পপ তারকা বিয়োন্সি নোলস। এবার আটলান্টা সিটিতে নিজের চারটি কনসার্টে পারফর্ম করার জন্য ৬০ পাউন্ড মেদ ঝরিয়ে আবারো ফিট ফিগারে ফিরে এলেন তিনি। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়ার।

৩০ বছর বয়সি বিয়োন্সি এ ব্যাপারে ইউএস ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন, ‘আপনারা ধারণাই করতে পারবেন না, এজন্য আমাকে কতো কষ্ট করতে হয়েছে। আমি ট্রেডমিলে দৌড়েছি এবং লেটুস খেয়েছি। এতেকিছু করার পর আমার ৬০ পাউন্ড ওজন কমেছে।’

ওজন কমানোর খুশিতে এবার প্রাণভরে চকোলেট খাবেন বিয়োন্সি। এ ব্যাপারে সদ্য মা হওয়া এই তারকা বলেছেন, ‘৬০ পাউন্ড কমিয়েছি, এখন আমি মনের সুখে চকোলেট খাব!’


বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

বিশাল বক্ষা হবার আনন্দে ভাসছেন ক্যামেরন

সম্প্রতি হোয়াট টু এক্সপেক্ট হোয়েন ইউ আর এক্সপেক্টিং সিনেমায় এক গর্ভবতী নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন ক্যামেরন ডিয়াজ। চরিত্রের প্রয়োজনেই শুটিংয়ের সময় সিলিকন বলের সহায়তায় নিজের বুকের আকার বাড়াতে হয়েছিলো তাকে। নিজের সেই ‘বিশাল বক্ষা’ হওয়ার আনন্দ এবার একটি টিভি অনুষ্ঠানে তিনি ভাগ করে নিলেন ৮৬ বছর বয়সী সিনিয়র ব্রডকাস্টার ডেভিড অ্যাটেনবরোর সঙ্গে। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়ার।

‘দি গ্রাহাম নর্টন শো’-এ নিজের এই নতুন সিনেমা নিয়ে বলতে গিয়ে বারবার নিজের বড় হওয়া বুকের কথাই বলছিলেন ক্যামেরন। সেখানে তিনি জানান, ‘প্রায় ১৫ টির মতো সিলিকন কাটলেট ব্যবহার করা হয়েছিলো সেখানে। এতে আমার বুক অনেক বড় হয়ে গেল!’

তিনি আরো জানান, ‘বুক দু’টিকে তখন অসাধারণ দেখাতো। এতোটাই সুন্দর লাগতো দেখতে যে, আমি তখন সবাইকে ডেকে ডেকে বলতাম- দেখ, কতো সুন্দর দেখাচ্ছে এই দু’টিকে! একদম সত্যিকারের বুকের মতোই লাগতো ও দু’টিকে।’

অনুষ্ঠানটিতে কেবল নিজের বুকের গুণগান করেই সময় কাটাননি ডিয়াজ; তাকে দেখা গেছে ডেভিড অ্যাটেনবরোর সঙ্গে প্রকাশ্যে ফ্লার্ট করতেও। ওয়াইল্ড লাইফ এক্সপার্ট অ্যাটেনবরোর সাক্ষাৎ পেয়ে তিনি বলে ওঠেন, ‘আমি দারুণ উচ্ছ্বসিত আপনার সঙ্গে পরিচিত হয়ে। কারণ আমি সবসময়ই একজন প্রাণিবিদ হতে চাইতাম। আমি ভেবেছিলাম, আমার সারা জীবন কাটবে জীব-জন্তুদের নিয়ে গবেষণা করেই। তার বদলে এখন আমি সময় কাটাচ্ছি মানুষ নামের প্রাণীদের পর্যবেক্ষণ করে!’


বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

দোষ স্বীকার করলেন শাহরুখ

২৬ মে, বলিউডি অভিনেতা শাহরুখ খান তার বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)-এর ক্রিকেট ম্যাচে প্রকাশ্যে ধূমপানের অভিযোগে করা মামলার শুনানিতে নিজের দোষ স্বীকার করে নিলেন। দোষ স্বীকার করলেও স্টেডিয়ামে তার উপস্থিতি নিষিদ্ধ না করার আবেদন জানিয়েছেন এই তারকা। তিনি বলেছেন, এর পরিবর্তে যে কোনো পরিমাণ জরিমানা দিতে রাজি তিনি। খবর প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়ার।

বিষয়টিকে ‘ছোটখাট ঘটনা’ উল্লেখ করে শাহরুখের আইনজীবি ভি আর বাজভা জানান স্টেডিয়াম থেকে তার মক্কেল যেন নিষিদ্ধ না হন, এ ব্যাপারে তারা আবেদন করবেন এবং এজন্য প্রয়োজনীয় জরিমানা দিতেও রাজি তারা।

উল্লেখ্য, ৮ এপ্রিল জয়পুরে রাজস্থান রয়ালস এবং শাহরুখের দল কলকাতা নাইট রাইডার্সের মধ্যকার ম্যাচে স্টেডিয়ামে বসে প্রকাশ্যে ধূমপান করতে দেখা যায় তাকে। এ নিয়ে ২০০০ সালে রাজস্থানে পাস হওয়া প্রকাশ্যে ধূমপান নিষিদ্ধকরণ আইনের ৫/১১ ধারায় শাহরুখের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেন জয়পুর ক্রিকেট একাডেমির পরিচালক আনন্দ সিং।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

শেষ পর্যন্ত বিবসনা হলেন পুণম

ধোনী এবং তার ভারতীয় ক্রিকেট দল বিশ্বকাপ জিতেও যা এক বছর আগে করতে পারেনি, এবার ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) জিতে নেয়ায় শাহরুখ খানের কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)-এর কারণেই ঘটে গেল সেই ঘটনা। পুণম পাণ্ডে এক বছর আগের বিবসনা হওয়ার প্রতিজ্ঞা অবশেষে পূরণ করলেন এই জয় উদযাপনে। খবর এনডিটিভি-এর।

২৭ মে রাতে ফাইনাল ম্যাচে কেকেআর-এর জয় উদযাপন করতে এবার সম্পুর্ণ বিবসনা হয়ে তোলা ছবি গতকাল নিজের ওয়েবসাইট এবং টুইটার অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেন পুণম। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘নতুন ছবি, ঠিক যেমনটি আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম আইপিএল, কেকেআর, এসআরকে এক বছর আগে।

ভারত ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ জিতলে বিবসনা হবেন ঘোষণা দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন বলিউডি এই মডেল। সেবার ভারত ওয়ার্ল্ড কাপ নিয়ে ঘরে ফিরলেও নিজের প্রতিজ্ঞা রাখেননি পুণম। তবে এবার শাহরুখ খানের কলকাতা নাইট রাইডার্স-এর আইপিল জয়ের পর নিজের বিবসনা ছবি দিয়েই বুঝি পুণম প্রমাণ করে দিলেন, শুধু কথায় নয় তিনি কাজেও পারদর্শী।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটক

বৃহষ্পতিবার, ২৪ মে, ২০১২

আবেদনময়ী নারীর শীর্ষে রাফায়েল

পুরুষদের ম্যাগাজিন ম্যাক্সিমের করা এক তালিকায় ২০১২ সালের ১শ’ আবেদনময়ী নারীর শীর্ষে আছেন ইসরায়েলের সুপার মডেল বার রাফায়েল। খবর এশিয়ান নিউজ সার্ভিস-এর।

২৬ বছর বয়সি এই মডেল ২০১০ সালে একই ম্যাগাজিনের তালিকায় ১৯ নম্বর অবস্থানে ছিলেন। তিনি দুই বছরের ব্যবধানে ‘ম্যাজিক মাইক’ খ্যাত তারকা ওলিভিয়া মুনকে হটিয়ে এবারের শীর্ষস্থানটি দখল করেছেন।

তালিকায় সেরা হতে পেরে রাফায়েল এখন অসম্ভব উচ্ছ¡সিত। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি টুইটারে লিখেছেন, ‘আমি খুব খুশি এবং নিজেকে সম্মানিত মনে করছি। ‘ওয়ান অন ম্যাক্সিমহট ১০০’-এর সেরা হবার জন্য ম্যাক্সিমকেও ধন্যবাদ। এটা আমার জন্য অসাধারণ ঘটনা।’

এবারে এই তালিকায় তৃতীয় হয়েছেন ‘ফ্রেন্ডস উইথ বেনিফিট’-এর অভিনেত্রী মিলা কিউনিস, চতুর্থ হয়েছেন কণ্ঠশিল্পী কেটি পেরি এবং পঞ্চম স্থানে আছেন অলিভিয়া উইলডি। এ ছাড়াও কেট মিডলটনের ছোট বোন পিপা মিডিলটন প্রথমবারের মত এই তালিকায় ঢুকেছেন। তিনি এতে ৮১তম হয়েছেন।

তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে পত্রিকাটির পাঠকদের ভোটে।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/

সোমবার, ২১ মে, ২০১২

আবার কাঁচা মাংসের ড্রেসে লেডি গাগা

বৃটিশ সঙ্গীত শিল্পী লেডি গাগা জাপানে কাঁচা মাংসের তৈরি পোশাকে ভক্তদের চমকে দিয়েছেন। খবর ইন্দো এশিয়ান নিউজ সার্ভিস-এর।

এর আগে ২০১০ সালে এমটিভি ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে গাগা তার এ উদ্ভট পোশাকটি পরেছিলেন।

গত সপ্তাহে টোকিওতে তারঅ্যামেরিকানো গানটি গাওয়ার সময় ফটোগ্রাফার টেরি রিচার্ডসন আবারো এ পপস্টারের কাঁচা মাংসের তৈরি পোশাকের ছবি তুলেছেন। এখানে তিনি কসাইয়ের দোকানের মতো মঞ্চে বিভিন্ন মরা জীবজন্তুর ভেতর মাংসের তৈরি অদ্ভুত পোশাক পরে নাচ-গান করেন।


বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/

বিবসনা হলেন রিহানা

বৃটেনের এসকয়্যার ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদের জন্য এবার বিবসনা হয়ে পোজ দিলেন রিহানা। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়ার।

এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে রিহানার বৃটেন ভ্রমণের সময়ে এক ফটোশুটে ম্যাগাজিনটির জন্য এভাবে পোজ দেন রিহানা। মেলিসা ফোর্ডের তোলা ওই ছবিগুলোতে রিহানাকে দেখা যাবে শুধুমাত্র একটি জিন্সের প্যান্ট এবং মাথায় ফেজ টুপি পরে নিজের দুই হাত দিয়ে তার বক্ষ ঢাকা অবস্থায়।

এছাড়া আরেকটি ছবিতে তাকে দেখা যাবে, বন্ডেজ স্টাইলের একটি অল ইন ওয়ানে।

রিহানার এই ছবিগুলো তোলা হয়েছে ম্যাগাজিনটির ৪ জুন সংখ্যার জন্য। সংখ্যাটিতে বাস্কেটবল তারকা জে আর স্মিথের সঙ্গে এই আরঅ্যান্ডবি তারকার সাম্প্রতিক রোমান্সের বিষয়টিও তুলে ধরা হবে।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

মঙ্গলবার, ১৫ মে, ২০১২

মেডোনার বিবসনা ছবি বিক্রি

১৯৯০ সালে পপ ডিভা মেডোনা বিবসনা হয়ে একটি জ্বলন্ত সিগারেট হাতে বিছানায় শুয়ে পোজ দিয়েছিলেন সাদাকালো একটি ছবির জন্য। সেই ছবিটিই এবার প্রায় ২৪ হাজার ডলারে কিনে নিলেন জনৈক ক্রেতা। খবর প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়ার।

২১.৫ বাই ১৯ ইঞ্চির এই ছবিটির আলোকচিত্রী ছিলেন স্টিভেন মেইজেল। তার তোলা ওই ছবিটি পরবর্তীতে নিউইয়র্কভিত্তিক নিলাম সংস্থা বোনহ্যামস সংগ্রহ করে শহরটির একটি গ্যালারি থেকে। এবার সেই ছবিটিকেই আগের দামের প্রায় তিনগুণ মূল্যে ২৩ হাজার ৭৫০ ডলার দিয়ে কিনে নিলেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এ ক্রেতা।

ছবিটি নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত সংস্থাটির কর্মকর্তা জুডিথ ইউরিকও। তিনি বলেছেন, ‘মেডোনার অসাধারণ একটি ছবি এটি। এটিকে শুধু সাদাকালো বললে ভুল হবে। আসলে ধূসর এবং রুপালি রঙের টোনের অসাধারণ একটি সমন্বয় এই ছবিটি।’




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

বৃহষ্পতিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১২

জনের কাছে শুক্রাণু চাইছেন ভক্ত!

হোক সেটা বলিউড কিংবা হলিউড, ভক্তদের আবদারের সীমা থাকেনা অনেক সময়ই। এই বাস্তবতা  এবার আরো সত্য হয়েছে অভিনেতা জন আব্রাহামের ক্ষেত্রে। খবর জিনিউজ-এর।

শুক্রাণু দানে জনের বিশ্বাস আছে, জানার পর থেকেই তার বাসায় প্রচুর চিঠি এবং ইমেইলে আবেদন আসতে শুরু করে। এর মধ্যে এক বিবাহিত মহিলার অদ্ভুত ইমেইল পড়ে তিনি অবাক হয়েছেন।

কি এমন লেখা ছিলো তাতে? আসলে জন অবাক হয়েছেন, একটা সন্তান পাওয়ার জন্য আকুতি নিয়ে শুক্রাণুর জন্য আবেদন জানিয়েছেন তার ওই নিঃসন্তান নারী ভক্ত।

সন্তান ধারণে অক্ষম ওই মহিলার ইমেইল থেকে জানা গেছে, একমাত্র কৃত্রিম উপায় ছাড়া তার মা হওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু জনকেই কেন? এ প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছেন তিনি খুব ভালো করে। কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছেন, তিনি জনের একনিষ্ঠ ভক্ত। সন্তান নিতে পারবেন না জেনেও তার অন্য কাউকে গ্রহণ করা সম্ভব নয়। তিনি শুধু প্রিয় অভিনেতা জনেরই শুক্র নেবেন। তাই কেবল জনের কাছেই শুক্রানুর আবেদন করেছেন তিনি।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

খুন হলেন নেপালী অভিনেত্রী মিনাক্ষী!

সাইকোলজিকাল থ্রিলার '৪০৪'-এ অভিনয় করে গত বছর বলিউডের পাদপ্রদীপের আলোয় এসেছিলেন নেপালী অভিনেত্রী মিনাক্ষী থাপা। এক বছর পর আবারও খবরের শিরোনাম হলেন তিনি। এবারে কোনো নামী পরিচালকের ছবিতে অভিনয় করে নয়; সহকর্মীর হাতে খুন হয়ে। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়ার।

মাধুর ভাণ্ডারকারের ‘হিরোইন’ ছবির সেটে মিনাক্ষীর সঙ্গে পরিচয় হয়েছিলো এলাহাবাদের দুই বাসিন্দা অমিত জাস্ওয়াল এবং প্রিতি সুরিনের সঙ্গে। বলিউডি এই দুই জুনিয়র আর্টিস্টের কাছে নেপালের এক ধনী পরিবারের মেয়ে হিসেবেই নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন মিনাক্ষী। অভিনয়টাও শখের বসেই করেন বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত অর্থলোভী এই দুই অভিনেতার হাতেই প্রাণ দিতে হলো আদতে এক স্কুল শিক্ষকের কন্যা মিনাক্ষীকে।

মুম্বাইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ ব্যাপারে জানিয়েছেন,  অমিত জাসওয়াল ও প্রিতি সুরিন মুক্তিপণের আশায় কিডন্যাপ করেন মিনাক্ষীকে। এরপর মিনাক্ষীর পরিবার তাদের ১৫ লাখ রুপির চাহিদা মেটাতে ব্যর্থ হলে তার মাথা কেটে খুন করে মৃতদেহ লুকিয়ে রাখেন এলাহাবাদের এক পানির ট্যাংকে। তার কেটে ফেলা মাথাটি তারা ছুড়ে ফেলেন চলন্ত বাস থেকে।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

বৃহষ্পতিবার, ২৯ মার্চ, ২০১২

বিবসনা হওয়া কাজের অংশ: পাওলি


সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া বাংলা সিনেমা ছত্রাক এর ঝুলিতে ‘হিট’ শব্দ যোগ করানো অভিনেত্রী পাওলি দাম জানিয়েছেন অল্প সময়ের মধ্যেই হেইট স্টোরি র মাধ্যমে তার বলিউডে আত্মপ্রকাশ দেখতে পাবেন দর্শকরা। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়ার।


অত্যন্ত খোলামেলা দৃশ্য দিয়ে সাজানো পোস্টার প্রকাশ করায় মুক্তি পাওয়ার আগেই আলোচিত হেইট স্টোরি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য গত বছরের ১লা এপ্রিল পাওলির সঙ্গে কথা বলেছিলেন প্রযোজক বিক্রম ভাট। সেদিন বিষয়টি অবশ্য এপ্রিল ফুল -এর মজা বলেই মনে করেছিলেন পাওলি।

ছবিতে পাওলির পিঠের পুরোটা অনাবৃত দেখা গেলেও মুখ দেখা যায়নি। তাই সিনেমা সংশ্লিষ্ঠদের কাছে প্রশ্নের পাহাড় জমে যায়, কার ছবি এটা? এমনকি পাওলি নিজেও সেসময় এ বিষয়ে কিছু স্বীকার করেননি।

কিন্তু সিনেমাটির প্রযোজক বিক্রম আর এক বাঙ্গালি অভিনেত্রীর কাছে থেকে অনেক বেশী খোলামেলা দৃশ্য থাকার কারণে সিনেমায় অভিনয়ে রাজি করাতে ব্যর্থ হন। এরপর তিনি সবকিছু পাকাপোক্ত করার জন্য আবারো যোগাযোগ করেন পাওলির সঙ্গে। পাওলির পক্ষে তখন আর অবিশ্বাস বা প্রত্যাখ্যান করা সম্ভব হয়নি বিক্রমকে।

এদিকে অভিনেত্রী শাহানা গোস্বামী ও নন্দনা সেন প্রত্যাখ্যান করলেও বাংলা সিনেমা জগতে সুঅভিনেত্রী হিসেবে খ্যাত পাওলি কেন রাজি হলেন এই সিনেমায় অভিনয়ে?

এ বিষয়ে পাওলির বক্তব্য, ‘আমি একজন পারফরমার হিসেবে যা কিছুই করিনা কেন, এটা আমার কাজের অংশ। একজন অভিনয় শিল্পী হিসেবে আমার মধ্যে কোনো জড়তা নেই। আমি শুধু একটা চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলবো। তবে হ্যাঁ, যদি কোনো চরিত্রে অস্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি, আমার উচিত হবে সেই কাজটা না করা।’



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

বৃহষ্পতিবার, ২২ মার্চ, ২০১২

এবার গুজরাটে বিজেপির দুই বিধায়কের অশ্লীল ভিডিও দর্শন!

গুজরাটের বিধানসভায় আইপ্যাডে অশ্লীল ভিডিও দেখছেন দুই বিধায়ক গুজরাটের বিধানসভায় আইপ্যাডে অশ্লীল ভিডিও দেখছেন দুই বিধায়ক
ভারতের গুজরাট রাজ্যে হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) দুই বিধায়কের বিরুদ্ধে আইপ্যাডে অশ্লীল ভিডিও দেখার অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার রাজ্যের বিধানসভার অধিবেশন চলাকালে তাঁরা এই কাণ্ড করেন বলে একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বিধানসভার স্পিকারের কাছে অভিযোগ করেন।
এর আগে কর্ণাটক রাজ্যে বিধানসভার অধিবেশন চলাকালে একই দলের বিধায়কদের মুঠোফোনে অশ্লীল ভিডিও দেখার কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়। ওই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই গুজরাটে বিজেপির বিধায়ক শঙ্কর চৌধুরী ও জেঠা ভারওয়াদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠল।
বিধানসভার স্পিকারের কাছে দুই বিধায়কের বিরুদ্ধে অশ্লীল ভিডিও থাকার অভিযোগ করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক জনক দেব। ওই সময় তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিধানসভার মিডিয়া গ্যালারিতে (অধিবেশন কক্ষের ভেতরে সাংবাদিকদের বসার স্থান) অবস্থান করছিলেন।
সাংবাদিকের অভিযোগ অনুযায়ী, বিধানসভার অধিবেশন চলাকালে পানিসম্পদ বিভাগের জন্য বাজেট-সহায়তা নিয়ে যখন আলোচনা চলছিল, এ সময় দুই বিধায়ক আইপ্যাডে অশ্লীল ভিডিও দেখছিলেন।
জনক দেব দাবি করেন, ‘শঙ্কর চৌধুরী তাঁর আইপ্যাডটি অপর সাংসদ জেঠা ভারওয়াদকে দেখাচ্ছিলেন। প্রথমে তাঁরা স্বামী বিবেকানন্দের ছবি দেখেন। এর পর কার্টুন ছবি এবং সবশেষে নারীর ছবি দেখছিলেন।’
সাংবাদিকের ভাষ্য, দুই বিধায়কের এই কাণ্ড দেখার পর তিনি স্পিকার গণপত পারমারের কার্যালয়ে যান। স্পিকারের ব্যক্তিগত সহকারীর (পিএ) কাছে এ ব্যাপারে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি (পিএ) স্পিকারকে বিষয়টি জানান। এরপর আইপ্যাডটি অধিবেশন কক্ষ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
স্পিকার ঘটনাটি তদন্তের জন্য বিধানসভার বিশেষ কমিটিকে নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া ওই আইপ্যাডে সত্যিই কোনো অশ্লীল ভিডিও ছিল কি না, তা পরীক্ষার জন্য আহমেদাবাদের ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
অধিবেশন কক্ষে অশ্লীল ভিডিও দেখার অভিযোগ নাকচ করেছেন দুই বিধায়ক। দলটির দাবি, মিথ্যা এ অভিযোগের পেছনে কলকাঠি নাড়ছে কংগ্রেস।
গুজরাটে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিজয় রুপানি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, তাঁরা ওই সময় আইপ্যাডে সে রকম কিছু দেখেননি। এর পরও যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে আমরা ওই ঘটনাটি তদন্ত করে দেখব।’
রাজ্যের বিরোধী দল কংগ্রেস ঘটনাটিকে ‘বিজেপির সত্যিকারের চেহারার আরেকটি উদাহরণ’ হিসেবে অভিহিত করেছে। এ ঘটনায় কংগ্রেস ওই দুই বিধায়ককে বরখাস্তের দাবি জানিয়েছে। জিনিউজ অনলাইন।

এবার লিন্ডসের পর্নো তারকা বিভ্রাট!

কোনো মাদক কেলেঙ্কারি নয়, নতুন কোনো নেকলেস উপাখ্যানও নয়, এমনকি নয় কোনো হাতাহাতির ঘটনাও। হলিউডি প্রবলেম সেলিব্রিটি লিন্ডসে লোহান এবার ধারাশায়ী হলেন এক পর্নো তারকার ফাটানো বোমায়। অ্যালেক্স টোরেস নামের ঐ গুণধর তারকার দাবী, তিনি লিন্ডসের সঙ্গে রাত কাটিয়েছেন। টাইমস অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, এতে নাকি ওই ‘তারকার’ বেশ আয় রোজগারও হয়েছে।

ভুডু নামেই বেশি পরিচিত এই পর্নো তারকা আরো জানিয়েছেন, তাদের প্রণয়ের সময় ওই বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন লিন্ডসের বাবা মাইকেল লোহানও। আর এসব তিনি জানিয়েছেন ‘দ্যা জিম রিচার্ডস শো’ নামের একটি টিভি অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার দেয়ার সময়।

টোরেসের কাছে অনুষ্ঠানটির উপস্থাপক জিম রিচার্ডস জানতে চেয়েছিলেন, ‘মাইকেল লোহানের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করার সময় তাকে কী জিজ্ঞাসা করা যায়?’ উত্তরে তিনি জানান, ‘জিজ্ঞেস করে দেখবেন তো, তিনি যখন ওপরতলায় ঘুমাচ্ছিলেন, তখন তার মেয়ে লিন্ডসের সঙ্গে আমি নিচতলায় রাত কাটাচ্ছিলাম; এ ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন কিনা?’

বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য রিচার্ডস যখন আবারো প্রশ্ন করেন, ‘তাহলে আপনি সত্যিই লিন্ডসের সঙ্গে রাত কাটিয়েছেন?’ তখন টোরেসের উত্তর ছিলো, ‘তবে আর বলছি কী!’

টোরেস আরো দাবী করেন, এর জন্য ভালো পারিশ্রমিকও তিনি পেয়েছেন লোহানের কাছ থেকে। তার ভাষ্যে, ‘হলিউডি অনেক অভিনেত্রীই আমাকে মোটা পারিশ্রমিক দেয় তাদের সন্তুষ্টির বিনিময়ে।’

ওদিকে এ ব্যাপারে লিন্ডসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মুখপাত্র স্টিভ হোইং জানান, ‘একজন পর্নো তারকা লিন্ডসেকে নিয়ে কী দাবী করলো না করলো, সেটি নিয়ে কোনো বিবৃতি দেয়ার কোন প্রয়োজনীয়তা আমি দেখি না।’


বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

রবিবার, ১৮ মার্চ, ২০১২

প্রেম প্রতারণা, ফেঁসে গেছেন যশোর কারাগারের ডেপুটি জেলার

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কলেজছাত্রীর সর্বস্ব লুট করে এখন ফেঁসে গেছেন যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার আকতার হোসেন। ওই তরুণীর সঙ্গে স্বামী-স্ত্রী’র মতো সম্পর্ক গড়ে এখন অস্বীকার করছে। এ অবস্থায় তরুণীটি এ প্রতারণার বিচার চেয়ে কারাকর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করে এবং তার সঙ্গে আকতারের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের কিছু ছবি জমা দিয়েছে। আবেদনে মেয়েটির দাবি- এ প্রতারণার সুষ্ঠু বিচার না হলে আত্মহত্যা করা ছাড়া তার বিকল্প নেই। এদিকে মেয়েটির আত্মহত্যার হুমকি এবং বিচারের আবেদন ও তার সঙ্গে যুক্ত করা কিছু ছবি নিয়ে বিপাকে পড়েছে কারাকর্তৃপক্ষ। ঘটনা ফাঁস হয়ে পড়ায় গোটা কারাপাড়ায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে যশোর কারাকর্তৃপক্ষ ডেপুটি জেলার আকতার হোসেনকে শোকজ করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার আকতার হোসেনের সঙ্গে প্রায় ৮ মাস আগে পরিচয় হয় কারাগারেরই আরেক কর্মচারীর কলেজপড়ুয়া কন্যার। অল্পদিনেই অনিন্দ্য সুন্দর মেয়েটির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন আকতার। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। আকতার মেয়েটিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সর্বনাশ শুরু করে। বিয়ের কথা বলে আকতার মেয়েটির সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক গড়ে তোলে। দিনে দিনে তাদের ঘনিষ্ঠতা সব সীমা ছাড়িয়ে যায়। যা নিয়ে কারা চত্বরে নানা রকম রসাত্মক আলাপ-আলোচনার জন্ম হতে শুরু করে। এক পর্যায়ে ‘হবু জামাই’ জেলার আকতারের পরামর্শে ৩ মাস আগে তরুণীর পিতা যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বদলি হয়ে স্বেচ্ছায় যান রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে। আকতার ছুটি নিয়ে মাঝে মধ্যে রাজশাহী যেতেন এবং ওই তরুণীর বাসায়ও থাকতেন। আর বিয়ের প্রস্তুতির কথা বলে সময় ক্ষেপণ করতেন। পাঁচদিন আগে জরুরি কাজে নিজ বাড়ি যাওয়ার নামে অফিস থেকে ছুটি নিয়ে আকতার রাজশাহী যান। এবারও রাজশাহীতে গিয়ে আকতার তার প্রেমিকার বাসায় উঠেছিলেন। এ সময় মেয়ের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে মেয়ের পিতা-মাতা আকতারকে বিয়ের জন্য চাপ দেন। এরপরই প্রকাশ পায় আকতারের আসল রূপ। তিনি সরাসরি ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। জানিয়ে দেন- ‘যা হয়েছে তা দু’জনের সম্মতিতেই হয়েছে। যে মেয়ে বিয়ের আগে তার প্রেমিককে সর্বস্ব উজাড় করে দিতে পারে, নিজ বাড়িতে স্বামী-স্ত্রীর মতো বসবাস করে তাকে বিয়ে করা সম্ভব নয়।’
আকতারের এ প্রত্যাখ্যানে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে তরুণীর। সে ছুটে আসে যশোরে। লিখিত নালিশ জানায় কারাগারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে। কর্মকর্তারা ডেপুটি জেলার আকতারকে ডেকে ঘটনা জানতে চাইলে তিনি সবকিছু অস্বীকার করেন। নিরুপায় তরুণী এ পরিস্থিতিতে আত্মহত্যার হুমকি দেয়। ফলে বিপাকে পড়ে কারাগার কর্তৃপক্ষ। গত দু’দিন ধরে তরুণী ও তার অভিভাবকরা যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের এক কর্মচারীর বাসায় অবস্থান করছেন। অন্যদিকে, কারাগার কর্তৃপক্ষের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ডেপুটি জেলার আকতারের পিতা-মাতাও এসেছেন যশোর। তারাও ছেলের সঙ্গে সুর মিলিয়ে বলছেন, ওই মেয়েকে পুত্রবধূ হিসেবে তারা মেনে নেবেন না।
আকতারের এ প্রতারণার কাহিনী এখন শুধু কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, ছড়িয়ে পড়েছে শহরে। প্রশাসনিক কর্মকর্তা, গোয়েন্দা, সাংবাদিকসহ বহু মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন কেন্দ্রীয় কারাগারে।
তরুণীর মা সাংবাদিকদের বলেন, আকতারের সঙ্গে তার মেয়ের দীর্ঘদিনের প্রেম সম্পর্ক। সে তার মেয়েকে বিয়ে করবে বলে রাত-বিরাতে বিভিন্নস্থানে ঘুরে বেড়িয়েছে। বিভিন্ন সময় দু’জনে ছবি তুলেছে। কিন্তু যখনই বিয়ের কথা বলা হয়েছে তখনই সে ‘একটু সময় দিন’ বলে কালক্ষেপণ করেছেন। সমপ্রতি গত ৫ দিন আগে রাজশাহী গিয়ে তার বাসায় ওঠেন আকতার। তখন তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে ফাঁস হয়ে যায় তার আসল চেহারা। সে এখন আর তার মেয়েকে বিয়ে করতে রাজি হচ্ছে না। তার অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বললেও তারা বিয়ের বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন।
এ ব্যাপারে ডেপুটি জেলার আকতার হোসেন দাবি করেন, ‘আমাদের মধ্যে স্রেফ বন্ধুত্ব ছিল। এর বেশি কিছু না।’
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাসুদ পারভেজ বলেন, ‘আমি বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে যশোরে এসে অফিসে যোগদান করেছি। এরপর আকতারের সঙ্গে ওই মেয়ের প্রেমের বিষয়টি অবহিত হয়েছি।’ তিনি দাবি করেন, বিষয়টি তাদের একান্ত ব্যক্তিগত। এখানে কারা প্রশাসনের করার কিছুই নেই। তবে উভয় পরিবারের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান আশা করেন তিনি।
আকতার বিয়ে করতে রাজি না হলে তরুণী আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছে- এমন কথা শুনেছেন কিনা জানতে চাইলে জেলর মাসুদ পারভেজ বলেন, যদি উভয়পক্ষ কোন যৌক্তিক সমঝোতায় আসতে না পারেন এবং মেয়েপক্ষ লিখিত কোন অভিযোগ দায়ের করেন তবে তারা এ বিষয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে পারেন।
এদিকে মেয়েটির লিখিত আবেদন ও বিশেষ ঘনিষ্ঠতার মুহূর্তের কিছু ছবি হাতে পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আকতারকে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নোটিসে বলা হয়েছে, তার এ অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে কারা প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। বিব্রত হয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এ বিষয়ে আশু সুস্থ সমাধানে উপনীত হতে না পারলে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাসুদ পারভেজ এ তথ্যের সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন, সুপার সিদ্দিকুর রহমান স্বাক্ষরিত কারণ দর্শানোর নোটিসটি বৃহস্পতিবার ডেপুটি জেলার আকতারের হাতে দেয়া হয়। আগামী দু’দিনের মধ্যে নোটিসের জবাব দিতে বলা হয়েছে। জেলার জানান, বিষয়টি জানানো হয়েছে কারা প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ আইজিকেও। আইজি (প্রিজন্স) জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ডেপুটি জেলার নোটিসের জবাব দেয়ার পর তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া বিবদমান যে কোন পক্ষ ইচ্ছা করলে আইনের আশ্রয় নিতে পারে।
এদিকে, প্রতারণার শিকার তরুণী গতকাল যশোর ছেড়েছেন। যাওয়ার আগে তিনি যশোরের জেলা প্রশাসককে প্রতারণার কাহিনী লিখিতভাবে জানিয়ে গেছেন বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে। কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলারও বিষয়টি শুনেছেন বলে জানান। এদিকে কারা অভ্যন্তরে বসবাসকারী কর্মচারী ও কর্মকর্তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

বৃটেনে থাকবে না স্বামী-স্ত্রী শব্দ

সমকামী বিয়েকে আইনগত বৈধতা দিতে যাচ্ছে বৃটেন। যদি তা বাস্তবায়ন হয় তবে দেশব্যাপী বিভিন্ন অফিস থেকে স্বামী (হাজব্যান্ড), স্ত্রী (ওয়াইফ), পারিভাষিক শব্দ দু’টি মুছে ফেলবে বৃটেন। সেক্ষেত্রে তারা স্পাউস ও পার্টনার শব্দ ব্যবহার করবে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে কম্পিউটার সিস্টেম থেকে শব্দ দু’টি মুছে ফেলার জন্য কয়েক মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় করতে হবে বৃটেনকে। গতকাল এ খবর দিয়েছে ডেইলি এক্সপ্রেস। দেশটির সমতা বিষয়ক মন্ত্রী লিনি প্যাথার স্টোন বলেছেন, ২০১৫ সালের মধ্যে বিয়ে বিষয়ক আইন পরিবর্তন করতে সরকার বদ্ধ পরিকর। যাতে সমকামী জুটিদের একটি রেজিস্ট্রার অফিসে বিয়ে করতে সুযোগ দেয়া হবে অথবা বর্তমানে থাকা সিভিল পার্টনারশিপ অফিসেই তা করা যাবে। এক্ষেত্রে অনেক সরকারি অফিসকেই তাদের বর্তমান পরিভাষা স্বামী-স্ত্রী পরিবর্তন করতে হবে।

শুক্রবার, ১৬ মার্চ, ২০১২

রাজশাহীতে নারী কনস্টেবলের শ্লীলতাহানি এসআই সাসপেন্ড

রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ অফিসে এক নারী কনস্টেবলের শ্লীলতাহানির দায়ে উপ-পরিদর্শক শফিকুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে । নারী কনস্টেবলের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনা তদন্ত করছেন রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝি।
সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে উপ-পরিদর্শক শফিকুর রহমান ওই নারী কনস্টেবলকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। যখন তখন তার গায়ে পড়ে কথা বলার চেষ্টা করতো সে। গত সোমবার দুপুরে গোয়েন্দা অফিসে মামলার সিডি (কেস ডকেট) লেখার কথা বলে নারী কনস্টেবলকে অপেক্ষা করতে বলে শফি। এসময় ডিবি’র অন্য সদস্যরা খাবারের জন্য অফিস ত্যাগ করে চলে যান। ফাঁকা অফিস পেয়ে শফিকুর রহমান ওই নারী কনস্টেবলের গায়ে হাত দেয়। এক পর্যায়ে অফিসের ভেতরেই তাকে জড়িয়ে ধরে। তবে ওই সময় ডিবি পুলিশের একজন পুরুষ কনস্টেবল অফিসে এসে পড়ায় শফিকও তাকে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনা কারও কাছে প্রকাশ না করার জন্য হুমকি দেয়। যৌন হয়রানির শিকার ওই নারী কনস্টেবল অভিযোগ দিতে প্রথমে যান রিজার্ভ পরিদর্শকের কাছে। তিনি পুলিশ সুপারকে অভিযোগ দেয়ার পরামর্শ দেন। তবে শফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ করে সুবিচার পাওয়ার বিষয়ে সন্দিহান ছিলেন ওই নারী কনস্টেবল। শেষ পর্যন্ত তিনি  সোমবার বিকালে যান রাজশাহীর রেঞ্জ ডিআইজির কাছে। ঘটনা খুলে বলে তিনি বিচার প্রার্থনা করেন। বিষয়টি শোনার পর ডিআইজি তাৎক্ষণিকভাবে অতিরিক্ত ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝির কাছে তাকে পাঠিয়ে দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। সূত্র জানায়, এস আই শফি ছাড়াও আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে নারী পুলিশ সদস্যদের হয়রানির অভিযোগ তুলে ধরেন ওই নারী কনস্টেবল। অতিরিক্ত ডিআইজি তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে রাজশাহীর পুলিশ সুপারকে উপ-পরিদর্শক শফিকুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেন। পুলিশ সুপার সোমবার সন্ধ্যায় সে আদেশ জারি করেন। তবে এ ঘটনা জানাজানির পর শফিকুর রহমান অসুস্থ বলে রাজশাহী পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি হন, রাতেই উন্নত চিকিৎসার কথা বলে ঢাকায় চলে যান। এদিকে অভিযোগকারী নারী কনস্টেবলকে জেলা গোয়েন্দা শাখা থেকে পুলিশ লাইনে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া, নারী পুলিশ সদস্যদের যৌন হয়রানিসহ নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রাজশাহী পুলিশ সুপারের দেহরক্ষী শামীম হোসেন, আর্দালি ইকবাল হোসেন, মেস ম্যানেজার নাসির উদ্দিন ও কম্পিউটার অপারেটর কাম টাইপিস্ট নুুরুল ইসলামকে ঢাকা মহানগর পুলিশে বদলির আদেশ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিবসনা ছবি ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয় পেয়েছেন স্কারলেট

বিবসনা ছবি ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয় পেয়েছেন স্কারলেট জোহানসন। কারণ এ ছবি ব্যবহার করে অনেকেই অনেক কিছু করে ফেলতে পারেন বলে তার ধারণা। তিনি দাবি করেছেন ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার ইমেইল ঠিকানা দিয়ে হ্যাকাররা ওই ছবিগুলো চুরি করেছে। এর আগেও তিনি এমন ঘটনার শিকার হয়েছিলেন ২০১১ সালে। সে সময়ের কথা উল্লেখ করে বর্তমান ঘটনাকে তিনি ফোন হ্যাকিং বলে অভিহিত করেছেন। এ বিষয়ে স্কারলেট বলেছেন, সমপ্রতি আমার ফোন হ্যাকিং হওয়ার পর আমি অস্বস্তি অনুভব করছিলাম এবং এটা খুব বিপজ্জনকও বটে। আমি আসলেই জানি না এমন ঘটনার জন্য কি করা উচিত।

নগ্ন হয়ে ছবির দৃশ্যে নিতু চন্দ্রা

বিভিন্ন সময়ে নানা ঘটনা ঘটিয়ে আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়ে আসছেন মডেল ও বলিউড অভিনেত্রী নিতু চন্দ্রা। বিকিনি ফটোশুটের জন্য প্রসিদ্ধ এই মডেল খোলামেলা পোশাকে দুঃসাহসিকভাবে ক্যামেরাবন্দি হয়ে যেমন আলোচনায় এসেছেন তেমনি বিভিন্ন জনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে এবং জনসম্মুখে ব্যাপক খোলামেলা উপস্থিত হয়ে সমালোচিতও হয়েছেন। এবার বলিউডের নতুন ব্যতিক্রমধর্মী একটি ছবিতে নগ্ন দৃশ্যে অভিনয় করতে যাচ্ছেন তিনি। ছবির নাম ‘কুসর প্রসাদ কা ভূত’। ছবিটি পরিচালনা করছেন গেরি গ্রেওয়াল। নিতু চন্দ্রা ছাড়াও এ ছবিতে আরও অভিনয় করছেন পরেশ রাওয়াল, রানদিপ হুদা, গোবিন্দ নামিদু প্রমুখ। ছবিতে প্রধান নারী চরিত্র হিসেবে একটি স্নানের দৃশ্যে নগ্ন হয়ে ক্যামেরাবন্দি হতে যাচ্ছেন তিনি। বিষয়টি নিতু নিজেও স্বীকার করেছেন। এদিকে নগ্ন দৃশ্যে ক্যামেরাবন্দি হওয়া ছাড়াও অভিনেতা রানদিপ হুদার সঙ্গে বেশ কিছু ঘনিষ্ঠ দৃশ্যেও দেখা যাবে নিতু চন্দ্রাকে। ছবিতে একসঙ্গে জুটিবদ্ধ হওয়ার পর থেকে বাস্তবিক জীবনেও বেশ ঘনিষ্ঠ সময় কাটাচ্ছেন নিতু-রানদিপ। বেশ কয়েকবারই তাদের একসঙ্গে আবিষ্কার করা গেছে বিভিন্ন স্থানে। নিজেদের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের কথা স্বীকারও করেছেন তারা। তবে নিতু-রানদিপের সম্পর্ক নিয়ে যে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে মিডিয়াপাড়ায়, যাতে একদমই কান দিতে রাজি নন নিতু। বরং ছবিটি নিয়েই বেশ এঙাইটেড এই সেঙসিম্বল অভিনেত্রী। এ বিষয়ে তিনি বলেছেন, রানদিপ ও আমাকে নিয়ে কানাঘুষার মানে হয় না। আমরা অনেক ভাল বন্ধু। আমি এসব কথায় আসলে কানও দিতে চাই না। ‘কুসর প্রসাদ কা ভূত’ ছবিটি নিয়ে আমি বেশ আশাবাদী। ছবিতে ভিন্নধর্মী চরিত্রে খুল্লাম খুল্লা হয়েই দর্শকদের সামনে আসছি। আমার এই খোলামেলা রুপ দর্শক বেশ উপভোগ করবেন বলেই আমার বিশ্বাস।

বুধবার, ১৪ মার্চ, ২০১২

এ টি এম শামসুজ্জামানের ছোট ছেলের হাতে বড় ছেলে খুন

বিশিষ্ট অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামানের বড় ছেলেকে তাঁর সামনেই ছুরি মেরে খুন করেছে ছোট ছেলে।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সূত্রাপুর থানায় প্রবীণ এ অভিনয়শিল্পীর পৈতৃক বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত এ টি এম কামরুজ্জামান কবীর (৪০) গাড়ির ব্যবসা করতেন। রক্তমাখা ছুরিসহ হত্যাকারী ছোট ছেলে এ টি এম খলিকুজ্জামানকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে সূত্রাপুর থানার পুলিশ। এ ঘটনার পর রাতে এ টি এম শামসুজ্জামান বাদী হয়ে সূত্রাপুর থানায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
এ টি এম শামসুজ্জামানের ভাই ইব্রাহিম জামান সাংবাদিকদের বলেন, গতকাল বেলা তিনটার দিকে বড় ছেলে কামরুজ্জামান এসে বাসায় ঢোকার লোহার গেট বন্ধ পান। ওই গেটের এক পাশে বাইরের দিকে তালা লাগানো ছিল। ধাক্কাধাক্কি করলেও ভেতর থেকে কেউ দরজা না খুললে কামরুজ্জামান তালা-চাবির মিস্ত্রি নিয়ে ওই তালা খোলার চেষ্টা করেন। তখন এ টি এম শামসুজ্জামান ভেতর থেকে দরজা খুলে দিলে তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন কামরুজ্জামান। তখন ভেতর থেকে ছুরি এনে ছোট ছেলে খলিকুজ্জামান বড় ভাইকে আঘাত করেন। আহত কামরুজ্জামানকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
থানা হেফাজতে থাকা খলিকুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, বাবার গায়ে হাত তোলায় তিনি বড় ভাইকে ছুরি মেরেছেন। খলিকুজ্জামান জানান, তিনি বাবার সহকারী হিসেবে কাজ করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, পৈতৃক সূত্রে দেবেন্দ্রনাথ দাস লেনের চারতলা ওই বাড়িটির নিচতলার মালিক এ টি এম শামসুজ্জামান। এ টি এম দম্পতি, বড় ছেলে ও তাঁর স্ত্রী এবং ছোট ছেলে এ বাড়িতেই থাকেন। মেজো ছেলে থাকেন অন্যত্র।
বড় ছেলের হত্যাকাণ্ডের পর অসুস্থ হয়ে পড়েন এ টি এম শামসুজ্জামান। তিনি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি। তবে পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছেন। পুলিশের ওয়ারী বিভাগের সহকারী কমিশনার মনজুর রহমান বলেন, শামসুজ্জামান পুলিশকে জানিয়েছেন, দুপুরের পর দরজায় করাঘাত করছিল বড় ছেলে। দরজা খুলে দিলে ছেলে তাঁকে ধাক্কা দেয়। তখনই পেছন থেকে ছুরি নিয়ে এসে ছোট ছেলে বড় ভাইকে ছুরি মারে। শামসুজ্জামান পুলিশকে আরও বলেছেন, তাঁর ছোট ছেলে মাদকাসক্ত ছিল। তাকে কয়েকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ কারণে সে মানসিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল না।
সূত্রাপুর থানার এএসআই শওকত আলী প্রথম আলোকে বলেন, রাত নয়টার দিকে এ টি এম শামসুজ্জামান ছেলে খলিকুজ্জামানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন।
চাচাতো ভাই হাসানুজ্জামান বলেন, কামরুজ্জামান কয়েক মাস আগে মিরপুরে একটি গাড়ির শোরুম খুলেছিলেন। তিনি নিঃসন্তান ছিলেন। ঘটনার সময় তাঁর মা রুনি জামান ও স্ত্রী লাকী জামান বাসায় ছিলেন না।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানায়, কামরুজ্জামানের শরীরে কয়েকটি ছুরির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কর্তব্যরত চিকিৎসক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় লোকজন, পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীরা ভিড় জমিয়েছেন বাড়ির সামনে ও ভেতরে। বাসার ভেতরে অনেক আত্মীয়স্বজন। লোহার গেটে ঢোকার মুখে শুকিয়ে আসা রক্তের দাগ। prothom-alo

সোমবার, ১২ মার্চ, ২০১২

আবার গর্ভবতী জোলি

দত্তক নেয়া চার সন্তানসহ মোট ছয় সন্তানের মা এবং অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি আবারো গর্ভবতী, এমন গুজব শোনা যাচ্ছে। এদিকে এ অভিনেত্রী জোলির দীর্ঘদিনের সঙ্গী অভিনেতা ব্র্যাড পিট তাকে স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হবার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি তার সঙ্গীর স্বাস্থ্য নিয়ে এতোটাই চিন্তিত যে, তাকে ‘খাওয়া শুরু করার আল্টিমেটাম’ দিয়েছেন। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়ার।

স্টাফ ডট কো সূত্রে জানা গেছে, অনাগত সন্তানের বাবা ব্র্যাড তার হালকা-পাতলা গড়নের ভালোবাসার মানুষটির স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত।

ব্র্যাডের উদ্ধৃতি দিয়ে এ বিষয়ে সূত্র আরো জানিয়েছে, ‘সত্যিকার অর্থে আনন্দের হলেও যমজ সন্তানের পুষ্টি এবং স্বাস্থ্যের কথা ভেবে জোলিকে ঠিকমতো খাওয়া শুরুর আল্টিমেটাম দিয়েছেন ব্র্যাড। কারণ, তিনি মনে করেন জোলির ওজন বাড়ানো উচিত।’

এদিকে এ অভিনেত্রী ২০০৮ সালে যমজ সন্তানের জন্ম দিতে গিয়ে শারীরিক গড়ন নিয়ে বিরক্ত ছিলেন। তাই হালকা গড়নের ৩৬ বছর বয়সী জোলি এখন কি করেন সেটাই দেখার বিষয়।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

বৃহষ্পতিবার, ১ মার্চ, ২০১২

বিয়ের জন্য পাত্র খুঁজছেন বিদিশা

নাশরাত চৌধুরী: এরশাদের সাবেক স্ত্রী বহুল আলোচিত বিদিশা বিয়ের জন্য পাত্র খুঁজছেন। মনের মতো পাত্র পেলেই কবুল বলবেন। জীবনটাকে আবার নতুন করে শুরু করবেন। পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে, আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষীদের কারণে এবং নিজের নিঃসঙ্গতা ঘোচাতে তিনি নতুন করে বিয়ের কথা ভাবছেন। তার মেয়ে ইসাবেলাও তাকে অনুরোধ করছে বিয়ে করার জন্য। মানবজমিন-এর সঙ্গে আলাপকালে বিদিশা বলেন, আমার মেয়ে ইসাবেলা আমাকে বলেছে, মা তুমি আবার নতুন করে তোমার জীবন শুরু করো। আমি তো পড়ালেখা শেষ করে বিয়ে করবো। বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি চলে যাবো। আমার ভাইয়াকেও বিয়ে দিতে হবে। আমরা বিয়ে করে ফেললে তুমি একা হয়ে যাবে। মেয়ের এই কথায় উপলব্ধি করেছি, বিয়ে করলে পরিবারের তরফ থেকে কোন সমস্যা হবে না, বরং সবার কাছ থেকে সহযোগিতা পাওয়া যাবে।
ব্যবসা, লেখালেখি, দত্তক মেয়েকে লালন পালন করে সময় কাটছে বিদিশার। তিনি দেড় বছর আগে দত্তক নেয়া মেয়ের নাম রেখেছেন মায়া মিন রানিয়া। আগামী জুলাই মাসে তার জন্ম দিন। তার জন্ম দিন ও মেয়ে ইসাবেলার জন্মদিন পালনের জন্য লন্ডনে যাচ্ছেন বিদিশা। সেখানে বেশ কিছুু দিন থাকবেন।
ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় বিদিশা জানান, সবাই বলছে বিয়ের কথা। এতদিন ভাবতাম বিয়ে-শাদিতে আর জড়াবো না। কারণ, এরশাদের সঙ্গে সংসার জীবন আমার মধুময় ছিল না। তাকে বিয়ে করে আমাকে অনেক মূল্য দিতে হয়েছে। অনেক কষ্ট-নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। অপমান সহ্য করতে হয়েছে। এমনকি আদালতে হেনস্তা হতে হয়েছে। এখন মনে হচ্ছে, একজন পুরুষের জন্য এটা মনে করার কোন কারণ নেই। কারণ, সবাই তো আর এরশাদের মতো না। এছাড়াও আমার বাবা, মা, ছেলে, মেয়েরা যখন আমাকে বলছে বিয়ের কথা তখন একটা কিছু করা দরকার। একা সময় কাটানো কঠিন।
বিয়ের দিনক্ষণ জানাতে না পারলেও বিদিশা জানান, আগে তো পাত্র ঠিক হতে হবে। প্রস্তাবের অপেক্ষায় আছি। কবে সেই রাজপুত্র বিয়ের প্রস্তাব দেবে। ফাইটার ফিগার হয়ে গেছি। তাই এখন আর কেউ আমাকে প্রস্তাব দেয় না। মনে করে বিদিশা মানেই ভয়ঙ্কর একটা কিছু। আমাকে সবাই মনে করে ঝামেলা। ইচ্ছা করে কে ঝামেলা নিতে চায় বলুন? হয়তো মানুষ মনে করে বিদিশাকে বিয়ে করলে আবার কোন ঝামেলা হয়। তিনি বলেন, কেন আমাকে ঘর ছাড়তে হয়েছে এটা আমি ছাড়া কেউ জানে না। কোন মেয়েরই অপমান সহ্য করে স্বামীর ঘর করা উচিত নয়। ‘শত্রুর সঙ্গে বসবাস’ আমার বইয়ে লিখেছি সেই সব কথা। ওই বইটি যারা পড়েছেন তারা বুঝবেন আসলে কেন আমাকে ঘর ছাড়তে হলো। আমি কি ঘর টিকিয়ে রাখার জন্য কম চেষ্টা করেছি। আমার পেছনে  সারাক্ষণ এরশাদের কান ভারি করার জন্য লোক লাগিয়ে রাখা হতো। রওশনের লোকেরাও আমার বিরুদ্ধে নানা কথা বলতো এরশাদের কাছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতিটা এমন হয়েছিল যে আমার আর সেখানে থাকার উপায় ছিল না। এমনকি আমার বাচ্চা নিয়েও নানা জনে নানা কথা বলেছে। অথচ এটাই সত্য, এরিখ এরশাদেরই সন্তান।
বইতে এরশাদকে নিয়ে অনেক বাড়িয়ে লিখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে- এ কথায় বিদিশা বলেন, মানুষ নিজের সম্পর্কে কেউ বাড়িয়ে লেখে না। এরশাদ নিজেও জানেন তিনি কি করেছেন। এ কারণে বইটি প্রকাশের পর তিনি কোন আপত্তি করেননি। বিয়ের জন্য কেমন পাত্র চান এ প্রশ্নে বিদিশা বলেন, এখনও তেমন পাত্র পাইনি। ক’দিন পরই বয়স হবে ৪১। সেই হিসাবে পাত্রর বয়সও হিসাব করতে হবে। আগে প্রস্তাব পাই, তারপর বিবেচনা। আগেই পছন্দ-অপছন্দ বলে দিলে সমস্যা। বিদিশা জানান, ছেলে এরিখ সপ্তাহের ছুটির দিনের যে কোন একদিন তার কাছে দুই ঘণ্টার জন্য আসে। এরিখকে পুলিশ পাহারায় ও বডি গার্ড দিয়ে পাঠান এরশাদ। ওই লোকজনের সামনেই কথা বলতে হয়। তিনি বলেন, এ সরকারের আমল বলেই আমার ছেলেকে কাছে রাখতে পারলাম না। তারা ক্ষমতাশালী। সেখানে আমার মতো একজন মায়ের কথার কি দাম আছে?
এরশাদ মহাজোট ছাড়ছেন এমন আলোচনা আছে কথা তুললে বিদিশা বলেন, দেখেন এরশাদের এখনও মহাজোট ছাড়ার মতো অবস্থা হয়নি। মহাজোট ছাড়লে তিনি মহাবিপদে পড়ে যাবেন। এরশাদ খুব ভাল করেই জানেন কোন কোন শর্তে তিনি জোটে ঢুকেছিলেন। মহাজোট ছাড়লে কি এমন হতে পারে? জোট গঠনের সময় তো আপনি মধ্যস্থতাকারী একজন ছিলেন তাই না? বিদিশা বলেন, সব কথা বলতে নেই। খালি এটুকু বলতে পারি, তিনি আপাতত মহাজোট ছাড়বেন না। না পাওয়ার বেদনা থেকে তিনি অনেক কথা বলছেন। তবে আমি মনে করি, এরশাদের যদি সাহস থাকে তাহলে অবশ্যই মহাজোট থেকে তার পদত্যাগ করা উচিত।
আপনি কি তাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন? বিদিশা বলেন, চ্যালেঞ্জই ধরে নিতে পারেন। কারণ, আমি জানি এই সময়ে তার পদত্যাগ করার সুযোগ থাকলেও উপায় নেই। তাকে বাধ্য হয়ে জোটে থাকতে হবে। আসলে ওনারা তো প্রভাবশালী মানুষ তাই অনেক কথাই বলেন। সব কথা ধরতে নেই। কারণ ওনাদের অনেক কথার দাম নেই।
তিনি বলেন, আমি কিছু করতে চাই মানেই রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত থাকবো এমনটা বলবো না। রাজনীতি ছাড়াও সামাজিক অনেক কাজ কর্ম আছে যেগুলো নিয়ে ব্যস্ত থাকা যায়। আমি সামাজিক কাজ কর্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকতে চাই। এছাড়াও ধানমন্ডিতে রেস্টুরেন্টের ব্যবসাও দেখছি। বই লিখছি। লেখালেখিটা চালিয়ে যাবো।
এখন কি লিখছেন- জানতে চাইলে বিদিশা বলেন, আমার আরও কয়েকটি বই লেখার পরিকল্পনা রয়েছে। এখন একটি বই লিখছি ‘এরিখের অপেক্ষায়’ অথবা এ‘রিখের প্রতীক্ষায় আছি’ নামে।

ধর্ষণের পর টুনি’র শরীর থেকে বের করে নেয়া হয় রক্ত

 বছরের টুনিকে ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হয়নি সন্ত্রাসীরা, তার শরীর থেকে রক্ত বের করে নিয়েছে। এরপর শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে। ঘটনাটি সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার রূপসী গ্রামের। এ ঘটনায় পুলিশ রুবেল শেখ তুহিন নামে ১৬ বছরের এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে। রুবেল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানিয়েছে সে রক্ত বিক্রেতা। রক্ত সংগ্রহ করার জন্যই এ কাজ করেছে।
এনায়েতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওহিদুজ্জামান জানান, গত ২৩শে ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় জুলেখা খাতুন টুনি কীর্তন দেখতে যাচ্ছিল। এ সময় একই গ্রামের রমজান ব্যাপারীর ছেলে রুবেল, তার সহযোগী সোহেল (১৯) ও মঞ্জিল (২০) তাকে ফুঁসলিয়ে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণ করে তারা। একপর্যায়ে টুনি অচেতন হয়ে পড়লে তার শরীর থেকে সিরিঞ্জ দিয়ে রক্ত বের করে নেয়। শুধু তাই নয়, ৩ জন মিলে হাত-পা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে তার লাশ পাশের একটি ধানক্ষেতে ফেলে পালিয়ে যায়। পরদিন লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় টুনির পিতা শুকুর আলী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি দিয়ে থানায় মামলা করেন। রোববার রাতে বাড়ি থেকে  রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিরাজগঞ্জ ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ ভটাচার্জ বলেন গ্রেপ্তারকৃত রুবেল মাত্র ৫ হাজার টাকার চুক্তিতে টুনিকে তার সহযোগীদের হাতে তুলে দেয়। গ্রেপ্তারকৃত রুবেল পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পলাতক অপর দু’ জনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা  চলছে। রুবেলকে সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর বিকালে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মানব জমিন

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | JCPenney Coupons