This is featured post 1 title
Replace these every slider sentences with your featured post descriptions.Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha - Premiumbloggertemplates.com.
This is featured post 2 title
Replace these every slider sentences with your featured post descriptions.Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha - Premiumbloggertemplates.com.
This is featured post 3 title
Replace these every slider sentences with your featured post descriptions.Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha - Premiumbloggertemplates.com.
অন্ধকার জগৎ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অন্ধকার জগৎ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১২
বলাৎকারের দায়ে ৩ বছরের জেল
সংযুক্ত আরব আমিরাতে স্কুল পড়ুয়া এক বালককে বলাৎকার করার দায়ে এক ব্যক্তিকে ৩ বছরের জেল দিয়েছে দুবাইয়ের এক আদালত। এম এ ছদ্ম নামের ২৬ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১৪ বছরের এক বালককে ২০ দিনে ৪০ বারের বেশি বলাৎকার করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিচারক হামাদ আবদুল লতিফ আবদুল জাওয়াদ বৃহস্পতিবার এই রায় দিয়েছেন। তবে সাজাপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তি উভয়ের সম্মতিক্রমে বালকের সঙ্গে সেক্স করেছেন উল্লেখ করে আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। অভিযোগপত্র মতে, ওই ব্যক্তি তার গাড়িতে বালকের সঙ্গে সেক্স করার পাশাপাশি ওই বালক তার সঙ্গে সেক্স করতে অস্বীকৃতি জানালে মোবাইল ফোনের ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে তাদের সম্পর্কের কথা বালকটির মাকে জানিয়ে দেয়ারও হুমকি দিয়েছিল। মানবজমিন ডেস্ক
শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০১২
আদিবাসী নারীদের নগ্ন নৃত্য, ভারতে তোলপাড়
রবিবার, ১ জানুয়ারি, ২০১২
পতিতালয়ে ভিনগ্রহের আবহ
অত্যাধুনিক কল্প-বিজ্ঞানের ধারণাকে কাজে লাগিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদা অঙ্গরাজ্যের এক পতিতালয় মালিক ডেনিস হফ নির্মাণ করছেন সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী এক পতিতালয়। সেখানে যাওয়া খদ্দেররা পাবেন ভিনগ্রহের স্বাদ। হলিউডের বিখ্যাত ‘অ্যাভাটার’ ছবিটির কথা সবারই মনে থাকার কথা। সেখানে যেভাবে বিখ্যাত চরিত্রগুলোকে ভিনগ্রহের জীব হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, নতুন এ পতিতালয় তো বটেই, সেখানকার পতিতাদেরকেও বিশেষ মেক-আপ ব্যবহার করে একেবারে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হবে। আর এজন্য হফ বেছে নিয়েছেন তার পুরনো ও জরাজীর্ণ চেরি প্যাচ পতিতালয়কে। এখানেই তিনি ভিনগ্রহের আমেজে গড়ে তুলবেন এরিয়া ৫১ এলিয়েন ট্র্যাভেল সেন্টার ও ক্যাটহাউজ। নেভাদার দক্ষিণে নতুন এ পতিতালয়টি আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই চালু হবে বলে আশা করছেন হফ। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডেইলি মেইল। নেভাদাই যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র অঙ্গরাজ্য, যেখানে পতিতালয় পরিচালনার বৈধ অনুমোদন দেয়া হয়। গত বছর নেভাদার দক্ষিণাঞ্চলে হফ তার যৌনবৃত্তির সাম্রাজ্যকে আরও বিস্তৃত করেন। নতুন এ পতিতালয়টির কাজ শেষ হলে, তিনি একাধারে ৫টি প্রতিষ্ঠানের বৈধ মালিক হবেন। আর তা হবে নতুন এক রেকর্ড। ইন্টারনেটে নিজস্ব বাণি ব্যাঞ্চ ওয়েবসাইটে হফ আরও বলেছেন, এলিয়েন ট্র্যাভেল সেন্টারের পতিতাদেরকে দেখলে মনে হবে, তারা নিশ্চয়ই পৃথিবীর বাইরের অন্য কোন গ্রহ থেকে এসেছে। তিনি আরও বলেন, আমি এখানে সম্পূর্ণ ভিনগ্রহের একটি দোকানের নকশার কাজ করছি। এখানে ফলমূল, ঝাল সস, চকোলেটসহ সব ধরনের খাদ্য-সামগ্রীই হবে একেবারেই আলাদা। পৃথিবীর কোন খাবারের সঙ্গে এ সবের কোন মিল খুঁজে পাওয়া যাবে না। পূর্বের চেরি প্যাচ পতিতালয় সম্পূর্ণ নতুন রূপে সাজানো হচ্ছে। এখানকার কক্ষগুলোর আকারও হবে বেশ বড়। মানবজমিন ডেস্ক
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১১
মেয়েকে ধর্ষণের শাস্তি ২০৮০ ঘা বেত
বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১১
পাষণ্ড পিতা!
যৌন ব্যবসার দায়ে অভিনেত্রী আটক
বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১১
আইনমন্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক, স্ত্রীকে রাজপ্রাসাদ থেকে বের করে দিলেন রাজা
ভাড়ায় প্রেম
কক্সবাজারে মধু’র বাণিজ্য
মহেশখালী উপজেলার পৌর এলাকার ১৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাহানা আকতার মিলি, হনুফা আকতার মধু ও কাজল। ৭-৮ বছর আগে আসে কক্সবাজারে। এ আসার পেছনেও রয়েছে কাহিনী। তাদের মা খতিজা বেগম জীনের কথা বলে বহু মানুষকে ‘স্বর্ণের ডেক’ পাইয়ে দেয়ার লোভ দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা আত্মাসৎ করে। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগীরা আইনের আশ্রয় নেয়। এ অবস্থায় তারা মহেশখালী ছাড়তে বাধ্য হয়। কক্সবাজার এসে প্রথমে শহরের মাঝেরঘাট এলাকা বাসা ভাড়া নেয় তারা। খতিজা বেগম লোভ দেখিয়ে অনৈতিক কার্যকলাপ চালাতে থাকে। মায়ের পথ ধরে বড় মেয়ে মিলি। মা ও বড় বোনের সঙ্গে যোগ দেয় হানিফা আকতার মধু-ও। তাদের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের খবর জানাজানি হলে ফুঁসে ওঠে এলাকাবাসী। এক পর্যায়ে বাড়িওয়ালার চাপে বাসা ছাড়ে তারা। এরপর বাসা নেয় টার্মিনাল এলাকায়। সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে চলে আসে বিডিআর ক্যাম্প এলাকায়। তারপর টিএমসি স্কুল সংলগ্ন এলাকায়। সেখান থেকে সিকদার মহেলর পেছনে। সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে বাজারঘাটা রয়েল হোটেলের পেছনে। এভাবে তাদের প্রায় ১৫টি বাসা ছাড়তে হয়। তাদের মধ্যে মধু’র কৌশল একটু ভিন্ন। দেহব্যবসার পাশাপাশি প্রতারণার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতে পটু সে। তাদের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে অনেকে সর্বস্বান্ত হলেও কেউ প্রতিবাদ বা উচ্চবাচ্য করার সাহস পায় না। তা করলেই তার বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেয়া হয়। এভাবে ক্ষতিপূরণ আদায় করার অনেক নজিরও রয়েছে।
২০০৮ সালের ৬ই ডিসেম্বর সদর উপজেলার ভারুয়াখালীর ইসমাইল হোসনকে বিয়ে করে মধু। ২০০৯ সালে ৬ই জুন এ বিয়ে ভেঙে যায়। এক দারোগার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ আদায় করেন ৯৩ হাজার টাকা। কিছুদিন পর সে বিয়ে করে বাংলাবাজার এলাকার শামশুল আলমকে। তার সংসারে থাকতেই শহরের টেকপাড়ার জুবাইদুল ইসলাম বাপ্পীকে বিয়ে করে পালিয়ে গিয়ে। অপরদিকে দুশ্চরিত্র মেয়েকে বিয়ে করার খবর পেয়ে পিতামাতা জুবাইরুলকে ঘর থেকে বের করে দেন। মামলাও করেন। এ মামলায় জেল খাটে জুবাইদুল ও মধু। জেল থেকে বেরিয়ে জুবাইদুল দেখে, যে স্ত্রীর জন্য পিতামাতা ত্যাগ করেছে, সে স্ত্রীর রয়েছে অসংখ্য বয়ফ্রেন্ড। নামীদামি ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ। জুবাইদুলের সন্দেহ হয়। স্ত্রীর ওপর সে তীক্ষ্ণ নজর রাখতে থাকে। কিছুদিন যাওয়ার পর তার কাছে সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যায়। তার অজান্তে প্রিয়তম স্ত্রী মধু এতদিন চালিয়ে যাচ্ছিল দেহ ব্যবসা। বিভিন্ন সময় হোটেল মোটেল জোনসহ বিভিন্ন স্থানে স্ত্রীকে ধরে ফেলে স্বামী। এসব কারণে মধুর প্রতি তার মোহ কেটে যায়। ফলে তাদের এই বিয়েও স্থায়ী হয়নি। জুবাইদুল জানায়, অনেক চেষ্টা করেও স্ত্রীকে ভাল করতে পারেনি সে। পরে অন্যের পরামর্শে তাকে ডিভোর্স দেয় স্ত্রী। বনিবনা না হওয়ায় উভয়ে আলাদা হওয়ার ব্যাপারে একটি অঙ্গীকারনামাও করে। এর কয়েকদিন পরই থানা ও কোর্টে পৃথক দু’টি মামলা করে মধু। জুবাইদুল বলে, প্রতারণার ফাঁদে ফেলে সর্বস্ব হাতিয়ে নেয়া মধুদের কাজ। মধুর বড় ভাই আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী জেসমিন আকতার জানান, মধুদের পরিবারে শহরের নামীদামি ব্যক্তিদের নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে। বিয়ের পরে মধুদের পরিবারে যাওয়ার পর থেকে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার জন্য তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। বাসায় আগন্তুক ব্যক্তিদের ‘সেবা’ দেয়ার জন্য তাকে স্বামী-শাশুড়ি-ননদ নিয়মিত অত্যাচার চালাতো। তাদের ধারাবাহিক অত্যাচার ও নির্যাতনে সহ্য করতে না পেরে এক বছর আগে স্বামী-সংসার ছেড়ে চলে এসেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি ১ সন্তানসহ বাপের বাড়িতে থাকছেন। মডেল থানার ওসি (তদন্ত) হারুন অর রশিদ জানান, ২০-২২ দিন হলো আমি মধুকে চিনি। একটি অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন করতে আমার কাছ এসেছিল সে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, শুনেছি মেয়েটি খারাপ। তার ব্যাপারে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। মডেল থানার ওসি বদরুল আলম তালুকদার জানান, মধুর আবেদনের প্রেক্ষিতে তার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই প্রভাত কর্মকারকে পরিবর্তন করে জিসানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এর বাইরে কিছু বলতে রাজি হননি তিনি। অভিযোগের বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে হনুফা আক্তার মধু বলেন, অভিযোগকারীদের সব অভিযোগ সত্য, আপনারা ভালো করে লিখে দিন।
ফাইভ স্টার হোটেলে দেহ ব্যবসা, খদ্দেরসহ অভিনেত্রী আটক
তিন মেয়েই পর্নো তারকা
শনিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১১
এবারে অমিতাভের বিরুদ্ধে অভিযোগ শায়লি'র!
কয়েক বছর ধরেই টিনসেলে কাজ করছেন শায়লি ভগত। সম্প্রতি বলিউডি ছবিকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ২৭ বছর বয়সী এই তারকা। এর পেছনের কারণ সম্পর্কে তিনি জানিয়েছেন, ‘৭ বছর ধরে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির প্রবীণ তারকা থেকে শুরু করে আমার সহ-তারকাদের কাছে বিভিন্নভাবে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছি। তাদের মধ্যে অমিতাভ বচ্চন এবং সাজিদ খানের মতো ব্যক্তিরাও আছেন।’
অমিতাভ সম্পর্কে শায়লির অভিযোগ, ‘সম্প্রতি টিনু ভার্মার ‘দিস উইকএন্ড’ ছবির মহরত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে এসেছিলেন অমিতাভ। আর সবার মতো আমিও তার পা ছুঁয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ চাইলাম। কিন্তু তখন এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটালেন তিনি। আমার নিতম্বে হাত রাখলেন এবং আস্তে আস্তে উপরের দিকে হাতটাকে ওঠাতে লাগলেন। ঘটনায় আমি পুরোপুরি হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম।’
শায়লি জানিয়েছেন, ‘আমি বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম, কাউকেই কিছু বলতে পারিনি। অমিতাভের বয়স এখন ৭০। তিনি আমার দাদার বয়সী। এই বয়সে আমার সঙ্গে এ ধরনের বিষয় তিনি কীভাবে করলেন তার কোনো উত্তর আমার জানা নেই!’
সাজিদ খান সম্পর্কে শায়লির অভিযোগ, ‘হাউসফুল ছবির অভিনয়শিল্পী নির্বাচনের অজুহাতে সাজিদ আমাকে তার অফিসে ডেকেছিলেন। সেখানে যাওয়ার পর এক বিস্ময়কর ঘটনার মুখোমুখি হলাম। আমার সামনে সাজিদ পুরোপুরি বিবসন অবস্থায় দাঁড়ালেন এবং সেখানেই তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দিলেন। আমি চিৎকার করে তার অফিস থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলাম।’
‘চোরো কি বারাত’ ছবির সহ-অভিনেতা আরিয়ান বাব্বরের বিরুদ্ধেও যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন শায়লি। তিনি জানিয়েছেন, ‘চোরো কি বারাত ছবিতে একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে আরিয়ানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিলো আমার। কিন্তু কিছুদিন পর থেকেই তিনি আমাকে ঘনঘন উত্তেজক এসএমএস পাঠানো শুরু করলেন।’
শায়লির ভাষ্য, ‘এতোকিছুর পরও আমি চুপ করেইছিলাম। কিন্তু আর নয়। আমি বলিউডি ছবিকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শিগগিরই মিলানে চলে যাবো। সেখানে মডেলিংয়ে আমার ক্যারিয়ার গড়ে তুলবো।’
বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম
বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০১১
পাকিস্তানে আদিবাসী নারীরা বর্বরতার শিকার
পাকিস্তানের আদিবাসী এলাকায় পারিবারিক ও সামাজিক নানাবিধ দ্বন্দ্ব- সংঘাতের পরিণতি ভোগ করতে হয় নারীদের। বাবা, ভাই ও স্বামীসহ নিকট আত্মীয় পুরুষের অপরাধের শাস্তি হিসেবে নারীদের ওপর ঘটে পাশবিক নির্যাতন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদনে পাকিস্তানের দুর্গম এলাকার আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে চলতে থাকা এ বর্বরতার চিত্র উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে গত ১৪ এপ্রিলের একটি ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।
পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলের কোহাউর জুনোবি গ্রামের অধিবাসী আসমা ফেরদৌস (২৮)। ১৪ এপ্রিল দুজন লোক আসমার বাসায় ঢুকে তার ছয়টি আঙ্গুল কেটে ফেলে। তার দুই হাত ও ঠোঁটে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। কেটে নেয় নাকের একাংশ। নির্যাতন শেষে যাওয়ার সময় ঘরের মধ্যে তাকে আটকে রেখে যায়।
আসমার অপরাধ ছিলো এক আত্মীয় নারীর সঙ্গে তার স্বামীর অবৈধ সম্পর্ক। স্বামীর অপকর্মের সাজা হিসেবে আসমার ওপর ঘটে ওই নির্মম নির্যাতন।
পাকিস্তানের কৃষিনির্ভর সামন্ততান্ত্রিক ওই অঞ্চলে নারীদের ওপর এ ধরনের সহিংস ঘটনা ঘটে প্রায়ই। সেখানে পারিবারিক বিরোধের শিকার হন নারীরা। ওই অঞ্চলে নারীদের ওপর এ ধরনের সহিংসতার ও পাশবিকতার মাত্রা ক্রমে বেড়েই চলেছে।
মুলতান শহরের কাছে এক হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন আসমা। তার শয্যার পাশে চুপচাপ বসে ছিলেন তারা বাবা-মা। মেয়ের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজেদের কষ্টের কথা বলেন তারা।
আসমার বাবা গুলাম মুস্তফা বলেন, "এখান থেকে যাওয়ার পর তার (আসমার) ভাগ্যে কী আছে তা আমি জানি না।"
আসমাকে তার স্বামী আবার ঘরে তুলবে কি না জানতে চাইলে নিশ্চুপ থাকেন মুস্তফা।
থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, আফগানিস্তান ও ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর পর পাকিস্তানে নারীদের ওপর সবচেয়ে বেশি সহিংসতা হয়।
পাকিস্তানের মানবাধিকার কমিশন তাদের ২০১০ সালের প্রতিবেদনে বলেছে, দেশটিতে এক বছরে প্রায় আটশ' নারী পারিবারিক সংঘাতের কারণে নিহত হয়েছেন এবং দুই হাজার নয়শ' নারী ধর্ষিত হয়েছেন। গড়ে প্রতিদিন আটজন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
আর পাকিস্তানের সবচেয়ে জনবহুল প্রদেশ পাঞ্জাবেই নারীরর ওপর সহিংস ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে। এক বছরে কেবল ওই প্রদেশেই দুই হাজার ছয়শ' নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদনে পাকিস্তানের দুর্গম এলাকার আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে চলতে থাকা এ বর্বরতার চিত্র উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে গত ১৪ এপ্রিলের একটি ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।
পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলের কোহাউর জুনোবি গ্রামের অধিবাসী আসমা ফেরদৌস (২৮)। ১৪ এপ্রিল দুজন লোক আসমার বাসায় ঢুকে তার ছয়টি আঙ্গুল কেটে ফেলে। তার দুই হাত ও ঠোঁটে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। কেটে নেয় নাকের একাংশ। নির্যাতন শেষে যাওয়ার সময় ঘরের মধ্যে তাকে আটকে রেখে যায়।
আসমার অপরাধ ছিলো এক আত্মীয় নারীর সঙ্গে তার স্বামীর অবৈধ সম্পর্ক। স্বামীর অপকর্মের সাজা হিসেবে আসমার ওপর ঘটে ওই নির্মম নির্যাতন।
পাকিস্তানের কৃষিনির্ভর সামন্ততান্ত্রিক ওই অঞ্চলে নারীদের ওপর এ ধরনের সহিংস ঘটনা ঘটে প্রায়ই। সেখানে পারিবারিক বিরোধের শিকার হন নারীরা। ওই অঞ্চলে নারীদের ওপর এ ধরনের সহিংসতার ও পাশবিকতার মাত্রা ক্রমে বেড়েই চলেছে।
মুলতান শহরের কাছে এক হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন আসমা। তার শয্যার পাশে চুপচাপ বসে ছিলেন তারা বাবা-মা। মেয়ের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজেদের কষ্টের কথা বলেন তারা।
আসমার বাবা গুলাম মুস্তফা বলেন, "এখান থেকে যাওয়ার পর তার (আসমার) ভাগ্যে কী আছে তা আমি জানি না।"
আসমাকে তার স্বামী আবার ঘরে তুলবে কি না জানতে চাইলে নিশ্চুপ থাকেন মুস্তফা।
থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, আফগানিস্তান ও ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর পর পাকিস্তানে নারীদের ওপর সবচেয়ে বেশি সহিংসতা হয়।
পাকিস্তানের মানবাধিকার কমিশন তাদের ২০১০ সালের প্রতিবেদনে বলেছে, দেশটিতে এক বছরে প্রায় আটশ' নারী পারিবারিক সংঘাতের কারণে নিহত হয়েছেন এবং দুই হাজার নয়শ' নারী ধর্ষিত হয়েছেন। গড়ে প্রতিদিন আটজন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
আর পাকিস্তানের সবচেয়ে জনবহুল প্রদেশ পাঞ্জাবেই নারীরর ওপর সহিংস ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে। এক বছরে কেবল ওই প্রদেশেই দুই হাজার ছয়শ' নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
১২ বছরেই বিকিনি পরা ছবি ১৫তেই অন্তঃসত্ত্বা
মাত্র ৭ বছর বয়স থেকে তাকে ডিসকো পার্টিতে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন। আর এখন সয়া কিভেনির বয়ফ্রেন্ড জ্যাককে মেয়ের সঙ্গে রাত কাটানোর অবাধ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছেন। সয়াদের বাড়িতেই রাতে থাকে এখন জ্যাক। এরই ফল হিসেবে সয়া কিভেনি এখন ১২ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। এ নিয়ে অনেকজন অনেক কথা বলছেন। তাতে কান দিচ্ছেন না সয়া কিভেনির মা জেনিস। গতকাল এ খবর দিয়েছে অনলাইন দ্য সান। এতে বলা হয়, সয়া কিভেনির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর জানতে পেরে তার মা জেনিসের আর গর্ব ধরছে না। তিনি আহ্লাদে একেবারে গদগদ।
আর তাই বলেছেন, আমাদের তিন বেডরুমের বাসাটি এখন লোকসংখ্যার তুলনায় একেবারে ছোট হয়ে গেছে। একই বাড়িতে থাকে আমার মেয়ে কোকো এবং রিজি, ছেলে ট্যারোট, সয়ার বয়ফ্রেন্ড জ্যাক এবং আমার এক মেয়ের শিশু সন্তান। আমার আশা, সয়ার সন্তান যখন আসবে তখন কাউন্সিল আমাদেরকে ৪ বা ৫ বেডরুমের একটি বাসা দেবে। আমরা এরই মধ্যে সবকিছু গোছগাছ শুরু করেছি। সয়া গর্ভপাতে বিশ্বাসী নয়। সে যে মা হচ্ছে এটা শতভাগ নিশ্চিত। আমার বিশ্বাস সে চমৎকার একজন মা হবে। সে নিজের সন্তানদের শিখাবে আমার মতো শৃঙ্খলাবোধ। ওদিকে সন্তান ধারণ করতে পেরে সয়া কিভেনিও কম উৎফুল্ল নয়। সে বলেছে, প্রথমে আমি দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলাম। তবে এখন আমি খুব উপভোগ করছি বিষয়টা।
ওই রিপোর্টে বলা হয়, সয়া কিভেনির মা জেনিস তার মেয়ের স্বপ্ন পূরণে দিয়েছেন পূর্ণাঙ্গ সহায়তা। তাকে খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করিয়েছেন। পরিণত বয়স না হলেও তাকে পাঠানো হয়েছে শরীর চর্চার কেন্দ্রে। ওদিকে সয়া কিভেনির যেসব বিকিনি পরা ছবি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে তা নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এক অভিভাবক বলেছেন, আমাদের মনে হয় তার মায়ের এভাবে মেয়েকে ছেড়ে দেয়া ঠিক হয়নি। তিনি কি কিশোরী মেয়ে শিকারিদের নাম শোনেননি? জেনিস এক স্কুলের সাবেক সেক্রেটারি। এখন অবসরভাতা পান। তিনি সয়া কিভেনিকে ক্লিভল্যান্ডের থর্নাবিতে মাত্র ৭ বছর বয়সে ডিসকোতে যেতে দিতেন। তাকে মেকাপ করাতেন। পরাতেন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পোশাক। শরীরের উপরের অংশের অনেকটাই থাকতো অনাবৃত। জেনিস বলেন, সয়া এখনও মাত্র কিশোরী।

অনেকটা অপরিণত। কিন্তু যখন সে তার বন্ধুদের সঙ্গে বাইরে যায় তখন তার ওপর আমার শতভাগ আস্থা আছে। তার ১২ বা ১৩ বছর বয়সে সে একটা ১৮ বছরের কম বয়সীদের ডিসকোতে গিয়েছিল। পরে সে আমাকে বলেছে, সেখানে এক অদ্ভুত প্রতিযোগিতা হয়েছে। তা হলো- কে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ছেলেকে চুমু খেতে পেরেছে তা নিয়ে। এতে তো আমি ক্ষতির কিছু দেখি না। কারণ, তা শুধু চুমুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। জেনিস স্বীকার করেছে, সে সয়া কিভেনির বয়ফ্রেন্ড জ্যাককে তার বাসায় রাতে থাকার অনুমতি দিয়েছেন। তবে সয়া ও সে আলাদা আলাদা বেডরুমে থাকতো এবং ওই সময়ে সয়া ব্যবহার করতো পিল। সয়া এখন ১২ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। এই সময়ে তিনি তাদের আলাদাই রাখতে চান। তিনি বলেন, লোকজন মনে করতে পারে আমি ঘোড়ার আগে গাড়ি চালিয়ে আইন লঙ্ঘন করছি। কিন্তু আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি জানুয়ারিতে সয়ার বয়স ১৬ বছর পূর্ণ হবে। এর আগে তাকে ও জ্যাককে আমি আমার বাসায় এক বেডরুমে থাকতে দেব না।
মানবজমিন
শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১১
'তানজানিয়ায় একতৃতীয়াংশ মেয়েশিশু যৌন পীড়নের শিকার'
তানজানিয়ায় প্রায় এক তৃতীয়াংশ মেয়েশিশু ১৮ বছর হওয়ার আগেই যৌন সহিংসতার শিকার হয়।
আর ছেলেশিশুদের ক্ষেত্রে একই ধরনের সহিংসতার শিকার হয় ১৩.৪ শতাংশ।
সম্প্রতি জাতিসংঘের শিশু সংস্থার এক জরিপে এই পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয় বলে বিবিসি জানায়।
এতে বলা হয়, দেশটিতে যৌন হয়রানির সবচেয়ে সাধারণ উপায় হলো জোরপূর্বক যৌনকর্মের প্রচেষ্টা। এরই জের ধরে এসেছে শরীরের স্পর্শকাতর অংশ স্পর্শ করা।
জরিপে আরো দেখা যায়, ১৮ বছর বয়সের আগেই যৌন সম্পর্কের অভিজ্ঞতা হয়েছে এমন ২৯.১ শতাংশ মেয়ে ও ১৭.৫ শতাংশ ছেলে জানিয়েছে, এতে তাদের সম্মতি ছিল না।
আর এর অর্থ, তাদের বাধ্য করা হয়েছে।
জাতিসংঘের কর্মকর্তা অ্যান্ডি ব্র"কস বলেন, যেকোন দেশে এ বিষয়ে পরিচালিত এটাই হচ্ছে সবচেয়ে বিস্তৃত জরিপ। আর দেশটির সরকারও এ সমস্যা মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।
বিবিসির আফ্রিকা বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, "ছেলে ও মেয়েশিশু হয়রানির বিষয়ে বিস্তৃত তথ্য প্রদানের বিষয়ে তানজানিয়াই সর্বপ্রথম সাহস দেখিয়েছে।"
দেশটির শিক্ষামন্ত্রী সুকুরু কাওয়াম্বাওয়া জানান, যৌন হয়রানি বন্ধে সরকার উদ্যোগ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আওতায় হয়রানির শিকার শিশুরা যাতে তা জানাতে পারে তার ব্যবস্থা করা হবে। একইসঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের যতœ নেওয়ার জন্য শিক্ষকদের প্রতিও আহ্বান জানানো হবে।
কেনিয়া, রুয়ান্ডা, মালায়ি, জিম্বাবুয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকায় একই ধরনের জরিপ চালানো হবে বলেও জাতিসংঘ কর্মকর্তা ব্র"কস জানান।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/
আর ছেলেশিশুদের ক্ষেত্রে একই ধরনের সহিংসতার শিকার হয় ১৩.৪ শতাংশ।
সম্প্রতি জাতিসংঘের শিশু সংস্থার এক জরিপে এই পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয় বলে বিবিসি জানায়।
এতে বলা হয়, দেশটিতে যৌন হয়রানির সবচেয়ে সাধারণ উপায় হলো জোরপূর্বক যৌনকর্মের প্রচেষ্টা। এরই জের ধরে এসেছে শরীরের স্পর্শকাতর অংশ স্পর্শ করা।
জরিপে আরো দেখা যায়, ১৮ বছর বয়সের আগেই যৌন সম্পর্কের অভিজ্ঞতা হয়েছে এমন ২৯.১ শতাংশ মেয়ে ও ১৭.৫ শতাংশ ছেলে জানিয়েছে, এতে তাদের সম্মতি ছিল না।
আর এর অর্থ, তাদের বাধ্য করা হয়েছে।
জাতিসংঘের কর্মকর্তা অ্যান্ডি ব্র"কস বলেন, যেকোন দেশে এ বিষয়ে পরিচালিত এটাই হচ্ছে সবচেয়ে বিস্তৃত জরিপ। আর দেশটির সরকারও এ সমস্যা মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।
বিবিসির আফ্রিকা বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, "ছেলে ও মেয়েশিশু হয়রানির বিষয়ে বিস্তৃত তথ্য প্রদানের বিষয়ে তানজানিয়াই সর্বপ্রথম সাহস দেখিয়েছে।"
দেশটির শিক্ষামন্ত্রী সুকুরু কাওয়াম্বাওয়া জানান, যৌন হয়রানি বন্ধে সরকার উদ্যোগ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আওতায় হয়রানির শিকার শিশুরা যাতে তা জানাতে পারে তার ব্যবস্থা করা হবে। একইসঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের যতœ নেওয়ার জন্য শিক্ষকদের প্রতিও আহ্বান জানানো হবে।
কেনিয়া, রুয়ান্ডা, মালায়ি, জিম্বাবুয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকায় একই ধরনের জরিপ চালানো হবে বলেও জাতিসংঘ কর্মকর্তা ব্র"কস জানান।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/
তানজানিয়ায় অবিবাহিতা মেয়েরা স্কুল ছাড়ছে বিয়ের কারণে নয় গর্ভবতী হওয়ার কারণে
হ-বাংলা নিউজ : প্রতি বছর তানজানিয়ায় প্রায় আট হাজার মেয়ে গর্ভবতীর হওয়ায় স্কুল ছাড়তে বাধ্য হয়৷ এত অল্প বয়সে গর্ভধারণ রোধের নানা বিষয়গুলো এদের কাছে পুরোপুরি আজানা থাকায় এরা গর্ভবতী হয়ে পড়ে৷ ইহানামিলো উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ধরণের ঘটনা গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকবার ঘটেছে৷ প্রতিদিনের মত মেয়েরা স্কুল ড্রেস পডরে স্কুলে এসেছে, সবাই মনোযোগ দিয়ে ক্লাস করছে৷ এদের একজন ১৯ বছরের এস্থার৷ ক্লাশ টেনের ছাত্রী৷ এক বছর আগে এস্থার একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছে৷ অথচ এস্থার এখনো অবিবাহিতা৷ এস্থার জানাল, ‘‘আমি যখন গর্ভবতী ছিলাম তখন নিয়মিত স্কুলে আসতে পারতাম না৷ শারীরিকভাবে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন আমি হয়েছিলাম৷ আমার পুরো জীবন পাল্টে যায়৷ আগের মত আর কোন কিছুই নেই৷''
এস্থারের ভাগ্য ভাল৷ কারণ তার বাবা-মা সন্তানসম্ভা থাকার সময় এস্থারের পাশে থেকেছে৷ বার বার মেয়েকে বুঝিয়েছে গর্ভবতী হলে বা একটি সন্তান হলেই সব শেষ হয়ে যায় না৷ এস্থারের বাবা-মা স্কুলের পাট শেষ করার ওপর জোর দিয়েছেন, এস্থার এখন নিয়মিত স্কুলে আসছে৷
তবে সবাই এস্থারের মত ভাগ্যবতী নয়৷ এস্থারের ক্লাশে আরো চারটি মেয়ে আছে৷ তাদের সবার একটি করে সন্তান রয়েছে এবং এরা সবাই প্রাণপণে চেষ্টা করছে স্কুল শেষ করার৷ তবে বেশিরভাগ মেয়েই শেষ পর্যন্ত আর স্কুলে আসার সময় পায় না৷ বাড়িতে বাচ্চাকে দেখাশোনার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় আর স্কুলে আসা হয় না৷ তবে বাবা-মায়ের কাছ থেকে সব ধরণের সাহায্য আর সহযোগিতা পাওয়ার পরও এস্থার মনে করে একই সঙ্গে মা এবং স্কুল ছাত্রী হওয়া সহজ নয়৷ বাড়ি থেকে স্কুল ১০ কিলোমিটারের পথ৷ প্রতিদিন পায়ে হেঁটে স্কুলে যেতে হয়৷ বাড়ি ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যা হয়ে যায়৷
এসব মেয়েদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছে তানজানিয়া মেডিয়া ওম্যান এসোসিয়েশন৷ সংস্থায় কাজ করছেন আনানিলেয়া ইনকিয়া৷ তিনি জানান, এত দূরের পথ যেন হাঁটতে না হয় তাই অনেকেই মেয়েদের বলে যে সাইকেল অথবা মোটর বাইকে স্কুলে পৌঁছে দেয়া হবে তাদের৷ আর মেয়েগুলোও রাজি হয়ে যায় এরপরই ঘটে অঘটনগুলো৷ এর পাশাপাশি রয়েছে স্কুলের কোন কোন শিক্ষকের হুমকি৷ ছাত্রীকে যদি হাতের মুঠোয় না পাওয়া যায় তাহলে সেই ছাত্রীকে কখনোই পরীক্ষায় পাশ করানো হয় না৷
এসব মেয়েদের বাবা-মায়েরা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে না কারণ তাদের আগে থেকেই টাকা দেয়া হয় প্রতিবাদ না করার জন্য৷ তবে ইনকিয়ার বিশ্বাস, একদিন এই অবস্থার পরিবর্তন হবে এবং সেই দিন খুব দূরে নয়৷
এস্থারের ভাগ্য ভাল৷ কারণ তার বাবা-মা সন্তানসম্ভা থাকার সময় এস্থারের পাশে থেকেছে৷ বার বার মেয়েকে বুঝিয়েছে গর্ভবতী হলে বা একটি সন্তান হলেই সব শেষ হয়ে যায় না৷ এস্থারের বাবা-মা স্কুলের পাট শেষ করার ওপর জোর দিয়েছেন, এস্থার এখন নিয়মিত স্কুলে আসছে৷
তবে সবাই এস্থারের মত ভাগ্যবতী নয়৷ এস্থারের ক্লাশে আরো চারটি মেয়ে আছে৷ তাদের সবার একটি করে সন্তান রয়েছে এবং এরা সবাই প্রাণপণে চেষ্টা করছে স্কুল শেষ করার৷ তবে বেশিরভাগ মেয়েই শেষ পর্যন্ত আর স্কুলে আসার সময় পায় না৷ বাড়িতে বাচ্চাকে দেখাশোনার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় আর স্কুলে আসা হয় না৷ তবে বাবা-মায়ের কাছ থেকে সব ধরণের সাহায্য আর সহযোগিতা পাওয়ার পরও এস্থার মনে করে একই সঙ্গে মা এবং স্কুল ছাত্রী হওয়া সহজ নয়৷ বাড়ি থেকে স্কুল ১০ কিলোমিটারের পথ৷ প্রতিদিন পায়ে হেঁটে স্কুলে যেতে হয়৷ বাড়ি ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যা হয়ে যায়৷
এসব মেয়েদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছে তানজানিয়া মেডিয়া ওম্যান এসোসিয়েশন৷ সংস্থায় কাজ করছেন আনানিলেয়া ইনকিয়া৷ তিনি জানান, এত দূরের পথ যেন হাঁটতে না হয় তাই অনেকেই মেয়েদের বলে যে সাইকেল অথবা মোটর বাইকে স্কুলে পৌঁছে দেয়া হবে তাদের৷ আর মেয়েগুলোও রাজি হয়ে যায় এরপরই ঘটে অঘটনগুলো৷ এর পাশাপাশি রয়েছে স্কুলের কোন কোন শিক্ষকের হুমকি৷ ছাত্রীকে যদি হাতের মুঠোয় না পাওয়া যায় তাহলে সেই ছাত্রীকে কখনোই পরীক্ষায় পাশ করানো হয় না৷
এসব মেয়েদের বাবা-মায়েরা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে না কারণ তাদের আগে থেকেই টাকা দেয়া হয় প্রতিবাদ না করার জন্য৷ তবে ইনকিয়ার বিশ্বাস, একদিন এই অবস্থার পরিবর্তন হবে এবং সেই দিন খুব দূরে নয়৷




১:২০ PM
Akashnill
Posted in: