অন্ধকার জগৎ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অন্ধকার জগৎ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১২

বলাৎকারের দায়ে ৩ বছরের জেল

সংযুক্ত আরব আমিরাতে স্কুল পড়ুয়া এক বালককে বলাৎকার করার দায়ে এক ব্যক্তিকে ৩ বছরের জেল দিয়েছে দুবাইয়ের এক আদালত। এম এ ছদ্ম নামের ২৬ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১৪ বছরের এক বালককে ২০ দিনে ৪০ বারের বেশি বলাৎকার করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিচারক হামাদ আবদুল লতিফ আবদুল জাওয়াদ বৃহস্পতিবার এই রায় দিয়েছেন। তবে সাজাপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তি উভয়ের সম্মতিক্রমে বালকের সঙ্গে সেক্স করেছেন উল্লেখ করে আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। অভিযোগপত্র মতে, ওই ব্যক্তি তার গাড়িতে বালকের সঙ্গে সেক্স করার পাশাপাশি ওই বালক তার সঙ্গে সেক্স করতে অস্বীকৃতি জানালে মোবাইল ফোনের ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে তাদের সম্পর্কের কথা বালকটির মাকে জানিয়ে দেয়ারও হুমকি দিয়েছিল। মানবজমিন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০১২

আদিবাসী নারীদের নগ্ন নৃত্য, ভারতে তোলপাড়

ভারতের আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে পর্যটকদের মনোরঞ্জনের উদ্দেশ্যে আদিবাসী নারীদের প্রায় নগ্ন করে নাচতে বাধ্য করার ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে প্রশাসনে। সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। বৃটেনের গার্ডিয়ান পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টের সঙ্গে দেয়া এক ভিডিওতে দেখা গেছে, আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের তিন হাজার বছরের পুরনো আদিবাসী জারাওয়া উপজাতির নারীদেরকে পর্যটকদের আনন্দ দেয়ার উদ্দেশ্যে প্রায় নগ্ন করে নাচানো হচ্ছে। আর এ কাজে সহযোগিতা করছে সেখানকারই পুলিশ। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে সেখানকার স্থানীয় পুলিশকে পর্যটকরা ঘুষের বিনিময়ে আদিবাসী নারীদেরকে প্রায় নগ্ন অবস্থায় নাচাতে উদ্বুদ্ধ করে। আর এ ধরনের মনোরঞ্জনের আশায় সেখানে সমপ্রতি পর্যটকের সংখ্যাও অনেক বেড়ে গেছে বলে গার্ডিয়ান জানিয়েছে। একজন টুরিস্টের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, স্থানীয় পুলিশ আদিবাসী এক নারীকে নাচার নির্দেশ দিচ্ছেন। ভিডিওতে অবশ্য নির্দেশকারী ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে দেখা যায়নি। পুলিশ আদিবাসী নারীকে খাবারের লোভ দেখিয়ে নাচতে উদ্বুদ্ধ করছে বলে ভিডিওতে শোনা গেছে। এ জন্য অবশ্য পুলিশকে পর্যটকরা ২০০ পাউন্ড পর্যন্ত ঘুষ দেয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নিভৃতচারী জারাওয়া উপজাতির সদস্যরা এতদিন লোক চক্ষুর আড়ালেই ছিলেন। সমপ্রতি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। বহির্বিশ্বের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পরেই তাদেরকে এ ধরনের কাজে বাধ্য করা লজ্জার বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারি তথ্যানুযায়ী দক্ষিণ আন্দামানের প্রত্যন্ত জঙ্গলে জারাওয়া উপজাতির ৪০৩ জন সদস্য রয়েছেন। তারা বেশ বিশ্বাসপ্রবন এবং নিরীহ। তাদের অবস্থাও বেশ করুণ। তাই তারা সহজেই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন বলে গার্ডিয়ান উল্লেখ করেছে। এদিকে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আন্দামান এবং নিকোবর প্রশাসনের কাছে এ ধরনের উপজাতি নারীকে নগ্ন নাচে বাধ্য করার ব্যাপারে উপযুক্ত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। এ ঘটনাকে অত্যন্ত আপত্তিকর এবং ঘৃণ্য বলে উল্লেখ করে উপজাতিবিষয়ক মন্ত্রী কে পি সিং দেও একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে বলেছেন, এ ঘটনায় জড়িতদের কোনভাবেই ক্ষমা করা হবে না। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হবে। আইন ও সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রী সালমান খুরশিদও বলেছেন এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রবিবার, ১ জানুয়ারি, ২০১২

পতিতালয়ে ভিনগ্রহের আবহ

অত্যাধুনিক কল্প-বিজ্ঞানের ধারণাকে কাজে লাগিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদা অঙ্গরাজ্যের এক পতিতালয় মালিক ডেনিস হফ নির্মাণ করছেন সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী এক পতিতালয়। সেখানে যাওয়া খদ্দেররা পাবেন ভিনগ্রহের স্বাদ। হলিউডের বিখ্যাত ‘অ্যাভাটার’ ছবিটির কথা সবারই মনে থাকার কথা। সেখানে যেভাবে বিখ্যাত চরিত্রগুলোকে ভিনগ্রহের জীব হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, নতুন এ পতিতালয় তো বটেই, সেখানকার পতিতাদেরকেও বিশেষ মেক-আপ ব্যবহার করে একেবারে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হবে। আর এজন্য হফ বেছে নিয়েছেন তার পুরনো ও জরাজীর্ণ চেরি প্যাচ পতিতালয়কে। এখানেই তিনি ভিনগ্রহের আমেজে গড়ে তুলবেন এরিয়া ৫১ এলিয়েন ট্র্যাভেল সেন্টার ও ক্যাটহাউজ। নেভাদার দক্ষিণে নতুন এ পতিতালয়টি আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই চালু হবে বলে আশা করছেন হফ। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডেইলি মেইল। নেভাদাই যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র অঙ্গরাজ্য, যেখানে পতিতালয় পরিচালনার বৈধ অনুমোদন দেয়া হয়। গত বছর নেভাদার দক্ষিণাঞ্চলে হফ তার যৌনবৃত্তির সাম্রাজ্যকে আরও বিস্তৃত করেন। নতুন এ পতিতালয়টির কাজ শেষ হলে, তিনি একাধারে ৫টি প্রতিষ্ঠানের বৈধ মালিক হবেন। আর তা হবে নতুন এক রেকর্ড। ইন্টারনেটে নিজস্ব বাণি ব্যাঞ্চ ওয়েবসাইটে হফ আরও বলেছেন, এলিয়েন ট্র্যাভেল সেন্টারের পতিতাদেরকে দেখলে মনে হবে, তারা নিশ্চয়ই পৃথিবীর বাইরের অন্য কোন গ্রহ থেকে এসেছে। তিনি আরও বলেন, আমি এখানে সম্পূর্ণ ভিনগ্রহের একটি দোকানের নকশার কাজ করছি। এখানে ফলমূল, ঝাল সস, চকোলেটসহ সব ধরনের খাদ্য-সামগ্রীই হবে একেবারেই আলাদা। পৃথিবীর কোন খাবারের সঙ্গে এ সবের কোন মিল খুঁজে পাওয়া যাবে না। পূর্বের চেরি প্যাচ পতিতালয় সম্পূর্ণ নতুন রূপে সাজানো হচ্ছে। এখানকার কক্ষগুলোর আকারও হবে বেশ বড়। মানবজমিন ডেস্ক

রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১১

মেয়েকে ধর্ষণের শাস্তি ২০৮০ ঘা বেত

সৌদি আরবে মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে এক পাষাণ্ড পিতাকে ১৩ বছরের জেল ও ২০৮০ ঘা বেত মারার রায় দিয়েছে এক আদালত। সৌদি আরবের মক্কা নগরীর এক আদালত ওই সোদি নাগরিকের বিরুদ্ধে তার কিশোরী মেয়েকে নেশাগ্রস্ত করে গত ৭ বছর ধরে ধর্ষণ করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এই রায় প্রদান করে।  স্থানীয় প্রভাবশালী ওকাজ পত্রিকা গত শনিবার এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে। তবে ওই ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেনি। সৌদি ধর্মীয় পুলিশ জানায়, মেয়ের চাচার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তারা এই অপরাধ উদঘাটন করেন।   মানব জমিন

বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১১

পাষণ্ড পিতা!

 পাষণ্ড এক পিতাকে নিয়ে জার্মানিতে তোলপাড় চলছে। ৬৯ বছর বয়সী ওই পিতার নাম অ্যাডলফ বি। তাকে জার্মানির জোসেফ ফ্রিটজলের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। কেউ কেউ তার নামে থু-থু ছিটাচ্ছেন। এর কারণ অ্যাডলফ বি অমানুষের মতো নিজের কন্যাকে ৩৪ বছর যাবৎ ধর্ষণ করেছে। এর ফলে ওই কন্যা তিনটি সন্তানের মা হয়েছেন। এতটা সময় অ্যাডলফ বি তার পুরো পরিবারকে মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য করেছে। সব ঘটনা ঘটিয়েছে অস্ট্রেলিয়ায় তার বাড়ির মাটির নিচে অন্ধকার বাঙ্কারে। সেখানে দিনের পর দিন সে তার মেয়ের সঙ্গে এ অনৈতিক সম্পর্ক গড়েছে। অ্যাডলফ বি’র রয়েছে স্ত্রী, সন্তান। কিন্তু দীর্ঘদিন সে মাটির নিচে প্রকোষ্ঠে আটকিয়ে তাদের মুখ বন্ধ রেখেছে। যে মেয়ের সঙ্গে সে এই সম্পর্ক গড়েছে তার এখন বয়স ৪৬ বছর। এ ঘটনা এক পর্যায়ে চলে যায় পুলিশের কানে। পুলিশ জার্মানির উইলমার্সব্যাচ গ্রামে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করে ওই পরিবারের সবাইকে। এ সময় অ্যাডলফ বি’র ওই মেয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, তার বয়স যখন ১২ বছর তখন থেকেই তার পিতা তাকে ধর্ষণ শুরু করে। তা অব্যাহত থাকে গত ৩৪টি বছর। তিনি মা, ভাই-বোনের সঙ্গে ওই একই বাড়িতে অবস্থান করতেন। সেখানে পরিবারের সবাইকে প্রহার করা হতো। তাদের ভয় দেখানো হতো। নুরেমবার্গ-ফুর্ট আঞ্চলিক আদালতে এক প্রসিকিউটর বলেছেন, অ্যাডলফ বি’র ওই কন্যা তার পিতার কারণে তিনটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তার মধ্যে একটি সন্তান শৈশবেই মারা গিয়েছে। অন্য একটি সন্তান সমপ্রতি মারা গিয়েছে। তৃতীয় সন্তানটি এখনও বেঁচে আছে। এসব অভিযোগে গতকাল জার্মানির স্থানীয় সময় সকালে হুইল চেয়ারে করে আদালতে হাজির করা হয় অ্যাডলফ বি’কে। এ সময় তার আইনজীবী আদালতকে বলেন, তার কন্যা পিতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছে। কিন্তু তাদের মধ্যে যে সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে তা ছিল দু’জনের সমঝোতার ভিত্তিতে। জার্মানির আইন অনুযায়ী অ্যাডলফ বি যদি দোষী প্রমাণিত হয় তাহলে তাকে জেল অথবা জরিমানা করা হতে পারে। এ বিচার চলবে আগামী ৬ দিন। এ সময়ে ২৪ প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য নেয়া হবে। মানবজমিন ডেস্ক:

যৌন ব্যবসার দায়ে অভিনেত্রী আটক

ভারতের সেই পুনেতেই যৌন ব্যবসা চালানোর দায়ে এক মারাঠি অভিনেত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। তার নাম পদ্মজা বিশ্বনাথ বাপাত (৫২)। এ সময়ে আটক করা হয়েছে আরও ২ নারীকে। তাদের একজনের বয়স ২৮ বছর। অন্যজনের ৩০ বছর। অভিযোগ রয়েছে অভিনেত্রী পদ্মজা ৪ বছর ধরে এ ব্যবসায় নিয়োজিত রয়েছেন। তিনি খদ্দেরদের কাছ থেকে ৪০০০ থেকে ৫০০০ রুপি পর্যন্ত ফি নিয়ে থাকেন। তাকে পুলিশের সামাজিক নিরাপত্তা সেল (এসএসসি)  কোন্ধওয়ার এনআইবিএম রোডের অরর্কিড প্যালেস থেকে আটক করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা হয়েছে। পুলিশ বলেছে, মারাঠি থিয়েটার অভিনেত্রী পদ্মজা কোন্ধওয়া এলাকায় এনআইবিএম রোডে তার নিজস্ব বাংলো বাড়িতে ওই যৌন ব্যবসার ফাঁদ পেতেছিলেন। এ বিষয়ে তথ্য পেয়ে তার বাড়িতে পুলিশ হানা দেয়। এ সময় যৌন ব্যবসায় জড়িত থাকা ২ নারীকে ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পদ্মজা’র আসল বাড়ি কোহ্লাপুরে। তিনি ২০০৪ সালে স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়ার পর পুনেতে চলে যান। পুলিশ বলেছে, তিনি বেশ কিছু মারাঠি নাটকে অভিনয় করেছেন। এছাড়া মারাঠি কিছু ছবিতেও অভিনয় করেছেন তিনি। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে পুনেতে আরও এক অভিনেত্রী আটক হন। মানবজমিন ডেস্ক:

বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১১

আইনমন্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক, স্ত্রীকে রাজপ্রাসাদ থেকে বের করে দিলেন রাজা

সোয়াজিল্যান্ডের বহুগামী রাজা তৃতীয় মাসোয়াতি (৪৪) তার ১২তম স্ত্রী নাথান্ডো ডাউবি (২৩)-কে রাজপ্রাসাদ থেকে বের করে দিয়েছেন। স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি আইনমন্ত্রী ও রাজার ঘনিষ্ঠ বন্ধু মাম্বার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। গত সপ্তাহে রাজার অফিস থেকে তাকে রাজকীয় বাসভবন ছেড়ে যেতে আদেশ দেয়া হয়। রাজার বর্তমান ১৪ জন স্ত্রীর মধ্যে ১২তম স্ত্রী ডাউবি বলেন, আইনমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে গত এক বছর রাজপ্রাসাদে তাকে বন্দি করে রাখা হয়। এ সময় তাকে তার স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হয়নি। তিনি তার অসুস্থ এক সন্তানকে হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার পর গণমাধ্যম বিষয়টা জানতে পারে। তিনি বলেন, তার পেছনে সব সময় একজন নিরাপত্তা কর্মী নিযুক্ত থাকতো। যখন তিনি বেরিয়ে যান তখনও নিরাপত্তা রক্ষীরা তাকে আটকে রাখার চেষ্টা করে। আইনমন্ত্রী নাতিমুসো মাম্বার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক থাকার সন্দেহে আফ্রিকার শেষ রাজা মাসোয়াতি তার স্ত্রীকে তালাক দেন । এই নাথান্ডো রাজার তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। স্ত্রীর রাজকীয় বিছানায় অভিযুক্ত মন্ত্রীর ছবি লুকানো থাকায় তাকে তালাকের সঙ্গে মন্ত্রীকেও বহিষ্কার করা হয়। এই অভিযোগে তাকে এক বছর আটক রাখা হয় এবং স্বামীর সাক্ষাৎ থেকেও বঞ্চিত করা হয়। বিয়ের সময় রাজার এই স্ত্রীর বয়স ছিল ১৬ বছর এবং তিনি তখন মিস সোয়াজিল্যান্ড ছিলেন। রাজা তার মায়ের সঙ্গে আলোচনা করেই তালাকের এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। কেননা তিনি নিরাপত্তাকর্মীকে প্রহার করেছিলেন। রাজপ্রসাদ ছেড়ে যাওয়ার সময় রাজার এই ১২তম স্ত্রী তার সন্তান ও জিনিসপত্রও নিয়ে যেতে পারেননি। সোয়াজিল্যান্ডের সমাজকর্মীরা হঠাৎ রাজপ্রাসাদ ত্যাগের এ ঘটনাকে মানবাধিকার পরিপন্থি হিসেবে দেখছেন। একে একটি নিষ্ঠুর সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন। সোয়াজিল্যান্ডের নিয়ম অনুযায়ী বসন্তের শুরুতে নতুন ফলভোগ অনুষ্ঠানের আগে রাজা যখন প্রজাদর্শন থেকে দূরে তখনই এই ঘটনা ঘটলো। সোয়াজ ঐতিহ্য অনুযায়ী রাজার জন্য বহু বিয়ে অনুমোদিত এবং তিনি প্রতি বছর একজন কুমারী স্ত্রী গ্রহণ করতে পারেন। ঐতিহ্যবাহী রেড-ডেন্স উৎসবে নাচে ১ম স্থান হয়েছিলেন নাথান্ডো। তার পর থেকেই তাকে রাজা স্ত্রী হিসেবে বেছে নেন। রাজার স্ত্রীদের আফ্রিকা ও মোজাম্বিকে তার পক্ষ থেকে একটি করে বাড়ি দেয়া হয়। যেখানে রাজকীয়ভাবে সব ব্যবস্থা থাকে উন্নত জীবনযাপনের জন্য। এভাবেই রাজা ভোগ-দখলের মাধ্যমে, বিরোধীদের দমন করে তার রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন। অথচ দেশটির মাত্র ১ লাখ ২০ হাজার মানুষ সমস্যায় জর্জরিত। এইডস সহ মারাত্মক রোগে আক্রান্ত দেশবাসীকে নিয়ে কোন মাথাব্যথা নেই বৃটেনে শিক্ষা লাভ করা এই রাজার। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার সহায়তায় রমরমা জীবনযাপন করছেন।

ভাড়ায় প্রেম

এভাবেই প্রেমিক যুগল ক্যামেরায় ধরা পড়ে -ছবি: শাহীন কাওসার
আলী আজগর খোকন: ভাড়ায় প্রেম চলছে রাজধানীতে। ক্যাটরিনা, মল্লিকা, বিপাশারা অপেক্ষায় থাকে ভাড়াটে প্রেমিকদের জন্য। ঘণ্টা চুক্তিতে চলে তাদের প্রেম। ৫০ টাকায় গল্প করা, ১০০ টাকায় হাত ধরা ও চুমুতে ২০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। টাকার পরিমাণ বাড়লে মিলবে অন্তরঙ্গ হওয়ার সুযোগও। রাজধানীর রমনা ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানজুড়ে এমন প্রেমিকারা অপেক্ষায় থাকে প্রেমিকের জন্য। মিলে গেলেই কোন গাছের ফাঁকে, কিংবা আড়ালে প্রেমিক-জুটির চলে আড্ডা। এ ক্ষেত্রে সহযোগিতা করে পুলিশ, নিরাপত্তাকর্মী। ভাড়াটে প্রেমিক-যুগল পার্কের প্রতিটি সিট দখল করে বসে থাকে। তারা আশপাশের লোকজনকেও তোয়াক্কা করে না। ঠিক থাকে না তাদের পোশাক-পরিচ্ছদ। পার্কগুলো আরও বিব্রতকর হয়ে ওঠে। উদ্যানের ঘাস তখন তাদের বিছানায় রূপ নেয়। তাদের দেখাদেখি স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও মেতে ওঠে উদ্দামতায়। ভাড়াটে প্রেমিকারা চলার পথে এক পলকেই যুবকদের টার্গেট করে। কাছে এসে নাম-পরিচয় জিজ্ঞেস করে। পরক্ষণেই বলে ওঠে, বসবেন নাকি? কতক্ষণ? টার্গেট করা যুবকের সম্মতি পেলে কম দামেই তারা বসে পড়ে। এরপর ধীরে ধীরে রেট বাড়াতে থাকে। সূত্র জানায়, এরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত শিফট হিসেবে সময় দেয় উদ্যানে। যারা সকালে বা দিনে থাকে তারা রাতে আসে না। রোববার দুপুর ১২টা। ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন সংলগ্ন গেটের ভেতরে গিয়ে দেখা গেছে সারি সারি প্রেমিক যুগল বসে আছে। এদের মধ্যে স্কুলের ইউনিফর্ম পরা কমপক্ষে ৩০টি জুটি দেখা গেছে। এদের বেশির ভাগই স্কুল ফাঁকি দিয়ে এসেছে। আর অন্যরা বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ও ভাড়াটে বিনোদিনী। ভাড়াটে প্রেমিকা ক্যাটরিনা কাইফ বলেন, একজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে দেড় ঘণ্টা উষ্ণ প্রেম নিবেদন করে তার ১৮০ টাকা কামাই হয়েছে। ক্যাটরিনা জানায়, তার মতো আরও অনেক সুন্দরী এ পেশার সঙ্গে জড়িত। এমন একজনের নাম মল্লিকা। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রেম ভাড়া দিই। অন্যের দুঃখকে আনন্দে ভরিয়ে দিই। এ কাজ এত্ত সহজ নয়। তাই কাজ বুঝে ভাড়াও নির্ধারণ করা আছে আমাদের।’ তপু নামের একজন মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ বলেন, ‘আমি প্রতিদিন সন্ধ্যায় এ রাস্তায় বাসায় ফিরি। প্রতিদিনই দেখি এদের।’ সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পার্কে বিনোদিনীদের নিরাপত্তায় সহায়তা করে নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশ। এজন্য তারা নির্ধারিত কমিশন পায়। এমন বিনোদনদানকারীদের কাছ থেকে রমনা ও শাহবাগ থানা পুলিশ নিয়মিত মাসোহারা নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বিনোদিনীরাই বলেছে, মাসোহারা নেয়ার সময় অনেক পুলিশ সদস্য নিখরচায় উষ্ণ বিনোদনও গ্রহণ করে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে থাকা রমনা কালীমন্দির সংলগ্ন পুকুরের দক্ষিণপাড় ঘেঁষে গতকাল দুপুর ১২টা থেকে বসেছিল এক জুটি। পার্কে থেকেই চকলেট বিক্রি করেন এমন একজন মধ্যবয়সী মহিলা বলেন, ‘ওই মাইয়াডা প্রায় দিনই এদিকে আইয়া বন্ধুর লগে আড্ডা দেয়। মেয়েডা বালো না। একেক দিন একেক পোলা লইয়া আইয়ে। দ্যাকতে সুন্দরী। ওর নাম কইছে বিপাশা। যেয় যেইডা খোঁজে হেয় হেইডা পায়। তয় দিনে কম, রাইতে বেশি।’ রমনা পার্কে সবসময় পানি বিক্রি করে রতন। রোববার সন্ধ্যায় তার কাছে জানতে চাইলে বলে, ‘ইডা আর নতুন কি। যার ডারলিং নাই, হে ডারলিং ভাড়া নেয়।’ ভাড়াটে বিনোদিনী ও ইউনিফর্ম পরা স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের ঘোরাঘুরির নামে আপত্তিকর আচরণে চরম বিব্রত হন পার্কে আসা স্বাস্থ্যসচেতন ব্যক্তিরা। সোনালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তায়েজুল হাসান সস্ত্রীক পার্কে এসেছেন বৈকালিক ভ্রমণে। তিনি বলেন, পার্কের ভেতরের যা অবস্থা- তাতে এখানে আসাই বিপদ। এমন কোন রাস্তা নেই যেখানে আপত্তিকর অবস্থায় কোন যুবক-যুবতী বসে নেই। লজ্জায় ১০ হাত জায়গার মধ্যেই হাঁটাহাঁটি করে ঘরে ফিরতে হয়। প্রশাসন এসব বিষয় মাথায়ই আনে না। রমনা পার্কের উত্তর গেটে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মী হানিফ মিয়া জানান, বাইরে থেকে কেউ কাউকে নিয়ে এসে ঘোরাঘুরি করলে তো আমাদের করার কিছু নেই। এটা তো ঘুরে বেড়ানোরই জায়গা। রমনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, এমন বিষয় সম্পর্কে আমরা অবহিত নই। পার্কের ২৪ ঘণ্টার  নিরাপত্তায় ২০ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। ভাড়াটে প্রেমিক কিংবা বিনোদিনীদের থাকার সুযোগ নেই। আর পুলিশ মসোহারা নেয়- এমন অভিযোগও ঠিক নয়।

কক্সবাজারে মধু’র বাণিজ্য

 পুরো নাম হনুফা আকতার মধু। তারা ৩ বোন। তাদের কাজ প্রতারণার ফাঁদে ফেলে লোভেী পুরুষদের সর্বস্বান্ত করা। তিন বোনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার মডেল থানাসহ বিভিন্ন স্থানে রয়েছে অসংখ্য অভিযোগ। তবে থানার সঙ্গে যোগাযোগ থাকায় তারা আইন ভাল বোঝে। তাই তাদের অভিযোগেও হয়রানি শিকার হচ্ছেন অনেকে। থানা, কোর্ট, হোটেল, মোটেলসহ সর্বত্র রয়েছে মধুদের কদর। তবে তারা বেশি দিন এক জায়গায় স্থায়ী হতে পারে  না। কিছুদিন পর পরই বাসা পাল্টাতে হয়। অনৈতিক কর্মকাণ্ডের খবর জেনে বেরসিক বাড়িওয়ালারা তাদের বের করে দেন বাড়ি থেকে।
মহেশখালী উপজেলার পৌর এলাকার ১৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাহানা আকতার মিলি, হনুফা আকতার মধু ও কাজল। ৭-৮ বছর আগে আসে কক্সবাজারে। এ আসার পেছনেও রয়েছে কাহিনী। তাদের মা খতিজা বেগম জীনের কথা বলে বহু মানুষকে ‘স্বর্ণের ডেক’ পাইয়ে দেয়ার লোভ দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা আত্মাসৎ করে। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগীরা আইনের আশ্রয় নেয়। এ অবস্থায় তারা মহেশখালী ছাড়তে বাধ্য হয়। কক্সবাজার এসে প্রথমে শহরের মাঝেরঘাট এলাকা বাসা ভাড়া নেয় তারা। খতিজা  বেগম লোভ দেখিয়ে অনৈতিক কার্যকলাপ চালাতে থাকে। মায়ের পথ ধরে বড় মেয়ে মিলি। মা ও বড় বোনের সঙ্গে যোগ দেয় হানিফা আকতার মধু-ও। তাদের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের খবর জানাজানি হলে ফুঁসে ওঠে এলাকাবাসী। এক পর্যায়ে বাড়িওয়ালার চাপে বাসা ছাড়ে তারা। এরপর বাসা নেয় টার্মিনাল এলাকায়। সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে চলে আসে বিডিআর ক্যাম্প এলাকায়। তারপর টিএমসি স্কুল সংলগ্ন এলাকায়। সেখান থেকে সিকদার মহেলর পেছনে। সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে বাজারঘাটা রয়েল হোটেলের পেছনে। এভাবে তাদের প্রায় ১৫টি বাসা ছাড়তে হয়। তাদের মধ্যে মধু’র কৌশল একটু ভিন্ন। দেহব্যবসার পাশাপাশি প্রতারণার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতে পটু সে। তাদের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে অনেকে সর্বস্বান্ত হলেও কেউ প্রতিবাদ বা উচ্চবাচ্য করার সাহস পায় না। তা করলেই তার বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেয়া হয়। এভাবে ক্ষতিপূরণ আদায় করার অনেক নজিরও রয়েছে।
২০০৮ সালের ৬ই ডিসেম্বর সদর উপজেলার ভারুয়াখালীর ইসমাইল হোসনকে বিয়ে করে মধু। ২০০৯ সালে ৬ই জুন এ বিয়ে ভেঙে যায়। এক দারোগার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ আদায় করেন ৯৩ হাজার টাকা। কিছুদিন পর সে বিয়ে করে বাংলাবাজার এলাকার শামশুল আলমকে। তার সংসারে থাকতেই শহরের টেকপাড়ার জুবাইদুল ইসলাম বাপ্পীকে বিয়ে করে পালিয়ে গিয়ে। অপরদিকে দুশ্চরিত্র মেয়েকে বিয়ে করার খবর পেয়ে পিতামাতা জুবাইরুলকে ঘর থেকে বের করে দেন। মামলাও করেন। এ মামলায় জেল খাটে জুবাইদুল ও মধু। জেল থেকে বেরিয়ে জুবাইদুল দেখে, যে স্ত্রীর জন্য পিতামাতা ত্যাগ করেছে, সে স্ত্রীর রয়েছে অসংখ্য বয়ফ্রেন্ড। নামীদামি ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ। জুবাইদুলের সন্দেহ হয়। স্ত্রীর ওপর সে তীক্ষ্ণ নজর রাখতে থাকে। কিছুদিন যাওয়ার পর তার কাছে সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যায়। তার অজান্তে প্রিয়তম স্ত্রী মধু এতদিন চালিয়ে যাচ্ছিল দেহ ব্যবসা। বিভিন্ন সময় হোটেল মোটেল জোনসহ বিভিন্ন স্থানে স্ত্রীকে ধরে ফেলে স্বামী। এসব কারণে মধুর প্রতি তার মোহ কেটে যায়। ফলে তাদের এই বিয়েও স্থায়ী হয়নি। জুবাইদুল জানায়, অনেক চেষ্টা করেও স্ত্রীকে ভাল করতে পারেনি সে। পরে অন্যের পরামর্শে তাকে ডিভোর্স দেয় স্ত্রী। বনিবনা না হওয়ায় উভয়ে আলাদা হওয়ার ব্যাপারে একটি অঙ্গীকারনামাও করে। এর কয়েকদিন পরই থানা ও কোর্টে পৃথক দু’টি মামলা করে মধু। জুবাইদুল বলে, প্রতারণার ফাঁদে ফেলে সর্বস্ব হাতিয়ে নেয়া মধুদের কাজ। মধুর বড় ভাই আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী জেসমিন আকতার জানান, মধুদের পরিবারে শহরের নামীদামি ব্যক্তিদের নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে। বিয়ের পরে মধুদের পরিবারে যাওয়ার পর থেকে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার জন্য তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। বাসায় আগন্তুক ব্যক্তিদের ‘সেবা’ দেয়ার জন্য তাকে স্বামী-শাশুড়ি-ননদ নিয়মিত অত্যাচার চালাতো। তাদের ধারাবাহিক অত্যাচার ও নির্যাতনে সহ্য করতে না পেরে এক বছর আগে স্বামী-সংসার ছেড়ে চলে এসেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি ১ সন্তানসহ বাপের বাড়িতে থাকছেন। মডেল থানার ওসি (তদন্ত) হারুন অর রশিদ জানান,  ২০-২২ দিন হলো আমি মধুকে চিনি। একটি অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন করতে আমার কাছ এসেছিল সে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, শুনেছি মেয়েটি খারাপ। তার ব্যাপারে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। মডেল থানার ওসি বদরুল আলম তালুকদার জানান, মধুর আবেদনের প্রেক্ষিতে তার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই প্রভাত কর্মকারকে পরিবর্তন করে জিসানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এর বাইরে কিছু বলতে রাজি হননি তিনি। অভিযোগের বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে হনুফা আক্তার মধু বলেন, অভিযোগকারীদের সব অভিযোগ সত্য, আপনারা ভালো করে লিখে দিন।

ফাইভ স্টার হোটেলে দেহ ব্যবসা, খদ্দেরসহ অভিনেত্রী আটক

undefined
মানবজমিন ডেস্ক: ভারতের পুনের এক ফাইভ স্টার হোটেলে যৌন ব্যবসার দায়ে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে চলচ্চিত্র অভিনেত্রী জারা’কে। তার পুরো নাম আজহারা জান গুলাম আহমেদ শেখ ওরফে জারা। বয়স ২১ বছর। তিনি ঘণ্টায় দেড় লাখ রুপির বিনিময়ে নিজের শরীর বিলিয়ে দেন খদ্দেরদের  মাঝে। পুনের রাজা বাহাদুর মিল রোডে একটি ফাইভ স্টার হোটেলে তার সঙ্গে আটক করা হয়েছে চলচ্চিত্র জগতের স্পট বয় হিসেবে পরিচিত নিরাজ অশোক বাদানি (২৭)কে। ধারণা করা হচ্ছে, জারা ওই হোটেলে দীর্ঘদিন ধরে যৌন ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। আটক করার পর তাদেরকে হাজির করা হয় ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে। আদালত জারাকে ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে নিরাপত্তা হেফাজতে পাঠিয়েছে। আর তার সঙ্গী বাদানিকে ২৩শে নভেম্বর পর্যন্ত পুলিশি রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। এ খবর দিয়েছে ভারতের একটি অনলাইন ট্যাবলয়েড দৈনিক। এতে আরও বলা হয়, ওই অভিনেত্রী চলচ্চিত্রে ছিলেন অল্প সময়ের জন্য। তিনি হিন্দি ছবি ‘লামহা’তে একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এছাড়া, তিনি ‘কাসাউতি জিন্দেগি কি’ সহ বেশকিছু টিভি সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন। তাকে ও বাদানিকে আটক করার পর তাদের বিরুদ্ধে বুন্দগার্ডেন পুলিশ স্টেশনে মামলা করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত জারাকে নিরাপত্তা হেফাজতে পাঠান। কারণ, আদালত মনে করেন- জারা যৌন ব্যবসার ফাঁদ পেতে থাকতে পারেন। এর সঙ্গে কারা কারা জড়িত তা তার কাছ থেকে উদ্ধার করতে হবে। এ সময় পাবলিক প্রসিকিউটর দাবি করেন, জারা’র ফোন কললিস্ট পরীক্ষা করা দরকার। এ জন্য গোয়েন্দা সংস্থাকে দায়িত্ব দেয়া উচিত। কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে এ দাবি আদালত প্রত্যাখ্যান করেন। গোয়েন্দা সূত্রে খবর পেয়ে সামাজিক নিরাপত্তাবিষয়ক অপরাধ সেলের ইন্সপেক্টর ভানুপ্রতাপ বার্জ ওই হোটেলে একটি ফাঁদ পাতেন। তাতেই ধরা পড়েন জারা ও বাদানি। পুলিশি সূত্র মতে, জারা’র এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন বাদানি। তিনি একটি ভাড়া করা গাড়িতে পুনেতে পৌঁছেন। ওই হোটেলের রেজিস্ট্রার অনুযায়ী, অভিনেত্রী জারা ঘন ঘন বাদানিকে নিয়ে ওই হোটেলে যান। এতেই পুলিশের সন্দেহ ঘনীভূত হয় যে, তারা মিলে ওই হোটেলে যৌন ব্যবসার একটি চক্র গড়ে তুলেছেন। এ জন্যই তারা জারা’র কললিস্ট পরীক্ষা করতে চান। তাতে বেরিয়ে আসবে তার সঙ্গে কাদের কথা হয়, কাদের যোগাযোগ হয়। এ তথ্য যদি বের করা যায় তাহলে পরিষ্কার হবে যে, জারার খদ্দেরের তালিকায় কোন পর্যায়ের লোক রয়েছে। বাদানি একাই তার খদ্দের নাকি এতে জড়িত রয়েছে কোন রাজনীতিক, চলচ্চিত্র জগতের অন্য কোন নায়িকা বা নায়ক বা অন্য কোন ব্যক্তি।

তিন মেয়েই পর্নো তারকা

মানবজমিন ডেস্ক: নিজের তিন মেয়ে পর্নো তারকা হওয়ায় রীতিমতো গর্ববোধ করেন স্কটল্যান্ডের এক মা ক্রিস্টিন রেনডাল। তিন মেয়ে অ্যালিসিয়া, অ্যামান্ডা এবং কিম্বালি ইতিমধ্যেই এক্স-রেটেড লেট নাইট টেলিভিশন সেক্স চ্যাট চ্যানেলে উপস্থিতির মাধ্যমে একে তাদের পারিবারিক ব্যবসায় পরিণত করেছেন। বেশির ভাগই মধ্য রাতে পূর্ণ বয়স্কদের চ্যানেল বেবস্টেশনে নিজেকে তুলে ধরা ২৬ বছরের অ্যামান্ডা স্কটিশ নিউজকে বলেছেন, ঈশ্বরের নাম নিয়ে বলছি- আমরা যে কাজ করি তাতে আমাদের মা খুবই খুশি। স্কুলে অ্যামান্ডা নিজেকে একজন প্রতিভাময়ী জিমন্যাস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তার মধ্যে জিমন্যাস্ট তারকা হওয়ার মতো সম্ভাবনাও ছিল। কিন্তু তিনি বলেন, ২০১৪ সালের গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে অংশ নেয়ার জন্য অনুশীলনের সময় অনুশীলনের চেয়ে স্কার্ট তুলে ধরার ক্ষেত্রেই তিনি বেশি মনোযোগ দিয়েছেন। অ্যামান্ডা বলেন, আমি স্কটল্যান্ডের জিমন্যাস্ট প্রতিযোগী হিসেবে বেশ ভালোই করছিলাম। কিন্তু আমাকে খুব বেশি স্কুল কামাই করতে হতো বলে মা আমাকে সেখান থেকে বের করে আনেন। তখন আমি বেশ বেয়ারা হয়ে উঠেছিলাম। স্কুলে পড়াশোনা ঠিকমতো করতাম না বলে ১৪ বছর বয়সেই আমি স্কুল ছেড়ে দিয়েছিলাম। আমার তখন বেশ সমস্যা হচ্ছিল। আমি একদিন একজনকে পেটানোর কারণে আমাকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। এরপর তিনি স্কটল্যান্ডের প্রতিভাময়ী জিমন্যাস্ট হওয়ার পরিবর্তে নাম লেখান পর্নো ইন্ডাস্ট্রিতে। অ্যামান্ডা বলছিলেন কমনওয়েলথ গেমসে আমি স্কটল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করতে পারতাম। কিন্তু সেটা না করে আমি যোগ দিলাম পর্নো ইন্ডাস্ট্রিতে। তিন বোনের মধ্যে অ্যামান্ডাই প্রথম এক্স-রেটেড কাজে যোগ দেন। ২০০৪ সাল থেকে তিনি বেবস্টেশনে কাজ করছেন। তার বড় বোন ২৭ বছরের অ্যালিসিয়া সেক্স স্টেশন বা এলিটের মতো সেক্স চ্যাট চ্যানেলগুলোতে দু’বছর ধরে নিঃসঙ্গ পুরুষদের সেবা করে যাচ্ছেন। তিনি ইতিমধ্যেই ক্যাটি কোল নামে বৃটেনের শীর্ষ পর্নো তারকায় পরিণত হয়েছেন। আর ছোট বোন ২২ বছরের কিম্বালিও সমপ্রতি পর্নো ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন। অ্যামান্ডা বলেন, মা নার্স হিসেবে হসপিটালে কাজ করেন। তিনি হাসপাতালের সব রোগীকেই বলে বেড়ান তার মেয়ে বেবস্টেশনে আছে। মায়ের বক্তব্য হচ্ছে এর মাধ্যমে তুমি যেহেতু অর্থ উপার্জন করছো। তাই এ কাজের ব্যাপারে কোন আপত্তি নেই।

শনিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১১

এবারে অমিতাভের বিরুদ্ধে অভিযোগ শায়লি'র!

সম্প্রতি শাইনি আহুজার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এবার অমিতাভ বচ্চনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন সাবেক মিস ইন্ডিয়া ও বলিউডি অভিনেত্রী শায়লি ভগত। খবর সান্তাবান্তাডটকম-এর।
  
কয়েক বছর ধরেই টিনসেলে কাজ করছেন শায়লি ভগত। সম্প্রতি বলিউডি ছবিকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ২৭ বছর বয়সী এই তারকা। এর পেছনের কারণ সম্পর্কে তিনি জানিয়েছেন, ‘৭ বছর ধরে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির প্রবীণ তারকা থেকে শুরু করে আমার সহ-তারকাদের কাছে বিভিন্নভাবে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছি। তাদের মধ্যে অমিতাভ বচ্চন এবং সাজিদ খানের মতো ব্যক্তিরাও আছেন।’

অমিতাভ সম্পর্কে শায়লির অভিযোগ, ‘সম্প্রতি টিনু ভার্মার ‘দিস উইকএন্ড’ ছবির মহরত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে এসেছিলেন অমিতাভ। আর সবার মতো আমিও তার পা ছুঁয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ চাইলাম। কিন্তু তখন এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটালেন তিনি। আমার নিতম্বে হাত রাখলেন এবং আস্তে আস্তে উপরের দিকে হাতটাকে ওঠাতে লাগলেন। ঘটনায় আমি পুরোপুরি হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম।’

শায়লি জানিয়েছেন, ‘আমি বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম, কাউকেই কিছু বলতে পারিনি। অমিতাভের বয়স এখন ৭০। তিনি আমার দাদার বয়সী। এই বয়সে আমার সঙ্গে এ ধরনের বিষয় তিনি কীভাবে করলেন তার কোনো উত্তর আমার জানা নেই!’

সাজিদ খান সম্পর্কে শায়লির অভিযোগ, ‘হাউসফুল ছবির অভিনয়শিল্পী নির্বাচনের অজুহাতে সাজিদ আমাকে তার অফিসে ডেকেছিলেন। সেখানে যাওয়ার পর এক বিস্ময়কর ঘটনার মুখোমুখি হলাম। আমার সামনে সাজিদ পুরোপুরি বিবসন অবস্থায় দাঁড়ালেন এবং সেখানেই তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দিলেন। আমি চিৎকার করে তার অফিস থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলাম।’

‘চোরো কি বারাত’ ছবির সহ-অভিনেতা আরিয়ান বাব্বরের বিরুদ্ধেও যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন শায়লি। তিনি জানিয়েছেন, ‘চোরো কি বারাত ছবিতে একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে আরিয়ানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিলো আমার। কিন্তু কিছুদিন পর থেকেই তিনি আমাকে ঘনঘন উত্তেজক এসএমএস পাঠানো শুরু করলেন।’

শায়লির ভাষ্য, ‘এতোকিছুর পরও আমি চুপ করেইছিলাম। কিন্তু আর নয়। আমি বলিউডি ছবিকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শিগগিরই মিলানে চলে যাবো। সেখানে মডেলিংয়ে আমার ক্যারিয়ার গড়ে তুলবো।’



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০১১

পাকিস্তানে আদিবাসী নারীরা বর্বরতার শিকার

পাকিস্তানের আদিবাসী এলাকায় পারিবারিক ও সামাজিক নানাবিধ দ্বন্দ্ব- সংঘাতের পরিণতি ভোগ করতে হয় নারীদের। বাবা, ভাই ও স্বামীসহ নিকট আত্মীয় পুরুষের অপরাধের শাস্তি হিসেবে নারীদের ওপর ঘটে পাশবিক নির্যাতন। 

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদনে পাকিস্তানের দুর্গম এলাকার আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে চলতে থাকা এ বর্বরতার চিত্র উঠে এসেছে। 

প্রতিবেদনে গত ১৪ এপ্রিলের একটি ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। 

পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলের কোহাউর জুনোবি গ্রামের অধিবাসী আসমা ফেরদৌস (২৮)। ১৪ এপ্রিল দুজন লোক আসমার বাসায় ঢুকে তার ছয়টি আঙ্গুল কেটে ফেলে। তার দুই হাত ও ঠোঁটে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। কেটে নেয় নাকের একাংশ। নির্যাতন শেষে যাওয়ার সময় ঘরের মধ্যে তাকে আটকে রেখে যায়। 

আসমার অপরাধ ছিলো এক আত্মীয় নারীর সঙ্গে তার স্বামীর অবৈধ সম্পর্ক। স্বামীর অপকর্মের সাজা হিসেবে আসমার ওপর ঘটে ওই নির্মম নির্যাতন। 

পাকিস্তানের কৃষিনির্ভর সামন্ততান্ত্রিক ওই অঞ্চলে নারীদের ওপর এ ধরনের সহিংস ঘটনা ঘটে প্রায়ই। সেখানে পারিবারিক বিরোধের শিকার হন নারীরা। ওই অঞ্চলে নারীদের ওপর এ ধরনের সহিংসতার ও পাশবিকতার মাত্রা ক্রমে বেড়েই চলেছে। 

মুলতান শহরের কাছে এক হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন আসমা। তার শয্যার পাশে চুপচাপ বসে ছিলেন তারা বাবা-মা। মেয়ের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজেদের কষ্টের কথা বলেন তারা। 

আসমার বাবা গুলাম মুস্তফা বলেন, "এখান থেকে যাওয়ার পর তার (আসমার) ভাগ্যে কী আছে তা আমি জানি না।" 

আসমাকে তার স্বামী আবার ঘরে তুলবে কি না জানতে চাইলে নিশ্চুপ থাকেন মুস্তফা। 

থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, আফগানিস্তান ও ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর পর পাকিস্তানে নারীদের ওপর সবচেয়ে বেশি সহিংসতা হয়। 

পাকিস্তানের মানবাধিকার কমিশন তাদের ২০১০ সালের প্রতিবেদনে বলেছে, দেশটিতে এক বছরে প্রায় আটশ' নারী পারিবারিক সংঘাতের কারণে নিহত হয়েছেন এবং দুই হাজার নয়শ' নারী ধর্ষিত হয়েছেন। গড়ে প্রতিদিন আটজন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। 

আর পাকিস্তানের সবচেয়ে জনবহুল প্রদেশ পাঞ্জাবেই নারীরর ওপর সহিংস ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে। এক বছরে কেবল ওই প্রদেশেই দুই হাজার ছয়শ' নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। 

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

১২ বছরেই বিকিনি পরা ছবি ১৫তেই অন্তঃসত্ত্বা


undefinedবৃটেনে মাত্র ১৫ বছর বয়সে সন্তানের মা হতে যাচ্ছে সয়া কিভেনি নামে এক স্কুল পড়ুয়া মেয়ে। তাকে নিয়ে সমাজের অন্য অভিভাবকরা নাক কুঁচকালেও তার মা জেনিস কিভেনির আনন্দের শেষ নেই। তিনিই মেয়েকে এতটুকু পথ নিয়ে আসতে উৎসাহ দিয়েছেন। মেয়েকে মাত্র ১২ বছর বয়সে বিকিনি পরা ছবি তোলার উৎসাহ দিয়েছেন। তা ছাপা হয়েছে একটি ম্যাগাজিনে। আর তারপর সয়া কিভেনিকে দিয়েছেন স্বাধীনতা।
মাত্র ৭ বছর বয়স থেকে তাকে ডিসকো পার্টিতে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন। আর এখন সয়া কিভেনির বয়ফ্রেন্ড জ্যাককে মেয়ের সঙ্গে রাত কাটানোর অবাধ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছেন। সয়াদের বাড়িতেই রাতে থাকে এখন জ্যাক। এরই ফল হিসেবে সয়া কিভেনি এখন ১২ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। এ নিয়ে অনেকজন অনেক কথা বলছেন। তাতে কান দিচ্ছেন না সয়া কিভেনির মা জেনিস। গতকাল এ খবর দিয়েছে অনলাইন দ্য সান। এতে বলা হয়, সয়া কিভেনির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর জানতে পেরে তার মা জেনিসের আর গর্ব ধরছে না। তিনি আহ্লাদে একেবারে গদগদ।
আর তাই বলেছেন, আমাদের তিন বেডরুমের বাসাটি এখন লোকসংখ্যার তুলনায় একেবারে ছোট হয়ে গেছে। একই বাড়িতে থাকে আমার মেয়ে কোকো এবং রিজি, ছেলে ট্যারোট, সয়ার বয়ফ্রেন্ড জ্যাক এবং আমার এক মেয়ের শিশু সন্তান। আমার আশা, সয়ার সন্তান যখন আসবে তখন কাউন্সিল আমাদেরকে ৪ বা ৫ বেডরুমের একটি বাসা দেবে। আমরা এরই মধ্যে সবকিছু গোছগাছ শুরু করেছি। সয়া গর্ভপাতে বিশ্বাসী নয়। সে যে মা হচ্ছে এটা শতভাগ নিশ্চিত। আমার বিশ্বাস সে চমৎকার একজন মা হবে। সে নিজের সন্তানদের শিখাবে আমার মতো শৃঙ্খলাবোধ। ওদিকে সন্তান ধারণ করতে পেরে সয়া কিভেনিও কম উৎফুল্ল নয়। সে বলেছে, প্রথমে আমি দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলাম। তবে এখন আমি খুব উপভোগ করছি বিষয়টা।
ওই রিপোর্টে বলা হয়, সয়া কিভেনির মা জেনিস তার মেয়ের স্বপ্ন পূরণে দিয়েছেন পূর্ণাঙ্গ সহায়তা। তাকে খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করিয়েছেন। পরিণত বয়স না হলেও তাকে পাঠানো হয়েছে শরীর চর্চার কেন্দ্রে। ওদিকে সয়া কিভেনির যেসব বিকিনি পরা ছবি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে তা নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এক অভিভাবক বলেছেন, আমাদের মনে হয় তার মায়ের এভাবে মেয়েকে ছেড়ে দেয়া ঠিক হয়নি। তিনি কি কিশোরী মেয়ে শিকারিদের নাম শোনেননি? জেনিস এক স্কুলের সাবেক সেক্রেটারি। এখন অবসরভাতা পান। তিনি সয়া কিভেনিকে ক্লিভল্যান্ডের থর্নাবিতে মাত্র ৭ বছর বয়সে ডিসকোতে যেতে দিতেন। তাকে মেকাপ করাতেন। পরাতেন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পোশাক। শরীরের উপরের অংশের অনেকটাই থাকতো অনাবৃত। জেনিস বলেন, সয়া এখনও মাত্র কিশোরী।
undefined
অনেকটা অপরিণত। কিন্তু যখন সে তার বন্ধুদের সঙ্গে বাইরে যায় তখন তার ওপর আমার শতভাগ আস্থা আছে। তার ১২ বা ১৩ বছর বয়সে সে একটা ১৮ বছরের কম বয়সীদের ডিসকোতে গিয়েছিল। পরে সে আমাকে বলেছে, সেখানে এক অদ্ভুত প্রতিযোগিতা হয়েছে। তা হলো- কে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ছেলেকে চুমু খেতে পেরেছে তা নিয়ে। এতে তো আমি ক্ষতির কিছু দেখি না। কারণ, তা শুধু চুমুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। জেনিস স্বীকার করেছে, সে সয়া কিভেনির বয়ফ্রেন্ড জ্যাককে তার বাসায় রাতে থাকার অনুমতি দিয়েছেন। তবে সয়া ও সে আলাদা আলাদা বেডরুমে থাকতো এবং ওই সময়ে সয়া ব্যবহার করতো পিল। সয়া এখন ১২ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। এই সময়ে তিনি তাদের আলাদাই রাখতে চান। তিনি বলেন, লোকজন মনে করতে পারে আমি ঘোড়ার আগে গাড়ি চালিয়ে আইন লঙ্ঘন করছি। কিন্তু আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি জানুয়ারিতে সয়ার বয়স ১৬ বছর পূর্ণ হবে। এর আগে তাকে ও জ্যাককে আমি আমার বাসায় এক বেডরুমে থাকতে দেব না।
মানবজমিন

শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১১

'তানজানিয়ায় একতৃতীয়াংশ মেয়েশিশু যৌন পীড়নের শিকার'

তানজানিয়ায় প্রায় এক তৃতীয়াংশ মেয়েশিশু ১৮ বছর হওয়ার আগেই যৌন সহিংসতার শিকার হয়।

আর ছেলেশিশুদের ক্ষেত্রে একই ধরনের সহিংসতার শিকার হয় ১৩.৪ শতাংশ।

সম্প্রতি জাতিসংঘের শিশু সংস্থার এক জরিপে এই পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয় বলে বিবিসি জানায়।

এতে বলা হয়, দেশটিতে যৌন হয়রানির সবচেয়ে সাধারণ উপায় হলো জোরপূর্বক যৌনকর্মের প্রচেষ্টা। এরই জের ধরে এসেছে শরীরের স্পর্শকাতর অংশ স্পর্শ করা।

জরিপে আরো দেখা যায়, ১৮ বছর বয়সের আগেই যৌন সম্পর্কের অভিজ্ঞতা হয়েছে এমন ২৯.১ শতাংশ মেয়ে ও ১৭.৫ শতাংশ ছেলে জানিয়েছে, এতে তাদের সম্মতি ছিল না।

আর এর অর্থ, তাদের বাধ্য করা হয়েছে।

জাতিসংঘের কর্মকর্তা অ্যান্ডি ব্র"কস বলেন, যেকোন দেশে এ বিষয়ে পরিচালিত এটাই হচ্ছে সবচেয়ে বিস্তৃত জরিপ। আর দেশটির সরকারও এ সমস্যা মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।

বিবিসির আফ্রিকা বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, "ছেলে ও মেয়েশিশু হয়রানির বিষয়ে বিস্তৃত তথ্য প্রদানের বিষয়ে তানজানিয়াই সর্বপ্রথম সাহস দেখিয়েছে।"

দেশটির শিক্ষামন্ত্রী সুকুরু কাওয়াম্বাওয়া জানান, যৌন হয়রানি বন্ধে সরকার উদ্যোগ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আওতায় হয়রানির শিকার শিশুরা যাতে তা জানাতে পারে তার ব্যবস্থা করা হবে। একইসঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের যতœ নেওয়ার জন্য শিক্ষকদের প্রতিও আহ্বান জানানো হবে।

কেনিয়া, রুয়ান্ডা, মালায়ি, জিম্বাবুয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকায় একই ধরনের জরিপ চালানো হবে বলেও জাতিসংঘ কর্মকর্তা ব্র"কস জানান।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/

তানজানিয়ায় অবিবাহিতা মেয়েরা স্কুল ছাড়ছে বিয়ের কারণে নয় গর্ভবতী হওয়ার কারণে


হ-বাংলা নিউজ : প্রতি বছর তানজানিয়ায় প্রায় আট হাজার মেয়ে গর্ভবতীর হওয়ায় স্কুল ছাড়তে বাধ্য হয়৷ এত অল্প বয়সে গর্ভধারণ রোধের নানা বিষয়গুলো এদের কাছে পুরোপুরি আজানা থাকায় এরা গর্ভবতী হয়ে পড়ে৷ ইহানামিলো উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ধরণের ঘটনা গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকবার ঘটেছে৷ প্রতিদিনের মত মেয়েরা স্কুল ড্রেস পডরে স্কুলে এসেছে, সবাই মনোযোগ দিয়ে ক্লাস করছে৷ এদের একজন ১৯ বছরের এস্থার৷ ক্লাশ টেনের ছাত্রী৷ এক বছর আগে এস্থার একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছে৷ অথচ এস্থার এখনো অবিবাহিতা৷ এস্থার জানাল, ‘‘আমি যখন গর্ভবতী ছিলাম তখন নিয়মিত স্কুলে আসতে পারতাম না৷ শারীরিকভাবে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন আমি হয়েছিলাম৷ আমার পুরো জীবন পাল্টে যায়৷ আগের মত আর কোন কিছুই নেই৷''

এস্থারের ভাগ্য ভাল৷ কারণ তার বাবা-মা সন্তানসম্ভা থাকার সময় এস্থারের পাশে থেকেছে৷ বার বার মেয়েকে বুঝিয়েছে গর্ভবতী হলে বা একটি সন্তান হলেই সব শেষ হয়ে যায় না৷ এস্থারের বাবা-মা স্কুলের পাট শেষ করার ওপর জোর দিয়েছেন, এস্থার এখন নিয়মিত স্কুলে আসছে৷


তবে সবাই এস্থারের মত ভাগ্যবতী নয়৷ এস্থারের ক্লাশে আরো চারটি মেয়ে আছে৷ তাদের সবার একটি করে সন্তান রয়েছে এবং এরা সবাই প্রাণপণে চেষ্টা করছে স্কুল শেষ করার৷ তবে বেশিরভাগ মেয়েই শেষ পর্যন্ত আর স্কুলে আসার সময় পায় না৷ বাড়িতে বাচ্চাকে দেখাশোনার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় আর স্কুলে আসা হয় না৷ তবে বাবা-মায়ের কাছ থেকে সব ধরণের সাহায্য আর সহযোগিতা পাওয়ার পরও এস্থার মনে করে একই সঙ্গে মা এবং স্কুল ছাত্রী হওয়া সহজ নয়৷ বাড়ি থেকে স্কুল ১০ কিলোমিটারের পথ৷ প্রতিদিন পায়ে হেঁটে স্কুলে যেতে হয়৷ বাড়ি ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যা হয়ে যায়৷


এসব মেয়েদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছে তানজানিয়া মেডিয়া ওম্যান এসোসিয়েশন৷ সংস্থায় কাজ করছেন আনানিলেয়া ইনকিয়া৷ তিনি জানান, এত দূরের পথ যেন হাঁটতে না হয় তাই অনেকেই মেয়েদের বলে যে সাইকেল অথবা মোটর বাইকে স্কুলে পৌঁছে দেয়া হবে তাদের৷ আর মেয়েগুলোও রাজি হয়ে যায় এরপরই ঘটে অঘটনগুলো৷ এর পাশাপাশি রয়েছে স্কুলের কোন কোন শিক্ষকের হুমকি৷ ছাত্রীকে যদি হাতের মুঠোয় না পাওয়া যায় তাহলে সেই ছাত্রীকে কখনোই পরীক্ষায় পাশ করানো হয় না৷


এসব মেয়েদের বাবা-মায়েরা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে না কারণ তাদের আগে থেকেই টাকা দেয়া হয় প্রতিবাদ না করার জন্য৷ তবে ইনকিয়ার বিশ্বাস, একদিন এই অবস্থার পরিবর্তন হবে এবং সেই দিন খুব দূরে নয়৷

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | JCPenney Coupons