শাস্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শাস্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই, ২০১১

ঝগড়া বন্ধে ঠোঁটে সেলাই!

বউ-শাশুড়ির মধ্যে ঝগড়া নতুন কোন খবর নয়। তবে এ ঝগড়া বন্ধ করতে ঠোঁট সেলাই করে দেয়ার ঘটনা আগে কখনও শোনা যায়নি। তাইওয়ানের লিন নামের ৫৭ বছর বয়সী এক শাশুড়ি তার পুত্রবধূর প্রতি বিরক্ত হয়ে নিজেই এ কাজ করেছেন। জানা গেছে, বউয়ের যে কোন কাজেই লিন খুঁত ধরতেন এবং বকবক করতেন। আর বউও সর্বৰণ শাশুড়ির বকবকানির সমালোচনা করত।
গত সপ্তাহের এক সকালে দু’জনের মধ্যে শুরম্ন হয় তুমুল ঝগড়া। এক পর্যায়ে চেন নামের এ ভিয়েতনামী বধূ পুলিশের সহায়তা চান। তিনি পুলিশকে বলেন, শাশুড়ি লিন একজন মানসিক রোগী। তিনি চিকিৎসা করাতে চাইলেও লিন তা গ্রহণ করছেন না। পুলিশের উপস্থিতিতে শাশুড়ি একটি রম্নমে দরজা আটকে বসেছিলেন। তাদের ঝগড়ার ঠিক দুই ঘণ্টা পর চেন আবারও পুলিশ ডাকেন। এবার পুলিশ দেখেন যে চেনের মাথা ফেটে রক্ত পড়ছে। চেন বলেন, শাশুড়ি তার মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছেন। পরে ওইদিন বিকেলে লিনকে নিকটবর্তী একটি পার্ক থেকে ঠোঁট সেলাই করা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সেলাই খোলার জন্য তাকে পাঠানো হয় হাসপাতালে। লিন পুলিশকে বলেন, পুত্রবধূ তার কথার সমালোচনা করায় তিনি নিজেই সেলাই করে মুখ বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে। _চায়না টাইমস।
জনকন্ঠ

বুধবার, ২৭ জুলাই, ২০১১

স্ত্রীর প্রেমিককে হত্যা, অতঃপর …

জর্দানের এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর প্রেমিককে হত্যা করেছে। পরে তিনি ওই প্রেমিকের পুরম্নষাঙ্গ কেটে ব্যাগে করে পুলিশের কাছে জমা দিয়েছেন। একজন জুডিশিয়াল কর্মকর্তা সোমবার এ কথা জানান। ৩৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি আম্মান শহরতলীর একটি হোটেল রুমে শনিবার এ হত্যাকা- ঘটিয়েছেন। তিনি নিজে পুলিশের কাছে ধরা দিয়েছেন এবং দোষ স্বীকার করেছেন। স্ত্রী ও তার প্রেমিকের সঙ্গে এ বিষয়টি নিয়ে একটি মীমাংসায় যেতে চেয়েছিলেন বলেও তিনি দাবি করেন। অনৈতিক কাজ থেকে ফেরাতে ব্যর্থ হয়ে পরে তিনি ওই প্রেমিককে গলা কেটে হত্যা করেন।যৌন সম্পর্কের অভিযোগে এর আগে ২৭ বছর বয়সী মহিলা ও তার প্রেমিককে আটক রাখা হয়েছিল। কিন্তু সাধারণ ৰমায় সম্প্রতি তারা মুক্তি পান। ওই কর্মকর্তা আরও জানান, মুক্তি পেয়ে তারা আবারও বেপরোয়া যৌনাচারে লিপ্ত হলে বেচারা স্বামী তা সহ্য করতে পারেননি এবং তিনি হত্যার পরিকল্পনা অাঁটেন। -এএফপি।
জনকন্ঠ

মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০১১

গাইবান্ধায় গৃহবধূকে এসিড নিক্ষেপের দায়ে তিনজনের কারাদণ্ড

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বড়গোবিন্দ গ্রামের গৃহবধূ মঞ্জুয়ারাকে (২২) এসিড নিক্ষেপের দায়ে তিনজনের ১৪ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে আদালত প্রত্যেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ এ টি এম গোলাম কিবরিয়া এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—উপজেলার বড়গোবিন্দ গ্রামের ফুল মিয়া, বদি মিয়া, সাহেরা বেগম। তিনজনই বর্তমানে গাইবান্ধা কারাগারে আটক রয়েছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৫ সালের ২৫ মে রাতে মঞ্জুয়ারা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাইরে বের হলে আগে থেকে ওত্ পেতে থাকা আসামিরা তাঁকে এসিড নিক্ষেপ করে। এতে তাঁর বুক, গলা ও বাঁ হাতের এক অংশ ঝলসে যায়। এ ব্যাপারে মঞ্জুয়ারার স্বামী আবদুল মজিদ বাদী হয়ে এসিড দমন আইনে পলাশবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সাক্ষ্যপ্রমাণে ঘটনার সত্যতা প্রমাণ হওয়ায় বিচারক আজ এ রায় দেন।
রায় ঘোষণার সময় আদালতে স্বামী-স্ত্রী দুজনই উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা রায়ের প্রতিক্রিয়ায় প্রথম আলোকে বলেন, ‘রায়ে আমরা খুশি। এ রায় কার্যকরের দাবি জানাই।’
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল জলিল আকন্দ। আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রহমত উল্লাহ আজাদ ও সাবেক পিপি আবু আলা সিদ্দিকুল ইসলাম।
মামলায় মঞ্জুয়ারাকে প্রথম আলো এসিড তহবিল আইনি সহায়তা দেওয়া হয়। মামলায় প্রথম আলোর পক্ষে আইনি সহায়তা দেন আইনজীবী আনিস মোস্তফা ছোটন।

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | JCPenney Coupons