Abuse লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Abuse লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১১ জুলাই, ২০১১

যৌন নিপীড়ক প্রধান শিক্ষকের সাজা

স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানি করায় পাবনার ঈশ্বরদীতে একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে চার মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

পুলিশ জানিয়েছে, রোববার রাতে আদালত বসিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডিত সামসুল ইসলাম (৪৮) বাশেরবাদা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

ঈশ্বরদী থানার ওসি হানিফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, টিফিনের ফাঁকে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীকে প্রধান শিক্ষক যৌন নিপীড়নের সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হাতে ধরা পড়ে।

খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। রাত সাড়ে ১১টায় আদালত বসিয়ে সাজা দেওয়া হয় বলে ওসি জানান।

আদালত চার মাস সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়ার পর সামসুলকে কারাগারে পাঠানো হয়।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/আরএম/এমআই/১৩৪০ ঘ.

প্রেমের ফাঁদে কিশোরীরা, শঙ্কায় অভিভাবকেরা

ভোলায় বেশ কয়েকজন কিশোরীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অশ্লীল দৃশ্য ভিডিওতে ধারণ করে সিডি করা ও মুঠোফোনে পাঠানোর ঘটনা ঘটছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা এরই মধ্যে ১৮ বছরের কম বয়সী তরুণ-তরুণীদের শতাধিক মুঠোফোন জব্দ করেছেন। তাঁদের দাবি, মূল হোতাসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ধরনের অশ্লীল কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন ভোলার সুশীল সমাজ ও সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যরা।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভোলার সাতটি উপজেলায় তথাকথিত প্রেমিক সেজে তাদের প্রেমিকাকে যৌন হয়রানি করছে। একপর্যায়ে তারা বিভিন্ন অশ্লীল চিত্র মুঠোফোনে ও ভিডিও ক্যামেরায় ধারণ করে বাজারে ছাড়ছে। ওই ভিডিওচিত্র ভোলার দুই শতাধিক কম্পিউটার ব্যবসায়ী উচ্চ দরে বিক্রি করছে। পুলিশের তথ্যমতে, গত চার মাসে এ ধরনের ঘটনায় জেলার বিভিন্ন থানায় চারটি মামলা হয়েছে।
সম্প্রতি ভোলা শহরের একটি স্কুলের ছাত্রীকে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অশ্লীল দৃশ্য গোপনে ক্যামেরাবন্দী করে সিডি বানিয়ে বাজারে ছেড়েছে এক বখাটে চক্র। এ ঘটনায় ৭ জুলাই ভোলা সদর থানায় একটি মামলা হয়েছে।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ভোলা জেলার সভাপতি মোবাশ্বির উল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘প্রত্যেক ব্যক্তির সামাজিক দায়িত্ব এ ধরনের অন্যায়ের প্রতিরোধ করা। এ ধরনের দুর্ঘটনা আমাদের সবার ঘরে ঘটতে পারে। সমাজে এ ধরনের অশ্লীলতা প্রশ্রয় পাবে। আমি প্রশাসনকে অনুরোধ করব, যাদের কম্পিউটারে, মুঠোফোনে, ভিসিডিতে এ ধরনের দৃশ্য থাকবে, তাদের আইনের আওতায় আনবেন।’
ভোলা আবৃত্তি সংসদের সভাপতি সামস উল আলম বলেন, ‘সমস্যাটি মহামারি আকার ধারণ করেছে। প্রশাসনকে ধন্যবাদ যে তারা ১৮ বছরের কম বয়সীদের মুঠোফোন জব্দ করছে। আর তরুণদের কাছে আমার অনুরোধ, ওই অশালীন ভিডিওচিত্রটি নিজের বোনের মনে করে মুঠোফোন থেকে ফেলে দিন!’
শাহাবাজপুর থিয়েটারের পরিচালক এস এম বাহাউদ্দিন বলেন, ‘যারা এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত। কম্পিউটারের দোকানের ব্যবসাও অনুমোদনের (লাইসেন্স) আওতায় আনা দরকার।’
জেলা গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক রতন কৃষ্ণ রায় চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, স্কুলছাত্রীকে এভাবে যৌন নিপীড়ন চালানো এবং সে দৃশ্য ভিডিও করে বাজারে ছাড়ায় অভিভাবকদের মধ্যে শঙ্কা-ভয়ের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, পুলিশ সুপারের নির্দেশে গোয়েন্দা পুলিশ ভোলা শহরে ব্যাপক তদন্ত চালায়। দেখা গেছে, জেলা শহরের কালীনাথ রায়ের বাজার এলাকার দরগা রোডের বাসিন্দা মো. হাসান এ ঘটনার মূল হোতা। গত বুধবার রাতে ডিবি পুলিশ বাসায় হানা দিয়ে হাসানের বাবা ইউনিয়ন উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামকে আটক করে। এ সময় বাসা থেকে উদ্ধার করা হয় হাসানের ব্যবহূত কম্পিউটারসহ একাধিক স্কুলছাত্রীর অশ্লীল ভিসিডি, মেমোরি কার্ড ও সাতটি মুঠোফোনের সিম। বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিবি পুলিশ শহরতলির পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের পাঙ্গাসিয়া লঞ্চঘাট থেকে হাসানকে গ্রেপ্তার করে।
হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সঙ্গে তার বন্ধুরাও আছে। তার তথ্যের সূত্র ধরেই শুক্রবার তার বন্ধু সাইফুল ইসলাম সৌধকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং অশ্লীল সিডি বিক্রির অভিযোগে শনিবার দিবাগত রাতে তিনটি কম্পিউটার সিপিইউসহ তিন ব্যবসায়ী আজিজ, রুবেল ও মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ বলছে, প্রথম সতর্কতায় যদি কেউ ওই চিত্র মুছে না ফেলে, তবে পরবর্তী সময়ে কারও মুঠোফোন ও কম্পিউটারে অশ্লীল চিত্র পেলেই তাকে সংশ্লিষ্ট মামলার আসামি করা হবে।
ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোবাশ্বের আলী বলেন, ‘মুঠোফোনের মাধ্যমে তরুণ-তরুণীরা এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাদের বাবা-মা সন্তানের হাত থেকে মুঠোফোন ছিনিয়ে নিতে ব্যর্থ হচ্ছে। এ জন্য অভিযান চালিয়ে ১৮ বছরের নিচের তরুণ-তরুণীর হাত থেকে মুঠোফোন ছিনিয়ে অভিভাবককে ফেরত দিচ্ছি।’ এ পর্যন্ত তাঁরা ভোলা শহর থেকে শতাধিক মুঠোফোন জব্দ করেছেন।

শনিবার, ৯ জুলাই, ২০১১

অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ জনে ১ জন ধর্ষীত হয়

অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া নারী শিক্ষার্থীদের ছয় জনে এক জনই ধর্ষণের শিকার হন। এমনকি এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই তাদের জীবনে বহুবার যৌন নির্যাতন অথবা হয়রানির শিকার হয়ে থাকেন। শুক্রবার প্রকাশিত একটি জরিপের ফলাফলে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব স্টুডেন্টস (এনইউএস) সম্প্রতি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫শ’য়েরও বেশি নারী শিক্ষার্থীদের ওপর জরিপ পরিচালনা করে। জরিপে দেখা গেছে, উত্তর দানকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৭ শতাংশ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ধর্ষণ চেষ্টার অভিজ্ঞতা রয়েছে ১২ শতাংশের। অবশ্য যৌন নির্যাতন বা হয়রানির ঘটনা সবসময় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভেতরেই ঘটেছে এমন নয়।
ছাত্র ইউনিয়নটির নারী বিষয়ক কর্মকর্তা কোরটনি সেøায়ান বলেন, ওই ইন্টারনেট জরিপটিতে দেখা যাচ্ছে, মেয়েদের বিরুদ্ধে সহিংসতা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণত সমাজের মধ্যবিত্ত এবং উচ্চমধ্যবিত্ত শ্রেণীর মেয়েরা পড়তে আসে। জরিপে দেখা যাচ্ছে, এই মেয়েদের যৌন হয়রানি, নির্যাতন এবং অত্যন্ত পীড়াদায়ক অভিজ্ঞতা রয়েছে।
সিডনি মরনিং হেরাল্ড পত্রিকাকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।
জরিপে আরো দেখা যায়, উত্তরদানকারীদের ৬৭ শতাংশ শিক্ষার্থী অনাকাক্সিক্ষত যৌন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। এর মধ্যে ৩১ শতাংশ বলেছেন এ অবস্থায় তারা সঙ্গম করেছেন অথবা শেষাবধি সম্মতি দিতে পারেননি। এদের মধ্যে ১৭ শতাংশ বাজে আচরণের শিকার হয়েছেন।
জরিপটি পরিচালনা করা হয়েছে ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের মার্চ পর্যন্ত।
যৌন নির্যাতনের ঘটনাগুলো বেশিরভাগই ঘটেছে বন্ধু অথবা পরিচিত জনদের দ্বারা। এর মধ্যে ২২ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের  ঘনিষ্ঠ জনদের কাছ থেকে  এমন আচরণ পেয়েছেন যা তারা কখনো কল্পনাও করেননি।
এমন ঘটনার শিকার বেশিরভাগ মেয়ে এ ব্যাপারে কারো কাছে কোনো অভিযোগ করেননি। প্রায় ২ বা ৩ শতাংশ মাত্র পুলিশকে জানিয়েছেন। এর কারণ তাদের বেশিরভাগই এ ঘটনাগুলো অভিযোগ করার মতো গুরুতর বলে মনে করেননি।
উপরের তথ্যগুলোর অনুরুপ তথ্য এর আগে ২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার পরিসংখ্যান অধিদপ্তরের পরিচালিত জরিপেও পাওয়া গিয়েছিল। সে সময় ব্যক্তিগত নিরাপত্তা জরিপে দেখা গিয়েছিল, মাত্র ১৫ বছর বয়স থেকেই বেশিরভাগ মেয়েরা যৌন সহিংসতার শিকার হয়।
২০০৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ইউনিভার্সিটির ছেলেদের আবাসিক কলেজের ছাত্ররা ফেসবুকে একটি পাতা খুলেছিল । তারা এর নাম দিয়েছিল ‘সম্মতি ছাড়া ধর্ষণকামী‘ (প্রো-রেইপ, অ্যান্টি-কনসেন্ট)। এই ঘটনার পর এনএসইউ এই জরিপ করল।

বুধবার, ৬ জুলাই, ২০১১

ভিকারুননিসার সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

ধর্ষণের অভিযোগ ওঠায় রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজের বসুন্ধরা শাখার শিক্ষক পরিমল জয়ধরকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ছাত্রীদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগে ওই শাখার দুই শিক্ষক বরুণ চন্দ্র বর্মণ এবং আবুল কালাম আজাদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এই তিনজন শিক্ষক ছাড়াও ওই প্রতিষ্ঠানের আরও যে চারজন শিক্ষকের আচার-ব্যবহার সম্পর্কে আপত্তি উঠেছে, তাঁদের অন্য শাখায় বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন বিষ্ণুপদ বাড়ৈ, বাবুল কুমার কর্মকার, বিশ্বজিৎ চন্দ্র মজুমদার ও প্রণব কুমার ঘোষ। 
একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার জন্য স্কুলের বসুন্ধরা শাখার ভারপ্রাপ্ত প্রধান লুৎফর রহমানকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি শিক্ষক হিসেবে থাকবেন। বসুন্ধরা শাখা প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছেন আজিমপুর প্রভাতি শাখার প্রধান লুৎফুন্নেছা।
গতকাল মঙ্গলবার কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে পরিমল জয়ধরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কলেজের পক্ষ থেকে বাড্ডা থানা কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করা হয়। গতকালই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এতে ছাত্রীটির বাবা তাঁর মেয়েকে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন।
বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনার পর কলেজের অধ্যক্ষ হোসনে আরা বেগম এবং ভারপ্রাপ্ত শাখাপ্রধান লুৎফুর রহমান ব্যবস্থা নিতে কালক্ষেপণ করায় তাঁদের বিরুদ্ধে এজাহারে অভিযোগ আনা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে হোসনে আরা বেগম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ছাত্রীটি অভিযোগ না করায় এত দিন পুলিশকে জানানোর সুযোগ ছিল না। গত সোমবার রাতে অভিযোগ পাওয়ার পরই মঙ্গলবার পরিচালনা পরিষদের সভায় অভিযুক্ত ওই শিক্ষকসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে অনুরোধ করা হয়েছে।’ 
এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচার দাবিতে গতকাল বেইলি রোডের মূল শাখা ও বসুন্ধরা শাখার সামনে বেশ কিছু অভিভাবক বিক্ষোভ করেছেন। বেইলি রোডে কলেজের মূল ক্যাম্পাসে ছাত্রীরা জড়ো হলেও কয়েকজন শিক্ষক তাঁদের মিছিল করতে দেননি, এমনকি কলেজ মিলনায়তনে ডেকে নিয়ে তাঁদের তিরস্কার করেন। এ সময় ছাত্রীদের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ নেওয়া হয়। তবে গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে বলে কলেজ কর্তৃপক্ষ আশাবাদী। 
জানা যায়, বসুন্ধরা শাখার শিক্ষক পরিমল জয়ধর বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে নিজের বাসায় ধর্ষণ করেন। প্রাইভেট পড়তে আসা অন্য ছাত্রীদের কৌশলে বিদায় দিয়ে তিনি ওই ছাত্রীর ওপর পাশবিক নির্যাতন চালান। এ ছাড়া তিনি মুঠোফোনে ঘটনার ছবি রেকর্ড করেন। এ ঘটনায় গত ২৮ জুন স্কুলের ৬১ জন ছাত্রী লিখিতভাবে ওই শিক্ষকের নামে অভিযোগ করে। কয়েক দিন ধরে অভিভাবকেরা ওই শিক্ষকের বিচার দাবি করে আসছিলেন। ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেরিয়ে আসে, বসুন্ধরা শাখায় আরও কয়েকজন শিক্ষক ছাত্রীদের সঙ্গে অশালীন ও আপত্তিকর আচরণ করেন।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নোমান উর রশীদ, উপপরিচালক সাধন কুমার বিশ্বাস, উপপরিচালক (ঢাকা অঞ্চল) এ কে এম মোস্তফা কামাল এবং জেলা শিক্ষা কর্মকতা মো. আবদুস সামাদ গত সোম ও মঙ্গলবার কলেজের মূল ও বসুন্ধরা শাখা পরিদর্শন করেন। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তাঁর প্রতিবেদনে জানান, বসুন্ধরা শাখায় কিছু শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ধর্ষণের দায়ে মূল অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
গতকাল কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভায় পুরো বিষয়টি তদন্তের জন্য পরিচালনা পরিষদের সদস্য খন্দকার আফরোজা বেগমকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ও বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচার দাবি করেছে।

প্রথম আলো

সোমবার, ৪ জুলাই, ২০১১

টারান্টিনোর সেক্স স্ক্যান্ডাল!


সম্প্রতি ভারতীয় এক তরুণী যৌনঅভিযোগ করেছেন, ‘ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডস’খ্যাত অস্কারজয়ী হলিউডি চিত্রনির্মাতা কুয়েন্টিন টারান্টিনোর বিরুদ্ধে। জানা গেছে বিজলি নামের ঐ তরুণী জানিয়েছেন, ‘একটি পার্টি থেকে টারান্টিনো তাকে তার বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং তারা সেখানে রাত্রিযাপনও করেছেন। খবর স্ক্রিন ইন্ডিয়ার।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ৪৮ বছর বয়সী চিত্রনির্মাতা টারান্টিনোর বিরুদ্ধে অদ্ভুত যৌন আচরণের অভিযোগও এনেছেন ২৩ বছর বয়সী বিজলি শাহ। প্রমাণ হিসেবে সেই রাতে টারান্টিনোর সঙ্গে নিজের কয়েকটি ছবিও প্রকাশ করেছেন ঐ তরুণী।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এ প্রসঙ্গে একটি ই-মেইলে বিজলি লিখেছেন, ‘হলিউড হিলের একটি পার্টিতে টারান্টিনোর সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ। সে পার্টিতে আমাকে চুমুও খেয়েছেন তিনি। পার্টি শেষে তিনি আমাকে বলেন, আমার বাড়িতে যেতে চাও? আমি কিছু না ভেবেই রাজী হয়েছিলাম এবং তার বাড়িতে গিয়েছিলাম।’

বিজলি আরো লিখেছেন, ‘এরপর তিনি আমাকে বিছানায় নিয়ে গেলেন এবং কোনো রকম সংকোচ ছাড়াই অদ্ভুত এক প্রশ্ন করে বসলেন। তিনি বললেন, আমি কি তোমার পায়ের আঙুল চেখে দেখতে পারি? এমন অদ্ভুত প্রশ্ন আমার জীবনে সেই প্রথম শুনলাম আমি।

বিজলির ভাষ্যে, ‘ঘটনার আকস্মিকতায় আমি আতঙ্কিত হলেও, চুপ করে রইলাম। এরপরই আমার জীবনের সবচেয়ে অদ্ভুত দশ মিনিট পার করলাম আমি। একজন অস্কারজয়ী চিত্রনির্মাতা দশ মিনিট ধরে আমার পা চাখলেন এবং নিজেকে পরিতৃপ্ত করলেন। সত্যি বলতে কি, ব্যাপারটা মন্দ লাগেনি আমার।’

এদিকে জানা গেছে, সেই রাতে টারান্টিনোর বাড়ির ভেতরের একটি ফটোবুথে বেশ কয়েকটি ছবিও তুলেছেন এই দুজন। টারান্টিনোর বিরুদ্ধে নিজের অভিযোগের প্রমাণ হিসেবে ই-মেইলের সঙ্গে সেই ছবিগুলোও জুড়ে দিয়েছেন বিজলি।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/টিকে/এইচআর/জুলাই ০২/১১

রবিবার, ১৯ জুন, ২০১১

যৌন হয়রানি: এক যুবকের ছয় মাসের কারাদণ্ড

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় স্কুলে যাওয়ার পথে দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে উজ্জ্বল দেবনাথ (২৪) নামের এক যুবককে ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ রোববার সকালে বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ টি এম মাহবুব-উল করিম এই রায় দেন।
জানা গেছে, আজ সকাল সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার আড়কান্দি উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ওই ছাত্রী (১৫) প্রাইভেট পড়ার জন্য স্কুলে যাচ্ছিল। এ সময় রাস্তায় ওই ছাত্রীকে একা পেয়ে বহরপুর ইউনিয়নের আড়কান্দি শ্যামসুন্দর গ্রামের উজ্জ্বল দেবনাথ তাকে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালান। ওই ছাত্রীর চিত্কারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে বখাটে উজ্জ্বলকে হাতেনাতে আটক করে। পরে বিষয়টি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় লোকজন মীমাংসার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন।
এ খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বালিয়াকান্দির ইউএনও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ব্যবস্থা করেন। উজ্জ্বল তাঁর দোষ স্বীকার করায় আদালত এই রায় দেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বালিয়াকান্দির ইউএনও এ টি এম মাহবুব-উল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার, ১৩ জুন, ২০১১

ইডেন কলেজ নেত্রীদের ব্যবসা-বাণিজ্য এবং…

ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের কোন্দল ও আধিপত্যের লড়াইয়ে বেরিয়ে আসছে থলের বিড়াল। নিঝুম-তানিয়া গ্রুপের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা কলেজে ভর্তি বাণিজ্য করে। টাকা নেয়, টেন্ডারবাজি করে। নানা ধরনের কাজ বাগিয়ে আনে। বিটিভির স্লট কিনে আয় করছে লাখ লাখ টাকা। এছাড়া বিভিন্ন তদবির বাণিজ্য করে এ গ্রুপ।

এজন্য তারা ব্যবহার করে নতুন ছাত্রীদের। তাদের দেখানো হয় আগামী দিনের নেতা হওয়ার স্বপ্ন। সচ্ছল হওয়ার স্বপ্ন। এসব স্বপ্ন পূরণের জন্য তাদের নিয়ে যাওয়া হয় বিভিন্ন নেতার বাসায়। বাসাবাড়ি ছাড়াও বিভিন্ন হোটেলে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের বাধ্য করা হয় বিভিন্ন নেতার মনোরঞ্জন করতে। অবশ্য তানিয়া তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বলেছেন, এসব করি না। এগুলো ঠিক নয়। উল্টো তিনি অভিযোগ তুলেছেন হ্যাপী-শর্মী গ্রুপের বিরুদ্ধে। তানিয়া বলেছেন, ওরা বহিষ্কৃৃত।

দেশি মুখ নিয়ে ৮৪টি পর্নো ওয়েবসাইট!


পর্নো ওয়েবসাইটগুলোয় এখন দেশীয় মুখের ছড়াছড়ি। কিশোরী তরুণী থেকে শুরু করে মধ্যবয়সী নারীদের গোপন ক্রিয়াকলাপের ছবি এসব সাইটে ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী, মডেল কন্যা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের ছবিও রয়েছে। নানা কৌশলে গোপনে সংগ্রহ করা এই ছবিগুলো ব্যবহার করে সংশ্লিষ্টদের ব্ল্যাকমেইলের ঘটনাও ঘটছে। সম্প্রতি এ রকম ৮৪টি ওয়েবসাইট শনাক্ত করেছে পুলিশ সদর দফতর। এগুলো বন্ধের জন্য শিগগিরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ‘বাংলাদেশি হট গার্ল, ভার্সিটি গার্ল, সেলিব্রেটি উইমেন’-এ জাতীয় শব্দ ব্যবহার করে বিভিন্ন পর্নো ওয়েবসাইটে চটকদার বিজ্ঞাপন দেওয়া হচ্ছে। নির্দিষ্ট লিংকে ঢুকলে দেখা মিলছে পরিচিত নানা মুখের। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের অজান্তে লুকানো ক্যামেরায় তোলা হয়েছে এসব ছবি। কখনও কখনও সাধারণ ভিডিওচিত্রকে সম্পাদনা করে পর্নো বানানো হয়েছে। নিখুঁত কারিগরি কাজের জন্য ছবিটি আসল না সুপার ইম্পোজ তা বোঝাও যাচ্ছে না। আর এ ধরনের প্রতারণার ফলে অনেকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছেন।

রবিবার, ১২ জুন, ২০১১

মেঝেতে প্রসূতি মা ও নবজাতক


undefined
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নবজাতক ও প্রসূতিদের দুরবস্থার এই ছবিটি বুধবার রাতে তোলা
আলীমুজ্জামান

২৫০ শয্যার ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে প্রতিদিন ধারণক্ষমতার চেয়ে দ্বিগুণ রোগী ভর্তি হওয়ায় চিকিৎসাসেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। শয্যার অভাবে রোগীদের থাকতে হচ্ছে মেঝেতে। ৮ জুন রাত ১০টায় সরেজমিনে দেখা যায়, প্রসুতি মা ও নবজাতকেরা চরম অবহেলায় মেঝেতে শুয়ে আছে।
রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার ২ নম্বর ব্যাপারীডাঙ্গি গ্রামের লুৎফার মিয়া জানান, ৪ জুন তাঁর নাতি হয়েছে। ওয়ার্ডে জায়গা না থাকায় করিডোরের মেঝেতে থাকতে হচ্ছে।
ফরিদপুর শহরের চরকমলাপুর এলাকার রুপা আক্তার বলেন, ‘আমার প্রথম সন্তান হয়েছে ৭ জুন। সেদিন থেকেই এ মেঝেতেই পড়ে আছি। মানুষের হাঁটাচলা আর ট্রলির শব্দে রাতেও ঘুমাতে পারি না।’
মধুখালীর মাঝকান্দি এলাকার জাহানারা বেগম বলেন, ‘৮ জুন সকাল ১০টায় সিজারের মাধ্যমে আমার নাতি হয়েছে।’ মা শিউলী বেগম জানান, এটি তাঁর প্রথম বাচ্চা। লজ্জাশরম ত্যাগ করে উন্মুুক্ত এ পরিবেশেই শিশুকে দুধ পান করাতে হয়।

শনিবার, ১১ জুন, ২০১১

জরিপে তথ্য, ছয় জনে একজন শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার


অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি ৬ জনের মধ্যে ১ জন মেয়ে শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন। বহু শিক্ষার্থী যৌন হয়রানি ও নির্যাতনেরও শিকার হচ্ছেন বলে গতকাল প্রকাশিত একটি জরিপের ফলাফলে দাবি করা হয়েছে। ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব স্টুডেন্টস পোল-এর আওতায় পরিচালিত এক জরিপের ফলাফলে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছেন এমন ১,৫০০ এরও বেশি মেয়ে শিক্ষার্থীর উপর অনলাইনে এ জরিপটি চালানো হয়। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, উত্তরদাতাদের মধ্যে ১৭ শতাংশ শিক্ষার্থীই বলেছেন, তারা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | JCPenney Coupons