মর্মান্তিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মর্মান্তিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১২

খুন হলেন নেপালী অভিনেত্রী মিনাক্ষী!

সাইকোলজিকাল থ্রিলার '৪০৪'-এ অভিনয় করে গত বছর বলিউডের পাদপ্রদীপের আলোয় এসেছিলেন নেপালী অভিনেত্রী মিনাক্ষী থাপা। এক বছর পর আবারও খবরের শিরোনাম হলেন তিনি। এবারে কোনো নামী পরিচালকের ছবিতে অভিনয় করে নয়; সহকর্মীর হাতে খুন হয়ে। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়ার।

মাধুর ভাণ্ডারকারের ‘হিরোইন’ ছবির সেটে মিনাক্ষীর সঙ্গে পরিচয় হয়েছিলো এলাহাবাদের দুই বাসিন্দা অমিত জাস্ওয়াল এবং প্রিতি সুরিনের সঙ্গে। বলিউডি এই দুই জুনিয়র আর্টিস্টের কাছে নেপালের এক ধনী পরিবারের মেয়ে হিসেবেই নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন মিনাক্ষী। অভিনয়টাও শখের বসেই করেন বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত অর্থলোভী এই দুই অভিনেতার হাতেই প্রাণ দিতে হলো আদতে এক স্কুল শিক্ষকের কন্যা মিনাক্ষীকে।

মুম্বাইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ ব্যাপারে জানিয়েছেন,  অমিত জাসওয়াল ও প্রিতি সুরিন মুক্তিপণের আশায় কিডন্যাপ করেন মিনাক্ষীকে। এরপর মিনাক্ষীর পরিবার তাদের ১৫ লাখ রুপির চাহিদা মেটাতে ব্যর্থ হলে তার মাথা কেটে খুন করে মৃতদেহ লুকিয়ে রাখেন এলাহাবাদের এক পানির ট্যাংকে। তার কেটে ফেলা মাথাটি তারা ছুড়ে ফেলেন চলন্ত বাস থেকে।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

বুধবার, ১৪ মার্চ, ২০১২

এ টি এম শামসুজ্জামানের ছোট ছেলের হাতে বড় ছেলে খুন

বিশিষ্ট অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামানের বড় ছেলেকে তাঁর সামনেই ছুরি মেরে খুন করেছে ছোট ছেলে।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সূত্রাপুর থানায় প্রবীণ এ অভিনয়শিল্পীর পৈতৃক বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত এ টি এম কামরুজ্জামান কবীর (৪০) গাড়ির ব্যবসা করতেন। রক্তমাখা ছুরিসহ হত্যাকারী ছোট ছেলে এ টি এম খলিকুজ্জামানকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে সূত্রাপুর থানার পুলিশ। এ ঘটনার পর রাতে এ টি এম শামসুজ্জামান বাদী হয়ে সূত্রাপুর থানায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
এ টি এম শামসুজ্জামানের ভাই ইব্রাহিম জামান সাংবাদিকদের বলেন, গতকাল বেলা তিনটার দিকে বড় ছেলে কামরুজ্জামান এসে বাসায় ঢোকার লোহার গেট বন্ধ পান। ওই গেটের এক পাশে বাইরের দিকে তালা লাগানো ছিল। ধাক্কাধাক্কি করলেও ভেতর থেকে কেউ দরজা না খুললে কামরুজ্জামান তালা-চাবির মিস্ত্রি নিয়ে ওই তালা খোলার চেষ্টা করেন। তখন এ টি এম শামসুজ্জামান ভেতর থেকে দরজা খুলে দিলে তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন কামরুজ্জামান। তখন ভেতর থেকে ছুরি এনে ছোট ছেলে খলিকুজ্জামান বড় ভাইকে আঘাত করেন। আহত কামরুজ্জামানকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
থানা হেফাজতে থাকা খলিকুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, বাবার গায়ে হাত তোলায় তিনি বড় ভাইকে ছুরি মেরেছেন। খলিকুজ্জামান জানান, তিনি বাবার সহকারী হিসেবে কাজ করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, পৈতৃক সূত্রে দেবেন্দ্রনাথ দাস লেনের চারতলা ওই বাড়িটির নিচতলার মালিক এ টি এম শামসুজ্জামান। এ টি এম দম্পতি, বড় ছেলে ও তাঁর স্ত্রী এবং ছোট ছেলে এ বাড়িতেই থাকেন। মেজো ছেলে থাকেন অন্যত্র।
বড় ছেলের হত্যাকাণ্ডের পর অসুস্থ হয়ে পড়েন এ টি এম শামসুজ্জামান। তিনি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি। তবে পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছেন। পুলিশের ওয়ারী বিভাগের সহকারী কমিশনার মনজুর রহমান বলেন, শামসুজ্জামান পুলিশকে জানিয়েছেন, দুপুরের পর দরজায় করাঘাত করছিল বড় ছেলে। দরজা খুলে দিলে ছেলে তাঁকে ধাক্কা দেয়। তখনই পেছন থেকে ছুরি নিয়ে এসে ছোট ছেলে বড় ভাইকে ছুরি মারে। শামসুজ্জামান পুলিশকে আরও বলেছেন, তাঁর ছোট ছেলে মাদকাসক্ত ছিল। তাকে কয়েকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ কারণে সে মানসিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল না।
সূত্রাপুর থানার এএসআই শওকত আলী প্রথম আলোকে বলেন, রাত নয়টার দিকে এ টি এম শামসুজ্জামান ছেলে খলিকুজ্জামানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন।
চাচাতো ভাই হাসানুজ্জামান বলেন, কামরুজ্জামান কয়েক মাস আগে মিরপুরে একটি গাড়ির শোরুম খুলেছিলেন। তিনি নিঃসন্তান ছিলেন। ঘটনার সময় তাঁর মা রুনি জামান ও স্ত্রী লাকী জামান বাসায় ছিলেন না।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানায়, কামরুজ্জামানের শরীরে কয়েকটি ছুরির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কর্তব্যরত চিকিৎসক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় লোকজন, পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীরা ভিড় জমিয়েছেন বাড়ির সামনে ও ভেতরে। বাসার ভেতরে অনেক আত্মীয়স্বজন। লোহার গেটে ঢোকার মুখে শুকিয়ে আসা রক্তের দাগ। prothom-alo

বৃহস্পতিবার, ১ মার্চ, ২০১২

ধর্ষণের পর টুনি’র শরীর থেকে বের করে নেয়া হয় রক্ত

 বছরের টুনিকে ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হয়নি সন্ত্রাসীরা, তার শরীর থেকে রক্ত বের করে নিয়েছে। এরপর শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে। ঘটনাটি সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার রূপসী গ্রামের। এ ঘটনায় পুলিশ রুবেল শেখ তুহিন নামে ১৬ বছরের এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে। রুবেল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানিয়েছে সে রক্ত বিক্রেতা। রক্ত সংগ্রহ করার জন্যই এ কাজ করেছে।
এনায়েতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওহিদুজ্জামান জানান, গত ২৩শে ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় জুলেখা খাতুন টুনি কীর্তন দেখতে যাচ্ছিল। এ সময় একই গ্রামের রমজান ব্যাপারীর ছেলে রুবেল, তার সহযোগী সোহেল (১৯) ও মঞ্জিল (২০) তাকে ফুঁসলিয়ে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণ করে তারা। একপর্যায়ে টুনি অচেতন হয়ে পড়লে তার শরীর থেকে সিরিঞ্জ দিয়ে রক্ত বের করে নেয়। শুধু তাই নয়, ৩ জন মিলে হাত-পা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে তার লাশ পাশের একটি ধানক্ষেতে ফেলে পালিয়ে যায়। পরদিন লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় টুনির পিতা শুকুর আলী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি দিয়ে থানায় মামলা করেন। রোববার রাতে বাড়ি থেকে  রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিরাজগঞ্জ ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ ভটাচার্জ বলেন গ্রেপ্তারকৃত রুবেল মাত্র ৫ হাজার টাকার চুক্তিতে টুনিকে তার সহযোগীদের হাতে তুলে দেয়। গ্রেপ্তারকৃত রুবেল পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পলাতক অপর দু’ জনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা  চলছে। রুবেলকে সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর বিকালে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মানব জমিন

বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

মেয়ে ধর্ষণের শিকার, মামলা করতে যাওয়ার পথে বাবা খুন

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের রাঘবপুর গ্রামে মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা করতে যাওয়ার পথে এক ব্যক্তিকে (৫৫) পিটিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রাঘবপুর এলাকা থেকে শরিফুল ইসলাম (২৮) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এদিকে বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের বালুয়ায় গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে দুই ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে।
পুলিশ জানায়, নিহতের মেয়ে গত সোমবার তার ভগ্নিপতি আনোয়ার হোসেনের বাড়ি উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের একটি গ্রাম থেকে নিজ বাড়ি ফিরছিল। বেলা ১ টার দিকে তালতলা নুনদহ সেতুতে পৌঁছালে বালুয়াবাজার গ্রামের আবু বক্কর মিয়ার ছেলে আবুল বাসার ওরফে পিচ্চি মিলন (২৫) সহযোগিদের নিয়ে জোরপূর্বক তাকে মোটর সাইকেলে তুলে নিয়ে যায়। পরে উপজেলার কোমরপুর গ্রামের এক বাড়ীতে মিলন ও তার সহযোগিরা তাকে ধর্ষণ করে। এতে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে বিকেল ৫ টার দিকে মেয়েটিকে তার বাড়ীর নিকটবর্তী ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ৪১ মাইল নামক স্থানে রেখে যায় তারা। বাড়ী ফিরে মেয়েটি বিষয়টি তার অভিভাবকদের জানালে সোমবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তাঁরা গোবিন্দগঞ্জ থানায় অভিযোগ করার জন্য রওনা হন। এ খবর শুনে বখাটে মিলন ও তার সঙ্গীরা মেয়েটির বাড়ির কাছে তার বাবা ও অন্যান্য অভিভাবকদের পথরোধ করে। এ সময় মেয়েটির বাবার চিৎকার শুনে গিয়ে এলাকাবাসী মিলনকে আটক করে রাখে। অবস্থা বেগতিক দেখে মিলনের সঙ্গীরা পালিয়ে যায়। পরে মিলনের সঙ্গীরা সংঘবদ্ধ হয়ে মেয়েটির বাড়িতে হামলা চালায়। তারা ঘরবাড়ী ভাঙচুর এবং মেয়েটির বাবা ও চাচাকে বেদম মারপিট করে মিলনকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় মেয়েটির বাবাকে সোমবার রাত ৮ টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু আক্কাস বলেন, নিহতের বড় ছেলে বাদী হয়ে অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। রাতেই নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ওই মেয়েটিকে উদ্ধার করে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

ঝিনাইদহে নির্যাতনের পর গৃহপরিচারিকার চুল কর্তন

ঝিনাইদহ শহরে নির্যাতনের পর এক গৃহপরিচারিকার মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতালে ভর্তি হয়ে গত মঙ্গলবার রাতে সাংবাদিকদের কাছে ঘটনার বিবরণ দেন ওই গৃহপরিচারিকা।
কিন্তু গতকাল সকাল থেকে তিনি আর মুখ খুলছেন না।
এলাকাবাসী জানান, ওই গৃহপরিচারিকা শহরের উপশহর পাড়ার বাসিন্দা মশিয়ার রহমান জোয়াদ্দারের বাসায় কাজ করতেন। মশিয়ার রহমান হরিণাকুণ্ডু উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও কাপাশহাটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান।
সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই গৃহপরিচারিকা মঙ্গলবার রাতে সাংবাদিকদের জানান, তিনি তিন বছর ধরে মশিয়ারের বাসায় কাজ করছেন। বর্তমানে মশিয়ার ভারতে আছেন। ওই দিন বেলা একটার দিকে তিনি বাসার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এমন সময় বাসায় আসেন মশিয়ারের মেয়ের জামাই তপু ও শ্যালিকা মিরা খাতুন। এ সময় তিনি তাঁদের খেতে বলেন। কিন্তু কোনো কিছু বোঝার আগেই তপু তাঁকে মারধর করতে থাকেন। একপর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাঁর মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়। জ্ঞান ফেরার পর তিনি দেখতে পান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আল মামুন বলেন, ওই গৃহপরিচারিকার মাথায় চারটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর ডান হাতেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
গতকাল হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ওই গৃহপরিচারিকা কারও সঙ্গে কথা বলতে চাচ্ছেন না। শুধু বলছেন, তিনি কিছুই বলতে পারবেন না। হাসপাতালের বাইরে সারাক্ষণ কিছু ব্যক্তি ঘোরাফেরা করছেন। যাঁরা কাউকে তাঁর কাছে যেতে দেখলেই পিছু নিচ্ছেন। তিনি সারাক্ষণ ভয়ে ভয়ে কথা বলছেন।
মিরা খাতুন জানান, তিনি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে মশিয়ারের বাসায় যান। এরপর হঠাৎ করে বাসায় আসেন তপু। তপু এসে ওই গৃহপরিচারিকার হাত ধরে টানতে টানতে ঘরের মধ্যে নিয়ে যান। এ সময় তপু তাঁকে বের করে দিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে দেন। বেলা একটার দিকে এ ঘটনা ঘটলেও এক ঘণ্টা পর তিনি খবর পান, গৃহপরিচারিকাকে মারধর করা হয়েছে। এর বেশি তিনি কিছুই জানেন না।
মশিয়ার দেশের বাইরে থাকায় এ বিষয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর থেকে তপুকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার জেলা সমন্বয়ক আমিনুর রহমান জানান, গৃহপরিচারিকার ওপর এমন নির্যাতন মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। মেয়েটি ভয়ে কথা বলতে পারছেন না। মামলা করতেও ভয় পাচ্ছেন। এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, মারধর ও চুল কেটে দেওয়ার সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো ওই গৃহপরিচারিকা প্রকাশ করেননি। এমনকি মামলাও করতে চাচ্ছেন না।

বুধবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০১২

পাষণ্ড বাবার কাণ্ড!

দীর্ঘ ১০ বছর বাথরুমে আটক থাকার পর উদ্ধার করা হয়েছে প্যালেস্টাইনের এক নারীকে। শনিবার পশ্চিম তীরের কালকিলিয়া সিটির একটি বাড়ির ছোট্ট একটি বাথরুম থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করে প্যালেস্টাইন পুলিশ। ২১ বছর বয়সী বারা মেহেম কর্তৃপকে অভিযোগ করে বলেন, প্রায় এক দশক ধরে তার বাবা তাকে বাথরুমে আটক করে রেখেছেন। মেহেমের বয়স যখন মাত্র ১১ বছর, তখন থেকেই বাবা তাকে বাথরুমে আটকে রাখতেন। কখনো কখনো মোটা লাঠি ও ধাতব তার দিয়ে তাকে মারা হতো। তিনি মেহেমকে স্কুলে যেতে দিতেন না, এমনকি তার মায়ের সঙ্গেও দেখা করতে দিতেন না। তার বাবার সঙ্গে মায়ের ইতিমধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে। ভয়েস অব প্যালেস্টাইনকে দেওয়া সাাৎকারে মেহেম জানান, বাবাই তার চুল ও ভ্রূ কেটে দিতেন। মাসে মাত্র একবার তাকে গোসল করতে দিতেন এবং প্রতিদিন ঘরবাড়ি পরিষ্কার করার জন্য রাত একটা থেকে রাত চারটা পর্যন্ত তাকে বাথরুম থেকে বের করতেন। বাথরুমটি ছোট্ট একটি খোপের মতো। এটি লম্বায় মাত্র এক মিটার আর চওড়ায় অর্ধমিটার। বললেন, সমাজকর্মী হালা শ্রেইম। মেহেমের বাবা তাকে প্রায়ই আত্মহত্যা করতে প্ররোচিত করতেন। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে বহির্বিশ্বের সঙ্গে তার যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিল রেডিও। মেহেমের বাবা জš§সূত্রে একজন ইসরাইলের নাগরিক। মেহেমকে উদ্ধারের পর পুলিশ তার বাবাকে গ্রেপ্তার করে ইসরাইল কর্তৃপরে কাছে হস্তান্তর করেছে। আর মেহেম থাকছেন মায়ের সঙ্গে।
প্রথম আলো

সোমবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০১২

নিজ বাসায় গণধর্ষণের শিকার

পেটের দায়ে উত্তরাঞ্চলের এক জেলা থেকে ১৫ দিন আগে ঢাকায় এসেছিলেন ২০-২২ বছর বয়সী এক নারী। অনেক চেষ্টায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ জোটে। তাঁর স্বামী রিকশা চালাতে শুরু করেন।
অভিযোগ পাওয়া গেছে, গত শুক্রবার রাতে ভাষানটেক বালুরমাঠে নিজ বাসায় গণধর্ষণের শিকার হন কর্মজীবী এই নারী। তিনি গতকাল রোববার প্রথম আলোকে বলেন, শুক্রবার রাত ১০টার সময় তিনি ও তাঁর স্বামী হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন। হঠাৎ তাঁদের পিছু নেয় এলাকার বখাটে যুবক ইব্রাহীম, বাবু, রানা ও নাম না জানা আরেকজন। তাঁদের পিছু পিছু বখাটেরাও ঘরে ঢুকে দরজা আটকিয়ে দেয়। বখাটেরা প্রথমে মুড়ি মাখিয়ে দিতে বলে, তারপর বলে ভাত রান্না করে খাওয়াতে। ভাত খাওয়ার পর একপর্যায়ে বখাটেরা স্বামীকে ছুরিকাঘাত করে বাথরুমে আটকে রেখে ওই নারীকে ধর্ষণ করে।
ঘটনার এক দিন পর ওই এলাকার দুজন বয়োজ্যেষ্ঠ নারীর সহযোগিতায় নির্যাতিত ওই নারী কাফরুল থানায় মামলা করেন।
জানতে চাইলে পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আমরা বিষয়টি দেখছি। আশা করছি, শিগগিরই আসামিরা গ্রেপ্তার হবে।’ প্রথম আলো

মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১২

দুই মাসের শিশুকে পতিতালয়ে বিক্রি

ভারতের মুম্বইয়ের গিরগাউম থেকে দুই মাস বয়সী এক শিশুকে চুরি করে ১২০০০ রুপির বিনিময়ে এক পতিতালয় প্রধানের কাছে বিক্রি করে দেয়া হয়েছিল। পুলিশ অবশ্য রোববার ওই শিশুকে উদ্ধার করে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আটক করতে সক্ষম হয়েছে। কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, সংঘবদ্ধ একটি চক্র নিয়মিত এ ধরনের শিশুকে চুরি করে নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রি করার কাজের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখন এ ব্যাপারে আরও জোরালো তদন্ত শুরু করেছে। গত ৫ই জানুয়ারি গিরগাউমের মওলানা শওকত আলি রোডের বাসা থেকে সালমা শেখের দুই মাস বয়সী কন্যা নিখোঁজ হয়। তিন কন্যা সন্তানের মা সালমা প্রথমে ভেবেছিলেন আলাদা বসবাসকারী স্বামীই তার শিশুকন্যাকে নিয়ে গেছেন। তাই তিনি প্রথমে এ ব্যাপারে পুলিশকেও কিছু জানাননি। ১৪ই জানুয়ারি স্বামীর সঙ্গে তার দেখা হওয়ার পর তিনি জানতে পারেন মেয়ে নিখোঁজ হবার ব্যাপারে তার স্বামী কোন কিছুই জানেন না। তখন তিনি পুলিশের কাছে সন্তান নিখোঁজ হবার কথা জানিয়ে মামলা করেন। পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযোগ দাখিলের পর আমরা দুই মাস বয়সী ওই শিশুর ব্যাপারে তল্লাশি শুরু করি। এরপর একটি সূত্রে জানতে পারি স্থানীয় পতিতালয়ে শিশুটিকে ১২০০০ রুপির বিনিময়ে বিক্রি করা হয়েছে। পুলিশ পরে জানতে পারে, ঘরের বাইরে বিছানায় শুইয়ে রাখার সময় অমর শর্মা নামের এক ব্যক্তি তাকে চুরি করে আরেক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেয়। ওই ব্যক্তি পরে পতিতালয়ের প্রধানের কাছে বিক্রি করে দেয়। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারের পর শিশুটিকে মায়ের বুকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। আর ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করে এ ব্যাপারে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
মানবজমিন ডেস্ক: 

পর্নো ভিডিও ধারণ করে স্ত্রীকে ব্ল্যাকমেইল!

যৌতুক আদায়ের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতনের বহু উদাহরণ রয়েছে। কিন্তু স্ত্রীর পর্নো ভিডিও ধারণ করে যৌতুক আদায়ের চেষ্টার কথা খুব একটা শোনা যায়নি। ভারতের বেঙ্গালুরুতে স্ত্রী নির্যাতনের এ কৌশল প্রয়োগের চেষ্টা করে ফেঁসে গেছেন যৌতুকলোভী এক স্বামী।
নির্যাতিত ওই নারী গত শুক্রবার বেঙ্গালুরুর একটি থানায় তাঁর স্বামী মোহাম্মদ বায়াসের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলার এজাহারে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর স্বামী তাঁকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে আপত্তিকর ভিডিওচিত্র ক্যামেরায় ধারণ করেন। এরপর তাঁর কাছে স্বর্ণালংকার এবং এক লাখ রুপি দাবি করেন। অন্যথায়, ওই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।
দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, ২০১০ সালের ৫ ডিসেম্বর বেঙ্গালুরুর ওই নারীর (২০) সঙ্গে মোহাম্মদ বায়াসের (২৫) বিয়ে হয়। বিয়ের সময় ওই তরুণীর পরিবারের কাছ থেকে প্রচুর স্বর্ণালংকার এবং এক লাখ রুপি যৌতুক নেন বায়াস। বেকার বায়াস পরে ওই গয়নাগুলো বিক্রি করে দেন। কিছুদিন আগে ওই তরুণী মাথা ব্যথার কথা বললে স্বামী বায়াস তাঁকে কৌশলে ঘুমের ওষুধ খাওয়ান। এরপর তিনি অচেতন হলে বায়াস তাঁর এক বন্ধুর সঙ্গে তাঁর স্ত্রীকে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করেন। এ সময় তাঁর ভিডিওচিত্র ধারণ করেন বায়াস।
মামলার এজাহার থেকে আরও জানা যায়, আপত্তিকর ভিডিওচিত্র ধারণের পর থেকেই তাঁর স্বামী তাঁকে আবারও যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকেন। অন্যথায় ওই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। কিন্তু ওই তরুণী যৌতুক দিতে রাজি না হওয়ায় বায়াস তাঁকে ঘরে আটকে রাখতেন। একপর্যায়ে তিনি পালিয়ে ভাইয়ের বাসায় যান। সেখানে গিয়েও বায়াস যৌতুক দাবি করেন।
এ ব্যাপারে রামান্নাথাপুরাম থানা পুলিশের পরিদর্শক মুনিরা বেগম বলেন, ‘আমরা আসামিকে গ্রেপ্তার করার জন্য একটি বিশেষ দল পাঠিয়েছি।’ প্রথম আলো

শনিবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১২

পঞ্চম শ্রেণীর শিশু অন্তঃসত্ত্বা, অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে


ঝালকাঠীতে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে পঞ্চম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী। ওই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত এক শিক্ষককে।

নলছিটি উপজেলার হয়বাতপুর গ্রামের ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার রনজিৎ নট্ট (৬৩) শিশুটির প্রতিবেশী। উপজেলার পাওতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন তিনি।

শিশুটির মা শুক্রবার রাতে নলছিটি থানায় মামলা করলে রনজিৎকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে থানার ওসি মাসুদুজ্জামান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান।

শিশুটি কয়েকদিন আগে পেটে ব্যথার কথা জানালে তাকে নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষার পর দেখা যায়, সে সন্তানসম্ভবা।

স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসক আওছাফুল ইসলাম রাসেল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, শিশুটি পেটে ব্যথা নিয়ে গত ৮ জানুয়ারি ভর্তি হয়। ১২ জানুয়ারি স্থানীয় একটি ক্লিনিকে তার আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো হলে দেখা যায়, সে ১৯ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা।

শিশুটি হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেছে, “অনেক দিন আগে পাশের ঘরের রনজিত স্যার আমাকে ডেকে নিয়ে খারাপ (ধর্ষণ) কাজ করে, তখন স্যারের ঘরে কেউ ছিল না।”

ধর্ষণের পর গলায় দা ঠেকিয়ে ঘটনাটি কাউকে না জানাতে রনজিৎ হুমকি দিয়েছিল বলে অভিযোগ করে সে।

তবে রনজিৎ ধর্ষণের এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, “ষড়যন্ত্র করে আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়েছে।”

মেয়েটির পরিবার তার কাছ থেকে জমি কিনে বসবাস করে আসছে দাবি করে তিনি বলেন, “আমার আরো সম্পত্তি দখলের জন্য মেয়েকে দিয়ে এই মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।”

রনজিতের বিরুদ্ধে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে শিশুটির মায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেছেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/

রবিবার, ১ জানুয়ারি, ২০১২

সিলেটে আগুনে মারা যাওয়া ব্যক্তি নায়িকা শাবনুরের পিতা!

সিলেটে পুড়ে মারা গেছেন চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা! ১৮ই ডিসেম্বর গাড়িতে আগুন দিলে তিনি গাড়ির ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন। সিলেটের দক্ষিণ সুরমা পুলিশের কাছে এমন তথ্য এসেছে। পুলিশ সব কিছু খতিয়ে দেখছে। আর এ বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সিলেট পুলিশে তোলপাড় চলছে। সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় ১৮ই ডিসেম্বর যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে এক যাত্রী বাসের ভেতরেই দগ্ধ হন। দীর্ঘ ১২ দিনেও তার কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। গতকাল পুলিশ নিহত বাসযাত্রীর পরিচয় পেয়েছে। তিনি রাজবাড়ী জেলার পাংশা এলাকার কাজী নাছির। ঘটনার ১২ দিন পর গত শুক্রবার বগুড়ার জ্যোৎস্না বেগম নামের এক মহিলা নিহত ব্যক্তিকে স্বামী হিসেবে দাবি করেছেন। তিনি নিজেকে নিহত কাজী নাছিরের দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে পুলিশের কাছে পরিচয় দেন। কাজী নাছির নায়িকা শাবনুরের পিতা বলেও পুলিশকে জানিয়েছেন জ্যোৎস্না বেগম। নিহতের জুতা দেখে তিনি পরিচয় নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শামা ইকবাল হায়াত। সাংবাদিকদের কাছে তিনি আরও জানান, অগ্নিদগ্ধ হয়ে নিহত কাজী নাছির তিনটি বিয়ে করেছেন বলে জ্যোৎস্না বেগম পুলিশকে জানিয়েছেন। তার প্রথম স্ত্রী নায়িকা শাবনুরের মা বলেও দাবি করেন জ্যোৎস্না। সর্বশেষ মৌলভীবাজারের স্বপ্না বেগম নামের আরেক মহিলাকে বিয়ে করেন কাজী নাছির। গতকাল বিকালে ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দক্ষিণ সুরমা থানার সাব ইন্সপেক্টর আমিনুল ইসলাম জানান, জ্যোৎস্না বেগম পুলিশের কাছে এসে কাজী নাছিরকে স্বামী বলে পরিচয় দিয়েছেন। তিনি জানান, জ্যোৎস্না বেগম আরও অনেক তথ্য দিয়েছেন। সব কিছু আমরা তদন্ত করছি। মানব জমিন

মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১১

কোম্পানীগঞ্জে ধর্ষণের পর হত্যা

স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী থেকে: কোম্পানীগঞ্জের চর কচ্চপিয়া গ্রামের খাল পাড়ের একটি ধানক্ষেতে গতকাল পিংকি আক্তার (১২) নামের এক বালিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে। পুলিশ বালিকাকে নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগে মো. রনিকে আটক করেছে।
নিহত বালিকার পিতা আবু ইউসুফ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গতকাল বাড়ির নিহত শিশু পিংকি আক্তারকে ক্ষেতে পাঠানো হয়। ধান ক্ষেতে বিলের মধ্যে পিংকিকে একা পেয়ে বখাটে রনি ধর্ষণ ও নির্যাতনের পর হত্যা করে তার লাশ পাশের খালে ফেলে যায়। বালিকার পিতা মেয়েটিকে খোঁজাখুঁজি করে খালের মধ্যে তার লাশ দেখে চিৎকার করে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। কোম্পানীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. এমরান হোসেন জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একই গ্রামের মো. মিজানের পুত্র বখাটে রনিকে আটক করা হয়েছে।

রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১১

মেয়েকে ধর্ষণের শাস্তি ২০৮০ ঘা বেত

সৌদি আরবে মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে এক পাষাণ্ড পিতাকে ১৩ বছরের জেল ও ২০৮০ ঘা বেত মারার রায় দিয়েছে এক আদালত। সৌদি আরবের মক্কা নগরীর এক আদালত ওই সোদি নাগরিকের বিরুদ্ধে তার কিশোরী মেয়েকে নেশাগ্রস্ত করে গত ৭ বছর ধরে ধর্ষণ করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এই রায় প্রদান করে।  স্থানীয় প্রভাবশালী ওকাজ পত্রিকা গত শনিবার এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে। তবে ওই ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেনি। সৌদি ধর্মীয় পুলিশ জানায়, মেয়ের চাচার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তারা এই অপরাধ উদঘাটন করেন।   মানব জমিন

বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১১

নবাবগঞ্জে নারীকে জবাই করে হত্যা, যুবক গ্রেপ্তার

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় শুভারানী (৫০) নামের এক নারীকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বালুচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এলাকাবাসী রাকিব হোসেন (২২) নামের এক যুবককে আটক করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ওই গ্রামের সম্ভু মণ্ডলের স্ত্রী শুভারানীর কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন একই গ্রামের রাকিব হোসেন। এতে অস্বীকৃতি জানালে রাকিব তাঁর স্বর্ণের কানের দুল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় চিৎকার দিলে রাকিব তাঁর হাতে থাকা ছুরি দিয়ে শুভারানীর গলা কেটে পালিয়ে যান। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে শুভারানীকে দ্রুত নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এদিকে শুভারানীর ঘরের সামনে রাকিবের জুতা দেখে স্থানীয় লোকজন তাঁকে আশপাশে খুঁজতে থাকে। একপর্যায়ে গ্রামের একটি মাঠে রাকিবকে রক্তমাখা অবস্থায় স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ করিম বলেন, এ ঘটনায় নিহত শুভারানীর ছেলে অমিত মণ্ডল গতকাল বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছেন। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করতে রাকিবকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 গরম পানিতে দগ্ধ করে শিশু হত্যা, মায়ের ১১ বছর কারাদণ্ড

১৯ মাস বয়সী শিশুপুত্রকে গরম পানিতে চুবিয়ে হত্যার দায়ে মিলিসা আলেকজান্ডার (২৬) নামের এক নারীকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন টরন্টোর একটি আদালত।
গতকাল বুধবার উপযুক্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত কারাদণ্ডের এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে শিশুপুত্র মিগুয়েল ফার্নান্দেজকে বাথরুমের হট টাবে ডুবিয়ে রাখেন মা মিলিসা আলেকজান্ডার। এতে মিগুয়েলের শরীরের ৪০ ভাগ অংশই দগ্ধ হয়। সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শিশুটির মা মিলিসা তাত্ক্ষণিকভাবে অ্যাম্বুলেন্স না ডেকে শুধু তুলার ব্যান্ডেজ দিয়ে শিশুটিকে রেখে দেয়। এরপর রাত দুইটার দিকে মিলিসা ফোনে পুলিশকে জানান, তাঁর শিশুপুত্র মৃতপ্রায়। সরেজমিন তদন্তে মিলিসার কথাবার্তা অসংলগ্ন মনে হয় পুলিশের কাছে। পরে দীর্ঘদিন পুলিশের নজরদারিতে থাকার পর ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মিলিসাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
টরন্টো আদালতের বিচারক অ্যান মলি মিলিসাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেন। কিন্তু মিলিসার বয়স ও তাঁর পক্ষের আইনজীবীদের অনুরোধে তাঁর দণ্ড কমিয়ে ১১ বছরে আনা হয়। prothom-alo

মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১১

শাহরুখের দুঃসাহসিক স্টান্টে শঙ্কিত গৌরী

ফারহান আখতার পরিচালিত ‘ডন টু’ ছবির একটি দৃশ্যের জন্য ৩০০ ফুট উচ্চতা থেকে লাফিয়ে পড়তে হয়েছিলো শাহরুখ খানকে। বার্লিনের পার্ক ইন হোটেলের ছাদ থেকে কিং খানের এই লাফিয়ে পড়ার দৃশ্য ধারণের সময় খুবই ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন তার স্ত্রী গৌরী এবং ভবিষ্যতে কখনোই যেন তিনি এমন ঝুঁকিপূর্ণ কাজ না করেন সে অনুরোধও করেছিলেন। খবর মিডডেডটকম- এর।

এ ধরনের দুঃসাহসিক স্টান্টে অংশ নেওয়া শাহরুখের জন্য মোটেও নতুন কোনো বিষয় নয়। এর আগে এমন দৃশ্য করতে গিয়ে মারাত্মকভাবে জখমও হয়েছিলেন তিনি। তাই এবার এমন ঝুঁকিপূর্ণ দৃশ্যে অভিনয়ের আগে একটু ইততস্তই করছিলেন কিং খান।

এ প্রসঙ্গে ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘ফারহান যখন কিং খানকে দৃশ্যটি করতে বললেন, তখন তিনি সরাসরি না করেননি। বরং তিনি ফারহানকেই দৃশ্যটি করে দেখানোর জন্য বললেন। তিনি ভেবেছিলেন, ফারহান হয়তো ভয় পেয়ে যাবেন। কিন্তু তাকে অবাক করে দিয়ে ঠিকই লাফ দিয়ে বসেন ফারহান। তখন কিং খানকেও বাধ্য হয়েই লাফ দিতে হয়।’

শুটিংয়ের সময় ফারহানের স্ত্রী আধুনা আখতার এবং শাহরুখের স্ত্রী গৌরীও উপস্থিত ছিলেন। ফারহান এবং শাহরুখের এমন দুঃসাহসিক কার্যকলাপে খুবই শঙ্কিত হয়ে পড়েন আধুনা এবং গৌরী।

উল্লেখ্য, ‘ডন টু’ ছবি মুক্তির দিন ধার্য করা হয়েছে ২৩ ডিসেম্বর। ছবিটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাহরুখ খান, প্রিয়াংকা চোপড়া, লারা দত্ত, ওম পুরী, কুনাল কাপুর প্রমুখ।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১১

 সন্তান লাভের আশায়

একটি সন্তান লাভের আশায় তান্ত্রিকের পরামর্শে ২৮ বছরের এক যুবক নিজের জিব কেটে দেবতার চরণে উত্সর্গ করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের বান্দা জেলায়। এলাকার ২৮ বছরের যুবক মুকেশ কুমারের সন্তান না হওয়ায় দেবতার কৃপা লাভের জন্য মন্দিরে এসে নিজের জিব ব্লেড দিয়ে কেটে পূজা দিতে উদ্যোগ নেয়। এ সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে মন্দিরের ভক্তরা ওই যুবককে নিয়ে হাসপাতালে যায়। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

গরু চুরির অভিযোগে এবার অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে মারধর!

পটুয়াখালীর গলাচিপায় গরু চুরির অভিযোগ তুলে এবার এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে দুই দফা মারধর করা হয়েছে। উপজেলার রাঙ্গাবালি ইউনিয়নে গত ২১ ও ২২ নভেম্বর এ ঘটনা ঘটে।
ওই গৃহবধূ এখনো গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকি ৎসাধীন রয়েছেন। নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধূর নাম ফাতেমা বেগম (২৬)। তিনি রাঙ্গাবালি ইউনিয়নের পূর্ব বাহেরচর গ্রামের মো. শহীদুল লাহারির স্ত্রী।
নির্যাতন চালানোর অভিযোগে ফাতেমা গতকাল বৃহস্পতিবার রাঙ্গাবালি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গলাচিপা জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন।
মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ফাতেমা বেগম তাঁর ভাই মো. সাইদুল ইসলামের কাছে ৩৫ হাজার টাকা পান। সাইদুল পাওনা টাকা পরিশোধ করতে না পারায় তাঁর কাছে দুটি গরু বন্ধক রাখেন। ২১ নভেম্বর বিকেল চারটায় ফাতেমা ওই গরু নিয়ে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন।
ওই সময় ছোটবাইশদিয়া ইউপির সদস্য মো. আনিসুজ্জামান চতলাখালী গ্রামের রাস্তায় ফাতেমাকে গরু চুরির অভিযোগে মারধর করেন। ২২ নভেম্বর দুপুরে ফাতেমাকে রাঙ্গাবালি ইউপি চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামের কাছে নিয়ে যান।
বিষয়টি নিয়ে বাহেরচর বাজারের চৌরাস্তায় ২২ নভেম্বর সালিস বৈঠক হয়। এতে চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, আনিসুজ্জামানসহ ছয়জন উপস্থিত ছিলেন। এ সময় গরু চুরির অপরাধে নজরুল ইসলাম, আনিসুজ্জামান, জাকির হোসেন এবং একজন গ্রামপুলিশ ফাতেমাকে মারধর করেন।
ফাতেমা অভিযোগ করেন, গরু চুরির সাজানো অভিযোগ এনে গত ২৩ নভেম্বর রাঙ্গাবালি থানায় সুজন দাসকে দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করানো হয়। পরদিন ওই মামলায় তাঁকে (ফাতেমা) গ্রেপ্তার দেখিয়ে গলাচিপায় আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাঁকে জামিন দিলে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন।
গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকি ৎসা কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জানান, ফাতেমার শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন আছে এবং তিনি অন্তঃসত্ত্বা।
ফাতেমাকে মারধর করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাঙ্গাবালির ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘২২ নভেম্বর বিকেলে আনিসুজ্জামান ফাতেমাকে গরু চুরির অভিযোগে আটক করে আমার কাছে নিয়ে আসে। আমি তাঁকে রাঙ্গাবালি থানায় সোপর্দ করেছি।’
ইউপি সদস্য আনিসুজ্জামান দাবি করেন, কয়েকজন গ্রামবাসী ফাতেমাকে গরুসহ ধরে তাঁর কাছে নিয়ে আসে। তিনি গরু দুটি তাঁর জিম্মায় রেখে ফাতেমাকে ছেড়ে দেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাঙ্গাবালি উচ্চবিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, ফাতেমা ও তাঁর স্বামীকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন। তাঁদের বিরুদ্ধে তিনি কখনো খারাপ কিছু শোনেননি।

বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১১

মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় পুরো পরিবার এসিডদগ্ধ

আফগানিস্তানে এক মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় তার পিতাসহ পরিবারের সবাইকে এসিডদগ্ধ করেছে এক জঙ্গি যুবক। এসিডদগ্ধ বাবা ও তার বড় মেয়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। দেশটির উত্তরাঞ্চলের কুন্দুসের অধিবাসী পরিবারটি জানায়, অনেক দিন ধরে স্থানীয় এক জঙ্গি আরবাকিস তার সঙ্গে মমতাজকে (১৮) বিয়ে দিতে প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কিন্তু মমতাজের চেয়ে বয়সে অনেক বড় ওই জঙ্গির সঙ্গে তার বিয়ে দিতে রাজি হননি পিতা। এতে ওই জঙ্গি ক্ষিপ্ত হয়ে গত বুধবার সকালে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে মমতাজের পিতাকে পিটিয়ে তার মা ও তিন বোনের মুখে এসিড ঢেলে দেয়।

 প্রেমিকাকে খুন করে থানায় ধরা দিলেন প্রেমিক

রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকায় শাপলা (১৫) নামের এক পোশাক শ্রমিককে খুন করে রক্তমাখা ছুরিসহ থানায় গিয়ে ধরা দিয়েছেন ঘাতক বিল্লাল হোসেন। আজ বুধবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার নিশারুল আরিফ প্রথম আলোকে বলেন, শাপলা দক্ষিণখান এলাকার একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে শাপলার সঙ্গে তার প্রেমিক বিল্লালের কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শাপলা পায়ের জুতা খুলে বিল্লালকে আঘাত করেন। এতে বিল্লাল ক্ষিপ্ত হন। আজ রাত আটটার দিকে পোশাক কারখানা ছুটি শেষে শাপলা বাসায় ফিরছিলেন। দক্ষিণখান থানার মিয়াপাড়ায় বিল্লাল পথরোধ করে শাপলার। এ সময় বিল্লাল শাপলার পেটে ছুরি ঢুকিয়ে দেন। এতে ঘটনাস্থলেই শাপলার মৃত্যু হয়। পরে বিল্লাল রক্তমাখা ছুরি নিয়ে দক্ষিণখান থানায় গিয়ে বলেন, রাগের বশবর্তী হয়ে প্রেমিকা শাপলাকে খুন করেছে তিনি। এরপর পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়।

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | JCPenney Coupons