লিভ টুগেদার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
লিভ টুগেদার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ, ২০১২

এবার লিন্ডসের পর্নো তারকা বিভ্রাট!

কোনো মাদক কেলেঙ্কারি নয়, নতুন কোনো নেকলেস উপাখ্যানও নয়, এমনকি নয় কোনো হাতাহাতির ঘটনাও। হলিউডি প্রবলেম সেলিব্রিটি লিন্ডসে লোহান এবার ধারাশায়ী হলেন এক পর্নো তারকার ফাটানো বোমায়। অ্যালেক্স টোরেস নামের ঐ গুণধর তারকার দাবী, তিনি লিন্ডসের সঙ্গে রাত কাটিয়েছেন। টাইমস অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, এতে নাকি ওই ‘তারকার’ বেশ আয় রোজগারও হয়েছে।

ভুডু নামেই বেশি পরিচিত এই পর্নো তারকা আরো জানিয়েছেন, তাদের প্রণয়ের সময় ওই বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন লিন্ডসের বাবা মাইকেল লোহানও। আর এসব তিনি জানিয়েছেন ‘দ্যা জিম রিচার্ডস শো’ নামের একটি টিভি অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার দেয়ার সময়।

টোরেসের কাছে অনুষ্ঠানটির উপস্থাপক জিম রিচার্ডস জানতে চেয়েছিলেন, ‘মাইকেল লোহানের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করার সময় তাকে কী জিজ্ঞাসা করা যায়?’ উত্তরে তিনি জানান, ‘জিজ্ঞেস করে দেখবেন তো, তিনি যখন ওপরতলায় ঘুমাচ্ছিলেন, তখন তার মেয়ে লিন্ডসের সঙ্গে আমি নিচতলায় রাত কাটাচ্ছিলাম; এ ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন কিনা?’

বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য রিচার্ডস যখন আবারো প্রশ্ন করেন, ‘তাহলে আপনি সত্যিই লিন্ডসের সঙ্গে রাত কাটিয়েছেন?’ তখন টোরেসের উত্তর ছিলো, ‘তবে আর বলছি কী!’

টোরেস আরো দাবী করেন, এর জন্য ভালো পারিশ্রমিকও তিনি পেয়েছেন লোহানের কাছ থেকে। তার ভাষ্যে, ‘হলিউডি অনেক অভিনেত্রীই আমাকে মোটা পারিশ্রমিক দেয় তাদের সন্তুষ্টির বিনিময়ে।’

ওদিকে এ ব্যাপারে লিন্ডসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মুখপাত্র স্টিভ হোইং জানান, ‘একজন পর্নো তারকা লিন্ডসেকে নিয়ে কী দাবী করলো না করলো, সেটি নিয়ে কোনো বিবৃতি দেয়ার কোন প্রয়োজনীয়তা আমি দেখি না।’


বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

রবিবার, ১ জানুয়ারি, ২০১২

৭৭ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত

দাম্পত্য জীবনের ৭৭ বছরের মাথায় স্ত্রীর ১৯৪০ সালের দিকে লেখা এক প্রেমপত্র উদ্ধারের পর, তার সঙ্গে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইতালির এক প্রবীণ। ৯৯ বছর বয়সী স্বামী অ্যান্টোনিও এবং ৯৬ বছর বয়সী স্ত্রী রোজার দাম্পত্য সম্পর্ক বিচ্ছেদ পর্যন্ত গড়ালে তা হবে এক নতুন রেকর্ড। এ খবর দিয়ে অনলাইন হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, আইনজীবীরা ইতালির এ প্রবীণ দম্পতির আংশিক পরিচয় দিয়েছেন। মামলায় গোপনীয়তার স্বার্থে তারা বর্ষীয়ান এ ব্যক্তির নাম অ্যান্টোনিও সি এবং তার স্ত্রীর নাম রোজা সি বলে উল্লেখ করেছেন। আইনজীবীদের দেয়া বক্তব্য অনুযায়ী, বিগত বছর অর্থাৎ ২০১১ সালের বড়দিন উদযাপনের কিছুদিন আগে অ্যান্টোনিও একটি পুরনো সিন্দুকের ড্রয়ার ঘাঁটাঘাঁটি করছিলেন। এমন সময় তার স্ত্রীর হাতের লেখা একটি প্রেমপত্র চলে আসে তার হাতে। এক মুহূর্ত দেরি না করে সোজা চলে গেলেন স্ত্রীর কাছে কৈফিয়ত চাইতে। তাদের ৭৭ বছরের সাংসারিক জীবনে এ ধরনের প্রতারণা সহ্য করতে না পেরে স্ত্রীর কাছে ডিভোর্স চেয়ে বসলেন। ওদিকে অপরাধবোধের আগুনে পুড়তে থাকা স্ত্রী তার ভুল স্বীকার করলেন। কিন্তু স্বামীকে তার অনড় সিদ্ধান্ত থেকে দমাতে ব্যর্থ হলেন। অবশেষে স্ত্রীকে ডিভোর্স দিতে আদালতের দারস্থ হলেন অ্যান্টোনিও। এদিকে এ সপ্তাহে বের হওয়া আইনি কিছু কাগজপত্র থেকে জানা গেছে, স্ত্রী রোজা ১৯৪০ সালের দিকে তার এক প্রেমিককে চিঠিটি লিখেছিলেন। তাদের মধ্যে গোপন প্রণয়ের সম্পর্ক ছিল। অ্যান্টোনিও এবং রোজা এ মুহূর্তে প্রায় ৮ দশকের দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ৫ সন্তান, ১২ জন নাতি-নাতনি ও নাতি-নাতনির ঘরের ১ সন্তানের মায়া কাটিয়ে তারা আলাদা বসবাস করবেন। অবশ্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন বনিবনা হচ্ছিল না বলে জানা গেছে। আর প্রেমপত্র তাদের সম্পর্কের সে চিরকেই ভাঙনে পরিণত করেছে। ১০ বছর আগে দাম্পত্য কলহের জেরে রোমের বাড়ি ছেড়েছিলেন অ্যান্টোনিও। তখন ১ বার পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে গেলেও কয়েক সপ্তাহের মাথায় স্ত্রী ও স্বজনদের কাছে ফিরেছিলেন তিনি। ১৯৩০ সালে প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল তাদের। এদিকে এ বিচ্ছেদ চূড়ান্ত হলে নিঃসন্দেহে যে রেকর্ড গড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এর আগে বৃটেনের বার্টি ও একই জেসি উড তাদের ৩৬ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনে ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছেন। ২০০৯ সালে যখন তারা একে অপরের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হন তখন দু’জনেরই বয়স ছিল ৯৮ বছর। সেক্ষেত্রে ইতালির অ্যান্টোনিও ও রোজা দম্পতির ৭৭ বছরের সম্পর্ক বিচ্ছেদে গড়ালে, তা দখল করে নেবে প্রথম স্থানটি। মানবজমিন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ আগস্ট, ২০১১

বাংলাভিশনে প্রভার নাটক প্রচার নিয়ে আপত্তি-হাতাহাতি-টিভি ভাংচুর



আজকে বাংলাদেশ টাইম ২:৩০ মিনিটে বাংলাভিশনে একটা নাটক সম্প্রচার করা হয়েছিল,ওই নাটক নিয়ে প্রবাসে একটি বাংলাদেশী হাউজে মারপিট লেগে গেছে, কারণ নাটকে প্রভাকে দেখা গেছে, কেউ বলছে নাটক ভালো লাগছে তাই তারা দেখতে চায়,আবার কেউ বলছে একজন পতিতার"প্রভা" নাটক দেখবেনা, এ নিয়ে দু-পক্ষের মাঝে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি পর্যন্ত গড়াল, নিজেদের রুমের টিভি'টা ভেঙ্গে ফেলা হয়।
প্রভা একজন বিতর্কিত মেয়ে , জেনেশুনেও বাংলাভিশন তার নাটক চালাতে গেল কেন??
আজকে তাকে নিয়ে বিশাল একটা গ্যানজাম লেগে গেল, যারা এতদিন একই হাউজে খেয়েছে-ঘুমিয়েছে আজকে তারা ২ ভাগ হয়ে গেল।
ভুল বুঝাবুঝির কারনে হাতাহাতি হয়ে গেল,
ধিক্কার জানাই বাংলা ভিশনকে....


গার্লফ্রেন্ড সাথে নিয়ে এয়ারপোর্টে নতুন বউকে স্বাগত জানালো এক বাংলাদেশী

খোঁজ-খবর না নিয়ে স্বপ্নের দেশ আমেরিকায় পাড়ি জমানোর প্রত্যাশায় বিভোর এক অভিভাবক এখন চোখে শর্ষের ফুল দেখছেন এবং তার কন্যাটি যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের নিরাপত্তা হেফাজতে অসহনীয় যন্ত্রণায় দিনাতিপাত করছেন। কম্যুনিটির চাঞ্চল্যকর এ সংবাদ ২৯ জুন বুধবারের সাপ্তাহিক ঠিকানা’য় প্রকাশের পর তা সমগ্র আমেরিকায় টক অব দ্য কম্যুনিটিতে পরিণত হয়েছে।

লসএঞ্জেলেস এলাকার এক যুবক বাংলাদেশে গিয়ে বিয়ে করেন। নবপরিণীতার মাল্টিপল ভিসা ছিল বিধায় ধুব দ্রুত চলে আসেন আমেরিকায়। ঢাকা থেকে রওয়ানা দেয়ার পর মধ্যপ্রাচ্য হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারপোর্টে অবতরণের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত নতুন দেশে নতুন মানুষের সাথে উচ্ছ্বল আনন্দের অনাগত ভবিষ্যত নিয়ে কতই না স্বপ্ন দেখেছেন নবপরিণীতা (সঙ্গত কারণে নাম গোপন রাখা হয়েছে)। ফাইট থেকে নামার পর এয়ারপোর্টে প্রবাসী স্বামীকে দেখার পরই তার স্বপ্নে চিড় ধরে। স্বামীর সাথে তরুনী আমেরিকানকে ঢলাঢলী করতে দেখে তার হৃদয় আৎকে উঠে।



এয়ারপোর্ট থেকে গাড়িতে স্বামীর বাসা পর্যন্ত ঐ তরুণীকে নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন প্রবাসী যুবক। নতুন বউ, দেখতেও অনিন্দ সুন্দরী, কিন্তু তার প্রতি কোন মনোযোগ বা কৌতুহল পরিলতি হয়নি নবপরিণীতার। তিনি নিজেকে অভয় দিয়েছেন এই বলে যে, আমেরিকার সংস্কৃতিই হয়তো এ রকম। ধীরে ধীরে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ যেতে না যেতেই তার কাছে সবকিছু দিবালোকের মত পরিষ্কার হয়ে যায়। তার স্বামী ঐ আমেরিকান তরুণীর সাথেই শয্যাসঙ্গী হচ্ছে, জীবন সঙ্গী বলতে যা বুঝায় তাকেই বুঝাচ্ছে। কেন এমন আচরণ করা হচ্ছে-জানতে চাইলে শুরু হয় মানসিক যন্ত্রণার পালা। এক পর্যায়ে সারাদিন নতুন বউকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখার ঘটনা শুরু হয়। অবশেষে তরুণী বধূ ফোন করেন পুলিশকে। পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে সরকারী নিরাপত্তা হেফাজতে রেখেছে।



এখনও নিরাপত্তা হেফাজতেই দিনাতিপাত করছেন বাংলাদেশী উচ্চ শিক্ষিত তরূণী বধূটি। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থা তার পাশে দাঁড়িয়েছে বলে সর্বশেষ সংবাদে জানা গেছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, যুক্তরাষ্ট্রে বাস করলেই প্রচুর অর্থ-সম্পদের মালিক হওয়া যায় কিংবা সকলেরই বাড়ি-গাড়ি রয়েছে-এমন ধারণার কোন ভিত্তি নেই। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র এখন আর স্বপ্নের দেশও নয়। এখানে কঠোর পরিশ্রম করতে হয় সুন্দর জীবন-যাপনের জন্য। ট্যাক্সি ড্রাইভিং অথবা গ্রোসারী কিংবা খুচরা কোন স্টোরে কাজ করার মধ্যেও তৃপ্তি রয়েছে।



কারণ, এখানে সকল কাজেরই সমমর্যাদা। সুইপার এবং অফিসের শীর্ষ কর্মকর্তা-একত্রে বসেই আহার করেন অথবা একই গাড়িতে চলাফেলা করেন। ত্রে বিশেষে সুইপারের বেতন অনেকের তুলনায় বেশী হয়ে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে অনেক নবপরিণীতাকে স্বামী সম্পর্কে সঠিক তথ্য না দেয়ায় ঘটছে নানা বিপত্তি। বিমানে আটলান্টিক পাড়ি দেয়ার সময় যে স্বপ্নে বিভোর থাকেন, জেএফকে-তে অবতরণের পর তা পাল্টে যাওয়ায় অনেকের সংসারে বিপত্তে এসেছে। অনেকে স্বামীকে তালাক দিয়ে দেশে ফিরে গেছেন কিংবা অন্য পুরুষের হাত ধরে গৃহ ত্যাগ করেছেন।


লেখাটা শেয়ার করা।
লিনক
http://www.probashaprotidin.com/index.php?option=com_content&view=category&layout=blog&id=180&Itemid=133

শনিবার, ৩০ জুলাই, ২০১১

বিপাশা বাসু আবারো একা!

জন আব্রাহামের সঙ্গে ৮ বছরের সম্পর্ক ভেঙ্গে গেছে বিপাশা বাসুর। এরপর তার জীবনে শহিদ কাপুরকে নিয়ে উঠেছে নতুন গুঞ্জন। তবে সম্প্রতি আবারো নিজেকে একাকী বলেই দাবি করেছেন এই আবেদনময়ী বলিউডি অভিনেত্রী। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়ার।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, সম্প্রতি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে গিয়ে বিপাশা বাসু বলেছেন, ‘আমি এখন সম্পূর্ণই একা। আর এটাই সত্যি।’

জানা গেছে, শহিদ সম্পর্কে বিপাশা বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে আমি শহিদসহ অনেকের সঙ্গেই ডেটিং করছি। তাদের মধ্যে চমৎকার ছেলে শহিদ। হয়তো তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক হয়েও যেতে পারে।’




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

মঙ্গলবার, ১২ জুলাই, ২০১১

লিভ টুগেদার


বিশ্বমোড়ল আমেরিকায় লিভ টুগেদারের জনপ্রিয়তা নিছক কোন পারিবারিক কারনে নয়। আমেরিকানরা লিভ টুগেদার করছে অর্থ সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে। বিয়ে হয়নি, অথচ স্বামী-স্ত্রীর ন্যায় একত্রে বসবাস করছেন এমন আমেরিকান নারী-পুরুষের সংখ্যা ৭৫ লাখ। ইউএস সেনসাস ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ৬৯/৭০ বছরের অধিক বয়সী অনেক অবিবাহিত আমেরিকানও 'লিভ টুগেদার' করছেন। বিয়ে মানেই পারিবারিক মেলবন্ধন। দায়-দায়িত্ব সন্তান-সন্ততি ইত্যাদি নানা বিষয়ের জটিল সমাবেশ। আর এই জটিলতা এড়াতেই বিয়ে ছেড়ে লিভ টুগেদারের দিকে ঝুঁকছেন আমেরিকানরা। শুধু আমেরিকানরাই নয়, ওখানে বসবাসরত বাংলাদেশীসহ অন্যান্য অভিবাসীদের মধ্যেও লেগেছে এই ছোঁয়া। লিভ টুগেদারের ক্ষেত্রে পুরুষ আর নারী একেবারে স্বামী-স্ত্রীর ন্যায় একসঙ্গে বসবাস করে। সামাজিকভাবে জৈবিক চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি উভয়ে সমানভাবে সংসারের খরচ বহন করে। আর শেষ বয়সে অবসরের ভাতা পৃথকভাবে পাওয়ায় তাদের দিন কাটছে চমৎকারভাবে।
গত দু'বছর ধরেই অর্থনৈতিক মন্দা আর দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারনে স্বল্প আয়ী আমেরিকানরা নাজুক পরিস্থিতিতে রয়েছেন। এমনি কঠিন পরিস্থিতিতে যারা চাকরি হারাচ্ছেন, তাদের অবস্থা অকল্পনীয়। কিন্তু জীবন তো থেমে থাকে না। বিকল্প হিসেবে অনেকের বিয়ের বয়স পেরিয়ে গেলেও শুধু খরচের কথা ভেবে বিয়ে করা হয়ে ওঠে না। আর তাই বিকল্প উপায় খোঁজা। আবার অনেকে ২০/২৫ বছর যাবত বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ড হিসেবে বাস করে সন্তানাদি নেয়ার পরও আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হননি। চাকরি অথবা ব্যবসা থেকে অবসর নিয়েছেন, তবুও বিয়ে করছেন না। এমন আমেরিকানদের ব্যাপারে ইউএসএ টুডে অনুসন্ধানী এক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে সামগ্রিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে উদাহরণ টেনে বলা হয়েছে, ৭১ বছর বয়েসী টম ব্ল্যাক এবং ৬৯ বছর বয়েসী গ্রিটা কহেন গত ১৩ বছর যাবত 'লিভ টুগেদার' করছেন। দিনভর একত্রে চলাফেরা করেন। কেনাকাটা করেন একত্রে। রান্না অথবা হোটেলের ব্যয়ও ফিফটি ফিফটি হারে বহন করেন। এর ফলে এ দম্পতির অবসর সময় আনন্দে কাটছে। অবসরভাতা অথবা সোস্যাল সিকিউরিটি বেনিফিট হিসেবে তারা আলাদাভাবে যে চেক পাচ্ছেন তা দিয়ে উভয়ের মাসিক খরচে ঘাটতি পড়ে না। একইভাবে অনেক কর্মজীবী প্রেমিক-প্রেমিকারাও একই বিছানায় থাকা সত্বেও বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন না খরচের কথা চিন্তা করে। তাদের ধারণা, বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বাস করতে ব্যয় বাড়বে। এই ধারা চলতে থাকলে আমেরিকানদের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্কের ভিত্তি শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে ঠেকে, এখন দেখার বিষয় সেটাই।
আর পশ্চিম বঙ্গেই  বা এর জনপ্রিয়তা কেমন বাড়ছে বলে মনে করেন।কিছু মিডিয়া অলরেডি এর ব্যাপক প্রচারনা শুরু করছে।

শনিবার, ৯ জুলাই, ২০১১

সাড়ে ৫ হাজার নারী-পুরুষের সঙ্গে যৌন মিলন করেছে এক জুটি

পরপুরুষ কিংবা পরনারীর সঙ্গে বিছানায় যাওয়ার রগরগে কাহিনি নিয়ে ট্যাবলয়েড পত্রিকাগুলোকে সরব হতে দেখা যায়৷

 
তবে স্বামী এবং স্ত্রী উভয়ই যখন জেনেশুনে দিনের পর দিন অন্যের সঙ্গে যৌনমিলন করেন এবং নিজেদেরকে ‘সুখি জুটি' বলে পরিচয় দেন, তখন সে সংবাদ নিশ্চয়ই অনেক বেশি চাঞ্চল্যকর৷ 
লন্ডনের স্যারা মুর এবং জেফ ড্যানিয়েল তাই সংবাদ শিরনামে৷ ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড সান জানিয়েছে, ২০ বছর ধরে চলছে অবিবাহিত এই জুটির সংসার৷ দু'জন এই সময়ের মধ্যে নাকি ৫ হাজার ৪৮৫ জন নারী ও পুরুষের সঙ্গে বিছানায় গিয়েছে৷
আদতে এই দুজনই পেশায় সেক্স থেরাপিস্ট৷ নিয়ম অনুসারে এ নিয়ে যদি কেউ কোন সমস্যায় পড়েন তাহলে তারা এই থেরাপিস্টদের কাছে আসবে, তারা পরামর্শ দেবে৷ প্রয়োজনে ‘কী করিলে কী হয়' জাতীয় কথাবার্তা জানাবেন৷ কিন্তু স্যারা মুর এবং ড্যানিয়েল ভিন্ন কাজ করেন৷ তারা একটু ‘বিশেষ' বলে চিকিৎসকরা তাদের কাছে রোগীদের পাঠান৷ এবং বেশিরভাই সময় ঐ ব্যক্তিদের সঙ্গে বিছানায় যেতে হয় তাদের৷‘থেরাপি’র খাতিরেই এমন অভিনব উদ্যোগ‘থেরাপি’র খাতিরেই এমন অভিনব উদ্যোগ
স্যারা মুর ১৯ বছরে ৩ হাজার ৩২৩ জন পুরুষের সঙ্গে বিছানায় গিয়েছেন৷ আর এদের মধ্যে ৫২ জন ছিল কৌমার্য হারায়নি এমন পুরুষ৷ আর স্যারার দীর্ঘদিনের বয়ফ্রেন্ড ড্যানিয়েল, যার বয়স ৪০, তিনি বিছানায় গিয়েছেন ২ হাজার ১৬২ জন নারীর সঙ্গে৷ আর তিনি ৪৯ জন নারীর কৌমার্য ভাঙাতে সহায়তা করেছেন৷ স্যারা মুর বললেন, ‘বিষয়টিকে আমরা কেবল সাহায্য বলেই মনে করছি৷ এটাকে কোনভাবেই গণিকা পেশা বলে মনে করি না আমরা৷ তিনি বলেন, সমস্যায় পড়া মানুষকে সহায়তা করা হচ্ছে চিকিৎসকদের পরামর্শে৷ এ থেকে আমাদের রোজগারও বেশ৷ আমাদের সঙ্গে মিলনের পর স্বভাতই সেই পুরুষ কিংবা মহিলা যৌনভীতি থেকে মুক্তি পান৷' 
১৫ বছর বয়সে নিজের কুমারীত্ব হারান মুর৷ ২০ বছর বয়সে তার পরিচয় হয় ড্যানিয়েলের সঙ্গে৷ সেই থেকে তারা একসঙ্গে আছেন৷ আর তখন থেকেই তারা এই পেশাতেই রয়েছেন৷
প্রতিবেদন: সাগর সরওয়ার
সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক
 

সোমবার, ৪ জুলাই, ২০১১

ডিভোর্সের আবেদন শোয়ার্জেনেগারের স্ত্রী মারিয়ার

শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত বিচ্ছেদের পথেই হাঁটলেন আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগারের স্ত্রী মারিয়া শ্রিভার। সম্প্রতি ডিভোর্সের আবেদন করেছেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে শিগগিরই আর্নল্ডের সঙ্গে দীর্ঘ ২৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের অবসান ঘটবে তার। খবর টিএমজির।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ডিভোর্সের আবেদনে মারিয়া বলেছেন, ‘আর্নল্ড আর আমার ভেতর যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে সেটা কোনোভাবেই দূর করা সম্ভব নয়। এই দূরত্ব এতোটাই বেশি যে আমরা একে অপরের সঙ্গে আর খাপ খাওয়াতে পারবো না এবং আমাদের সন্ধি হওয়াও আর সম্ভব নয়।’

সংবাদমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, মারিয়া আর্নল্ডের কাছে তাদের সন্তান ১৭ বছর বয়সী প্যাট্রিক এবং ১৩ বছর বয়সী ক্রিস্টোফারের ভরণ-পোষণেরও দাবি করেছেন।

জানা গেছে, মারিয়ার আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন লারা ওয়াসের। এই মামলায় তিনি দুই পক্ষেরই অ্যাটর্নি ফিস ভরার অনুরোধ জানিয়েছেন আর্নল্ডকে।

উল্লেখ্য, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে গোপন রাখার পর এ বছরের মে মাসে বিশ্ববাসীকে অবাক করে দিয়ে গৃহপরিচারিকা মিলড্রেড বায়েনার সঙ্গে নিজের ‘লাভ চাইল্ড’-এর কথা স্বীকার করে নেন আর্নল্ড। এরপর থেকেই আলাদাভাবে বসবাস করছেন আর্নল্ড এবং মারিয়া।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/টিকে/এইচআর/জুলাই ০৩/১১

শনিবার, ২৫ জুন, ২০১১

৯৯ বছর বয়সে প্রথম বিয়ে!


পণ করেছিলেন জীবনটা এভাবেই পার করে দেবেন। কিন্তু মানুষ নাকি পণ করে তা ভাঙার জন্যই। মার্কিন নাগরিক গিলবার্ট হেরিকের জীবনেও ঘটেছে তাই। ৯৯ বছর বয়সে এসে পণ ভাঙলেন তিনি। অবসান ঘটালেন কুমার জীবনের। 
বয়সের ভার শরীরের ওপর চেপে বসেছে হেরিকের। চলাফেরা করতে হয় হুইল চেয়ারে। নিউইয়র্কের রোচেস্টারের মনরোই কমিউনিটি হাসপাতালে থাকার সময় হেরিকের সঙ্গে দেখা হয় ভার্জিনিয়ার ৮৬ বছর বয়সী বিধবা হার্টম্যানের সঙ্গে। হার্টম্যানেরও ভরসা ওই হুইল চেয়ার। 
হার্টম্যানের পাঁচ ছেলে-মেয়ে, নাতি ও নাতিদের সন্তানেরা এই দুই প্রবীণের মনকে এক সুতায় বাঁধার পরিকল্পনা আঁটেন। তাদের পরিকল্পনা অবশেষে কাজে আসে। গত ৬ জানুয়ারি বিয়ের পিঁড়িতে বসেন হেরিক ও হার্টম্যান।
বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার সময় হুইল চেয়ারে বসেই এই নবদম্পতি সারেন নৃত্যের কাজটা। দুজনেরই মুখে তখন অনাবিল আনন্দের ছটা। তবে হেরিকের উচ্ছ্বাসটা হয়তো একটু বেশিই ছিল। প্রথম বিয়ে বলে কথা! হোক না ৯৯ বছর বয়সে!

শনিবার, ১৮ জুন, ২০১১

লিভ টুগেদার

বিশ্বমোড়ল আমেরিকায় লিভ টুগেদারের জনপ্রিয়তা নিছক কোন পারিবারিক কারনে নয়। আমেরিকানরা লিভ টুগেদার করছে অর্থ সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে। বিয়ে হয়নি, অথচ স্বামী-স্ত্রীর ন্যায় একত্রে বসবাস করছেন এমন আমেরিকান নারী-পুরুষের সংখ্যা ৭৫ লাখ। ইউএস সেনসাস ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ৬৯/৭০ বছরের অধিক বয়সী অনেক অবিবাহিত আমেরিকানও 'লিভ টুগেদার' করছেন। বিয়ে মানেই পারিবারিক মেলবন্ধন। দায়-দায়িত্ব সন্তান-সন্ততি ইত্যাদি নানা বিষয়ের জটিল সমাবেশ। আর এই জটিলতা এড়াতেই বিয়ে ছেড়ে লিভ টুগেদারের দিকে ঝুঁকছেন আমেরিকানরা। শুধু আমেরিকানরাই নয়, ওখানে বসবাসরত বাংলাদেশীসহ অন্যান্য অভিবাসীদের মধ্যেও লেগেছে
এই ছোঁয়া। লিভ টুগেদারের ক্ষেত্রে পুরুষ আর নারী একেবারে স্বামী-স্ত্রীর ন্যায় একসঙ্গে বসবাস করে। সামাজিকভাবে জৈবিক চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি উভয়ে সমানভাবে সংসারের খরচ বহন করে। আর শেষ বয়সে অবসরের ভাতা পৃথকভাবে পাওয়ায় তাদের দিন কাটছে চমৎকারভাবে।
গত দু'বছর ধরেই অর্থনৈতিক মন্দা আর দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারনে স্বল্প আয়ী আমেরিকানরা নাজুক পরিস্থিতিতে রয়েছেন। এমনি কঠিন পরিস্থিতিতে যারা চাকরি হারাচ্ছেন, তাদের অবস্থা অকল্পনীয়। কিন্তু জীবন তো থেমে থাকে না। বিকল্প হিসেবে অনেকের বিয়ের বয়স পেরিয়ে গেলেও শুধু খরচের কথা ভেবে বিয়ে করা হয়ে ওঠে না। আর তাই বিকল্প উপায় খোঁজা। আবার অনেকে ২০/২৫ বছর যাবত বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ড হিসেবে বাস করে সন্তানাদি নেয়ার পরও আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হননি। চাকরি অথবা ব্যবসা থেকে অবসর নিয়েছেন, তবুও বিয়ে করছেন না। এমন আমেরিকানদের ব্যাপারে ইউএসএ টুডে অনুসন্ধানী এক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে সামগ্রিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে উদাহরণ টেনে বলা হয়েছে, ৭১ বছর বয়েসী টম ব্ল্যাক এবং ৬৯ বছর বয়েসী গ্রিটা কহেন গত ১৩ বছর যাবত 'লিভ টুগেদার' করছেন। দিনভর একত্রে চলাফেরা করেন। কেনাকাটা করেন একত্রে। রান্না অথবা হোটেলের ব্যয়ও ফিফটি ফিফটি হারে বহন করেন। এর ফলে এ দম্পতির অবসর সময় আনন্দে কাটছে। অবসরভাতা অথবা সোস্যাল সিকিউরিটি বেনিফিট হিসেবে তারা আলাদাভাবে যে চেক পাচ্ছেন তা দিয়ে উভয়ের মাসিক খরচে ঘাটতি পড়ে না। একইভাবে অনেক কর্মজীবী প্রেমিক-প্রেমিকারাও একই বিছানায় থাকা সত্বেও বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন না খরচের কথা চিন্তা করে। তাদের ধারণা, বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বাস করতে ব্যয় বাড়বে। এই ধারা চলতে থাকলে আমেরিকানদের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্কের ভিত্তি শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে ঠেকে, এখন দেখার বিষয় সেটাই।
আর পশ্চিম বঙ্গেই  বা এর জনপ্রিয়তা কেমন বাড়ছে বলে মনে করেন।কিছু মিডিয়া অলরেডি এর ব্যাপক প্রচারনা শুরু করছে।

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | JCPenney Coupons