Life Style লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Life Style লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ২৩ আগস্ট, ২০১১

জেন ফন্ডা'র 'টেস্টোস্টেরন' স্বীকারোক্তি!

দুবার অস্কারজয়ী হলিউডি অভিনেত্রী ও ফিটনেস গুরু ৭৩ বছর বয়সী জেন ফন্ডা সম্প্রতি স্বীকার করেছেন, ‘৭০ বছর বয়স থেকে আমি পুরুষদের হরমোন টেস্টোস্টেরন নেওয়া শুরু করেছিলাম। আমার যৌনজীবনকে গতিশীল করতেই এই পন্থা বেছে নিয়েছিলাম। তবে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে শিগগিরই এটা নেওয়া বন্ধ করতে হবে আমাকে।’ খবর দ্য টেলিগ্রাফ-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, যৌনাকাঙ্খা বৃদ্ধির এই হরমোন ব্যবহার করে চিকিৎসা পদ্ধতিটি এখনও যথেষ্ট বিতর্কিত। তারপরও এর পক্ষেই সাফাই গেয়েছেন জেন। তার মতো বয়সী নারীদের এই হরমোন নেওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন প্রবীণ এই তারকা।

জেনের ভাষ্য, ‘এর আগে এই বিষয়টি কখনোই জনসমক্ষে প্রকাশ করিনি আমি। ৩ বছর আগে আমি টেস্টোস্টেরন নেওয়ার বিষয়টি আবিষ্কার করেছিলাম। এটা ব্যবহারের পর আমার যৌনজীবনে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। শূন্যের কোঠা থেকে আমার যৌনাকাক্সক্ষা বেড়ে যায় বহুগুণ। এই হরমোন জেল, পিল এবং টুকরো আকারে পাওয়া যায়। আমার বয়সী নারীরা এটা ব্যবহার করলে উপকৃতই হবেন।’

অবশ্য এই হরমোনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কেও জানাতে ভোলেননি জেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘আমাকে এটা নেওয়া বন্ধ করতে হবে। কারণ এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে ইতোমধ্যেই আমার মুখ-মণ্ডলে ফুস্কুড়ি ওঠা শুরু করেছে।’




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০১১

১২ বছরেই বিকিনি পরা ছবি ১৫তেই অন্তঃসত্ত্বা


undefinedবৃটেনে মাত্র ১৫ বছর বয়সে সন্তানের মা হতে যাচ্ছে সয়া কিভেনি নামে এক স্কুল পড়ুয়া মেয়ে। তাকে নিয়ে সমাজের অন্য অভিভাবকরা নাক কুঁচকালেও তার মা জেনিস কিভেনির আনন্দের শেষ নেই। তিনিই মেয়েকে এতটুকু পথ নিয়ে আসতে উৎসাহ দিয়েছেন। মেয়েকে মাত্র ১২ বছর বয়সে বিকিনি পরা ছবি তোলার উৎসাহ দিয়েছেন। তা ছাপা হয়েছে একটি ম্যাগাজিনে। আর তারপর সয়া কিভেনিকে দিয়েছেন স্বাধীনতা।
মাত্র ৭ বছর বয়স থেকে তাকে ডিসকো পার্টিতে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন। আর এখন সয়া কিভেনির বয়ফ্রেন্ড জ্যাককে মেয়ের সঙ্গে রাত কাটানোর অবাধ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছেন। সয়াদের বাড়িতেই রাতে থাকে এখন জ্যাক। এরই ফল হিসেবে সয়া কিভেনি এখন ১২ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। এ নিয়ে অনেকজন অনেক কথা বলছেন। তাতে কান দিচ্ছেন না সয়া কিভেনির মা জেনিস। গতকাল এ খবর দিয়েছে অনলাইন দ্য সান। এতে বলা হয়, সয়া কিভেনির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর জানতে পেরে তার মা জেনিসের আর গর্ব ধরছে না। তিনি আহ্লাদে একেবারে গদগদ।
আর তাই বলেছেন, আমাদের তিন বেডরুমের বাসাটি এখন লোকসংখ্যার তুলনায় একেবারে ছোট হয়ে গেছে। একই বাড়িতে থাকে আমার মেয়ে কোকো এবং রিজি, ছেলে ট্যারোট, সয়ার বয়ফ্রেন্ড জ্যাক এবং আমার এক মেয়ের শিশু সন্তান। আমার আশা, সয়ার সন্তান যখন আসবে তখন কাউন্সিল আমাদেরকে ৪ বা ৫ বেডরুমের একটি বাসা দেবে। আমরা এরই মধ্যে সবকিছু গোছগাছ শুরু করেছি। সয়া গর্ভপাতে বিশ্বাসী নয়। সে যে মা হচ্ছে এটা শতভাগ নিশ্চিত। আমার বিশ্বাস সে চমৎকার একজন মা হবে। সে নিজের সন্তানদের শিখাবে আমার মতো শৃঙ্খলাবোধ। ওদিকে সন্তান ধারণ করতে পেরে সয়া কিভেনিও কম উৎফুল্ল নয়। সে বলেছে, প্রথমে আমি দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলাম। তবে এখন আমি খুব উপভোগ করছি বিষয়টা।
ওই রিপোর্টে বলা হয়, সয়া কিভেনির মা জেনিস তার মেয়ের স্বপ্ন পূরণে দিয়েছেন পূর্ণাঙ্গ সহায়তা। তাকে খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করিয়েছেন। পরিণত বয়স না হলেও তাকে পাঠানো হয়েছে শরীর চর্চার কেন্দ্রে। ওদিকে সয়া কিভেনির যেসব বিকিনি পরা ছবি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে তা নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এক অভিভাবক বলেছেন, আমাদের মনে হয় তার মায়ের এভাবে মেয়েকে ছেড়ে দেয়া ঠিক হয়নি। তিনি কি কিশোরী মেয়ে শিকারিদের নাম শোনেননি? জেনিস এক স্কুলের সাবেক সেক্রেটারি। এখন অবসরভাতা পান। তিনি সয়া কিভেনিকে ক্লিভল্যান্ডের থর্নাবিতে মাত্র ৭ বছর বয়সে ডিসকোতে যেতে দিতেন। তাকে মেকাপ করাতেন। পরাতেন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পোশাক। শরীরের উপরের অংশের অনেকটাই থাকতো অনাবৃত। জেনিস বলেন, সয়া এখনও মাত্র কিশোরী।
undefined
অনেকটা অপরিণত। কিন্তু যখন সে তার বন্ধুদের সঙ্গে বাইরে যায় তখন তার ওপর আমার শতভাগ আস্থা আছে। তার ১২ বা ১৩ বছর বয়সে সে একটা ১৮ বছরের কম বয়সীদের ডিসকোতে গিয়েছিল। পরে সে আমাকে বলেছে, সেখানে এক অদ্ভুত প্রতিযোগিতা হয়েছে। তা হলো- কে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ছেলেকে চুমু খেতে পেরেছে তা নিয়ে। এতে তো আমি ক্ষতির কিছু দেখি না। কারণ, তা শুধু চুমুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। জেনিস স্বীকার করেছে, সে সয়া কিভেনির বয়ফ্রেন্ড জ্যাককে তার বাসায় রাতে থাকার অনুমতি দিয়েছেন। তবে সয়া ও সে আলাদা আলাদা বেডরুমে থাকতো এবং ওই সময়ে সয়া ব্যবহার করতো পিল। সয়া এখন ১২ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। এই সময়ে তিনি তাদের আলাদাই রাখতে চান। তিনি বলেন, লোকজন মনে করতে পারে আমি ঘোড়ার আগে গাড়ি চালিয়ে আইন লঙ্ঘন করছি। কিন্তু আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি জানুয়ারিতে সয়ার বয়স ১৬ বছর পূর্ণ হবে। এর আগে তাকে ও জ্যাককে আমি আমার বাসায় এক বেডরুমে থাকতে দেব না।
মানবজমিন

রবিবার, ৭ আগস্ট, ২০১১

ভাঙছে শাহরুখ-গৌরির সংসার!

বলিউডি টিনসেলে সম্প্রতি যে গুজবটি ডালপালা ছড়িয়েছে সেটা হলো, হুমকির মুখে পড়েছে শাহরুখ এবং গৌরি খানের ২০ বছরের সংসার। ‘ডন ২’ ছবিতে কিং খানের সহ-অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়ার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা বাড়াকেই এই ঘটনার জন্য দায়ী করা হচ্ছে। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়ার।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, প্রিয়াংকার সঙ্গে ইদানিং বেশ ঘনিষ্ঠভাবেই মিশছেন শাহরুখ। তারা একসঙ্গে প্রচুর সময়ও কাটাচ্ছেন। ফারহান আখতারের ‘ডন ২’ ছবিতে রোমান্টিক দৃশ্যে অভিনয় করতে গিয়েই নাকি পিগি চপসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে কিং খানের।

জানা গেছে, সম্প্রতি ‘রাডটওয়ান’ ছবির একটি আইটেম গানে অংশ নেওয়ার জন্যও পিগি চপসকে প্রস্তাব দিয়েছেন শাহরুখ। বিষয়গুলোকে সহজভাবে নিতে পারেননি শাহরুখের স্ত্রী গৌরি। এর প্রেক্ষিতে তাদের ভেতর ঠাণ্ডা যুদ্ধও নাকি শুরু হয়েছে।

এদিকে জানা গেছে, বাড়িতে গৌরির সঙ্গে বাকবিতণ্ডা এড়াতে কাজের দোহাই দিয়ে বেশিরভাগ সময় বাইরেই কাটাচ্ছেন শাহরুখ। এসব কারণেই দুয়ে দুয়ে চার মিলিয়ে অনেকেই বলছেন, এবার শাহরুখ-গৌরির সাজানো সংসারে আগুন লাগতে আর বুঝি দেরি নেই!




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

শনিবার, ৩০ জুলাই, ২০১১

১ ডজন স্বামী চান কেটি প্রাইস!

এ পর্যন্ত দু’বার স্বামী বদল করেছেন বৃটিশ মডেল ও টিভি ব্যক্তিত্ব কেটি প্রাইস। তবে তিনি এখনই ক্ষান্ত হতে চান না। ভবিষ্যতে অন্তত আরো ১০জনকে বিয়ে করবেন বলেই সম্প্রতি ‘খায়েশ’ প্রকাশ করেছেন ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা। খবর ইন্দো-এশিয়ান নিউজ সার্ভিসের।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এ প্রসঙ্গে কেটি বলেছেন, ‘ভবিষ্যতে আমি আরো সন্তান নিতে চাই। কয়েক বছরের মধ্যে আরো কয়েকটি ঘোড়ার মালিকও হবো আমি। সম্ভবত আরো বেশ কয়েকজন স্বামীও আসবে আমার জীবনে। সবমিলিয়ে সেই সংখ্যা কমসে কম ১২ জন হবে বলেই আমার প্রত্যাশা।’

উল্লেখ্য, কেটির প্রথম বিয়ে হয়েছিলো বৃটিশ বংশোদ্ভুত অস্ট্রেলিয়ান গায়ক পিটার অ্যান্ড্রুর সঙ্গে। পিটারের সঙ্গে দুটি সন্তানও নিয়েছিলেন তিনি। সেই সন্তানদের মধ্যে জুনিয়র এবং প্রিন্সেস টিয়ামির বয়স এখন যথাক্রমে ৬ এবং ৪। পিটারের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ার পর বৃটিশ অভিনেতা ও মার্শাল আর্টিস্ট অ্যালেক্স রেইডকে ২০১০ সালে বিয়ে করেন কেটি। কিন্তু বিয়ের এক বছরের মাথায়ই তিনি অ্যালেক্সকে ডিভোর্স দেন।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই, ২০১১

জরিমানা গুণলেন স্পিলবার্গ

সম্প্রতি ইতালির সারদিনিয়া দ্বীপে অবকাশ যাপনে গিয়ে এক বিব্রতকর অবস্থার মধ্যেই পড়ে গিয়েছিলেন হলিউডি চিত্রনির্মাতা স্টিভেন স্পিলবার্গ। জানা গেছে, নৌ-আইন ভঙ্গ করায় ১৫১ ইউরো জরিমানা গুণতে হয়েছে তাকে। খবর ইন্দো-এশিয়ান নিউজ সার্ভিসের।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, গডডটার অভিনেত্রী গিনেথ প্যাল্ট্রোসহ কয়েকজন বন্ধু-বান্ধব সঙ্গে নিয়ে সম্প্রতি ইতালির সারদিনিয়া দ্বীপে ছুটি কাটাতে গিয়েছেন স্পিলবার্গ। সেখানে মোটর বোটে চেপে সাগরের জলে ছুটে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। একপর্যায়ে তার বোটটি সৈকতের খুব কাছকাছি চলে আসলে সাগরের জলে স্নানরত মানুষদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে।

জানা গেছে, এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ কয়েকজন ভুক্তভোগী স্পিলবার্গের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতেই ১৫১ ইউরো জরিমানা করা হয়েছে তাকে।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটক

হাতির প্রেমে পড়ে


 
হাতির সঙ্গে লরা পুকো হাতির সঙ্গে লরা পুকো
চিকিৎসক হবেন বলে হোমিওপ্যাথি পড়ছেন ফিনল্যান্ডের তরুণী লরা পুকো (২৫)। ভারতের কেরালায় গত বছর বেড়াতে গিয়ে বদলে গেছে তাঁর লক্ষ্য। এখন মাহুত হয়ে হাতির সঙ্গে দিন কাটানোর কথা ভাবছেন তিনি।
লরা পুকো জানান, আগামী ডিসেম্বরে শেষ হবে তাঁর চিকিৎসাবিদ্যার পড়াশোনা। এর পর তিনি নতুন করে ঠিক করা পেশার দিকে ঝুঁকবেন।
লরা বলেন, ‘কেরালার কুমলি এলাকায় প্রথম যে দিন হাতি দেখি, প্রথম দেখাতেই প্রাণীটির প্রেমে পড়ে যাই। ওই মুহূর্তে আমি কিছু ভাবতে পারছিলাম না। এখানে থেকে যাব কি না, এ চিন্তাটা মাথায় আসে তখন। এ কথা মুখ দিয়ে বের হওয়া মাত্র সায় পেয়ে যাই।’
প্রথম দিকে লরা কেবল হাতির পালের সঙ্গে হেঁটে যেতেন। এরপর হাতিগুলোকে খাওয়ানোর সময় লোকজনকে সহযোগিতা করতে লাগলেন। ধীরে ধীরে মাহুত হিসেবে প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করেন তিনি। এ সময় টানা তিন মাস তিনি হাতিদের সঙ্গে সময় কাটান। প্রতিদিন ভোরে হাতির খামারে আসতেন, সন্ধ্যা পার করে ফিরতেন নিজের ঘরে। এখন অন্য মাহুতদের মতো তিনিও হাতিকে নদীতে গোসল করাতে নিয়ে যেতে পারেন। সম্প্রতি তিনি এলিফ্যান্ট জাংকসন নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িয়েছেন।
সাধারণত ছেলেরাই হাতির মাহুত হয়। আর মাহুত হওয়ার বিষয়টি চলে বংশপরম্পরায়। মাহুতের বংশধরেরাই মাহুত হয়ে থাকে। এই পেশায় আয়ও খুব কম। ভারতের ভাষাও লরার জন্য সমস্যা হবে। হাতি পরিচালনার বিষয়টিও কম ঝুঁকিপূর্ণ নয়।
তবে এসব কোনো কিছু লক্ষ্য থেকে টলাতে পারেনি লরাকে। তিনি বিশ্বাস করেন, হূদয়ের গভীর থেকে কিছু করতে চাইলে কোনো কিছুই বাধা হতে পারে না। বিবিসি।
প্রথম আলো

 বাবা রামদেবকে বিয়ে করতে চান রাখি

রাখি সাওয়ান্ত রাখি সাওয়ান্ত
উদ্ভট সব কর্মকাণ্ডের জন্য বলিউডে রাখি সাওয়ান্ত একটু অন্যভাবেই পরিচিত। মনোযোগ আকর্ষণে বিতর্কিত কিছু করতেও দ্বিধা নেই তাঁর। মূলত বলিউডি ছবিতে পার্শ্বচরিত্রে তাঁর বিচরণ হলেও স্যাটেলাইট টিভিগুলোয় বিভিন্ন রিয়েলিটি শো ও অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় তিনি নিজের দক্ষতা প্রমাণ করেছেন। একই সঙ্গে আইটেম গার্ল হিসেবেও তৈরি করেছেন আলাদা একটা পরিচিতি। তবে এবার তিনি আলোচনার জন্ম দিয়েছেন ‘যোগগুরু’ বাবা রামদেবকে বিয়ে করার ইচ্ছা পোষণ করে।
সম্প্রতি তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন নিজের রিয়েলিটি শো ‘গজব দেশ কি আজব কাহানিয়া’র প্রচার উপলক্ষে। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের সামনেই নাকি সরাসরি বাবা রামদেবের প্রেমে পড়ার কথা স্বীকার করেছেন। সাংবাদিকেরা রাখির মুখে এ কথা শুনে যখন জিজ্ঞেস করেন, কবে বিয়ে করছেন? ঠিক তখনই রাখি বলেছেন, ‘বাবা রামদেব হ্যাঁ বললেই তাঁকে বিয়ে করব।’
রাখি বলেন, ‘বাবা রামদেবকে যখন দেখেছি, তখন থেকেই তাঁর প্রেমে পড়ে গেছি। আর তাঁকে যখন ইয়োগা করতে দেখেছি, তখন মন্ত্রমুগ্ধের মতো চেয়ে থেকেছি। বারবারই তাঁর চেহারা আমার চোখে ভাসতে থাকে।
শুধু বাবা রামদেবকেই নয়, রাখি এর আগে রাহুল গান্ধীকেও বিয়ে করার ইচ্ছে পোষণ করেছিলেন। কিন্তু এখন রাহুলের চেয়ে রামদেবই নাকি তাঁর বেশি পছন্দের। এ কথা রাখি স্বীকার করেছেন বেশ অকপটেই। টাইমস অব ইন্ডিয়া।
প্রথম আলো

মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০১১

জন্মদিনের আনন্দ আয়োজন

জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ভক্তরা পুষ্পবৃষ্টির মধ্য দিয়ে বরণ করে নেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদকে

জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ভক্তরা পুষ্পবৃষ্টির মধ্য দিয়ে বরণ করে নেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদকে

ছবি: প্রথম আলো

শ্রাবণের আকাশে মেঘ ছিল না। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নতুন নির্মিত মিলনায়তনটিতে আগত ব্যক্তিরা গরমে স্বেদসিক্ত। তা সত্ত্বেও তাঁদের আগ্রহ আর আনন্দের কমতি নেই। ফুল হাতে নিয়ে সবাই অপেক্ষা করছেন, কখন প্রিয় মানুষটি আসবেন?
খোশগল্পে মশগুল তাঁরা। ফুল হাতে একজন বললেন, বিয়েবাড়ি বিয়েবাড়ি লাগছে। প্রিয় ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ যখন এলেন, তখন তো একজন বলেই ফেললেন, ‘স্যার আপনাকে জামাই জামাই লাগছে।’ স্যারও রসিকতার জবাব দিলেন সরস ভঙ্গিতেই। স্মিত হেসে বললেন, ‘ভালোই তো, একজন একটা কনে এনে দাও, আর একজন একটা রুমাল দাও মুখ ঢাকি।’ হাসির রোল পড়ে গেল মিলনায়তনে তাঁর কথায়।
বহুমুখী ব্যক্তিত্ব, আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগরখ্যাত আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের ৭২তম জন্মবার্ষিকী ছিল গতকাল সোমবার। তিনি ১৯৩৯ সালের ২৫ জুলাই কলকাতার পার্কসার্কাসে জন্মগ্রহণ করেন। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র সন্ধ্যায় তাঁর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানানোর আয়োজন করে। শ্রদ্ধাভাজন এই শিক্ষকের সরস কথা, তাঁর সঙ্গে আলাপচারিতা আর গানে গানে আনন্দঘন হয়ে উঠেছিল অনুষ্ঠান।
গত শতকের ষাটের দশকের নতুন ধারার সাহিত্য আন্দোলনের তিনি ছিলেন অগ্রপথিক। ৩০ বছর মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে শিক্ষকতা করে তিনি জীবন গড়েছেন বহু মানুষের। এর পরও থেমে যায়নি তাঁর কর্মোদ্যম। শুরু করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। আলোকিত মানুষ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এ সংগঠনটির পথচলারও ২৮ বছর পেরিয়ে গেল। আর এ দীর্ঘ পথচলার মাঝেও তিনি লিখেছেন কবিতা, ছোটগল্প, প্রবন্ধ, নাটক, অনুবাদ, জার্নাল ও জীবনীগ্রন্থ। এসব বহুমুখী কর্মকাণ্ডের মধ্যদিয়ে আপন আলোয় আলোকিত হয়ে উঠেছেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
সন্ধ্যা সাতটায় শুরু হয় অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানস্থলে তিনি এসে পৌঁছাতেই পুষ্পবৃষ্টির মধ্যে দিয়ে তাঁকে বরণ করে নেওয়া হয়। মঞ্চে শিল্পীরা পরিবেশন করেন ‘আলো আমার আলো’ গানটি। ফুলেল শুভেচ্ছা ও উত্তরীয় পরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। মাথায় পরিয়ে দেওয়া হয় রঙিন কাগজের টুপি। পরে কেক কেটে আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন তিনি। অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়েও সরস কথা দিয়ে মুগ্ধ করলেন শুভার্থীদের। কৌতুকের ছলে জানালেন, তাঁর বয়স এখন ৩৭। বললেন, ‘এর আগে ঘরোয়াভাবেই আমার জন্মদিন হয়েছে। জন্মদিনে বুদ্ধিবৃত্তি চর্চা করতে ইচ্ছে করে না। খোলা হাওয়ায় ঘুরে বেড়াতেই ভালো লাগে।’ তিনি বলেন, মানুষ তাঁর স্বপ্নের সমান বড়। মানুষ নিজে যা ভাবতে পারে, মানুষ তা-ই। দ্বিতীয় পর্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘আজি প্রণমি তোমারে’ সাজানো হয় গান, আবৃত্তি ও পাঠ দিয়ে। এতে আমন্ত্রিত অতিথিদের পাশাপাশি একক গান পরিবেশন করেন পাঠচক্রের আফরিন, রেওয়াজ, জুয়েল, সুরভীসহ আরও অনেকে। পরিবেশিত গানের মধ্যে ছিল ‘আমি তখন ছিলেম মগন’,‘ মন মোর মেঘের সঙ্গী’, ‘আকাশে আজ ছড়িয়ে’, ‘আমায় একটি ভাঙা কলম দাও’, লোকে বলে বলেরে ঘর বাড়ি’সহ আরও অনেক গান।
গানের মাঝে মাঝে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের লেখা থেকে পড়েন আয়েশা সিদ্দীকা আঁখি ও খালেক মল্লিক। এ ছাড়াও সমবেত কণ্ঠে পরিবেশিত হয় ‘ও আমার দেশের মাটি’ গানটি। বৃন্দসংগীত ‘দাও শৈর্য দাও ধৈর্য’ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় অনুষ্ঠান।

শুক্রবার, ১৫ জুলাই, ২০১১

আবার বিয়ে করলেন অপূর্ব

  • বিয়ের সাজে অপূর্ব ও অদিতি
    বিয়ের সাজে অপূর্ব ও অদিতি
  • বিয়ের সাজে অপূর্ব ও অদিতি
    বিয়ের সাজে অপূর্ব ও অদিতি
1 2
আবার বিয়ে করলেন অপূর্ব। পাত্রী অদিতি। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের ছাত্রী। 
অপূর্ব জানালেন, বুধবার দুপুরে শ্যামলীর আদাবরে অদিতির বাবার বাসায় তাঁদের আক্দ হয়েছে। এ সময় দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠজনেরা উপস্থিত ছিলেন। আগামী ডিসেম্বরে আয়োজন করা হবে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।
সকালে মুঠোফোনে অপূর্ব বললেন, ‘অদিতির সঙ্গে পারিবারিকভাবে একটা যোগাযোগ ছিল। আর বিয়েটাও আয়োজন করা হয়েছে পারিবারিকভাবেই। নতুন জীবন শুরু করতে যাচ্ছি। আমাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন।’
গত বছর ১৯ আগস্ট অভিনয়শিল্পী প্রভাকে বিয়ে করেন অপূর্ব। এরপর এ বছর ১১ ফেব্রুয়ারি তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়
প্রথম আলো

মঙ্গলবার, ১২ জুলাই, ২০১১

পামেলার ফিটনেস রহস্য

জানা গেছে, অন্তর্বাস প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘বনিতা ডে মাস’-এর মডেল হয়েছেন সাবেক প্লেবয় মডেল, ‘বেওয়াচ’ তারকা পামেলা অ্যান্ডারসন। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির জন্য ফটোশুটেও অংশ নিয়েছেন ৪৩ বছর বয়সী এই তারকা। নিজেকে ফিট রাখার রহস্য সম্পর্কে জানতে চাইলে এর কৃতিত্ব তিনি দিয়েছেন তার দুই পুত্র ১৫ বছর বয়সী ব্র্যান্ডন এবং ১৩ বছর বয়সী ডিলানকে। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়ার। 

এ প্রসঙ্গে পামেলা বলেছেন, ‘আমার দুই সন্তানই আমার শরীরকে ফিট রাখতে সাহায্য করে। ফুটবল, বাস্কেটবল, বেসবলসহ প্রায় সব ধরনের খেলাই আমরা নিয়মিতভাবে খেলি। আমরা প্রায় সময়ই সমুদ্রে সাঁতার কাটি কিংবা সৈকতে দৌড়াদৌড়ি করি।’

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, বেশ খোলামেলা ভঙ্গিতেই অন্তর্বাস পরে ছবি তুলেছেন পামেলা। এই বয়সে এসেও নিজের সৌন্দর্য ধরে রেখেছেন তিনি। 

পামেলা আরো বলেছেন, ‘সত্যি বলতে কি, জিমে যাওয়ার মানুষ আমি নই। আমি কখনোই জিমে যাই না এবং কখনো ডায়েট কন্ট্রোলও করি না। তবে হ্যাঁ, আমি পুরোপুরি নিরামিষাশি।’

এদিকে জানা গেছে, ‘ড্যান্সিং উইথ দ্য স্টারস’ রিয়েলিটি শো’টির আর্জেন্টিনিয়ান ভার্সনের কাজ নিয়ে এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন এই আবেদনময়ী তারকা।





বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

মধুচন্দ্রিমায় বিবসনা কেট মস

সদ্য বিবাহিতা বৃটিশ সুপারমডেল কেট মস ও তার স্বামী জেমি হিঞ্চ সম্প্রতি ফ্রান্সের কর্সিকা দ্বীপে মধুচন্দ্রিমায় গিয়েছেন। জানা গেছে, সেখানে বিলাসবহুল একটি প্রমোদতরীতে বিবসনা অবস্থায় ক্যামেরাবন্দী হয়েছেন ৩৭ বছর বয়সী এই মডেল। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়ার। 

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, প্রমোদতরীতে সূর্যস্নানের সময় ৪২ বছর বয়সী জেমিকে ঘনঘনই আলিঙ্গন করেছেন এবং চুমু খেয়েছেন কেট।

উল্লেখ্য, এ বছরের ১ জুলাই গাঁটছড়া বেঁধেছেন এই জুটি। কর্সিকাতে যাওয়ার পর এই প্রথম তাদের মধুচন্দ্রিমার ছবি প্রকাশিত হলো।
 



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

লিভ টুগেদার


বিশ্বমোড়ল আমেরিকায় লিভ টুগেদারের জনপ্রিয়তা নিছক কোন পারিবারিক কারনে নয়। আমেরিকানরা লিভ টুগেদার করছে অর্থ সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে। বিয়ে হয়নি, অথচ স্বামী-স্ত্রীর ন্যায় একত্রে বসবাস করছেন এমন আমেরিকান নারী-পুরুষের সংখ্যা ৭৫ লাখ। ইউএস সেনসাস ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ৬৯/৭০ বছরের অধিক বয়সী অনেক অবিবাহিত আমেরিকানও 'লিভ টুগেদার' করছেন। বিয়ে মানেই পারিবারিক মেলবন্ধন। দায়-দায়িত্ব সন্তান-সন্ততি ইত্যাদি নানা বিষয়ের জটিল সমাবেশ। আর এই জটিলতা এড়াতেই বিয়ে ছেড়ে লিভ টুগেদারের দিকে ঝুঁকছেন আমেরিকানরা। শুধু আমেরিকানরাই নয়, ওখানে বসবাসরত বাংলাদেশীসহ অন্যান্য অভিবাসীদের মধ্যেও লেগেছে এই ছোঁয়া। লিভ টুগেদারের ক্ষেত্রে পুরুষ আর নারী একেবারে স্বামী-স্ত্রীর ন্যায় একসঙ্গে বসবাস করে। সামাজিকভাবে জৈবিক চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি উভয়ে সমানভাবে সংসারের খরচ বহন করে। আর শেষ বয়সে অবসরের ভাতা পৃথকভাবে পাওয়ায় তাদের দিন কাটছে চমৎকারভাবে।
গত দু'বছর ধরেই অর্থনৈতিক মন্দা আর দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারনে স্বল্প আয়ী আমেরিকানরা নাজুক পরিস্থিতিতে রয়েছেন। এমনি কঠিন পরিস্থিতিতে যারা চাকরি হারাচ্ছেন, তাদের অবস্থা অকল্পনীয়। কিন্তু জীবন তো থেমে থাকে না। বিকল্প হিসেবে অনেকের বিয়ের বয়স পেরিয়ে গেলেও শুধু খরচের কথা ভেবে বিয়ে করা হয়ে ওঠে না। আর তাই বিকল্প উপায় খোঁজা। আবার অনেকে ২০/২৫ বছর যাবত বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ড হিসেবে বাস করে সন্তানাদি নেয়ার পরও আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হননি। চাকরি অথবা ব্যবসা থেকে অবসর নিয়েছেন, তবুও বিয়ে করছেন না। এমন আমেরিকানদের ব্যাপারে ইউএসএ টুডে অনুসন্ধানী এক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে সামগ্রিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে উদাহরণ টেনে বলা হয়েছে, ৭১ বছর বয়েসী টম ব্ল্যাক এবং ৬৯ বছর বয়েসী গ্রিটা কহেন গত ১৩ বছর যাবত 'লিভ টুগেদার' করছেন। দিনভর একত্রে চলাফেরা করেন। কেনাকাটা করেন একত্রে। রান্না অথবা হোটেলের ব্যয়ও ফিফটি ফিফটি হারে বহন করেন। এর ফলে এ দম্পতির অবসর সময় আনন্দে কাটছে। অবসরভাতা অথবা সোস্যাল সিকিউরিটি বেনিফিট হিসেবে তারা আলাদাভাবে যে চেক পাচ্ছেন তা দিয়ে উভয়ের মাসিক খরচে ঘাটতি পড়ে না। একইভাবে অনেক কর্মজীবী প্রেমিক-প্রেমিকারাও একই বিছানায় থাকা সত্বেও বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন না খরচের কথা চিন্তা করে। তাদের ধারণা, বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বাস করতে ব্যয় বাড়বে। এই ধারা চলতে থাকলে আমেরিকানদের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্কের ভিত্তি শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে ঠেকে, এখন দেখার বিষয় সেটাই।
আর পশ্চিম বঙ্গেই  বা এর জনপ্রিয়তা কেমন বাড়ছে বলে মনে করেন।কিছু মিডিয়া অলরেডি এর ব্যাপক প্রচারনা শুরু করছে।

সোমবার, ১১ জুলাই, ২০১১

ফাও খাবার না পেয়ে রেস্তোরাঁ ভাঙচুর

ফাও খাবার না পেয়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল ছাত্র রাজধানীর কলেজগেটে একটি রেস্তোরাঁয় ভাঙচুর করেছেন। এ সময় হোটেলের কর্মচারীরা ছয়জন ছাত্রকে পিটিয়ে আহত করেন। আহত ব্যক্তিরা সবাই ছাত্রলীগের কর্মী বলে জানা গেছে। 
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হাসানুজ্জামান বাদী হয়ে রেস্তোরাঁর মালিক ও কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করার পর পুলিশ রেস্তোরাঁর দুজন কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী এক ছাত্র জানান, গতকাল বেলা পৌনে তিনটার দিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উল্টো দিকের অনুরাগ রেস্তোরাঁয় খেতে যান শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল হাসান নিপুণ, কর্মী জান্নাত চৌধুরী ও জাহিদ। তিনজনের খাবারের দাম হয় ৩১১ টাকা। কিন্তু কর্মীরা মাত্র ১০০ টাকা দিয়ে চলে যেতে উদ্যত হন। এ সময় ব্যবস্থাপক তাঁদের ডাক দিলে ছাত্ররা ফিরে এসে জানান, তাঁরা ২০ ভাগ মূল্যছাড় পেয়ে থাকেন। ব্যবস্থাপক ওই ছাড় দিয়েই বাকি দাম দিতে বলেন। ছাত্ররা এতেও রাজি না হলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ছাত্ররা ব্যবস্থাপককে মারধর শুরু করেন। 
প্রত্যক্ষদর্শী আরও একজন জানান, ছাত্রদের মধ্যে একজন ফোন করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১০-১৫ জন ছাত্রকে ডেকে নিয়ে আসেন। ছাত্ররা এসেই রেস্তোরাঁর সামনের কাচ ভেঙে ফেলেন। এ সময় রেস্তোরাঁর সব খদ্দের বের হয়ে যান। শুরু হয় মারামারি। মারামারিতে ছাত্রলীগের ও রেস্তোরাঁকর্মী উভয় পক্ষই আহত হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। ঘটনার পর পুলিশ এসে ছাত্রলীগের কর্মীদের পক্ষ নিয়ে তৎ পরতা শুরু করলে রেস্তোরাঁকর্মীরা পালিয়ে যান।
ছাত্ররা জানান, মারামারির সময় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর সরোয়ার মামুন, সহসভাপতি এ এম আহসান হায়দার শুভ, সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল হাসান নিপুণ, ইব্রাহিম খলিল খান, কর্মী জান্নাত চৌধুরী ও সুমন চন্দ্র সরকার আহত হন। তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, গতকাল ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ছিল বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে। সম্মেলন শেষে নেতারা কয়েকজনকে টাকা দিয়ে রেস্তোরাঁয় গিয়ে খেতে বলেন। টাকা নিয়ে ওই তিনজন রেস্তোরাঁয় খেতে যান। খাওয়া শেষে দাম হয় ১২০ টাকা। তাঁরা ১০০ টাকা দিতে চান। কিন্তু ব্যবস্থাপক ২০০ টাকা দাবি করেন। রেস্তোরাঁকর্মীরা ধারালো অস্ত্র ও রড-লাঠি নিয়ে তাঁদের মারধর করেছেন বলে তিনি জানান। 
মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় পুলিশ রেস্তোরাঁর মালিকের আত্মীয় ও রেস্তোরাঁর কর্মী সৈয়দ হোসাইনুল ইসলাম তালুকদার ও রাকিব হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে।

রবিবার, ১০ জুলাই, ২০১১

বিয়ের আগে এ কি শুনলেন জেনেলিয়া!

Details
মিয়া বিবি রাজি। শুভ দিনক্ষণে হাজির হবেন পুরোহিত। পড়াবেন বিয়ে। বাধা পড়বেন দাম্পত্য বাধনে। মনের মধ্যে যখন এই নিয়ে নানা স্বপ্নের জাল তখন কন্যা যদি খবর পায় তার বিয়ে হয়ে গেছে, আরেক পুরুষের সাথে! তাই যাকে নিয়ে বিয়ের স্বপ্ন দেখছে সে বাদ! তখন কেমন লাগে! কেমন লাগে সেটার সঠিক উত্তর এই মুহুর্তে সবচে ভাল দিতে পারবেন বোধহয় বলিউডের গ্ল্যামারগার্ল নায়িকা জেনেলিয়া ডি সুজা। দক্ষিণ ভারতের সুন্দরী এই অভিনেত্রী বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় হিন্দি ছবিতেই অভিনয় করেছেন। সম্প্রতি দেশী বিদেশী অনেক পত্রপত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে, প্রেমিক রিতেশ দেশমুখের সঙ্গে বিয়ের গাটছড়া বাধতে যাচ্ছেন জেনেলিয়া। ‘লাভবার্ড’ বলে পরিচিতি পাওয়া এই জুটি পরস্পরকে গভীরভাবে ভালোবাসার কথাও স্বীকার করেছেন। সামনে বিয়ের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন সবিস্তারে।
কিন্তু কাবাবে হাড্ডি হয়ে হাজির হয়ে এসেছেন এক পুুরোহিত। ভগবত নামের ওই পুরোহিত বলেছেন জেনেলিয়ার বিয়ে হয়ে গেছে ভারতের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেতা জন আব্রাহমের সঙ্গে! সেই বিয়ে তিনি নিজেই পড়িয়েছেন! সুতরাং হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী জেনেলিয়ার নতুন আরেকটি বিয়ে করার সুযোগ নেই! পুরোহিত এই দাবিতে রেজিস্টার অফিসে একটি অভিযোগও দাখিল করে রেখেছেন।
ঘটনাটা খুলে বলা যাক। জন আব্রাহম এবং জেনেলিয়া পরিচালক নীতিশ কামাতের ছবি ‘ফোর্স’ এ নায়ক-নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। ছবিতে তাদের বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের দৃশ্যকে ‘ন্যাচারাল’ করে ফুটিয়ে তুলতে পরিচালক কোনো অভিনেতার পরিবর্তে একজন আসল পুরোহিত খবর দেন। তিনি হলেন আলোচিত এই ভগবত। ভগবত ভুলেই গেছিলেন যে এটা সিনেমার বিয়ে! তাই তাকে ভুয়া মন্ত্রপাঠ করতে বলা হলেও তিনি অভ্যাসবশত বিয়ের আসল মন্ত্র পাঠ করেন! অর্থাত্, ধর্মের বিধান অনুযায়ী সব আনুষ্ঠানিতকা মেনেই ‘বিয়ে’ হয়ে যায়। ছবির ওই দৃশ্য শেষ হবার পর ভগবতের খেয়ালই ছিল না যে তিনি আসল মন্ত্র পড়িয়েছেন। কিন্তু গত সপ্তাহে জেনেলিয়া-রিতেশের প্রেম ও বিয়ের খবর শুনে তিনি দৃশ্যপটে হাজির হয়ে জানান, এক স্বামী বর্তমান থাকতে আরেক বিয়ে অসম্ভব! তার মনে পড়েছে, তিনি ‘আসল বিয়ে’ পড়িয়েছেন!
উল্লেখ্য, জেনেলিয়া হিন্দি, তামিল, কানাড়া, মালায়ালাম মিলে ৩২ টির মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন। কয়েকটিতে সেরা নবাগতা নায়িকার মনোনয়ন পেয়েছেন। টাইমস অব ইন্ডিয়া।

শনিবার, ৯ জুলাই, ২০১১

দুনিয়ার বিচিত্র আইন সমুহ

সবচেয়ে লম্বা কোন হাত? ডান হাত,বাম হাত অথবা অজুহাত? এই প্রশ্ন করলে কেউ বিন্দুমাত্র না ঘাবড়ে গিয়ে বলবে আইনের হাত।কারন আইনের হাত যে কত শক্ত তা মানুষ জানে।আইন যতক্ষন হাত হিসেবে থাকে তখন তা অনেক লম্বা ক্ষমতাশালী।কিন্তু কার্বনের মত আইনের বহুরূপতা য়াছে।এর দুটা রূপের আরেকটা হল জাল।আইন যখন জাল হয়ে যায় তখন তার ফাঁক ফোকড় হয়ে যায় বিশাল এবং বিস্তৃত।এর বিশাল ফাকঁ গুলো দিয়ে রাগব বোয়ালরা সহজেই চলাচল করতে পারে।তবে আইনের হাত কিন্তু অনেক শক্ত।

আইনের হাতের এই শক্তিমত্তার রূপক হিসেবে বিচারকদের লম্বা হাতার পোষাক পড়তে হয় কোন কোন দেশে।এই পোষাকের আরো বিভিন্ন রূপক অর্থ আছে।যেমন এই কাল রঙের পোষাকের অর্থ নাকী নিজের পরিচয় গোপন রাখা।আর গলার সাদা ব্যান্ডের অর্থ মিথ্যার কাল আধাঁর থেকে সত্য প্রকাশ।আমাদের দেশের প্রধান বিচারপতি যে পরচুলা পড়েন এই পরচুলা দিয়ে বোঝানো হয় বিচারক মায়ের মত।মায়ের কাছে যেমন আপনি যেমন আপনার ছোট তেমন ঠিক তেমনি এই বিচারকের কাছে বাদী বিবাদী সবাই সন্তানের মত ,সবাই সমান।

দেশে এবং বিদেশে এমন কিছু আইন আছে যেগুলো শুনতে একটু হাস্যকর এবং অদ্ভুত বলে মনে হয়।বাংলাদেশের আইনের দন্ডবিধির ৪৪৮ ধারায় আছে অনুমতি ছাড়া কারো ঘরে প্রবেশ করলে তার শাস্তি এক হাজার টাকা জরিমানা অথবা একবছরের কারাদন্ড দেয়ার বিধান।এক্ষেত্রে উভয় দন্ডেও হতে পারে।

কলোরাডতে যৌক্তিক কোন কারন না দেখিয়ে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করা এক ধরনের চুরি।প্রতারনা অথবা ছিনতাইয়ের পর্যায়েও পড়ে।মহান আদালত এ ব্যাপারে বলেছেন, বৃষ্টির পানি এভাবে ধরে রাখলে কৃষিকাজের জন্য পানি পাওয়া যাবে না।অর্থনীতিতে খারাপ প্রভাব পড়বে।

হংকংযে একটা আইন আছে যদি কারো স্ত্রী পরকীয়া করে তবে স্বামী তাকে খুন করতে পারে।তবে শর্ত একটাই খুন করতে হবে খালি হাতে।তবে যে লোকের সাথে পরকীয়া করেছে তাকে অস্ত্র দিয়ে খুন করতে পারবে।

আমেরিকার আরিজোয়ানাতে শিশুরা পেয়াজ খেয়ে স্কুলে যেতে পারবে না বলে আইন আছে।১৮৮০ সালে এই পেয়াজ নিষিদ্ধকরন আইন পাশ হয়।আমেরিকার আরেকটি আইন হল কেউ রসুন খেয়ে গির্জা থিয়েটার ইত্যাদিতে যেতে পারবে না।ম্যাসাটুচেসের একটা আইন কেউ গির্জায় চীনাবাদাম খেতে পারবে না।

ক্যালিফোর্নিয়ার সুসানভিলে শব্দ করে সুপ খাওয়া অপরাধ।মায়ামীতে পুরুষের স্ট্র্যাপলেস গাউন পরে জনসমক্ষে যাওয়া আইনত অপরাধ।

ইলিনয়িস রাজ্যে আরেকটি আইন রয়েছে শীতকালে কোনো বাচ্চা জমে থাকা তুষার দিয়ে স্নো বল বানিয়ে গাছের দিকে ছুঁড়তে পারবে না।


আলাস্কায় কোনো গ্রিজলি ভালুককে মোটেও বিরক্ত করা যাবে না।উনি সম্মানী লোক।আপনি কেন বিরক্ত করবেন।

মেইন-এ একটা অতি পুরনো আইন রয়েছে, কোনো খচ্চরকে আগুনে ফেলা যাবে না।

মেইন-এ রাস্তায় হাঁটা অবস্থায় কোনো পথচারীর জুতার ফিতে যদি খোলা পাওয়া যায়, তাহলে এটা আইনত অপরাধ।

সান দিয়েগোতে একটা আইন রয়েছে, রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে গান গেয়ে পেট চালায়, তাদের অবশ্যই কাপড় পরতে হবে।

কানেকটিকাট রাজ্যে কড়া আইন রয়েছে, কোনো বাচ্চা পা ওপরে তুলে হাতে হেঁটে রাস্তা পেরোতে পারবে না।এই এলাকার বাচ্চাগুলা এককালে বান্দরস্বভাবের ছিল এটার প্রমান পাওয়া যায় এই আইন থেকে।ডারউইনের বিবর্তনবাদ প্রমানে এটা একটা যুক্তি হতে পারে।


মিশিগানে কঠোর আইন রয়েছে, যদি দোতলার চেয়ে উঁচু কোনো দালান তোলা হয়, তাহলে সেই দালানের প্রতিটা জানালায় একটা করে দড়ি ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
আমেরিকার মিশিগানে কোন বিবাহিত মহিলার চুল কাটাতে স্বামীর অনুমতি লাগে।


ইন্ডোনেশিয়ায় হস্তমৈথুনের শাস্তি হলো মুন্ডচ্ছেদ।

আমেরিকার কলাম্বিয়া প্রদেশে মেয়ের বাসর রাতে তার মার উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

গুয়ামের আইন অনুসারে কোন কুমারী মেয়ে বিয়ে করতে পারেনা। তাই কিছু লোক আছে যারা পয়সার বিনিময়ে কুমারিত্বের অভিশাপ মুক্ত করার কাজ করে। মেয়ের বাবা-মা সাধারনতঃ এই কাজের জন্য অনেক টাকা থরচ করেন।এরা কাজ শেষে সার্টিফিকেট দেয়।

লেবাননের আইন অনুসারে কোন পুরুষ লোক গৃহপালিত পশুর সাথে সহবাস করতে পারে। কিন্তু পশুটা অবশ্যই মাদী হতে হবে। মদ্দা পশুর সাথে সহবাস করার শাস্তি হলো মৃত্যুদন্ড।

এথেন্সের পুলিশ কোনও গাড়ির চালকের লাইসেন্স বাতিল করে দেবার ক্ষমতা রাখে যদি ঐ চালক গোসল না করে গাড়ি চালায় অথবা চালকের বেশভূষা না ঠিক থাকে।

মস্কোতে আবহাওয়াবিদরা ভুল তথ্য প্রচার করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান আছে।এটা বাংলাদেশে হলে বিটিভির আবহাওয়াবিদদের খবর হয়ে যেত।

ইংল্যাণ্ডে পার্লামেন্টে মৃত্যুবরন করা বেআইনি।

ফ্রান্সে শুকরের নাম নেপোলিয়ন রাখা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।

ইংল্যান্ডে একজন গর্ভবতী মহিলা যেকোন জায়গায়মুত্র বিসর্জন করতে পারেন।এমনকি তিনি চাইলে কোন ট্রাফিক পুলিশে হেলমেটে মুত্র বিসর্জন করতে পারেন।এটা তার বিবেচনা।

সিঙ্গাপুরে চুইং গাম অবৈধ।
ইন্ডিয়ানাতে রবিবারে গাড়ি বিক্রি করা আইনত দন্ডনীয়।


জাপানে কোন মেয়েকে ছেলে ডেটিং য়ে যেতে বললে মেয়েটি আইন অনুসারে না করতে পারবে না।


জাপানে কারো বড় ভাই তার গার্লফ্রেন্ডকে বিয়ে করে ছোট ভাইকে সম্মানীত করতে চাইলে আইন অনুসারে গার্লফ্রেন্ড অসম্মতি জানাতে পারবে না।

জাপানে একটা মাছের নাম ফাগু।এই ফাগু মাছ ৮০ সেকেন্ডের বেশী রান্না করা আইনত অপরাধ।৮০ সেকেন্ডের বেশী রান্না করলে এটি থেকে একধরনের বিষাক্ত পদার্থ বের হয়।


জাপানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বিল্ডিংযে মেয়েদের ব্রা না পড়া আইনত দন্ডনীয়।

১৬০৪ সালে ইংল্যান্ডের রাজা কিং জেমস witch craft act নামে একটা আইন প্রনয়ন করেন।এই আইনে যারা কালোশক্তি মানে ব্ল্যাক ম্যাজিক ব্যবহার করবে তাদের মৃত্যুদন্ড দেয়ার বিধান রাখা হয়।সাধারনত যারা কৃষ্ণশক্তি বা এই ব্ল্যাকম্যাজিক ব্যবহার করত তাদের বলা হত ডাইনি।ডাইনিদের পুড়িয়ে মারা হত,যদিও বিধান ছিল ফাসিতে ঝুলিয়ে মারা।এই আইনের আয়তায় প্রায় ৭০ হাজার মানুষকে মারা হয়।ফ্রান্সের সেই বিখ্যাত জোয়ান অব আর্ক কে এই আইনের অধীনেই পুড়িয়ে মারা হয়েছিল।তিনি ফ্রান্সকে ইংল্যান্ডের শাষন থেকে মুক্ত করতে চেয়েছিলেন।১৯৫১ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট এই আইন বাতিল করে দেয়।


প্রাচীন ভারতে এক আইন ছিল সতীদাহ প্রথা।এই প্রথায় স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীদের সহমরনে যেতে বাধ্য করা হত।কোন ধনী লোকের মৃত্যুর সম্পত্তি অধিকার করার লোভে তার আত্মীয়রা তার সদ্যবিধবা স্ত্রীকে ধরে বেঁধে, ঢাক-ঢোলের শব্দ দ্বারা তার কান্নার আওয়াজকে চাপা দিয়ে তার স্বামীর সাথে চিতায় শুইয়ে পুড়িয়ে মারতো।পরবর্তীতে ১৮২৯ সালে ৪ ডিসেম্বর রামমোহন রায়ের সামাজিক আন্দোলনের ফলে উইলিয়াম বেন্টিংক এই প্রথা বেঙল প্রেসিডেন্সিতে বাতিল করেন।


তথ্যসুত্রঃ
বিভিন্ন ওয়েবসাইট
হুমায়ুন আহমেদের ম্যাজিক মুন্সী
উইকিপিডিয়া

সাড়ে ৫ হাজার নারী-পুরুষের সঙ্গে যৌন মিলন করেছে এক জুটি

পরপুরুষ কিংবা পরনারীর সঙ্গে বিছানায় যাওয়ার রগরগে কাহিনি নিয়ে ট্যাবলয়েড পত্রিকাগুলোকে সরব হতে দেখা যায়৷

 
তবে স্বামী এবং স্ত্রী উভয়ই যখন জেনেশুনে দিনের পর দিন অন্যের সঙ্গে যৌনমিলন করেন এবং নিজেদেরকে ‘সুখি জুটি' বলে পরিচয় দেন, তখন সে সংবাদ নিশ্চয়ই অনেক বেশি চাঞ্চল্যকর৷ 
লন্ডনের স্যারা মুর এবং জেফ ড্যানিয়েল তাই সংবাদ শিরনামে৷ ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড সান জানিয়েছে, ২০ বছর ধরে চলছে অবিবাহিত এই জুটির সংসার৷ দু'জন এই সময়ের মধ্যে নাকি ৫ হাজার ৪৮৫ জন নারী ও পুরুষের সঙ্গে বিছানায় গিয়েছে৷
আদতে এই দুজনই পেশায় সেক্স থেরাপিস্ট৷ নিয়ম অনুসারে এ নিয়ে যদি কেউ কোন সমস্যায় পড়েন তাহলে তারা এই থেরাপিস্টদের কাছে আসবে, তারা পরামর্শ দেবে৷ প্রয়োজনে ‘কী করিলে কী হয়' জাতীয় কথাবার্তা জানাবেন৷ কিন্তু স্যারা মুর এবং ড্যানিয়েল ভিন্ন কাজ করেন৷ তারা একটু ‘বিশেষ' বলে চিকিৎসকরা তাদের কাছে রোগীদের পাঠান৷ এবং বেশিরভাই সময় ঐ ব্যক্তিদের সঙ্গে বিছানায় যেতে হয় তাদের৷‘থেরাপি’র খাতিরেই এমন অভিনব উদ্যোগ‘থেরাপি’র খাতিরেই এমন অভিনব উদ্যোগ
স্যারা মুর ১৯ বছরে ৩ হাজার ৩২৩ জন পুরুষের সঙ্গে বিছানায় গিয়েছেন৷ আর এদের মধ্যে ৫২ জন ছিল কৌমার্য হারায়নি এমন পুরুষ৷ আর স্যারার দীর্ঘদিনের বয়ফ্রেন্ড ড্যানিয়েল, যার বয়স ৪০, তিনি বিছানায় গিয়েছেন ২ হাজার ১৬২ জন নারীর সঙ্গে৷ আর তিনি ৪৯ জন নারীর কৌমার্য ভাঙাতে সহায়তা করেছেন৷ স্যারা মুর বললেন, ‘বিষয়টিকে আমরা কেবল সাহায্য বলেই মনে করছি৷ এটাকে কোনভাবেই গণিকা পেশা বলে মনে করি না আমরা৷ তিনি বলেন, সমস্যায় পড়া মানুষকে সহায়তা করা হচ্ছে চিকিৎসকদের পরামর্শে৷ এ থেকে আমাদের রোজগারও বেশ৷ আমাদের সঙ্গে মিলনের পর স্বভাতই সেই পুরুষ কিংবা মহিলা যৌনভীতি থেকে মুক্তি পান৷' 
১৫ বছর বয়সে নিজের কুমারীত্ব হারান মুর৷ ২০ বছর বয়সে তার পরিচয় হয় ড্যানিয়েলের সঙ্গে৷ সেই থেকে তারা একসঙ্গে আছেন৷ আর তখন থেকেই তারা এই পেশাতেই রয়েছেন৷
প্রতিবেদন: সাগর সরওয়ার
সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক
 

শুক্রবার, ৮ জুলাই, ২০১১

‘অন্যনারীকে মুগ্ধ করতেই নারীর সাজগোজ’


পুরুষসঙ্গীকে খুশী করতে নারীরা আয়নার সামনে বেশি সময় কাটায় বলে প্রচলিত ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষসঙ্গী নয় অন্যনারীর কাছ থেকে বাহবা পাওয়ার উদ্দেশ্যেই নারীরা সাজগোজ করে থাকে। ২ হাজার নারীর ওপর পরিচালিত সিম্পল স্কিন কেয়ারের গবেষণা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এনডিটিভি এ তথ্য জানায়।
এতে দেখা যায়, জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশই অন্য নারীর কাছ থেকে প্রশংসাসূচক মন্তব্য পাওয়ার জন্য পোশাক নির্বাচন করে। অপরদিকে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৬ জন পোশাক নির্বাচন করে তাদের বান্ধবীদের কথা মাথায় রেখে।
এক চতুর্থাংশেরও বেশি অংশগ্রহণকারী জানিয়েছে, তারা পুরুষ নয় বরং অপরিচিত নারীদের কাছ থেকেই বেশি মন্তব্য পেয়ে থাকে।
সিম্পল স্কিন কেয়ারের এক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে দ্য ডেইলি মেইল বলেছে, “প্রচলিত একটি ধারণা রয়েছে যে, বিপরীতলিঙ্গের সঙ্গীকে খুশী করতেই নারীরা সব কিছু করে থাকে। তবে গবেষণায় দেখা গেছে এটা সবসময় ঠিক নয়।”
গবেষণায় অংশগ্রহণকারী নারীদের ২২ শতাংশ দাবি করেন, পুরুষরা কেমন মন্তব্য করল তা তারা মোটেও পরোয়া করেন না। আর ৪৮ শতাংশ নারী জানান, তারা মূলত অপরিচিত নারীদের কাছ থেকে প্রশংসা পেতেই বেশি পছন্দ করেন।
বিডিনিউজ২৪

৬৬ বছরে ৩৯ বউ, চাই আরও!


প্রচলিত আছে ‘কাউকে বিপদে ফেলতে চাও তো বিয়ে করিয়ে দাও’। বিয়ে নিয়ে তাই আমাদের ভাবনার শেষ নেই। বিয়ে তাই অনেকের কাছে রীতিমত ভীতির ব্যাপার- চিকিৎসা বিজ্ঞানে যাকে বলে ম্যারেজ ফোবিয়া। কিন্তু উত্তর ভারতের জিয়না চানা’র কাছে বিয়ে নিয়ে এসব ভাবাভাবির কোনও ফুরসৎ নেই।
মিয়ানমারের সীমানা ঘেষা মিজোরাম রাজ্যের উঁচু পাহাড়ি গ্রামের জিয়না চানার বয়স এখন ৬৭ ছুঁই ছুঁই। বয়সে তাকে ৬৭ বছরের বুড়ো ভাবলেও চানা কিন্তু তেমনটি ভাবেন না। বর্তমানে তার বিয়ে করা স্ত্রীর সংখ্যা মাত্র ৩৯ জন। মাত্র বলছি এ কারণে যে, ৬৭ বছরেও চানার আরও বিয়ের করার ইচ্ছেটা মোটেও কমে যায়নি।
সংবাদ মাধ্যমের ভাষ্যমতে, কেউ আগ্রহী হলে তিনি নাকি আরও কয়েকটি বিয়ে করতে একপায়ে খাড়া। ‘প্রতিদিনই আমি আমার পরিবার বর্ধিত করতে চাই এবং আরও বিয়ে করতে চাই’- বিয়ে এবং পরিবার নিয়ে জিয়না তার মনোভাব প্রকাশ করেন এভাবেই।
১৭ বছর বয়েসে চানা প্রথম বিয়ে করেন। তার সেই স্ত্রীর বয়স ছিল তখন তার চেয়ে ৩ বছর বেশি। সে-ই শুরু। তারপর আর থেমে থাকেনি বিয়ে নামের দিল্লিকা লাড্ডুর পৌণপুনিক স্বাদ গ্রহণ করার পালা।

সন্তান-সন্ততিসহ জিয়না চানা ও তার ১০০ ঘরবিশিষ্ট বাড়ি
বিয়ের অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করতে গিয়ে চানা বলেন- একটা সময় ছিল যখন আমি বছরে সর্বোচ্চ ১০টি পর্যন্ত বিয়ে করেছি। চানার ৩৯ জন স্ত্রীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছে ৯৪ জন ছেলেমেয়ে। ছেলেমেয়েদের ঘরে জন্ম নেওয়া নাতি-নাতনীর সংখ্যা এরই মধ্যে দাঁড়িয়েছে ৩৩। অর্থাৎ ৬৭ বছরের বুড়ো চানার পরিবারের মোট সদস্য সংখ্যা এখন ১৬৭।
চানার নিজ গ্রামের চারতলা একটি দালানে ১০০টি রুমে বসবাস করছে পরিবারের সব সদস্য। আর তার স্ত্রীরা থাকেন চানার নিজ বেডরুমের পাশের একটি ডরমেটরিতে গাদাগাদি করে। তবে স্থানীয়রা জানান, সব সময় স্ত্রীদের অন্তত ৭-৮ জন তার চারপাশ ঘিরে থাকুক-চানার পছন্দ এমনটিই।
১৬৭ সদস্যের বিশাল এ পরিবারের প্রতিদিনের খাবারের চাহিদা মেটাতে প্রয়োজন পড়ে কমপক্সে ৯১ কেজি চাল এবং ৫৯ কেজি আলু যার অধিকাংশ পরিবারের সদস্যরা এবং বাকি তার অনুসারিদের অনুদানের মাধ্যমে সংগৃহীত হয়।
১৯৪২ সালে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বনকারী জিয়না চানা পরে নিজেই একটি ধর্মীয় মতবাদ প্রতিষ্ঠা করেন। বহুবিবাহে বিশ্বাসী চানা মনে করেন- বহুবিবাহের মাধ্যমে তার প্রবর্তিত বিশেষ খ্রিস্ট ধর্ম এক সময় সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে। আর মূলতঃ এ কারণেই নাকি চানা ৩৯ টি বিয়ে করেছেন!

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | JCPenney Coupons