যৌনকর্মি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
যৌনকর্মি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০১২

সাল্লুর জন্য পর্নো ছাড়বেন সানি লিওন!

বিগ বস ৫ হাউস থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর এবার বলিউডে থিতু হতে চাইছেন ইন্দো-কানাডিয়ান পর্নো তারকা সানি লিওন। আর বলিউডে সালমান খানের সঙ্গে কাজ করতেই তিনি সবচেয়ে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এমনকি, সালমানের সঙ্গে বলিউডি সিনেমায় কাজের সুযোগ পেলে পর্নো সিনেমার নীল জগৎকেও নাকি ছেড়ে দেবেন ৩০ বছর বয়সী এই মডেল ও অভিনেত্রী। খবর ওয়ান ইন্ডিয়া’র।

এদিকে, ‘বিগহার্ট লাভারবয়’ সাল্লুও নাকি সানির সঙ্গে কাজের সুযোগ তৈরির পাঁয়তারা আঁটছেন। তার পরবর্তী সিনেমা ‘শের খান’- এর কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে এঞ্জেলা জনসনের পরিবর্তে সানিকে চুক্তিবদ্ধ করানোর জন্য সবরকম চেষ্টাই তিনি চালাচ্ছেন।

ইতোমধ্যেই মহেশ ভাটের ‘জিসম ২’ ছবিতেও চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন সানি। সবকিছু মিলিয়ে বলিউডি অভিনেত্রীদের শক্ত একজন প্রতিপক্ষ হিসেবেই আবির্ভূত হতে যাচ্ছেন তিনি- এমন মন্তব্য করেছেন অনেকেই।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

রবিবার, ১ জানুয়ারি, ২০১২

পতিতালয়ে ভিনগ্রহের আবহ

অত্যাধুনিক কল্প-বিজ্ঞানের ধারণাকে কাজে লাগিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদা অঙ্গরাজ্যের এক পতিতালয় মালিক ডেনিস হফ নির্মাণ করছেন সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী এক পতিতালয়। সেখানে যাওয়া খদ্দেররা পাবেন ভিনগ্রহের স্বাদ। হলিউডের বিখ্যাত ‘অ্যাভাটার’ ছবিটির কথা সবারই মনে থাকার কথা। সেখানে যেভাবে বিখ্যাত চরিত্রগুলোকে ভিনগ্রহের জীব হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, নতুন এ পতিতালয় তো বটেই, সেখানকার পতিতাদেরকেও বিশেষ মেক-আপ ব্যবহার করে একেবারে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হবে। আর এজন্য হফ বেছে নিয়েছেন তার পুরনো ও জরাজীর্ণ চেরি প্যাচ পতিতালয়কে। এখানেই তিনি ভিনগ্রহের আমেজে গড়ে তুলবেন এরিয়া ৫১ এলিয়েন ট্র্যাভেল সেন্টার ও ক্যাটহাউজ। নেভাদার দক্ষিণে নতুন এ পতিতালয়টি আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই চালু হবে বলে আশা করছেন হফ। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডেইলি মেইল। নেভাদাই যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র অঙ্গরাজ্য, যেখানে পতিতালয় পরিচালনার বৈধ অনুমোদন দেয়া হয়। গত বছর নেভাদার দক্ষিণাঞ্চলে হফ তার যৌনবৃত্তির সাম্রাজ্যকে আরও বিস্তৃত করেন। নতুন এ পতিতালয়টির কাজ শেষ হলে, তিনি একাধারে ৫টি প্রতিষ্ঠানের বৈধ মালিক হবেন। আর তা হবে নতুন এক রেকর্ড। ইন্টারনেটে নিজস্ব বাণি ব্যাঞ্চ ওয়েবসাইটে হফ আরও বলেছেন, এলিয়েন ট্র্যাভেল সেন্টারের পতিতাদেরকে দেখলে মনে হবে, তারা নিশ্চয়ই পৃথিবীর বাইরের অন্য কোন গ্রহ থেকে এসেছে। তিনি আরও বলেন, আমি এখানে সম্পূর্ণ ভিনগ্রহের একটি দোকানের নকশার কাজ করছি। এখানে ফলমূল, ঝাল সস, চকোলেটসহ সব ধরনের খাদ্য-সামগ্রীই হবে একেবারেই আলাদা। পৃথিবীর কোন খাবারের সঙ্গে এ সবের কোন মিল খুঁজে পাওয়া যাবে না। পূর্বের চেরি প্যাচ পতিতালয় সম্পূর্ণ নতুন রূপে সাজানো হচ্ছে। এখানকার কক্ষগুলোর আকারও হবে বেশ বড়। মানবজমিন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১১

মুম্বইয়ে পতিতালয় উচ্ছেদ

ভারতের মুম্বইয়ে এক পতিতালয় উচ্ছেদ করা হয়েছে। সেখান থেকে ১৩ জন দালাল ও ২০ জন পতিতাকে ১৬টি মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থসহ আটক করা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশের সামাজিক সেবা বিভাগের লোকেরা গত শনিবার শহরের মহাদা কলোনির এ পতিতালয়টিতে অভিযান চালিয়ে উচ্ছেদ করে। কলোনির চারটি বাংলোকে ঘিরে গড়ে ওঠা এ পতিতালয়ে অভিযানকালে ভারসোভা থানার কনস্টেবল অরবিন্দ কদমকেও দালালদের কক্ষ থেকে আটক করা হয়েছে। ৬ মাস ধরে চলতে থাকা এ পতিতালয় থেকে মেয়েদের বিভিন্ন জায়গায় খদ্দেরের কাছে পাঠানো হতো বলে পুলিশের উপ-কমিশনার প্রতাপ ডিগাবকার জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১১

কক্সবাজারে মধু’র বাণিজ্য

 পুরো নাম হনুফা আকতার মধু। তারা ৩ বোন। তাদের কাজ প্রতারণার ফাঁদে ফেলে লোভেী পুরুষদের সর্বস্বান্ত করা। তিন বোনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার মডেল থানাসহ বিভিন্ন স্থানে রয়েছে অসংখ্য অভিযোগ। তবে থানার সঙ্গে যোগাযোগ থাকায় তারা আইন ভাল বোঝে। তাই তাদের অভিযোগেও হয়রানি শিকার হচ্ছেন অনেকে। থানা, কোর্ট, হোটেল, মোটেলসহ সর্বত্র রয়েছে মধুদের কদর। তবে তারা বেশি দিন এক জায়গায় স্থায়ী হতে পারে  না। কিছুদিন পর পরই বাসা পাল্টাতে হয়। অনৈতিক কর্মকাণ্ডের খবর জেনে বেরসিক বাড়িওয়ালারা তাদের বের করে দেন বাড়ি থেকে।
মহেশখালী উপজেলার পৌর এলাকার ১৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাহানা আকতার মিলি, হনুফা আকতার মধু ও কাজল। ৭-৮ বছর আগে আসে কক্সবাজারে। এ আসার পেছনেও রয়েছে কাহিনী। তাদের মা খতিজা বেগম জীনের কথা বলে বহু মানুষকে ‘স্বর্ণের ডেক’ পাইয়ে দেয়ার লোভ দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা আত্মাসৎ করে। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগীরা আইনের আশ্রয় নেয়। এ অবস্থায় তারা মহেশখালী ছাড়তে বাধ্য হয়। কক্সবাজার এসে প্রথমে শহরের মাঝেরঘাট এলাকা বাসা ভাড়া নেয় তারা। খতিজা  বেগম লোভ দেখিয়ে অনৈতিক কার্যকলাপ চালাতে থাকে। মায়ের পথ ধরে বড় মেয়ে মিলি। মা ও বড় বোনের সঙ্গে যোগ দেয় হানিফা আকতার মধু-ও। তাদের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের খবর জানাজানি হলে ফুঁসে ওঠে এলাকাবাসী। এক পর্যায়ে বাড়িওয়ালার চাপে বাসা ছাড়ে তারা। এরপর বাসা নেয় টার্মিনাল এলাকায়। সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে চলে আসে বিডিআর ক্যাম্প এলাকায়। তারপর টিএমসি স্কুল সংলগ্ন এলাকায়। সেখান থেকে সিকদার মহেলর পেছনে। সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে বাজারঘাটা রয়েল হোটেলের পেছনে। এভাবে তাদের প্রায় ১৫টি বাসা ছাড়তে হয়। তাদের মধ্যে মধু’র কৌশল একটু ভিন্ন। দেহব্যবসার পাশাপাশি প্রতারণার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতে পটু সে। তাদের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে অনেকে সর্বস্বান্ত হলেও কেউ প্রতিবাদ বা উচ্চবাচ্য করার সাহস পায় না। তা করলেই তার বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেয়া হয়। এভাবে ক্ষতিপূরণ আদায় করার অনেক নজিরও রয়েছে।
২০০৮ সালের ৬ই ডিসেম্বর সদর উপজেলার ভারুয়াখালীর ইসমাইল হোসনকে বিয়ে করে মধু। ২০০৯ সালে ৬ই জুন এ বিয়ে ভেঙে যায়। এক দারোগার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ আদায় করেন ৯৩ হাজার টাকা। কিছুদিন পর সে বিয়ে করে বাংলাবাজার এলাকার শামশুল আলমকে। তার সংসারে থাকতেই শহরের টেকপাড়ার জুবাইদুল ইসলাম বাপ্পীকে বিয়ে করে পালিয়ে গিয়ে। অপরদিকে দুশ্চরিত্র মেয়েকে বিয়ে করার খবর পেয়ে পিতামাতা জুবাইরুলকে ঘর থেকে বের করে দেন। মামলাও করেন। এ মামলায় জেল খাটে জুবাইদুল ও মধু। জেল থেকে বেরিয়ে জুবাইদুল দেখে, যে স্ত্রীর জন্য পিতামাতা ত্যাগ করেছে, সে স্ত্রীর রয়েছে অসংখ্য বয়ফ্রেন্ড। নামীদামি ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ। জুবাইদুলের সন্দেহ হয়। স্ত্রীর ওপর সে তীক্ষ্ণ নজর রাখতে থাকে। কিছুদিন যাওয়ার পর তার কাছে সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যায়। তার অজান্তে প্রিয়তম স্ত্রী মধু এতদিন চালিয়ে যাচ্ছিল দেহ ব্যবসা। বিভিন্ন সময় হোটেল মোটেল জোনসহ বিভিন্ন স্থানে স্ত্রীকে ধরে ফেলে স্বামী। এসব কারণে মধুর প্রতি তার মোহ কেটে যায়। ফলে তাদের এই বিয়েও স্থায়ী হয়নি। জুবাইদুল জানায়, অনেক চেষ্টা করেও স্ত্রীকে ভাল করতে পারেনি সে। পরে অন্যের পরামর্শে তাকে ডিভোর্স দেয় স্ত্রী। বনিবনা না হওয়ায় উভয়ে আলাদা হওয়ার ব্যাপারে একটি অঙ্গীকারনামাও করে। এর কয়েকদিন পরই থানা ও কোর্টে পৃথক দু’টি মামলা করে মধু। জুবাইদুল বলে, প্রতারণার ফাঁদে ফেলে সর্বস্ব হাতিয়ে নেয়া মধুদের কাজ। মধুর বড় ভাই আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী জেসমিন আকতার জানান, মধুদের পরিবারে শহরের নামীদামি ব্যক্তিদের নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে। বিয়ের পরে মধুদের পরিবারে যাওয়ার পর থেকে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার জন্য তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। বাসায় আগন্তুক ব্যক্তিদের ‘সেবা’ দেয়ার জন্য তাকে স্বামী-শাশুড়ি-ননদ নিয়মিত অত্যাচার চালাতো। তাদের ধারাবাহিক অত্যাচার ও নির্যাতনে সহ্য করতে না পেরে এক বছর আগে স্বামী-সংসার ছেড়ে চলে এসেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি ১ সন্তানসহ বাপের বাড়িতে থাকছেন। মডেল থানার ওসি (তদন্ত) হারুন অর রশিদ জানান,  ২০-২২ দিন হলো আমি মধুকে চিনি। একটি অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন করতে আমার কাছ এসেছিল সে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, শুনেছি মেয়েটি খারাপ। তার ব্যাপারে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। মডেল থানার ওসি বদরুল আলম তালুকদার জানান, মধুর আবেদনের প্রেক্ষিতে তার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই প্রভাত কর্মকারকে পরিবর্তন করে জিসানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এর বাইরে কিছু বলতে রাজি হননি তিনি। অভিযোগের বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে হনুফা আক্তার মধু বলেন, অভিযোগকারীদের সব অভিযোগ সত্য, আপনারা ভালো করে লিখে দিন।

ফাইভ স্টার হোটেলে দেহ ব্যবসা, খদ্দেরসহ অভিনেত্রী আটক

undefined
মানবজমিন ডেস্ক: ভারতের পুনের এক ফাইভ স্টার হোটেলে যৌন ব্যবসার দায়ে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে চলচ্চিত্র অভিনেত্রী জারা’কে। তার পুরো নাম আজহারা জান গুলাম আহমেদ শেখ ওরফে জারা। বয়স ২১ বছর। তিনি ঘণ্টায় দেড় লাখ রুপির বিনিময়ে নিজের শরীর বিলিয়ে দেন খদ্দেরদের  মাঝে। পুনের রাজা বাহাদুর মিল রোডে একটি ফাইভ স্টার হোটেলে তার সঙ্গে আটক করা হয়েছে চলচ্চিত্র জগতের স্পট বয় হিসেবে পরিচিত নিরাজ অশোক বাদানি (২৭)কে। ধারণা করা হচ্ছে, জারা ওই হোটেলে দীর্ঘদিন ধরে যৌন ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। আটক করার পর তাদেরকে হাজির করা হয় ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে। আদালত জারাকে ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে নিরাপত্তা হেফাজতে পাঠিয়েছে। আর তার সঙ্গী বাদানিকে ২৩শে নভেম্বর পর্যন্ত পুলিশি রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। এ খবর দিয়েছে ভারতের একটি অনলাইন ট্যাবলয়েড দৈনিক। এতে আরও বলা হয়, ওই অভিনেত্রী চলচ্চিত্রে ছিলেন অল্প সময়ের জন্য। তিনি হিন্দি ছবি ‘লামহা’তে একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এছাড়া, তিনি ‘কাসাউতি জিন্দেগি কি’ সহ বেশকিছু টিভি সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন। তাকে ও বাদানিকে আটক করার পর তাদের বিরুদ্ধে বুন্দগার্ডেন পুলিশ স্টেশনে মামলা করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত জারাকে নিরাপত্তা হেফাজতে পাঠান। কারণ, আদালত মনে করেন- জারা যৌন ব্যবসার ফাঁদ পেতে থাকতে পারেন। এর সঙ্গে কারা কারা জড়িত তা তার কাছ থেকে উদ্ধার করতে হবে। এ সময় পাবলিক প্রসিকিউটর দাবি করেন, জারা’র ফোন কললিস্ট পরীক্ষা করা দরকার। এ জন্য গোয়েন্দা সংস্থাকে দায়িত্ব দেয়া উচিত। কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে এ দাবি আদালত প্রত্যাখ্যান করেন। গোয়েন্দা সূত্রে খবর পেয়ে সামাজিক নিরাপত্তাবিষয়ক অপরাধ সেলের ইন্সপেক্টর ভানুপ্রতাপ বার্জ ওই হোটেলে একটি ফাঁদ পাতেন। তাতেই ধরা পড়েন জারা ও বাদানি। পুলিশি সূত্র মতে, জারা’র এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন বাদানি। তিনি একটি ভাড়া করা গাড়িতে পুনেতে পৌঁছেন। ওই হোটেলের রেজিস্ট্রার অনুযায়ী, অভিনেত্রী জারা ঘন ঘন বাদানিকে নিয়ে ওই হোটেলে যান। এতেই পুলিশের সন্দেহ ঘনীভূত হয় যে, তারা মিলে ওই হোটেলে যৌন ব্যবসার একটি চক্র গড়ে তুলেছেন। এ জন্যই তারা জারা’র কললিস্ট পরীক্ষা করতে চান। তাতে বেরিয়ে আসবে তার সঙ্গে কাদের কথা হয়, কাদের যোগাযোগ হয়। এ তথ্য যদি বের করা যায় তাহলে পরিষ্কার হবে যে, জারার খদ্দেরের তালিকায় কোন পর্যায়ের লোক রয়েছে। বাদানি একাই তার খদ্দের নাকি এতে জড়িত রয়েছে কোন রাজনীতিক, চলচ্চিত্র জগতের অন্য কোন নায়িকা বা নায়ক বা অন্য কোন ব্যক্তি।

তিন মেয়েই পর্নো তারকা

মানবজমিন ডেস্ক: নিজের তিন মেয়ে পর্নো তারকা হওয়ায় রীতিমতো গর্ববোধ করেন স্কটল্যান্ডের এক মা ক্রিস্টিন রেনডাল। তিন মেয়ে অ্যালিসিয়া, অ্যামান্ডা এবং কিম্বালি ইতিমধ্যেই এক্স-রেটেড লেট নাইট টেলিভিশন সেক্স চ্যাট চ্যানেলে উপস্থিতির মাধ্যমে একে তাদের পারিবারিক ব্যবসায় পরিণত করেছেন। বেশির ভাগই মধ্য রাতে পূর্ণ বয়স্কদের চ্যানেল বেবস্টেশনে নিজেকে তুলে ধরা ২৬ বছরের অ্যামান্ডা স্কটিশ নিউজকে বলেছেন, ঈশ্বরের নাম নিয়ে বলছি- আমরা যে কাজ করি তাতে আমাদের মা খুবই খুশি। স্কুলে অ্যামান্ডা নিজেকে একজন প্রতিভাময়ী জিমন্যাস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তার মধ্যে জিমন্যাস্ট তারকা হওয়ার মতো সম্ভাবনাও ছিল। কিন্তু তিনি বলেন, ২০১৪ সালের গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে অংশ নেয়ার জন্য অনুশীলনের সময় অনুশীলনের চেয়ে স্কার্ট তুলে ধরার ক্ষেত্রেই তিনি বেশি মনোযোগ দিয়েছেন। অ্যামান্ডা বলেন, আমি স্কটল্যান্ডের জিমন্যাস্ট প্রতিযোগী হিসেবে বেশ ভালোই করছিলাম। কিন্তু আমাকে খুব বেশি স্কুল কামাই করতে হতো বলে মা আমাকে সেখান থেকে বের করে আনেন। তখন আমি বেশ বেয়ারা হয়ে উঠেছিলাম। স্কুলে পড়াশোনা ঠিকমতো করতাম না বলে ১৪ বছর বয়সেই আমি স্কুল ছেড়ে দিয়েছিলাম। আমার তখন বেশ সমস্যা হচ্ছিল। আমি একদিন একজনকে পেটানোর কারণে আমাকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। এরপর তিনি স্কটল্যান্ডের প্রতিভাময়ী জিমন্যাস্ট হওয়ার পরিবর্তে নাম লেখান পর্নো ইন্ডাস্ট্রিতে। অ্যামান্ডা বলছিলেন কমনওয়েলথ গেমসে আমি স্কটল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করতে পারতাম। কিন্তু সেটা না করে আমি যোগ দিলাম পর্নো ইন্ডাস্ট্রিতে। তিন বোনের মধ্যে অ্যামান্ডাই প্রথম এক্স-রেটেড কাজে যোগ দেন। ২০০৪ সাল থেকে তিনি বেবস্টেশনে কাজ করছেন। তার বড় বোন ২৭ বছরের অ্যালিসিয়া সেক্স স্টেশন বা এলিটের মতো সেক্স চ্যাট চ্যানেলগুলোতে দু’বছর ধরে নিঃসঙ্গ পুরুষদের সেবা করে যাচ্ছেন। তিনি ইতিমধ্যেই ক্যাটি কোল নামে বৃটেনের শীর্ষ পর্নো তারকায় পরিণত হয়েছেন। আর ছোট বোন ২২ বছরের কিম্বালিও সমপ্রতি পর্নো ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন। অ্যামান্ডা বলেন, মা নার্স হিসেবে হসপিটালে কাজ করেন। তিনি হাসপাতালের সব রোগীকেই বলে বেড়ান তার মেয়ে বেবস্টেশনে আছে। মায়ের বক্তব্য হচ্ছে এর মাধ্যমে তুমি যেহেতু অর্থ উপার্জন করছো। তাই এ কাজের ব্যাপারে কোন আপত্তি নেই।

শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০১১

যৌনকর্মী বলে কেউ বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি

এক ঘন্টা ধরে পুড়ে মরেছে সাবিনা
রাজশাহীর ছোট বনগ্রাম উত্তরপাড়ার একটি ঘরে আগুনে পুড়ছে সাবিনা (২২)। ঘরের দরজায় ভেতর থেকে ছিটকিনি লাগানো। তবে খোলা জানালা দিয়ে পাশের ঘরের মানুষ ও প্রতিবেশীদের অনেকেই দেখেছে আগুনে পুড়ে সাবিনার দুঃসহ মৃত্যু যন্ত্রণা। কিন্তু পেশায় যৌনকর্মী বলে কেউ তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যায়নি। স্টোভের কেরোসিন ঢেলে নিজের দেয়া আগুনে রক্ত-মাংসের শরীর প্রায় এক ঘন্টা ধরে পুড়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙ্গে বাইরে আনার পর তার মৃত্যু হয়। যৌনকর্মী সাবিনার মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ তার কথিত স্বামী গিয়াস উদ্দিন ও নিউ প্যারাডাইস আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার মোঃ মাসুদসহ অজ্ঞাতনামা হোটেল বয়দের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া মডেল থানায় আত্মহত্যার প্ররোচণার মামলা করেছে। তবে শুক্রবার পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি।
পুলিশ জানায়, নগরীর শিরোইল পুরাতন বাসটার্মিনাল এলাকার আবাসিক হোটেল নিউ প্যারাডাইসে দেহ ব্যবসার জন্য দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে যৌনকর্মীদের এনে নিজের ভাড়া বাড়িতে রাখতো হোটেল ম্যানেজার মোঃ মাসুদ। ঐ যৌনকর্মীদেরই একজন সাবিনা। তার সঙ্গে ঐ হোটেলের বয় গিয়াস উদ্দিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারা বিয়ে করেছিল বলে এলাকার মানুষের কাছে দাবিও করতো। তবে এর স্বপক্ষে কোন তথ্য প্রমাণ মেলেনি। গত বুধবার রাতে ম্যানেজার মাসুদের ভাড়া বাড়ির একটি ঘরে সাবিনার সঙ্গেই ছিল কথিত স্বামী গিয়াস। হোটেলে দেহব্যবসার জমানো টাকা জমা ছিলো কথিত স্বামী গিয়াস উদ্দিনের কাছে। অসুস্থ মায়ের চিকিত্সার জন্য সেই টাকা চেয়েও পায়নি সাবিনা। উল্টো গিয়াস ও মাসুদের দুর্ব্যবহার, এমনকি হোটেল ও ভাড়া বাড়ি থেকে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়ার হুমকির ক্ষোভে দুঃখে সাবিনা আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।
এ ব্যাপারে নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি (তদন্ত) খান মুহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, হোটেল নিউ প্যারাডাইসে দীর্ঘ দিন ধরে দেহব্যবসা তথা অসামাজিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছিলো। পুলিশ ঐ হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কাজে লিপ্ত অবস্থায় কয়েকবার যৌনকর্মী ও খদ্দের আটক করে। এমনকি হোটেলে একবার তালাও ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তারপরও সেখানে অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধ করা যায়নি। এরই শিকার হয়েছেন যৌনকর্মী সাবিনা।
ইত্তেফাক

বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১১

মুন্সীগঞ্জে হোটেলে অসামাজিকতায় লিপ্ত ৫ নারীসহ গ্রেফতার ১০


মোহাম্মদ সেলিম, মুন্সীগঞ্জ থেকে : মুন্সীগঞ্জ শহরের ইসলাম মার্কেটের থ্রি স্টার হোটেলে বুধবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে পুলিশ অসামাজিকতায় লিপ্ত থাকা অবস্থায় পাঁচ নারী, চার পুরুষ এবং হোটেল ম্যানেজার সাইদুর রহমানসহ (২৬) ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে।
সদর থানার সেকেন্ড অফিসার সুলতান মিয়া জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই হোটেল অসামাজিক কর্যকলাপ চলছিল। এই হোটেলের মালিক পিকলুসের নেতৃত্বে অনেক চক্র মাদ্রাসা, স্কুল ও কলেজগামী ছাত্রীদের বিপথগামী করে তুলছে। আটককৃতরে মধ্যে একজন মাদ্রাসা ছাত্রী এবং একজন স্কুল ছাত্রী রয়েছে। এব্যাপারে মুন্সীগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে – ডালিম (২৬), সজিব (২৯), অপু (১৯), হানিফ (২০) এবং ময়না (৩২), টুম্পা (১৮), সুর্বণা রানী (৩৫), নাসিমা আক্তার (২৮), সুইটি আক্তার (২৬) ও হোটেল ম্যানেজার সাইদুর রহমান (২৬)।



মুন্সিগঞ্জ নিউজ


—————
মুন্সীগঞ্জে হোটেল থেকে গৃহবধু ও কলেজ ছাত্রীসহ ১০ জন গ্রেফতার
কাজী দীপু মুন্সীগঞ্জ থেকে : অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে গতকাল বুধবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জ শহরস্থ থ্রি স্টার হোটেল থেকে কলেজ ছাত্রী ও গৃহবধুসহ ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে হোটেল ম্যানেজারও রয়েছে। পরে তাদের আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
গোপন সংবাদে খবর পেয়ে পুলিশ দুপুরে পুলিশ অভিযান চালায়। এ সময় থ্রি স্টার হোটেলে বিভিন্ন কক্ষ থেকে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকায় অপু মিয়া, আবু হানিফ, মো. ডালিম, সজিব খান, সুর্বনা মন্ডল, ময়না বেগম, টুম্পা বেগম, সুইটি আক্তার, নাছিমা আক্তার এবং হোটেল ম্যানেজার সাইদুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত মহিলাদের মধ্যে গৃহবধু ও কলেজ ছাত্রী রয়েছে। তাদের বাড়ি সদর ও টঙ্গিবাড়ি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে। স্থাণীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এই হোটেলটিতে অপকর্ম চলছিল।

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | JCPenney Coupons