This is featured post 1 title
Replace these every slider sentences with your featured post descriptions.Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha - Premiumbloggertemplates.com.
This is featured post 2 title
Replace these every slider sentences with your featured post descriptions.Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha - Premiumbloggertemplates.com.
This is featured post 3 title
Replace these every slider sentences with your featured post descriptions.Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha - Premiumbloggertemplates.com.
অবাক-পৃথিবী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অবাক-পৃথিবী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বুধবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০১২
পাষণ্ড বাবার কাণ্ড!
দীর্ঘ ১০ বছর বাথরুমে আটক থাকার পর উদ্ধার করা হয়েছে প্যালেস্টাইনের এক নারীকে। শনিবার পশ্চিম তীরের কালকিলিয়া সিটির একটি বাড়ির ছোট্ট একটি বাথরুম থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করে প্যালেস্টাইন পুলিশ। ২১ বছর বয়সী বারা মেহেম কর্তৃপকে অভিযোগ করে বলেন, প্রায় এক দশক ধরে তার বাবা তাকে বাথরুমে আটক করে রেখেছেন। মেহেমের বয়স যখন মাত্র ১১ বছর, তখন থেকেই বাবা তাকে বাথরুমে আটকে রাখতেন। কখনো কখনো মোটা লাঠি ও ধাতব তার দিয়ে তাকে মারা হতো। তিনি মেহেমকে স্কুলে যেতে দিতেন না, এমনকি তার মায়ের সঙ্গেও দেখা করতে দিতেন না। তার বাবার সঙ্গে মায়ের ইতিমধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে। ভয়েস অব প্যালেস্টাইনকে দেওয়া সাাৎকারে মেহেম জানান, বাবাই তার চুল ও ভ্রূ কেটে দিতেন। মাসে মাত্র একবার তাকে গোসল করতে দিতেন এবং প্রতিদিন ঘরবাড়ি পরিষ্কার করার জন্য রাত একটা থেকে রাত চারটা পর্যন্ত তাকে বাথরুম থেকে বের করতেন। বাথরুমটি ছোট্ট একটি খোপের মতো। এটি লম্বায় মাত্র এক মিটার আর চওড়ায় অর্ধমিটার। বললেন, সমাজকর্মী হালা শ্রেইম। মেহেমের বাবা তাকে প্রায়ই আত্মহত্যা করতে প্ররোচিত করতেন। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে বহির্বিশ্বের সঙ্গে তার যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিল রেডিও। মেহেমের বাবা জš§সূত্রে একজন ইসরাইলের নাগরিক। মেহেমকে উদ্ধারের পর পুলিশ তার বাবাকে গ্রেপ্তার করে ইসরাইল কর্তৃপরে কাছে হস্তান্তর করেছে। আর মেহেম থাকছেন মায়ের সঙ্গে।
প্রথম আলো
মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১২
দুই মাসের শিশুকে পতিতালয়ে বিক্রি
মানবজমিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০১২
আদিবাসী নারীদের নগ্ন নৃত্য, ভারতে তোলপাড়
রবিবার, ১ জানুয়ারি, ২০১২
৭৭ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত
দাম্পত্য জীবনের ৭৭ বছরের মাথায় স্ত্রীর ১৯৪০ সালের দিকে লেখা এক প্রেমপত্র উদ্ধারের পর, তার সঙ্গে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইতালির এক প্রবীণ। ৯৯ বছর বয়সী স্বামী অ্যান্টোনিও এবং ৯৬ বছর বয়সী স্ত্রী রোজার দাম্পত্য সম্পর্ক বিচ্ছেদ পর্যন্ত গড়ালে তা হবে এক নতুন রেকর্ড। এ খবর দিয়ে অনলাইন হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, আইনজীবীরা ইতালির এ প্রবীণ দম্পতির আংশিক পরিচয় দিয়েছেন। মামলায় গোপনীয়তার স্বার্থে তারা বর্ষীয়ান এ ব্যক্তির নাম অ্যান্টোনিও সি এবং তার স্ত্রীর নাম রোজা সি বলে উল্লেখ করেছেন। আইনজীবীদের দেয়া বক্তব্য অনুযায়ী, বিগত বছর অর্থাৎ ২০১১ সালের বড়দিন উদযাপনের কিছুদিন আগে অ্যান্টোনিও একটি পুরনো সিন্দুকের ড্রয়ার ঘাঁটাঘাঁটি করছিলেন। এমন সময় তার স্ত্রীর হাতের লেখা একটি প্রেমপত্র চলে আসে তার হাতে। এক মুহূর্ত দেরি না করে সোজা চলে গেলেন স্ত্রীর কাছে কৈফিয়ত চাইতে। তাদের ৭৭ বছরের সাংসারিক জীবনে এ ধরনের প্রতারণা সহ্য করতে না পেরে স্ত্রীর কাছে ডিভোর্স চেয়ে বসলেন। ওদিকে অপরাধবোধের আগুনে পুড়তে থাকা স্ত্রী তার ভুল স্বীকার করলেন। কিন্তু স্বামীকে তার অনড় সিদ্ধান্ত থেকে দমাতে ব্যর্থ হলেন। অবশেষে স্ত্রীকে ডিভোর্স দিতে আদালতের দারস্থ হলেন অ্যান্টোনিও। এদিকে এ সপ্তাহে বের হওয়া আইনি কিছু কাগজপত্র থেকে জানা গেছে, স্ত্রী রোজা ১৯৪০ সালের দিকে তার এক প্রেমিককে চিঠিটি লিখেছিলেন। তাদের মধ্যে গোপন প্রণয়ের সম্পর্ক ছিল। অ্যান্টোনিও এবং রোজা এ মুহূর্তে প্রায় ৮ দশকের দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ৫ সন্তান, ১২ জন নাতি-নাতনি ও নাতি-নাতনির ঘরের ১ সন্তানের মায়া কাটিয়ে তারা আলাদা বসবাস করবেন। অবশ্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন বনিবনা হচ্ছিল না বলে জানা গেছে। আর প্রেমপত্র তাদের সম্পর্কের সে চিরকেই ভাঙনে পরিণত করেছে। ১০ বছর আগে দাম্পত্য কলহের জেরে রোমের বাড়ি ছেড়েছিলেন অ্যান্টোনিও। তখন ১ বার পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে গেলেও কয়েক সপ্তাহের মাথায় স্ত্রী ও স্বজনদের কাছে ফিরেছিলেন তিনি। ১৯৩০ সালে প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল তাদের। এদিকে এ বিচ্ছেদ চূড়ান্ত হলে নিঃসন্দেহে যে রেকর্ড গড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এর আগে বৃটেনের বার্টি ও একই জেসি উড তাদের ৩৬ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনে ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছেন। ২০০৯ সালে যখন তারা একে অপরের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হন তখন দু’জনেরই বয়স ছিল ৯৮ বছর। সেক্ষেত্রে ইতালির অ্যান্টোনিও ও রোজা দম্পতির ৭৭ বছরের সম্পর্ক বিচ্ছেদে গড়ালে, তা দখল করে নেবে প্রথম স্থানটি। মানবজমিন ডেস্ক
পতিতালয়ে ভিনগ্রহের আবহ
অত্যাধুনিক কল্প-বিজ্ঞানের ধারণাকে কাজে লাগিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদা অঙ্গরাজ্যের এক পতিতালয় মালিক ডেনিস হফ নির্মাণ করছেন সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী এক পতিতালয়। সেখানে যাওয়া খদ্দেররা পাবেন ভিনগ্রহের স্বাদ। হলিউডের বিখ্যাত ‘অ্যাভাটার’ ছবিটির কথা সবারই মনে থাকার কথা। সেখানে যেভাবে বিখ্যাত চরিত্রগুলোকে ভিনগ্রহের জীব হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, নতুন এ পতিতালয় তো বটেই, সেখানকার পতিতাদেরকেও বিশেষ মেক-আপ ব্যবহার করে একেবারে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হবে। আর এজন্য হফ বেছে নিয়েছেন তার পুরনো ও জরাজীর্ণ চেরি প্যাচ পতিতালয়কে। এখানেই তিনি ভিনগ্রহের আমেজে গড়ে তুলবেন এরিয়া ৫১ এলিয়েন ট্র্যাভেল সেন্টার ও ক্যাটহাউজ। নেভাদার দক্ষিণে নতুন এ পতিতালয়টি আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই চালু হবে বলে আশা করছেন হফ। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডেইলি মেইল। নেভাদাই যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র অঙ্গরাজ্য, যেখানে পতিতালয় পরিচালনার বৈধ অনুমোদন দেয়া হয়। গত বছর নেভাদার দক্ষিণাঞ্চলে হফ তার যৌনবৃত্তির সাম্রাজ্যকে আরও বিস্তৃত করেন। নতুন এ পতিতালয়টির কাজ শেষ হলে, তিনি একাধারে ৫টি প্রতিষ্ঠানের বৈধ মালিক হবেন। আর তা হবে নতুন এক রেকর্ড। ইন্টারনেটে নিজস্ব বাণি ব্যাঞ্চ ওয়েবসাইটে হফ আরও বলেছেন, এলিয়েন ট্র্যাভেল সেন্টারের পতিতাদেরকে দেখলে মনে হবে, তারা নিশ্চয়ই পৃথিবীর বাইরের অন্য কোন গ্রহ থেকে এসেছে। তিনি আরও বলেন, আমি এখানে সম্পূর্ণ ভিনগ্রহের একটি দোকানের নকশার কাজ করছি। এখানে ফলমূল, ঝাল সস, চকোলেটসহ সব ধরনের খাদ্য-সামগ্রীই হবে একেবারেই আলাদা। পৃথিবীর কোন খাবারের সঙ্গে এ সবের কোন মিল খুঁজে পাওয়া যাবে না। পূর্বের চেরি প্যাচ পতিতালয় সম্পূর্ণ নতুন রূপে সাজানো হচ্ছে। এখানকার কক্ষগুলোর আকারও হবে বেশ বড়। মানবজমিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১১
ধর্ষিতা মেয়েকে মায়ের বিষ প্রয়োগ
ভারতের মিরাটে ধর্ষণের শিকার এক মেয়েকে বিষ প্রয়োগ হত্যার চেষ্টা করেন তার মা ও প্রেমিক। ধষির্তার বাবা পুলিশে অভিযোগ করার পর পুলিশ প্রেমিক ধর্মান্দ্রকে গ্রেপ্তার করেছে। বাবার অভিযোগ মেয়ের মা ও প্রেমিক বিষ প্রয়োগে তার মেয়েকে মেরে ফেলতে চেয়েছিলেন। চায়ের সঙ্গে বিষ প্রয়োগ করে ধর্ষিতা মেয়েকে খেতে দেন মা। গত বছর ধর্ষনের শিকার হয়েছিল ওই মেয়েটি।
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১১
মেয়েকে ধর্ষণের শাস্তি ২০৮০ ঘা বেত
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১১
গরম পানিতে দগ্ধ করে শিশু হত্যা, মায়ের ১১ বছর কারাদণ্ড
১৯ মাস বয়সী শিশুপুত্রকে গরম পানিতে চুবিয়ে হত্যার দায়ে মিলিসা আলেকজান্ডার (২৬) নামের এক নারীকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন টরন্টোর একটি আদালত।
গতকাল বুধবার উপযুক্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত কারাদণ্ডের এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে শিশুপুত্র মিগুয়েল ফার্নান্দেজকে বাথরুমের হট টাবে ডুবিয়ে রাখেন মা মিলিসা আলেকজান্ডার। এতে মিগুয়েলের শরীরের ৪০ ভাগ অংশই দগ্ধ হয়। সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শিশুটির মা মিলিসা তাত্ক্ষণিকভাবে অ্যাম্বুলেন্স না ডেকে শুধু তুলার ব্যান্ডেজ দিয়ে শিশুটিকে রেখে দেয়। এরপর রাত দুইটার দিকে মিলিসা ফোনে পুলিশকে জানান, তাঁর শিশুপুত্র মৃতপ্রায়। সরেজমিন তদন্তে মিলিসার কথাবার্তা অসংলগ্ন মনে হয় পুলিশের কাছে। পরে দীর্ঘদিন পুলিশের নজরদারিতে থাকার পর ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মিলিসাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
টরন্টো আদালতের বিচারক অ্যান মলি মিলিসাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেন। কিন্তু মিলিসার বয়স ও তাঁর পক্ষের আইনজীবীদের অনুরোধে তাঁর দণ্ড কমিয়ে ১১ বছরে আনা হয়। prothom-alo
গতকাল বুধবার উপযুক্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত কারাদণ্ডের এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে শিশুপুত্র মিগুয়েল ফার্নান্দেজকে বাথরুমের হট টাবে ডুবিয়ে রাখেন মা মিলিসা আলেকজান্ডার। এতে মিগুয়েলের শরীরের ৪০ ভাগ অংশই দগ্ধ হয়। সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শিশুটির মা মিলিসা তাত্ক্ষণিকভাবে অ্যাম্বুলেন্স না ডেকে শুধু তুলার ব্যান্ডেজ দিয়ে শিশুটিকে রেখে দেয়। এরপর রাত দুইটার দিকে মিলিসা ফোনে পুলিশকে জানান, তাঁর শিশুপুত্র মৃতপ্রায়। সরেজমিন তদন্তে মিলিসার কথাবার্তা অসংলগ্ন মনে হয় পুলিশের কাছে। পরে দীর্ঘদিন পুলিশের নজরদারিতে থাকার পর ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মিলিসাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
টরন্টো আদালতের বিচারক অ্যান মলি মিলিসাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেন। কিন্তু মিলিসার বয়স ও তাঁর পক্ষের আইনজীবীদের অনুরোধে তাঁর দণ্ড কমিয়ে ১১ বছরে আনা হয়। prothom-alo
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১১
গরু চুরির অভিযোগে এবার অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে মারধর!
পটুয়াখালীর গলাচিপায় গরু চুরির অভিযোগ তুলে এবার এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে দুই দফা মারধর করা হয়েছে। উপজেলার রাঙ্গাবালি ইউনিয়নে গত ২১ ও ২২ নভেম্বর এ ঘটনা ঘটে।
ওই গৃহবধূ এখনো গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকি ৎসাধীন রয়েছেন। নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধূর নাম ফাতেমা বেগম (২৬)। তিনি রাঙ্গাবালি ইউনিয়নের পূর্ব বাহেরচর গ্রামের মো. শহীদুল লাহারির স্ত্রী।
নির্যাতন চালানোর অভিযোগে ফাতেমা গতকাল বৃহস্পতিবার রাঙ্গাবালি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গলাচিপা জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন।
মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ফাতেমা বেগম তাঁর ভাই মো. সাইদুল ইসলামের কাছে ৩৫ হাজার টাকা পান। সাইদুল পাওনা টাকা পরিশোধ করতে না পারায় তাঁর কাছে দুটি গরু বন্ধক রাখেন। ২১ নভেম্বর বিকেল চারটায় ফাতেমা ওই গরু নিয়ে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন।
ওই সময় ছোটবাইশদিয়া ইউপির সদস্য মো. আনিসুজ্জামান চতলাখালী গ্রামের রাস্তায় ফাতেমাকে গরু চুরির অভিযোগে মারধর করেন। ২২ নভেম্বর দুপুরে ফাতেমাকে রাঙ্গাবালি ইউপি চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামের কাছে নিয়ে যান।
বিষয়টি নিয়ে বাহেরচর বাজারের চৌরাস্তায় ২২ নভেম্বর সালিস বৈঠক হয়। এতে চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, আনিসুজ্জামানসহ ছয়জন উপস্থিত ছিলেন। এ সময় গরু চুরির অপরাধে নজরুল ইসলাম, আনিসুজ্জামান, জাকির হোসেন এবং একজন গ্রামপুলিশ ফাতেমাকে মারধর করেন।
ফাতেমা অভিযোগ করেন, গরু চুরির সাজানো অভিযোগ এনে গত ২৩ নভেম্বর রাঙ্গাবালি থানায় সুজন দাসকে দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করানো হয়। পরদিন ওই মামলায় তাঁকে (ফাতেমা) গ্রেপ্তার দেখিয়ে গলাচিপায় আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাঁকে জামিন দিলে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন।
গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকি ৎসা কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জানান, ফাতেমার শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন আছে এবং তিনি অন্তঃসত্ত্বা।
ফাতেমাকে মারধর করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাঙ্গাবালির ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘২২ নভেম্বর বিকেলে আনিসুজ্জামান ফাতেমাকে গরু চুরির অভিযোগে আটক করে আমার কাছে নিয়ে আসে। আমি তাঁকে রাঙ্গাবালি থানায় সোপর্দ করেছি।’
ইউপি সদস্য আনিসুজ্জামান দাবি করেন, কয়েকজন গ্রামবাসী ফাতেমাকে গরুসহ ধরে তাঁর কাছে নিয়ে আসে। তিনি গরু দুটি তাঁর জিম্মায় রেখে ফাতেমাকে ছেড়ে দেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাঙ্গাবালি উচ্চবিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, ফাতেমা ও তাঁর স্বামীকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন। তাঁদের বিরুদ্ধে তিনি কখনো খারাপ কিছু শোনেননি।
ওই গৃহবধূ এখনো গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকি ৎসাধীন রয়েছেন। নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধূর নাম ফাতেমা বেগম (২৬)। তিনি রাঙ্গাবালি ইউনিয়নের পূর্ব বাহেরচর গ্রামের মো. শহীদুল লাহারির স্ত্রী।
নির্যাতন চালানোর অভিযোগে ফাতেমা গতকাল বৃহস্পতিবার রাঙ্গাবালি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গলাচিপা জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন।
মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ফাতেমা বেগম তাঁর ভাই মো. সাইদুল ইসলামের কাছে ৩৫ হাজার টাকা পান। সাইদুল পাওনা টাকা পরিশোধ করতে না পারায় তাঁর কাছে দুটি গরু বন্ধক রাখেন। ২১ নভেম্বর বিকেল চারটায় ফাতেমা ওই গরু নিয়ে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন।
ওই সময় ছোটবাইশদিয়া ইউপির সদস্য মো. আনিসুজ্জামান চতলাখালী গ্রামের রাস্তায় ফাতেমাকে গরু চুরির অভিযোগে মারধর করেন। ২২ নভেম্বর দুপুরে ফাতেমাকে রাঙ্গাবালি ইউপি চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামের কাছে নিয়ে যান।
বিষয়টি নিয়ে বাহেরচর বাজারের চৌরাস্তায় ২২ নভেম্বর সালিস বৈঠক হয়। এতে চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, আনিসুজ্জামানসহ ছয়জন উপস্থিত ছিলেন। এ সময় গরু চুরির অপরাধে নজরুল ইসলাম, আনিসুজ্জামান, জাকির হোসেন এবং একজন গ্রামপুলিশ ফাতেমাকে মারধর করেন।
ফাতেমা অভিযোগ করেন, গরু চুরির সাজানো অভিযোগ এনে গত ২৩ নভেম্বর রাঙ্গাবালি থানায় সুজন দাসকে দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করানো হয়। পরদিন ওই মামলায় তাঁকে (ফাতেমা) গ্রেপ্তার দেখিয়ে গলাচিপায় আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাঁকে জামিন দিলে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন।
গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকি ৎসা কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জানান, ফাতেমার শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন আছে এবং তিনি অন্তঃসত্ত্বা।
ফাতেমাকে মারধর করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাঙ্গাবালির ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘২২ নভেম্বর বিকেলে আনিসুজ্জামান ফাতেমাকে গরু চুরির অভিযোগে আটক করে আমার কাছে নিয়ে আসে। আমি তাঁকে রাঙ্গাবালি থানায় সোপর্দ করেছি।’
ইউপি সদস্য আনিসুজ্জামান দাবি করেন, কয়েকজন গ্রামবাসী ফাতেমাকে গরুসহ ধরে তাঁর কাছে নিয়ে আসে। তিনি গরু দুটি তাঁর জিম্মায় রেখে ফাতেমাকে ছেড়ে দেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাঙ্গাবালি উচ্চবিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, ফাতেমা ও তাঁর স্বামীকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন। তাঁদের বিরুদ্ধে তিনি কখনো খারাপ কিছু শোনেননি।
বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১১
পাষণ্ড পিতা!
শারীরিক সম্পর্কহীন দাম্পত্য, স্বামীকে ১০,০০০ ইউরো জরিমানা
মানবজমিন ডেস্ক:
মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় পুরো পরিবার এসিডদগ্ধ
আফগানিস্তানে এক মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় তার পিতাসহ পরিবারের সবাইকে এসিডদগ্ধ করেছে এক জঙ্গি যুবক। এসিডদগ্ধ বাবা ও তার বড় মেয়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। দেশটির উত্তরাঞ্চলের কুন্দুসের অধিবাসী পরিবারটি জানায়, অনেক দিন ধরে স্থানীয় এক জঙ্গি আরবাকিস তার সঙ্গে মমতাজকে (১৮) বিয়ে দিতে প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কিন্তু মমতাজের চেয়ে বয়সে অনেক বড় ওই জঙ্গির সঙ্গে তার বিয়ে দিতে রাজি হননি পিতা। এতে ওই জঙ্গি ক্ষিপ্ত হয়ে গত বুধবার সকালে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে মমতাজের পিতাকে পিটিয়ে তার মা ও তিন বোনের মুখে এসিড ঢেলে দেয়।
সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১১
আড়াইহাজার থানার ওসির কাণ্ড
আড়াইহাজারের বালিয়াপাড়ার চিহ্নিত এক মাদক ব্যবসায়ী মোক্তারের ঘর থেকে ২০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ মোক্তারকে আটক করলেও ১২ ঘণ্টা পর মোটা অঙ্কের মাসোহারা নিয়ে ছেড়ে দেয়। এখানেই শেষ নয়। পুলিশ ফেনসিডিল উদ্ধার দেখায় মাত্র ৫০ বোতল। বাকি ১৫০ বোতল হাওয়া। থানার ওসির তেলেসমাতি এ কাণ্ডে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে গতকাল দিনভর পুলিশ ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার ব্যর্থ চেষ্টা চালায়।
ব্রাহ্মদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লাক মিয়া জানান, ঘটনার পরপরই বালিয়াপাড়া গ্রামের লোকজন তাকে জানান, আড়াইহাজার থানার উপ-পরিদর্শক ফরিদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মোক্তারের বাড়িতে অভিযান চালায়। ঘরের ভেতর থেকে ২০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে পুলিশ। মোক্তার এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। মাদক ব্যবসায়ী মোক্তারকে গ্রেপ্তার করা হলেও ১২ ঘণ্টা পর থানার ওসি সৈয়দ নজরুল ইসলাম তাকে ছেড়ে দিয়েছেন। এবং মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু এলাকাবাসীর দাবি, মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে ওসি মোক্তারকে ছেড়ে দিয়েছেন। আড়াইহাজার থানার ওসি সৈয়দ নজরুল ইসলাম জানান, ঘর নয় উঠানে খড়ের গাদা থেকে ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ সময় মোক্তার ঘুমিয়ে ছিল। মোক্তার মাদক ব্যবসায়ী কিনা তা আমাদের জানা নেই। তার বিরুদ্ধে মাদকের কোন মামলা নেই। তাই উদ্ধার হওয়া ফেনসিডিল যে তার সে রকম কোন প্রমাণ নেই।
ব্রাহ্মদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লাক মিয়া জানান, ঘটনার পরপরই বালিয়াপাড়া গ্রামের লোকজন তাকে জানান, আড়াইহাজার থানার উপ-পরিদর্শক ফরিদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মোক্তারের বাড়িতে অভিযান চালায়। ঘরের ভেতর থেকে ২০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে পুলিশ। মোক্তার এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। মাদক ব্যবসায়ী মোক্তারকে গ্রেপ্তার করা হলেও ১২ ঘণ্টা পর থানার ওসি সৈয়দ নজরুল ইসলাম তাকে ছেড়ে দিয়েছেন। এবং মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু এলাকাবাসীর দাবি, মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে ওসি মোক্তারকে ছেড়ে দিয়েছেন। আড়াইহাজার থানার ওসি সৈয়দ নজরুল ইসলাম জানান, ঘর নয় উঠানে খড়ের গাদা থেকে ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ সময় মোক্তার ঘুমিয়ে ছিল। মোক্তার মাদক ব্যবসায়ী কিনা তা আমাদের জানা নেই। তার বিরুদ্ধে মাদকের কোন মামলা নেই। তাই উদ্ধার হওয়া ফেনসিডিল যে তার সে রকম কোন প্রমাণ নেই।
বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১১
আইনমন্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক, স্ত্রীকে রাজপ্রাসাদ থেকে বের করে দিলেন রাজা
ভাড়ায় প্রেম
ফাইভ স্টার হোটেলে দেহ ব্যবসা, খদ্দেরসহ অভিনেত্রী আটক
শনিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১১
এবারে অমিতাভের বিরুদ্ধে অভিযোগ শায়লি'র!
কয়েক বছর ধরেই টিনসেলে কাজ করছেন শায়লি ভগত। সম্প্রতি বলিউডি ছবিকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ২৭ বছর বয়সী এই তারকা। এর পেছনের কারণ সম্পর্কে তিনি জানিয়েছেন, ‘৭ বছর ধরে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির প্রবীণ তারকা থেকে শুরু করে আমার সহ-তারকাদের কাছে বিভিন্নভাবে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছি। তাদের মধ্যে অমিতাভ বচ্চন এবং সাজিদ খানের মতো ব্যক্তিরাও আছেন।’
অমিতাভ সম্পর্কে শায়লির অভিযোগ, ‘সম্প্রতি টিনু ভার্মার ‘দিস উইকএন্ড’ ছবির মহরত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে এসেছিলেন অমিতাভ। আর সবার মতো আমিও তার পা ছুঁয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ চাইলাম। কিন্তু তখন এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটালেন তিনি। আমার নিতম্বে হাত রাখলেন এবং আস্তে আস্তে উপরের দিকে হাতটাকে ওঠাতে লাগলেন। ঘটনায় আমি পুরোপুরি হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম।’
শায়লি জানিয়েছেন, ‘আমি বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম, কাউকেই কিছু বলতে পারিনি। অমিতাভের বয়স এখন ৭০। তিনি আমার দাদার বয়সী। এই বয়সে আমার সঙ্গে এ ধরনের বিষয় তিনি কীভাবে করলেন তার কোনো উত্তর আমার জানা নেই!’
সাজিদ খান সম্পর্কে শায়লির অভিযোগ, ‘হাউসফুল ছবির অভিনয়শিল্পী নির্বাচনের অজুহাতে সাজিদ আমাকে তার অফিসে ডেকেছিলেন। সেখানে যাওয়ার পর এক বিস্ময়কর ঘটনার মুখোমুখি হলাম। আমার সামনে সাজিদ পুরোপুরি বিবসন অবস্থায় দাঁড়ালেন এবং সেখানেই তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দিলেন। আমি চিৎকার করে তার অফিস থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলাম।’
‘চোরো কি বারাত’ ছবির সহ-অভিনেতা আরিয়ান বাব্বরের বিরুদ্ধেও যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন শায়লি। তিনি জানিয়েছেন, ‘চোরো কি বারাত ছবিতে একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে আরিয়ানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিলো আমার। কিন্তু কিছুদিন পর থেকেই তিনি আমাকে ঘনঘন উত্তেজক এসএমএস পাঠানো শুরু করলেন।’
শায়লির ভাষ্য, ‘এতোকিছুর পরও আমি চুপ করেইছিলাম। কিন্তু আর নয়। আমি বলিউডি ছবিকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শিগগিরই মিলানে চলে যাবো। সেখানে মডেলিংয়ে আমার ক্যারিয়ার গড়ে তুলবো।’
বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম
বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১১
বিবার-সেলেনা
১৭ বছর বয়সী এই পপ তারকার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘পুরো ঘটনাটি যেন একান্ত ব্যক্তিগত থাকে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাটি যেন হয় নিশ্চিদ্র- এর সবকিছু শুরুতেই নিশ্চিত করেছেন বিবার। তিনি পুরোটা সময় জুড়েই খুব বিনয়ী ছিলেন। ছবি দেখা শেষ করে চলে যাওয়ার আগে তারা সবাইকে ধন্যবাদও দিয়ে গেছেন।’
এদিকে, কানাডায় একটি আইস হকি ম্যাচও দেখতে গিয়েছিলেন এই জুটি। এ প্রসঙ্গে একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, ‘খেলা দেখার চেয়ে অধিকাংশ সময় জুড়েই তারা ব্যস্ত ছিলেন এক অপরের সঙ্গে চুমু বিনিময় এবং ঘনিষ্ঠ সময় কাটাতে।’
বিডিনিউজটেয়েন্টিফোরডটকম
বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১১
আড়াই মিলিয়নি অন্তর্বাসের মডেল মিরান্ডা কার
শিগগিরই মূল্যবান এই অন্তর্বাস পরে ভিক্টোরিয়া’স সিক্রেট ফ্যাশন শোতে অংশ নেবেন ২৮ বছর বয়সী এই মডেল।
এই অন্তর্বাসে রয়েছে ১৪২ ক্যারেট ওজনের সাদা এবং হলুদ ডায়মন্ড। মুক্তা, অ্যাকুয়ামেরিন, স্বর্ণসহ মোট ৩৪০০ মূল্যবান রত্নও রয়েছে এতে।
বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/
বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১১
রাজস্থানে পুরুষরাও সন্তান প্রসব করে!
ভারতের রাজস্থানে পুরুষরাও সন্তান প্রসব করা শুরু করেছেন! বিস্ময়ে থ মেরে গেলেন? আজব হলেও গুজব নয়, রাজ্যের কোটদা শহরে গোগুনদা কমিউনিটি হেলথ সেন্টার তার প্রসূতি রেকর্ডবুকে এমন তথ্য লিপিবদ্ধ করেছে! রেকর্ড বুক ঘেটে কমপক্ষে ৩২ জন পুরুষ সন্তান প্রসব করেছেন এমন তথ্য পাওয়া গেছে!
ঘটনাটি খুলে বলা যাক। রাজস্থানে নিরাপদে একটি সন্তান প্রসব করাতে পারলে প্রসূতি মা এবং ধাত্রী উভয়ে সরকারি সহায়তা পান। তাই নিরাপদ প্রসূতির তালিকা বাড়িয়ে ওই ক্লিনিকের অর্থলোভী কর্মকর্তা-কর্মচারিরা গণহারে নারী-পুরুষ উভয়ের নাম প্রসূতি হিসেবে তালিকাভুক্ত করে লাখ লাখ রুপি আত্মসাত্ করেছেন। গত শুক্রবার ওই ক্লিনিকের এই ‘প্রসূতি কেলেংকারি’ ফাঁস হবার পর ভারতজুড়ে হাসির রোল পড়ে গেছে। এটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমেও খবরের শিরোনাম হয়েছে।আরো আছে! শুধু পুরুষদের গর্ভে সন্তান জন্মদান নয়, ৬০ বছরের একজন মহিলার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে প্রসূতি হিসেবে। তিনি বছরে দুইবার সন্তান জন্ম দিয়েছেন! সীতা নামের আরেক নারীর নাম ২৪ বার কৌশলে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। অর্থাত্ তিনি বছরে ২৪ টি সন্তান জন্ম দিয়েছেন! এমনকি প্রেগন্যান্সি ওয়ার্ডের প্রধান হিসেবে যে মহিলা দায়িত্ব পালন করেন তিনি নিজের নাম রেকর্ডবুকে ১১ বার ঢুকিয়েছেন। অর্থাত্ চলতি বছর তিনি নিজেই জন্ম দিয়েছেন ১১ টি সন্তান!
উল্লেখ্য, ওই রাজ্যে নিরাপদে একটি সন্তান জন্মদানকারী মা ১৭০০ রুপি এবং ধাত্রী ২০০ রুপি করে পান। সরকারি তহবিলের এই অর্থ তসরুফ করতেই কাল্পনিক ও হাস্যকর প্রসবকাহিনীর এত আয়োজন। আইএএনএস।
ঘটনাটি খুলে বলা যাক। রাজস্থানে নিরাপদে একটি সন্তান প্রসব করাতে পারলে প্রসূতি মা এবং ধাত্রী উভয়ে সরকারি সহায়তা পান। তাই নিরাপদ প্রসূতির তালিকা বাড়িয়ে ওই ক্লিনিকের অর্থলোভী কর্মকর্তা-কর্মচারিরা গণহারে নারী-পুরুষ উভয়ের নাম প্রসূতি হিসেবে তালিকাভুক্ত করে লাখ লাখ রুপি আত্মসাত্ করেছেন। গত শুক্রবার ওই ক্লিনিকের এই ‘প্রসূতি কেলেংকারি’ ফাঁস হবার পর ভারতজুড়ে হাসির রোল পড়ে গেছে। এটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমেও খবরের শিরোনাম হয়েছে।আরো আছে! শুধু পুরুষদের গর্ভে সন্তান জন্মদান নয়, ৬০ বছরের একজন মহিলার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে প্রসূতি হিসেবে। তিনি বছরে দুইবার সন্তান জন্ম দিয়েছেন! সীতা নামের আরেক নারীর নাম ২৪ বার কৌশলে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। অর্থাত্ তিনি বছরে ২৪ টি সন্তান জন্ম দিয়েছেন! এমনকি প্রেগন্যান্সি ওয়ার্ডের প্রধান হিসেবে যে মহিলা দায়িত্ব পালন করেন তিনি নিজের নাম রেকর্ডবুকে ১১ বার ঢুকিয়েছেন। অর্থাত্ চলতি বছর তিনি নিজেই জন্ম দিয়েছেন ১১ টি সন্তান!
উল্লেখ্য, ওই রাজ্যে নিরাপদে একটি সন্তান জন্মদানকারী মা ১৭০০ রুপি এবং ধাত্রী ২০০ রুপি করে পান। সরকারি তহবিলের এই অর্থ তসরুফ করতেই কাল্পনিক ও হাস্যকর প্রসবকাহিনীর এত আয়োজন। আইএএনএস।




৫:৪৮ PM
Akashnill
Posted in: