Funny লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Funny লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ৪ আগস্ট, ২০১১

গাড়ি ভাঙতে ট্যাংক!

একটি ভিডিও সবার নজর কেড়েছে। এ দৃশ্যটি লিথুনিয়ার রাজধানী ভিলিনাস-এর। দৃশ্যতে শহরটির মেয়রকে ট্যাংক নিয়ে অবৈধ পার্কিং করা গাড়ি গুড়িয়ে দিতে দেখা গেছে। খবর বিবিসি অনলাইন-এর।

লিথুয়ানিয়ার রাজধানী ভিলনিয়াসের মেয়র সাইকেল চালাতেই ভালবাসেন। কিন্তু তিনি সাইকেলের জন্য বরাদ্দ লেনটিতে অবৈধভাবে গাড়ি রাখা দেখে ক্ষেপে গিয়েছিলেন। এরপর আস্ত একটি ট্যাংক চালিয়ে এনে সে গাড়িটি গুড়িয়ে দিয়ে মন্তব্য করেছেন, ‘পরবর্তী সময়ে যেনো গাড়ি বৈধভাবে পার্কিং করা হয়’।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, মেয়রের ট্যাংক চালিয়ে গাড়ি ভাঙার এ দৃশ্যটি ভিলিনাস শহরের ওয়েবসাইটে পোস্ট করে দেয়া হয়েছে। এরপর সারাবিশ্বে নজর কেড়েছে এ দৃশ্যটি।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, অবৈধভাবে পার্ক করে রাখা গাড়ির ওপরে ট্যাংক তুলে দেবার পর গাড়ির মালিকের সঙ্গে হাতও মিলিয়েছেন মেয়র আর্তুরাস জুয়োকাস। হাত মেলাতে মেলাতে বলেছেন ‘ এরপর থেকে অবশ্যই বৈধভাবে পার্কিং করবেন’।

জানা গেছে, ভাঙা গাড়ির অংশগুলোও নিজ হাতে সরিয়েছেন মেয়র।

গাড়ি ভেঙ্গে ফেলা প্রসঙ্গে মেয়র আর্তুরাস জুয়োকাস বলেছেন, ‘আমি সবার কাছে একটি কথা পৌঁছে দিতে চাই আর তা হচ্ছে বড়ো বড়ো দামী গাড়ি যেখানে সেখানে পার্ক করে পথচারীদের বা সাইকেল আরোহীদের অসুবিধা করা যাবে না। তাদের অধিকারকে অবহেলা করা যাবে না।’

উল্লেখ্য, আর্তুরাস জুয়োকাস নিজে সাইকেল চড়তে পছন্দ করেন এবং লিথুয়ানিয়ার রাজধানীতে গাড়ির চেয়ে সাইকেল চালক বাড়াতেই প্রচারণা চালাচ্ছেন তিনি।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই, ২০১১

জরিমানা গুণলেন স্পিলবার্গ

সম্প্রতি ইতালির সারদিনিয়া দ্বীপে অবকাশ যাপনে গিয়ে এক বিব্রতকর অবস্থার মধ্যেই পড়ে গিয়েছিলেন হলিউডি চিত্রনির্মাতা স্টিভেন স্পিলবার্গ। জানা গেছে, নৌ-আইন ভঙ্গ করায় ১৫১ ইউরো জরিমানা গুণতে হয়েছে তাকে। খবর ইন্দো-এশিয়ান নিউজ সার্ভিসের।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, গডডটার অভিনেত্রী গিনেথ প্যাল্ট্রোসহ কয়েকজন বন্ধু-বান্ধব সঙ্গে নিয়ে সম্প্রতি ইতালির সারদিনিয়া দ্বীপে ছুটি কাটাতে গিয়েছেন স্পিলবার্গ। সেখানে মোটর বোটে চেপে সাগরের জলে ছুটে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। একপর্যায়ে তার বোটটি সৈকতের খুব কাছকাছি চলে আসলে সাগরের জলে স্নানরত মানুষদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে।

জানা গেছে, এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ কয়েকজন ভুক্তভোগী স্পিলবার্গের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতেই ১৫১ ইউরো জরিমানা করা হয়েছে তাকে।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটক

হাতির প্রেমে পড়ে


 
হাতির সঙ্গে লরা পুকো হাতির সঙ্গে লরা পুকো
চিকিৎসক হবেন বলে হোমিওপ্যাথি পড়ছেন ফিনল্যান্ডের তরুণী লরা পুকো (২৫)। ভারতের কেরালায় গত বছর বেড়াতে গিয়ে বদলে গেছে তাঁর লক্ষ্য। এখন মাহুত হয়ে হাতির সঙ্গে দিন কাটানোর কথা ভাবছেন তিনি।
লরা পুকো জানান, আগামী ডিসেম্বরে শেষ হবে তাঁর চিকিৎসাবিদ্যার পড়াশোনা। এর পর তিনি নতুন করে ঠিক করা পেশার দিকে ঝুঁকবেন।
লরা বলেন, ‘কেরালার কুমলি এলাকায় প্রথম যে দিন হাতি দেখি, প্রথম দেখাতেই প্রাণীটির প্রেমে পড়ে যাই। ওই মুহূর্তে আমি কিছু ভাবতে পারছিলাম না। এখানে থেকে যাব কি না, এ চিন্তাটা মাথায় আসে তখন। এ কথা মুখ দিয়ে বের হওয়া মাত্র সায় পেয়ে যাই।’
প্রথম দিকে লরা কেবল হাতির পালের সঙ্গে হেঁটে যেতেন। এরপর হাতিগুলোকে খাওয়ানোর সময় লোকজনকে সহযোগিতা করতে লাগলেন। ধীরে ধীরে মাহুত হিসেবে প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করেন তিনি। এ সময় টানা তিন মাস তিনি হাতিদের সঙ্গে সময় কাটান। প্রতিদিন ভোরে হাতির খামারে আসতেন, সন্ধ্যা পার করে ফিরতেন নিজের ঘরে। এখন অন্য মাহুতদের মতো তিনিও হাতিকে নদীতে গোসল করাতে নিয়ে যেতে পারেন। সম্প্রতি তিনি এলিফ্যান্ট জাংকসন নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িয়েছেন।
সাধারণত ছেলেরাই হাতির মাহুত হয়। আর মাহুত হওয়ার বিষয়টি চলে বংশপরম্পরায়। মাহুতের বংশধরেরাই মাহুত হয়ে থাকে। এই পেশায় আয়ও খুব কম। ভারতের ভাষাও লরার জন্য সমস্যা হবে। হাতি পরিচালনার বিষয়টিও কম ঝুঁকিপূর্ণ নয়।
তবে এসব কোনো কিছু লক্ষ্য থেকে টলাতে পারেনি লরাকে। তিনি বিশ্বাস করেন, হূদয়ের গভীর থেকে কিছু করতে চাইলে কোনো কিছুই বাধা হতে পারে না। বিবিসি।
প্রথম আলো

বিভীষিকাময় দৃশ্য - টপ লিষ্ট আলোচিত নিউজ!!!


ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট
সদ্যপ্রসূত শিশুটির মাথাভর্তি চুল। নাদুসনুদুস বাচ্চাটা দেখে চোখ চকচক করে ওঠে বেলা সোয়ানের (ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট)। রক্তপিপাসায় উন্মত্ত হয়ে ওঠে বেলা। বাচ্চাটাকে তার চাই-ই চাই। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় আরেক ভ্যাম্পায়ার এডওয়ার্ড কুলেন (রবার্ট প্যাটিনসন)। কারণ, শিশুটি যে তারই ঔরসজাত। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে ধুন্ধুমার লড়াই বেধে যায়। এটি দ্য টোয়ালাইট সাগা: ব্রেকিং ডাউন পার্ট ১ ছবির একটি দৃশ্য। এক সাক্ষাৎকারে ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট জানান, আধা মানব ও আধা ভ্যাম্পায়ার শিশুটি আসলে একটি রোবট। এটি চালাতে গিয়ে ছবির একদল ক্রু নাকি মাথার ঘাম পায়ে ফেলেছে। ওয়েবসাইট
এই নিউজ ছাপা হয়েছে প্রথম আলোতে এর পাঠক প্রতিক্রিয়া দিখুন...


Md. Abdul Gafur
Md. Abdul Gafur
২০১১.০৭.২৮ ০৬:২২




Is it the news for published like as Prothom Alo Newspaper?simply rubbished.


Shajed
Shajed
২০১১.০৭.২৮ ০৮:২২




এধরনের সংবাদ পত্রিকায় ছাপা হতেই পারে। কিন্তু এরকম রহস্যময় শিরোনামের জন্য এটি 'সবচেয়ে পঠিত' সংবাদের তালিকায় চলে আসছে। প্রথম আলোর কাছে অনুরোধ রইল ভবিষ্যতে শিরোনামের ব্যপারে আরও সতর্ক হতে।


Engr. Moshiur Rahman
Engr. Moshiur Rahman
২০১১.০৭.২৮ ১০:৩৮




শিরোনাম দেখে অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে পড়তে শুরু করার একটু পরেই মোহভঙ্গ হলো । তাই আমিও Shajed সাহেবের এর সঙ্গে সম্পূর্ন একমত।


Atanu Chatterjee
Atanu Chatterjee
২০১১.০৭.২৮ ১১:০৮




I agree with the other bloggers. This is done to draw attention.


Mahmud Khan
Mahmud Khan
২০১১.০৭.২৮ ১১:৩০




বিভ্রান্তিকর শিরোনাম। এটি আসলে কোন খবর হওয়ার কথা নয়।


Mohammed Manirul Islam Khan
Mohammed Manirul Islam Khan
২০১১.০৭.২৮ ১২:৪১




প্রথম আলোকে আরও সাবধান হতে হবে খবর প্রকাশ করার জন্য। খবরের শিরোনাম আর খবর এক নয়। বুঝা যাচছে ঘুনে ধরা শুরু করেছে।

 বাবা রামদেবকে বিয়ে করতে চান রাখি

রাখি সাওয়ান্ত রাখি সাওয়ান্ত
উদ্ভট সব কর্মকাণ্ডের জন্য বলিউডে রাখি সাওয়ান্ত একটু অন্যভাবেই পরিচিত। মনোযোগ আকর্ষণে বিতর্কিত কিছু করতেও দ্বিধা নেই তাঁর। মূলত বলিউডি ছবিতে পার্শ্বচরিত্রে তাঁর বিচরণ হলেও স্যাটেলাইট টিভিগুলোয় বিভিন্ন রিয়েলিটি শো ও অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় তিনি নিজের দক্ষতা প্রমাণ করেছেন। একই সঙ্গে আইটেম গার্ল হিসেবেও তৈরি করেছেন আলাদা একটা পরিচিতি। তবে এবার তিনি আলোচনার জন্ম দিয়েছেন ‘যোগগুরু’ বাবা রামদেবকে বিয়ে করার ইচ্ছা পোষণ করে।
সম্প্রতি তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন নিজের রিয়েলিটি শো ‘গজব দেশ কি আজব কাহানিয়া’র প্রচার উপলক্ষে। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের সামনেই নাকি সরাসরি বাবা রামদেবের প্রেমে পড়ার কথা স্বীকার করেছেন। সাংবাদিকেরা রাখির মুখে এ কথা শুনে যখন জিজ্ঞেস করেন, কবে বিয়ে করছেন? ঠিক তখনই রাখি বলেছেন, ‘বাবা রামদেব হ্যাঁ বললেই তাঁকে বিয়ে করব।’
রাখি বলেন, ‘বাবা রামদেবকে যখন দেখেছি, তখন থেকেই তাঁর প্রেমে পড়ে গেছি। আর তাঁকে যখন ইয়োগা করতে দেখেছি, তখন মন্ত্রমুগ্ধের মতো চেয়ে থেকেছি। বারবারই তাঁর চেহারা আমার চোখে ভাসতে থাকে।
শুধু বাবা রামদেবকেই নয়, রাখি এর আগে রাহুল গান্ধীকেও বিয়ে করার ইচ্ছে পোষণ করেছিলেন। কিন্তু এখন রাহুলের চেয়ে রামদেবই নাকি তাঁর বেশি পছন্দের। এ কথা রাখি স্বীকার করেছেন বেশ অকপটেই। টাইমস অব ইন্ডিয়া।
প্রথম আলো

ছাগলের অ্যাপল স্টোর দর্শন!

সম্প্রতি নিউ ইয়র্কের একটি অ্যাপল স্টোর পরিদর্শন করার সুযোগ মিলেছে এক ছাগলের। মার্কিন কমেডিয়ান মার্ক ম্যালকফ তার আইফোনটি মেরামত করানোর সময় সঙ্গে একটি ছাগল নিয়ে অ্যাপল স্টোরে হাজির হয়েছিলেন। খবর সিএনএন-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, অ্যাপল ভ্যারাইটি স্টোর দেখতে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছাগল নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বৈধ কিনা সেটি দেখতেই সঙ্গে ছাগল নিয়ে হাজির হয়েছিলেন তিনি। নিউ ইয়র্কের ‘অ্যাপল স্টোর চ্যালেঞ্জ’ নামে অ্যাপলের খুচরা দোকানগুলোর কাস্টমার সার্ভিসের লোকজন নাকি কোনোকিছুতেই বিরক্ত হন না! যে কেউ ইচ্ছামতো এখানে সময় কাটাতে পারে।

জানা গেছে, অ্যাপল স্টোরে যতোক্ষণ লাইনে দাঁড়াতে হয় ততোক্ষণ গ্রাহক যা খুশি তাই করতে পারেন। আর এ সুযোগটি নিয়ে ম্যালকফ তার ছাগলটিকে অ্যাপল স্টোর দেখিয়ে এনেছেন।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ম্যালকফ যতোক্ষণ না তার আইফোনটি সারা হয়েছে ততোক্ষণ ছাগলটিসহ অপেক্ষা করেছেন, এমনকি সেখানে বসে পিৎজাও খেয়েছেন। আর এ দৃশ্যগুলোর ভিডিও তিনি ইউটিউবে পোস্ট করেছেন।

এদিকে ম্যালকফ একটি টুইটে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি ইলেকট্রনিক দোকানে যতোদিন ছাগলের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা না হবে ততোদিন তিনি আর থামছেন না।

অবশ্য এ বিষয়ে অ্যাপল কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

ঝগড়া বন্ধে ঠোঁটে সেলাই!

বউ-শাশুড়ির মধ্যে ঝগড়া নতুন কোন খবর নয়। তবে এ ঝগড়া বন্ধ করতে ঠোঁট সেলাই করে দেয়ার ঘটনা আগে কখনও শোনা যায়নি। তাইওয়ানের লিন নামের ৫৭ বছর বয়সী এক শাশুড়ি তার পুত্রবধূর প্রতি বিরক্ত হয়ে নিজেই এ কাজ করেছেন। জানা গেছে, বউয়ের যে কোন কাজেই লিন খুঁত ধরতেন এবং বকবক করতেন। আর বউও সর্বৰণ শাশুড়ির বকবকানির সমালোচনা করত।
গত সপ্তাহের এক সকালে দু’জনের মধ্যে শুরম্ন হয় তুমুল ঝগড়া। এক পর্যায়ে চেন নামের এ ভিয়েতনামী বধূ পুলিশের সহায়তা চান। তিনি পুলিশকে বলেন, শাশুড়ি লিন একজন মানসিক রোগী। তিনি চিকিৎসা করাতে চাইলেও লিন তা গ্রহণ করছেন না। পুলিশের উপস্থিতিতে শাশুড়ি একটি রম্নমে দরজা আটকে বসেছিলেন। তাদের ঝগড়ার ঠিক দুই ঘণ্টা পর চেন আবারও পুলিশ ডাকেন। এবার পুলিশ দেখেন যে চেনের মাথা ফেটে রক্ত পড়ছে। চেন বলেন, শাশুড়ি তার মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছেন। পরে ওইদিন বিকেলে লিনকে নিকটবর্তী একটি পার্ক থেকে ঠোঁট সেলাই করা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সেলাই খোলার জন্য তাকে পাঠানো হয় হাসপাতালে। লিন পুলিশকে বলেন, পুত্রবধূ তার কথার সমালোচনা করায় তিনি নিজেই সেলাই করে মুখ বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে। _চায়না টাইমস।
জনকন্ঠ

বুধবার, ২৭ জুলাই, ২০১১

স্ত্রীর প্রেমিককে হত্যা, অতঃপর …

জর্দানের এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর প্রেমিককে হত্যা করেছে। পরে তিনি ওই প্রেমিকের পুরম্নষাঙ্গ কেটে ব্যাগে করে পুলিশের কাছে জমা দিয়েছেন। একজন জুডিশিয়াল কর্মকর্তা সোমবার এ কথা জানান। ৩৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি আম্মান শহরতলীর একটি হোটেল রুমে শনিবার এ হত্যাকা- ঘটিয়েছেন। তিনি নিজে পুলিশের কাছে ধরা দিয়েছেন এবং দোষ স্বীকার করেছেন। স্ত্রী ও তার প্রেমিকের সঙ্গে এ বিষয়টি নিয়ে একটি মীমাংসায় যেতে চেয়েছিলেন বলেও তিনি দাবি করেন। অনৈতিক কাজ থেকে ফেরাতে ব্যর্থ হয়ে পরে তিনি ওই প্রেমিককে গলা কেটে হত্যা করেন।যৌন সম্পর্কের অভিযোগে এর আগে ২৭ বছর বয়সী মহিলা ও তার প্রেমিককে আটক রাখা হয়েছিল। কিন্তু সাধারণ ৰমায় সম্প্রতি তারা মুক্তি পান। ওই কর্মকর্তা আরও জানান, মুক্তি পেয়ে তারা আবারও বেপরোয়া যৌনাচারে লিপ্ত হলে বেচারা স্বামী তা সহ্য করতে পারেননি এবং তিনি হত্যার পরিকল্পনা অাঁটেন। -এএফপি।
জনকন্ঠ

মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০১১

নিলামে উঠছে প্রিসলির 'অশোভন' ভিডিও ফুটেজ

এবার নিলামে উঠছে ‘কিং অফ রক এন’ রোল’খ্যাত মার্কিন গায়ক ও অভিনেতা এলভিস প্রিসলির ‘অশোভন’ ভিডিও ফুটেজ। জানা গেছে, পঞ্চাশের দশকে ধারণকৃত এই ফুটেজ এর আগে কখনোই দেখার সুযোগ হয়নি বিশ্ববাসীর। ধারণা করা হচ্ছে নিলামে এর মূল্য ১০ হাজার পাউন্ড ছাড়িয়ে যাবে। আগামি মাসেই এই ভিডিও ফুটেজ নিলামে তোলা হবে। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়ার।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ১৯৬১ সালে মাত্র আড়াই পাউন্ড খরচ করে এই ফুটেজ সংগ্রহ করেছিলেন প্রিসলি ভক্ত বিলস এলিস। সে সময় মঞ্চে অশোভন ভঙ্গিতে পারফর্মেন্সের অভিযোগ উঠেছিলো প্রিসলির বিরুদ্ধে। শিকাগো পুলিশ ডিপার্টমেন্ট বিষয়টির তদন্তও শুরু করেছিলো। জানা গেছে, নিলামে উঠতে যাওয়া এই ফুটেজে প্রিসলিকে অশোভন ভঙ্গিতে মঞ্চে দেখা গেছে।

ফুটেজে দেখা গেছে, প্রিসলি তার বিখ্যাত সোনালী রংয়ের স্যুট পরে মঞ্চে ‘বেবি, লেটস প্লে হাউস’ গানটি গাইছেন। কোমর দুলিয়ে অশোভন ভঙ্গিতে নাচতেও দেখা গেছে তাকে।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

 ইঁদুর মারতে দরপত্র!

অভিনব এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। ইঁদুরের হাত থেকে হাসপাতালকে মুক্ত করার জন্য রীতিমতো পত্রিকায় দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আর তাতে সায়ও দিয়েছে কলকাতার একটি সংস্থা।
সংস্থাটি দরপত্রে ১০০ বর্গফুট এলাকার ইঁদুর মারার জন্য চার রুপি করে চেয়েছে। এতে রাজিও হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শুরুও করেছে প্রথম পর্যায়ের ইঁদুর নিধন অভিযান।
বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনেক দিন ধরে ইঁদুরের উপদ্রব চলছিল। ইঁদুর রাতে রোগীর টেবিলে থাকা খাবারই শুধু নিয়ে যেত না, মাঝেমধ্যে কামড়েও দিত রোগীদের; কেটে তছনছ করত হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও। কোনোক্রমেই এই ইঁদুরের উপদ্রব বন্ধ করতে না পেরে গত ২৫ জুন কর্তৃপক্ষ ইঁদুর মারার জন্য দরপত্র আহ্বান করে স্থানীয় একটি পত্রিকায়।
৭ জুলাই দরপত্র গ্রহণ করে ইঁদুর মারার দায়িত্ব দেওয়া হয় কলকাতার একটি সংস্থাকে।
হাসপাতালের ডেপুটি সুপার তাপস কুমার ঘোষ বলেছেন, হাসপাতালের ইঁদুরের উপদ্রব কমানোর জন্য একটি সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আশা করি, এতে সুফল পাওয়া যাবে।প্রথম আলো

সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০১১

৫৩ বছর পর প্রেমপত্র হাতে এসে পৌছল!!!

 
ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ক্লার্ক সি. মুরকে প্রেম নিবেদন করে চিঠি পাঠিয়েছিলো একজন। কিন্তু ওই চিঠি তার হাতে পৌঁছতে পৌঁছতে বুড়ো হয়ে গেলেন তিনি।

কারণ, এই প্রেমপত্র ১৯৫৮ সালে পোস্ট করা। আর কাঙ্খিত ঠিকানায় পৌঁছেছে ৫৩ বছর পর।

"চিঠিটি মুরের ঠিকানায় পোস্ট করা হয়েছিল ২০ ফেব্র"য়ারি ১৯৫৮ সালে। কিন্তু অবাককান্ড, গত সপ্তাহে তা মেইল রুমে এসে পৌঁছায়," বলেন, পেনসেলভানিয়ার ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র ক্রিস্টিনি কিনডল।

তার কথাতেই জানা গেলো, বৃহস্পতিবার মুরকে খুঁজে পাওয়া গেছে, তার বয়স এখন ৭০। থাকেন ইন্ডিয়ানাপোলিসে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার হদিস বের করেছে।

কিনডল বলেন, "আমরা তার কাছে চিঠিটি পাঠিয়েছি। চিঠির সঙ্গে 'তোমাকে চাই' লেখা একটি টি-শার্টও ছিল। ওটাও পাঠানো হয়েছে।"

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/

১ বছর আগেই সম্পর্ক ভেঙ্গেছিলো জন-বিপাশার!

সম্প্রতি নিজের শহর কলকাতায় পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন বিপাশা বাসু। খবর চাউর হয়েছে, সম্পর্কের ক্ষত শুকোতেই নাকি পারিবারিক সাহচর্যে গিয়েছেন তিনি। অবশ্য এমন খবরে বেজায় চটেছেন বং বিউটি। সাফ জানিয়েছেন, জনের সঙ্গে ১ বছর আগেই সম্পর্ক ভেঙ্গেছিল তার। এতোদিন পর দুঃখ লাঘবের চেষ্টা করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়ার। 

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এ প্রসঙ্গে বিপাশা টুইটারে লিখেছেন, ‘অন্তত এক বছর আগে জনের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙ্গে গেছে আমার। এতোদিন পরে এমন মনগড়া কাহিনী কেন! প্রতিদিনই আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খবর ছেপে কি কাটতি বাড়ানোর চেষ্টা!’

বিপাশা বলেছেন, ‘এ ধরনের কল্পনাপ্রসূত সাংবাদিকতা মোটেও পছন্দ করি না। কারো ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মজার খেলায় মেতে ওঠার অধিকার কারো নেই।’

বিপাশা আরো লিখেছেন, ‘যা ঘটে ভালোর জন্যই ঘটে। জনের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার ব্যাপারটিকে সহজভাবেই নিয়েছি আমি। কী কারণে আমাদের সম্পর্ক ভেঙ্গে গেছে তা আমরা খুব ভালো করেই জানি। আমরা পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতেই এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটা নিয়ে মিডিয়ার বাড়াবাড়ি মোটেও কাম্য নয়।’




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

দুঃসাহসিক ও বিচিত্র খেয়ালের কর্ম!

আমরা কত ধরনের প্রতিযোগিতার কথাই না শুনেছি! তবে শরীরে মৌমাছি ধারণ করার প্রতিযোগিতার কথা কালে-ভদ্রে শোনা যায়। এমন একটি ভিন্ন প্রকৃতির প্রতিযোগিতা হয়ে গেছে চীনে। এতে প্রতিযোগী ছিলেন মাত্র দু'জন।
তাদের একজন ওয়াং ডালিন (৪২) এবং অন্যজন লু কোনজিয়াং (২০)। দু'জনেই মৌমাছি চাষ করেন মধু সংগ্রহের জন্য। শরীরের নিম্নাংশে মাত্র দুটি শর্টস পরে সম্পূর্ণ খালি গায়ে তারা এ প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হন। উভয়ে
ওজন মাপার মেশিনের ওপর দাঁড়িয়ে মৌমাছি ধারণ করতে শুরু করেন। ৬০ মিনিটব্যাপী প্রতিযোগিতায় ওয়াং ডালিন তার শরীরে মোট ২৬ কেজি ৮৬ গ্রাম মোমাছি ধারণ করে বিজয়ী হন। কনজিয়াং ধারণ করেন ২২ কেজি ৯০ গ্রাম মৌমাছি। এ দুঃসাহসিক প্রতিযোগিতা দেখতে অসংখ্য দর্শক ভিড় করেছিল। অনুষ্ঠানের আয়োজকরা বলেন, তারা খালি গায়ে প্রতিযোগিতা না করে নিরাপত্তামূলক পোশাক পরতে পারতেন। একবার ভাবুন, ভুলক্রমে এ সংখ্যক মৌমাছি কাউকে কামড়ালে তার কী দশা হবে! দ্য মেইল অনলাইন।

রবিবার, ২৪ জুলাই, ২০১১

 কোচিংয়ের চিচিং-ফাঁক

ভৈরব পৌর শহরের দেয়ালে লাগানো প্যারাগন কোচিং সেন্টারের পোস্টার<span title=। আবদুর রহমান (গোলচিহ্নিত) আসলে দ্" width="100%">

ভৈরব পৌর শহরের দেয়ালে লাগানো প্যারাগন কোচিং সেন্টারের পোস্টার। আবদুর রহমান (গোলচিহ্নিত) আসলে দ্বিতীয় শ্রেণী পাস করা দিনমজুর ফরহাদ। তাঁকে দেখানো হয়েছে, তিনি এখানে কোচিং করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন

প্রথম আলো

দেয়ালে সাঁটানো চাররঙা পোস্টারে ছেলের ছবি দেখে থমকে দাঁড়ান নিরক্ষর নার্গিস বেগম (৪৫) পোস্টারের কাছে গিয়ে নিশ্চিত হন, এটা তাঁর ছেলে ফরহাদের (১৯) ছবি দ্বিতীয় শ্রেণীতে ওঠার পর পড়ালেখার পাট চুকাতে হয়েছে ফরহাদকে এখন মাছবাজারে দিনমজুরের কাজ করেন
পোস্টারে ফরহাদের ছবি দেখে অজানা শঙ্কায় পেয়ে বসে ভৈরব পৌর শহরের চণ্ডীবেড় দক্ষিণপাড়ার নার্গিসকে এক পথচারীকে ডেকে জিজ্ঞেস করেন, ‘বাজান, পোস্টারে কী লিখা আছে
পোস্টারে বড় অক্ষরে লেখা: ‘প্রথম বছরেই বিস্ময়কর সাফল্য “ওরা আমাদের গর্ব, ওরা আমাদের অহংকার” তোমাদের জন্য প্রাণঢালা অভিনন্দন-অভিনন্দন-অভিনন্দন
এটা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং সেন্টার প্যারাগনের বিজ্ঞাপন ঢাকার প্যারাগন কোচিং এ বছরই ভৈরবে তাদের শাখা খুলেছে শাখাটির অবস্থান ভৈরব পৌর শহরের রফিকুল ইসলাম মহিলা কলেজ সড়কে এ বছর থেকে চালুর প্রক্রিয়া শুরু হলেও তাদের সেন্টার থেকে কোচিং করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছে—এমন ২৭ জনের ছবিসংবলিত একটি পোস্টার শহরে কয়েক মাস ধরে শোভা পাচ্ছে
প্রথম আলো এই ২৭ জনের বিষয়ে অনুসন্ধান করে নিশ্চিত হয়েছে, এদের কেউই প্যারাগন কোচিং সেন্টার থেকে কোচিং করেননি আবার ফরহাদের মতো অনেকে জানেই না তাঁদের ছবি কীভাবে সাফল্যের তালিকায় স্থান পেল পোস্টারে ফরহাদের নাম আ. রহমান উল্লেখ করা আছে
কোচিং সেন্টারের পোস্টারে নিজের ছবি দেখে ফরহাদ বলেন, ‘বিদেশ যামু মনে কইরা জীবনে একবার স্টুডিওতে যাইয়া ছবি তুলছিলাম ছাপানো এই ছবিটা ছাড়া আমার আর কোনো ছবি নাই নিজেও জানি না কীভাবে আমার ছবি পোস্টারে গেল’ জানতে চাইলে প্যারাগন ভৈরব শাখার পরিচালক আলম সিদ্দিকী বলেন, ‘আসলে বিষয়টি কীভাবে হলো, আমরাও ঠিক বুঝতে পারছি না মনে হয় প্রেস ভুল করেছে’ শাখা চালুর পর কোনো পরীক্ষা না হলেও কীভাবে ২৭ জন সাফল্য পেল জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি আসলে আগের বছর অন্য একটি কোচিং সেন্টার পরিচালনা করতাম এরা আগের সেন্টার থেকে কোচিং নিয়েছিল
তিন জেলায় কোচিংয়ের হাট: সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, শুধু প্যারাগন নয়, ঢাকার বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের প্রায় এক ডজন শাখা নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জ জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলা সদরে খোলা হয়েছে এর মধ্যে প্যারাগন, লিডস ভার্সিটি, ইউসিসি, ইউনিএইড (কিরণ-সুমন-কবির), এডমিশন প্লাস, ইউনিভার্সিটি এডমিশন কেয়ার, ইউএসি, পজিট্রন, ইউনিএইড (মনির-মল্লিক-জহির), এভিনিউ কোচিং, মেডিকেল কলেজ ভর্তি কোচিং প্রাইমেট উল্লেখযোগ্য সেন্টারগুলোর নাম ভিন্ন হলেও শিক্ষার কৌশল এবং শিক্ষকের মান প্রায় একই রকম প্রায় চার মাসের কোর্সের জন্য শিক্ষার্থীর কাছ থেকে তারা গড়ে পাঁচ হাজার থেকে সাড়ে সাত হাজার টাকা নিয়ে থাকে
কোচিং করেছে এমন কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, প্রথম কয়েক দিন প্রধান কার্যালয় থেকে শিক্ষক আসেন পরে স্থানীয় শিক্ষক দিয়েই ক্লাস পরিচালনা করা হয় সপ্তাহে চার দিন ক্লাস হওয়ার কথা কিন্তু সব সপ্তাহে হয় না নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি গাইড ও লেকচার শিট দেওয়া হয় না ডেইলি টেস্ট, রিভিশন টেস্ট, পেপার ফাইনাল, সাবজেক্ট ফাইনাল, মডেল টেস্ট ইত্যাদির কথা বলা হলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তার সব হয় না
প্রচার: প্রচারকাজে বেহিসাবি লিফলেট, পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন, তথ্য স্মরণিকা, প্রসপেক্টাস ব্যবহার করা হচ্ছে তা ছাড়া বাড়ি-বাড়ি গিয়ে শিক্ষার্থী সংগ্রহ এবং শিক্ষক কমিশন প্রথা চালু এই প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রধান সড়কে ২০ থেকে ৩০ গজ দূরত্বে বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের ব্যানার সড়কবাতির খুঁটি, ছোট-বড় গাছ—সবকিছুতে ব্যানার লাগানো ‘অবাক করা সাফল্য’, ‘বিস্ময়কর সাফল্য’, ‘তাক লাগানো সাফল্য’, ‘চোখ ধাঁধানো সাফল্য’, ‘আশ্চর্য রকম সাফল্য’, ‘হতবাগ হবার মতো সাফল্য’ ইত্যাদি ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে এসব পোস্টার-ব্যানারে
ভৈরব জিল্লুর রহমান মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আবু সাঈদ আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, নির্বাচন কমিশন যেমন আচরণবিধি জারি করে যত্রতত্র প্রচারণার অত্যাচার থেকে নাগরিকদের রক্ষা করেছে, তেমনি কোচিং সেন্টরের বেলায় এমন আচরণবিধি করা দরকার
একাধিক শিক্ষক প্রথম আলোকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জনকারীদের তালিকায় দিনমজুর ফরহাদের ছবি আসলে কোচিং সেন্টারের প্রতারণার চিত্র এর মাধ্যমে সামান্য হলেও প্রকাশ পেয়েছে কোচিং সেন্টারগুলোর শিক্ষা-বাণিজ্যের অন্ধকার দিক
নীতিবর্জিত কর্মকাণ্ড: ভৈরবের শিক্ষার্থী মানাল বিনতে মো. উল্লাহ ও আবদুল্লাহ আল হামীম টানাহেঁচড়ার শিকার হয়েছেন বলে জানান ইউসিসি এবং প্যারাগন ভৈরব শাখার পোস্টারে তাঁদের ছবি ছাপিয়েছে
মানাল তাঁর কাছে পড়ত কি না জানতে চাইলে প্যারাগনের পরিচালক বলেন, ‘মানাল আমার এখানে মডেল টেস্ট পরীক্ষা দিয়েছে সে হিসেবে তাকে নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি
ইউসিসি কোচিং সেন্টার ভৈরব শাখার পরিচালক এনামুল হক বলেন, ‘আমার সেন্টার থেকে কোচিং করেছে এমন অনেক শিক্ষার্থীর ছবি বিভিন্ন কোচিং সেন্টার প্রচারণায় ব্যবহার করছে বিশেষ করে, প্যারাগন আমাদের মেধাবীদের নিয়ে বাণিজ্য করছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শারমিন আক্তার ও শারমিন ইসলাম নামের দুই শিক্ষার্থীর ছবি ইউসিসি, ইউনিভার্সিটি এডমিশন কেয়ার এবং ইউএসি কোচিং পোস্টারে ছাপিয়েছে
ইউনিভার্সিটি এডমিশন কেয়ার ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার পরিচালক তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘দুই শারমিনই আমাদের এখানে কোচিং করে বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছে আমাদের সাফল্য কেড়ে নিয়ে ইউসিসি ও ইউএসি শিক্ষার সঙ্গে প্রতারণা করেছে
পাল্টা দাবি ইউসিসির পরিচালক ইজাজ বিন আজিজের তিনি বলেন, ‘দুই শারমিন আমাদের এখানে পড়েছে এডমিশন কেয়ার ভুয়ামি করেছে
ইউনিএইড নরসিংদী শাখার পরিচালক কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার এখান থেকে কোচিং করল আর তাদের ছবি ছাপিয়ে গর্ব করে অন্যরা সে দুঃখে এবার আমি পোস্টারই করিনি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ কাজী মো মোস্তফা জালাল প্রথম আলোকে বলেন, এরা কোচিংয়ের নামে শিক্ষার্থীদের হাতে কিছু শিট ধরিয়ে দেয় এতে শিক্ষার্থীদের খুব বেশি উপকৃত হওয়ার সুযোগ নেইপ্রথম আলো

রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০১১

চক্ষু বিভাগে চর্ম চিকিৎসক

চর্মরোগের চিকিৎসককে পাঠানো হয়েছে চোখের চিকিৎসা দিতে। আর এ কাজে তাঁর সঙ্গী হয়েছেন প্যাথলজির অন্য চিকিৎসক। ঘটনাটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের। দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসকেরা বলছেন, এমন ঘটনার নজির তাঁদের মনে পড়ে না।
হাসপাতালের পরিচালক শহীদুল হক মল্লিক প্রথম আলোকে বলেন, চক্ষু বিভাগে অন্য বিভাগের চিকিৎসক থাকায় আবাসিক সার্জনের ওপর চাপ পড়ছে। সাধারণ সমস্যা নিয়ে যাঁরা আসেন, তাঁদের বেলায় অন্য বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তারা সেবা দিলে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু জটিল রোগীদের চিকিৎসা দিতে বিশেষায়িত জ্ঞান থাকা দরকার। বিষয়টি তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে জানিয়েছেন।
চক্ষু বিভাগের আবাসিক সার্জন মোস্তাক আহমেদ বলেন, গড়ে প্রতিদিন ১৫০ জন রোগী চক্ষু বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খন্দকার মো. সিফায়েত উল্লাহ বলেন, এক বিভাগের চিকিৎসক কিছুতেই অন্য বিভাগে কাজ করতে পারেন না। তিনি বলেন, ‘শুধু ঢাকায় থাকার জন্য অনেকে এ রকম ফন্দিফিকির খোঁজেন। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে দ্রুত সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ৪ জুলাইয়ের জারি করা একটি বদলির আদেশে জানায়, টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত অনুভা চন্দকে (চর্মরোগ ও যৌনরোগ বিষয়ে এফসিপিএস, প্রথম পর্ব পাস) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু বহির্বিভাগে মণিকা খন্দকারের জায়গায় বদলি করা হলো।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চক্ষু বহির্বিভাগে চিকিৎসা কর্মকর্তার দুটি পদের একটিতে প্রায় দেড় বছর ধরে দায়িত্ব পালন করছেন প্যাথলজির চিকিৎসক মো. বশির। অন্য পদে চার-পাঁচ মাস ধরে কাজ করছিলেন স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিভাগের চিকিৎসক মণিকা খন্দকার।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন চিকিৎসক প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা চক্ষু বিভাগে অন্য বিভাগের চিকিৎসকদের বদলি করা নিয়ে বহু দিন ধরেই চিৎকার-চেঁচামেচি করে আসছিলাম। এত দিন পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আমাদের কথা শুনেছে। স্ত্রীরোগের চিকিৎসককে সরিয়ে চর্ম ও যৌনরোগের চিকিৎসক পাঠিয়েছে।’
চক্ষু বহির্বিভাগের অপর চিকিৎসা কর্মকর্তা প্যাথলজির চিকিৎসক মো. বশির বলেন, চক্ষু বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থাকা প্রয়োজন। তবে তিনি চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আন্তরিকতা দিয়ে কাজ করলে অনেকটাই পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব।
প্রথম আলো

শুক্রবার, ১৫ জুলাই, ২০১১

২০০ মিটারের জন্য ঘুরতে হয় দেড় কিলোমিটার

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার স্বরুপারচক ও কদমতলী মৌজার মাঝখানে ২০০ মিটার কাঁচা রাস্তা। এর দুই পাশে পাকা সড়ক। একটু বৃষ্টি হলে এই রাস্তায় পানি জমে যায়। তখন এলাকাবাসীকে প্রায় দেড় কিলোমিটার ঘুরে যাতায়াত করতে হয়। 
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, দৌলতদিয়া-খুলনা মহাসড়কের গোয়ালন্দ উপজেলার জমিদার ব্রিজ থেকে কয়েক শ গজ পরই ছোটভাকলা ইউনিয়নের স্বরুপারচক মৌজা। এই মৌজার সড়কের সবটুকুই পাকা। অথচ জমিদার ব্রিজ থেকে সোজা কদমতলী মৌজার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝামাঝি ২০০ মিটার কাঁচা রাস্তা আছে। একটু বৃষ্টি হলে রাস্তা কাদাপানিতে একাকার হয়ে যায়। অনেক দিন ধরে পানি জমে থাকায় রাস্তার বিভিন্ন স্থানে গর্ত হয়ে যায়। তখন এ সড়ক দিয়ে কোনো সাইকেল, রিকশা-ভ্যান তো দূরের কথা, হেঁটেও যাওয়া যায় না।
নলডুবি গ্রামের শাহজাহান শেখ বলেন, ‘মাত্র এক মিনিটের রাস্তা পার হতে এখন আমাদের প্রায় দেড় কিলোমিটার পথ ঘুরতে হয়। আমাদের এই কষ্ট দেখার যেন কেউই নেই।’
ছোটভাকলা ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. মোমিনুল ইসলাম বলেন, ওই রাস্তা পাকা করার বিষয়টি উপজেলার মাসিক সমন্বয় কমিটির সভায় বেশ কয়েকবার উত্থাপন করা হয়েছিল। এমনকি রাজবাড়ী-১ আসনের সাংসদের কাছেও সমস্যাটি জানানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কিছুই হয়নি। উপজেলার নলডুবি, স্বরুপারচক, কদমতলী, ভাগলপুরসহ পাঁচ-ছয়টি মৌজার দুই হাজার মানুষ প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন। 
ছোটভাকলা ইউপির চেয়ারম্যান মো. আমজাদ হোসেন বলেন, ‘ওই এলাকার কয়েক হাজার মানুষ রাস্তাটি পাকা না হওয়ায় প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। আমি স্থানীয় সাংসদকে বলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছি।’ 
উপজেলা প্রকৌশলী মো. শামছুল হক মোল্লা বলেন, গোয়ালন্দ পৌরসভার বাইরে ২ দশমিক ৭৫ কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণের কাজ চলছে। অসম্পূর্ণ আরও প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তার সঙ্গে ওই ২০০ মিটার সংযুক্ত করে পাকা সড়ক নির্মাণের একটি প্রকল্প প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।

বুধবার, ১৩ জুলাই, ২০১১

পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হয়েও জ্যেষ্ঠতা পেলেন ১৯৭ জন চিকিৎসক

দশম বিসিএসের ১৯৭ জন চিকিৎসক কর্মকর্তা বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ না নিয়ে এবং জ্যেষ্ঠতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হয়েও জ্যেষ্ঠতা পেয়েছেন, অথচ বাদ পড়েছেন বিভিন্ন সময় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া তাঁদের তিন শতাধিক সহকর্মী।
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কার কথা জানিয়েছে সরকারি সূত্রগুলো। আর বঞ্চিত ব্যক্তিরা বলছেন, নানা নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলায় পূর্ণ স্বাস্থ্য খাতে সরকার নতুন করে বৈষম্য ও অসংগতি সৃষ্টি করল। তাঁরা আইনগতভাবে বিষয়টি মোকাবিলার উদ্যোগ নিচ্ছেন।
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮১-এর বিধি ৭ অনুযায়ী, সরকারি চাকরিতে স্থায়ী হতে হলে চার মাসের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং বিভাগীয় পরীক্ষায় পাস করতে হবে। জ্যেষ্ঠতা পেতে হলে চাকরিতে যোগ দেওয়ার ১৪ বছরের মধ্যে সরকারি কর্মকমিশনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতেই হবে।
কিন্তু ওই ১৯৭ চিকিৎসক কর্মকর্তা বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ নেননি, জ্যেষ্ঠতার পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হননি। একই সময়ে নিয়োগ পাওয়া ২৪৭ জন জ্যেষ্ঠতা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে কাজ করছেন।
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, সরকারের এই সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্য খাতে চলমান নানা সমস্যাকে আরও প্রকট করবে। বঞ্চিত ব্যক্তিদের মধ্যে ক্ষোভ-বিক্ষোভ থাকা স্বাভাবিক, যার প্রভাব শেষ পর্যন্ত গিয়ে পড়বে রোগীদের ওপর। একজন চিকিৎসক তখনই কাজের স্পৃহা পাবেন, যখন তাঁর প্রতি ন্যায্য আচরণ করা হবে।
তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (প্রশাসন) আশরাফুল ইসলাম বলেন, জ্যেষ্ঠতা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম করা হয়নি। স্বাস্থ্য ক্যাডারে জ্যেষ্ঠতা দেওয়ার যে বিধান, তা পুরোপুরিভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে নানা অনিয়মের কারণে বহু বছর আগে নিয়োগ পাওয়া চিকিৎসকেরা বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের বাইরে থেকে গেছেন। নির্বাহী আদেশে তাঁরা সব শর্ত থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।
নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, ১৯৯৪ সালের ৫ ডিসেম্বর প্রকাশিত সরকারি গেজেটে ১৯৯১ সালের ৫ ডিসেম্বর বা তার আগে চাকরিতে যোগ দেওয়া চিকিৎসকদের বিভাগীয় পরীক্ষা ও বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। কিন্তু জ্যেষ্ঠতা পাওয়া ১৯৭ জন চিকিৎসক চাকরিতে যোগ দিয়েছেন ১৯৯১ সালের ১১ ডিসেম্বর।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, অনিয়ম দূর করতে গিয়ে মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রপতির আদেশের ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে। হরেদরে অব্যাহতি দিলে নতুন করে আইনগত জটিলতা সৃষ্টির আশঙ্কা আছে। রাজনৈতিক বিবেচনায় তাঁদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে যেকোনো সময় সেই আদেশ বাতিলও করা হতে পারে।
সূত্রগুলো জানায়, গত ৪ জানুয়ারি স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় ওই ১৯৭ জনের জ্যেষ্ঠতা প্রসঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয়ে যে চিঠি পাঠিয়েছে, তাতে দুই ধরনের তথ্য দেওয়া হয়েছে। উপসচিব মো. হুমায়ুন কবীর স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ৫ ডিসেম্বর ১৯৯১ বা তার আগে যাঁরা নিয়োগ পেয়েছেন, তাঁদের জ্যেষ্ঠতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার শর্ত থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
ওই একই চিঠিতে বিশেষ বিসিএসের একজন, চতুর্থ বিসিএসের দুজন, সপ্তম বিসিএসের ২৭ জন, অষ্টম বিসিএসের ৫০৬ জন, নবম বিসিএসের ২০৭ জন, দশম বিসিএসের ১৯৭ জন এবং একাদশ বিসিএসের একজনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
এর কারণ হিসেবে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ১৭তম বিসিএসের কর্মকর্তারাও জ্যেষ্ঠতা পেয়েছেন। কিন্তু প্রথম থেকে একাদশ বিসিএস পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তা বঞ্চিত হয়েছেন। জ্যেষ্ঠতা না পাওয়ায় তাঁরা হতাশ। তাঁদের কাজের গতিশীলতা আনাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দশম বিসিএসের ওই কর্মকর্তারা ১৯৯১ সালের ১১ ডিসেম্বর চাকরিতে যোগ দিলেও, নথিপত্রে ওই বছরের ২২ এপ্রিল তাঁদের যোগদানের তারিখ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ২২ এপ্রিল সরকারি কর্মকমিশন তাঁদের চাকরির সুপারিশ করেছিল।
সূত্রগুলো জানায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তথ্যগত ওই অসংগতি সম্পর্কে জানে। বহু বছর ধরে স্থগিত থাকার পর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার চিকিৎসকদের পদোন্নতি ও জ্যেষ্ঠতা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ায় ২০০৯ সালের ২৬ এপ্রিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে। তাতে বলা হয়, ১৯৯১ সালের ৫ ডিসেম্বরের পর চাকরিতে যোগ দেওয়া চিকিৎসকদের বিভাগীয় পরীক্ষা, বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ ও সিনিয়র স্কেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া আবশ্যক। বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি। বিভাগীয় পদোন্নতির জন্য এই তথ্য আবশ্যক।
তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খন্দকার মো. সিফায়েতউল্লাহ বলেন, স্বাস্থ্য খাতে বহুদিন ধরে যে বিশৃঙ্খলা চলে এসেছে, তা দূর করে শৃঙ্খলা আনার লক্ষ্যে কাজ চলছে।

মঙ্গলবার, ১২ জুলাই, ২০১১

কেটি পেরি'র পোশাক বিভ্রাট!

মার্কিন গায়িকা কেটি পেরির নতুন গান ‘লাস্ট ফ্রাইডে নাইট’-এর মিউজিক ভিডিওতে খোলা বুকে দেখা গেছে তাকে। অবশ্য জানা গেছে, ইচ্ছাকৃতভাবে এমনটা করেননি তিনি, পোশাক বিভ্রাটের কারণেই নাকি এমন ঘটেছে। খবর সান-এর।  

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, মিউজিক ভিডিওটির একটি দৃশ্যে হঠাৎ করেই পোশাক বিভ্রাটের কবলে পড়েন ২৬ বছর বয়সী এই গায়িকা।   

জানা গেছে, মিউজিক ভিডিওটিতে একটি কাল্পনিক চরিত্রের মডেল হয়েছেন কেটি। চরিত্রটির নাম কেথি বেথ টেরি। 




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটক

মধুচন্দ্রিমায় বিবসনা কেট মস

সদ্য বিবাহিতা বৃটিশ সুপারমডেল কেট মস ও তার স্বামী জেমি হিঞ্চ সম্প্রতি ফ্রান্সের কর্সিকা দ্বীপে মধুচন্দ্রিমায় গিয়েছেন। জানা গেছে, সেখানে বিলাসবহুল একটি প্রমোদতরীতে বিবসনা অবস্থায় ক্যামেরাবন্দী হয়েছেন ৩৭ বছর বয়সী এই মডেল। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়ার। 

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, প্রমোদতরীতে সূর্যস্নানের সময় ৪২ বছর বয়সী জেমিকে ঘনঘনই আলিঙ্গন করেছেন এবং চুমু খেয়েছেন কেট।

উল্লেখ্য, এ বছরের ১ জুলাই গাঁটছড়া বেঁধেছেন এই জুটি। কর্সিকাতে যাওয়ার পর এই প্রথম তাদের মধুচন্দ্রিমার ছবি প্রকাশিত হলো।
 



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

সোমবার, ১১ জুলাই, ২০১১

চন্দ্রপুরের বাঁশের হাট

চিত্রার বুক থেকে বেরিয়ে ছুটে চলেছে আতাই নদী। কিছু দূর গিয়ে আচমকা বাঁক নিয়েছে নদীটি। বাঁকের একটু আগে নদীর ডান তীরে পড়ে আছে বাঁশের বড় বড় স্তূপ। চলছে বাঁশের বেচাকেনা। এটি চন্দ্রপুরের বাঁশের হাট।
এ হাট যশোরের অভয়নগর উপজেলার চন্দ্রপুর গ্রামে। প্রতি বুধবার এ হাট বসে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে বেচাকেনা। এখানে সব প্রকারের বাঁশ বেচাকেনা হয়। পাইকারি ও খুচরা ক্রেতারা বাঁশ কেনেন। এখানে প্রতি হাটে গড়ে পাঁচ হাজার বাঁশ বিক্রি হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কেউ বাঁশের দরদাম করছেন। কেউ দরদাম মিটিয়ে নদীতে বাঁশ ফেলে দড়ি দিয়ে বাঁধছেন। বাঁশের স্তূপের ওপর বসে স্রোতের টানে নিজ নিজ গন্তব্যে যাত্রা শুরু করেছেন কেউ কেউ। বেশ কয়েকজন বাঁশ কাঁধে নিয়ে বাড়ি যাচ্ছেন।
নড়াইলের শীতলবাড়ী গ্রাম থেকে ইব্রাহিম হোসেন ৭৯টি বাঁঁশ নিয়ে হাটে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘আশপাশের গ্রাম থেকে বাঁশ কিনে এনে এই হাটে বিক্রি করি। অন্য ব্যবসায়ীরা এই বাঁশ কিনে খুলনার বটিয়াঘাটা, ডুমুরিয়া, পাইকগাছা, কয়রা, দাকোপ এবং সাতক্ষীরার তালা, শ্যামনগর, কালীগঞ্জ প্রভৃতি উপজেলায় নিয়ে বিক্রি করেন।’ চন্দ্রপুর গ্রামের ইলিয়াস শিকদার বলেন, এই হাটে গড়ে আড়াই থেকে তিন হাজার বাঁশ ওঠে। তবে বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে এর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়।
এ হাট থেকে বাঁশ কিনে খুলনার দাকোপ ও কয়রায় নিয়ে বিক্রি করেন চন্দ্রপুর গ্রামের মতিয়ার রহমান খাঁন। তিনি বলেন, এখানে আকারভেদে ১০০ বাঁশ নয় থেকে ১২ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।
রামনগর গ্রামের বাসিন্দা বৈদ্যনাথ বিশ্বাস বলেন, নদীপথে যোগাযোগের ওপর ভিত্তি করে দেশ স্বাধীনের পরপর চন্দ্রপুর গ্রামে আতাই নদীর তীরে বাঁশের এ হাট গড়ে ওঠে। ছোট পরিসরে শুরু হলেও কালক্রমে এর পরিধি বেড়েছে। এখানে বাঁশ ছাড়া আর কোনো জিনিসপত্র বিক্রি হয় না।

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | JCPenney Coupons