Woman লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Woman লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০১১

এক্সট্যাসি ট্যাবলেটই কেড়ে নিয়েছে এমির প্রাণ!

এমি ওয়াইনহাউসের মৃত্যুরহস্য এখন পর্যন্ত উদঘাটিত না হলেও তার কাছের বন্ধুরা দাবী করেছেন, এক্সট্যাসি ট্যাবলেটই কেড়ে নিয়েছে তার জীবন। তাদের ধারণা, অ্যালকোহলের সঙ্গে এক্সট্যাসি ট্যাবলেট মিশিয়ে মাত্রারিক্ত সেবণ করাতেই মাত্র ২৭ বছর বয়সে পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে চলে গেছেন এমি। খবর এনডিটিভি’র।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এ প্রসঙ্গে এমির ঘনিষ্ঠ এক বন্ধু বলেছেন, ‘মৃত্যুর ৭দিন আগে থেকেই প্রচুর পরিমাণে মাদক নিচ্ছিলেন এমি। অনেকেই বলাবলি করছিলেন, এবার সত্যি সত্যিই মাদক তার জীবনকে শেষ করে দেবে। অ্যালকোহল বা কোকেইন তার শরীর সহ্য করে নিয়েছিলো। কিন্তু অতিমাত্রায় এক্সট্যাসি ট্যাবলেট তার শরীর গ্রহণ করেনি। সম্ভবত এটাই তার মৃত্যুর কারণ।’

এমটিভির প্রযোজক ড্যানি প্যান্থাকিও এমির মৃত্যু সম্পর্কে একইরকম ধারণা দিয়েছেন। তার ভাষ্য, ‘আমার বান্ধবীর বয়ফ্রেন্ড একজন পুলিশ অফিসার। এমির মৃতদেহ উদ্ধারের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তিনি। তিনি জানিয়েছেন, এক্সট্যাসি ওভারডোজেই এমির মৃত্যু হয়েছে।’

অবশ্য এমির মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখন পর্যন্ত মুখ খোলেনি পুলিশ। তার পোস্টমর্টেম সম্পন্ন হলেও, এর ফলাফল পেতে আরো সপ্তাহ চারেক সময় লাগবে।

এদিকে জানা গেছে, এমির শেষকৃত্য সম্পন্ন হচ্ছে ২৬ জুলাই মঙ্গলবার। পারিবারিকভাবেই তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে বলেই নিশ্চিত করেছেন তার পরিবারের এক সদস্য। অবশ্য কোথায় এবং কখন তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে সে ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, ২৩ জুলাই শনিবার বিকেলে এমি ওয়াইনহাউসের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় তার মরদেহ।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

লম্বা হওয়ার খ্যাতি

সমকাল ডেস্ক
মেয়েটির নাম জেসিকা পারডো। ১৮ বছর বয়সেই তার উচ্চতা এখন ৬ ফুট ৯ ইঞ্চি। জেসিকাকে বলা হয় ব্রিটেনের সবচেয়ে লম্বা অষ্টাদশী। তার এই শারীরিক গঠনের জন্য সে মোটেই বিব্রত নয়। বরং সে গর্বিত। লোকজন তাকে বিশেষ দৃষ্টিতে দেখে। ঘরের বাইরে গেলে সবার চোখে পড়ে যায় সে। লম্বা হওয়ার কারণে জেসিকা হিল জুতা পরতে পারে না। অনলাইনে বা টেইলারিং থেকে বিশেষভাবে তাকে পোশাক তৈরি করিয়ে নিতে হয়।
গাড়িতে চড়তে বা চালাতে গেলে জেসিকা সমস্যায় পড়ে। বিশেষ ধরনের বড় গাড়ির প্রয়োজন পড়ে তার। বাসায় হাঁটা-চলার সময় সতর্কতার সঙ্গে চলতে হয়। দরজা অতিক্রম করার সময় মাথা নিচু করে চলতে হয় তাকে। কোনো অনুষ্ঠানে গেলে জেসিকা সবার পেছনে দাঁড়িয়ে তা উপভোগ করতে পারে। লম্বা হওয়ার কারণে ইতিমধ্যে তার ফেসবুকে অনেক বন্ধু জুটে গেছে। কয়েকজন ছেলে বন্ধুও আছে তার। তার মা লিসা (৪১) একজন প্রশাসক। যদিও তার মা-বাবার ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে। জেসিকা তার ছোট ভাই নেইলের (১৭) সঙ্গে মার কাছেই থাকে। ছোট ভাই নেইলের উচ্চতা ৬ ফুট ১০ ইঞ্চি। তার চেয়ে এক ইঞ্চি লম্বা। জেসিকার মা সবার উচ্চতা প্রসঙ্গে জানান, জেসিকার বাবা অ্যান্ড্রুর (৪৩) উচ্চতা ৬ ফুট ৭ ইঞ্চি। আর তার উচ্চতা ৬ ফুটের ওপরে। এ কারণে মেয়ে জেসিকা এবং ছেলে নেইলও উচ্চতায় তাদের ছাড়িয়ে গেছে। জেসিকার ফুফু এবং চাচাও তাদের বাবার মতোই লম্বা। ইংল্যান্ডের ফুটবল স্ট্রাইকার পিটার ক্রাউচের চেয়েও জেসিকা লম্বায় বড়। ইংল্যান্ডের দ্য টল পারসন ক্লাবের সদস্য জেসিকা। জেসিকার মা জানিয়েছেন, অন্তত ১৮ মাস আগে থেকে জেসিকার উচ্চতা আর বাড়ছে না। দ্য মেইল

রবিবার, ১০ জুলাই, ২০১১

এশিয়ান উইমেন ভার্সিটির১১ ছাত্রী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত বহাল

Details
পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার দায়ে ১১ ছাত্রীর বহিষ্কারের আদেশ বহাল রেখেছে এশিয়ান ফর উইমেন ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ। গতকাল শনিবার বহিষ্কৃত ছাত্রীদের অভিভাবকদের সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কর্তৃপক্ষ তাদের নীতিমালার কথা তুলে ধরেন এবং পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন। বহিষ্কৃত ছাত্রীদের মধ্যে ৮ জন বাংলাদেশী, ১ জন শ্রীলংকান ও ১ জন ভারতীয়। সূত্র জানায়, গত জানুয়ারি মাসে একই অভিযোগে এক ছাত্রী বহিষ্কার ও ২ জনকে সাময়িক বহিষ্কার করে কর্তৃপক্ষ।
  ইত্তেফাক

শুক্রবার, ৮ জুলাই, ২০১১

‘অন্যনারীকে মুগ্ধ করতেই নারীর সাজগোজ’


পুরুষসঙ্গীকে খুশী করতে নারীরা আয়নার সামনে বেশি সময় কাটায় বলে প্রচলিত ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষসঙ্গী নয় অন্যনারীর কাছ থেকে বাহবা পাওয়ার উদ্দেশ্যেই নারীরা সাজগোজ করে থাকে। ২ হাজার নারীর ওপর পরিচালিত সিম্পল স্কিন কেয়ারের গবেষণা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এনডিটিভি এ তথ্য জানায়।
এতে দেখা যায়, জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশই অন্য নারীর কাছ থেকে প্রশংসাসূচক মন্তব্য পাওয়ার জন্য পোশাক নির্বাচন করে। অপরদিকে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৬ জন পোশাক নির্বাচন করে তাদের বান্ধবীদের কথা মাথায় রেখে।
এক চতুর্থাংশেরও বেশি অংশগ্রহণকারী জানিয়েছে, তারা পুরুষ নয় বরং অপরিচিত নারীদের কাছ থেকেই বেশি মন্তব্য পেয়ে থাকে।
সিম্পল স্কিন কেয়ারের এক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে দ্য ডেইলি মেইল বলেছে, “প্রচলিত একটি ধারণা রয়েছে যে, বিপরীতলিঙ্গের সঙ্গীকে খুশী করতেই নারীরা সব কিছু করে থাকে। তবে গবেষণায় দেখা গেছে এটা সবসময় ঠিক নয়।”
গবেষণায় অংশগ্রহণকারী নারীদের ২২ শতাংশ দাবি করেন, পুরুষরা কেমন মন্তব্য করল তা তারা মোটেও পরোয়া করেন না। আর ৪৮ শতাংশ নারী জানান, তারা মূলত অপরিচিত নারীদের কাছ থেকে প্রশংসা পেতেই বেশি পছন্দ করেন।
বিডিনিউজ২৪

মঙ্গলবার, ৫ জুলাই, ২০১১

পুত্রসন্তান না হওয়ায়..

প্রথম সন্তান ছেলে না হওয়ায় অসন্তুষ্ট। ছেলের আশায় নিলেন দ্বিতীয় সন্তান। সেটিও মেয়ে। আশা পূরণ না হওয়ায় ৩৩ দিন বয়সী শিশুকন্যাকে ডোবায় ফেলে হত্যা করেছেন এক মা।
ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার রাতে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার কেয়ামুল্লাহ গুচ্ছগ্রামে। পুলিশ শিশুটির মা কনক বেগমকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে। তিনি সন্তানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
এলাকাবাসীর বিবরণ অনুযায়ী, উপজেলার কেয়ামুল্লাহ গুচ্ছগ্রামের খলিলুর রহমানের (৫০) স্ত্রী কনক বেগম শনিবার রাত ১০টার দিকে তাঁর ৩৩ দিন বয়সী শিশুকন্যাকে গোপনে বাড়িসংলগ্ন একটি ডোবায় ফেলে দেন। পরে তিনি বাচ্চা চুরি হয়েছে বলে ডাকচিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। তারা রাত ১১টার দিকে ডোবায় শিশুটির লাশ দেখতে পায়। এ সময় মেয়ের লাশ দেখে কনক বেগম বারবার মূর্ছা যান।
খবর পেয়ে তজুমদ্দিন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুর রহীম খান ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাবাসীর তথ্যের ভিত্তিতে কনক বেগমকে আটক করেন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রশীদ ভূঁইয়া বলেন, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে কনক বেগম তাঁর শিশুসন্তানকে ডোবায় ফেলে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
এ ব্যাপারে গত রাতে মুঠোফোনে কনক বেগমের স্বামী ইঞ্জিনমিস্ত্রি খলিলুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর আদি বাড়ি মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায়। তিনি চারটি বিয়ে করেছেন। তিনি প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে লৌহজংয়ে থাকেন। সেই ঘরে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে। ২০ বছর আগে তিনি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার মির্জাকালু গ্রামের কনক বেগমকে বিয়ে করেন। এই ঘরের বড় মেয়ে লাকির বিয়ে হয়েছে চট্টগ্রামে।
খলিলুর রহমান বলেন, ছেলেসন্তানের আশায় অনেক বিলম্বে কনক বেগম দ্বিতীয় সন্তান নিয়েছেন। কিন্তু মেয়ে হয়েছে দেখে তাঁর স্ত্রী শুরু থেকেই অসন্তুষ্ট। তিনি প্রায়ই সন্তানকে মেরে ফেলার হুমকি দিতেন। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে ঝগড়াও হয়েছে।
ওসি আবদুর রশীদ ভূঁইয়া জানান, এ ঘটনায় এসআই আবদুর রহীম খান বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেছেন। কনক বেগমকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার, ৪ জুলাই, ২০১১

২২.৫ মিলিয়নি মামলায় ফাঁসছেন পামেলা!


‘বেওয়াচ’ তারকা প্লেবয় মডেল পামেলা অ্যান্ডারসনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি ২২.৫ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ মামলা দায়ের করেছেন তার সাবেক বয়ফ্রেন্ড লরেন্স হেলিয়ার। খবর প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়ার।

জানা গেছে, অ্যাপার্টমেন্ট ব্যবসায়ী লরেন্স অভিযোগ করেছেন, লাস ভেগাসে তার প্যানোরমা টাওয়ার্সের প্রচারণার কাজ করতে চাইলেও, শেষ পর্যন্ত সেটা আর করেননি পামেলা। ফলে অ্যাপার্টমেন্টটির কয়েকটি ইউনিট বিক্রি হয়নি। এ কারণেই পামেলার বিরুদ্ধে এই ক্ষতিপূরণ মামলা করেছেন তিনি।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এর আগে পামেলা আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন লরেন্সের বিরুদ্ধে। তিনি অভিযোগে বলেছিলেন, ‘প্যানোরমা টাওয়ার্সের প্রচারণার বিনিময়ে আমাকে ফ্ল্যাট দিতে চাইলেও, লরেন্স তার কথা রাখেননি। এ কারণেই আমি এই প্রজেক্টের হয়ে কোনো কাজ করিনি এবং এখন এই প্রজেক্টের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততাও নেই।’

সংবাদমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, ফ্ল্যাট হস্তান্তর না করায় পামেলা ১ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণও চেয়েছিলেন লরেন্সের কাছে। আর এই অভিযোগ দায়েরের কয়েকদিনের মাথায়ই পাল্টা মামলা করলেন লরেন্স।

উল্লেখ্য, বেশ কয়েকবারই সম্পর্ক ভাঙ্গা-গড়ার খেলায় মেতেছিলেন পামেলা এবং লরেন্স। গত বছর চূড়ান্তভাবে নিজেদের সম্পর্ক ভেঙ্গে দিয়েছেন এই জুটি।


বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/টিকে/এইচআর/জুন ২৯/১১

শনিবার, ২ জুলাই, ২০১১

মৌমাছির চাক নাকি জুতা?

undefined

ওপরের ছবিটি দেখে কী মনে হচ্ছে? মৌমাছির চাক? আজব হলেও আসলে এটি পাসহ এক জোড়া জুতার ছবি। লেডি গাগা ব্যতিক্রর্মী বিভিন্ন ফ্যাশনে সবার কাছে বেশ পরিচিত। তিনি ১৯ জুন টরন্টোতে এক মিউজিক অ্যাওয়ার্ডে এ আকাশ-হিল (স্কাইহিল) জুতা পরে এসেছিলেন। 'মাস মিউজিক অ্যাওয়ার্ড' অনুষ্ঠানে তাই লেডি গাগার পা দুটি ছিল ফটো সাংবাদিকদের আকর্ষণের মূল খোরাক!

রবিবার, ২৬ জুন, ২০১১

কোলে শিশু, গায়ে মাদক

কাজে যাওয়ার আগে শিশুটিকে পেট ভরে খাওয়ানো হয় না। ধরা পড়লে ঘন ঘন চিমটি দিতে হয় কোলের শিশুটির গায়ে। এতে শিশুটি হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করে। সে সময় এক ধরনের সহানুভূতির পরিবেশ তৈরি হয়। তখন পুলিশকে বলি, খাবারের অভাবে কোলের বাচ্চাটা অভুক্ত। এগুলো নিতে পারলে কিছু টাকা পাওয়া যাবে। তা দিয়ে দুধ কেনা হবে। তখন উপস্থিত সবার মন একটু নরম হয়।’
মাদক পাচারের কৌশল সম্পর্কে এভাবেই বললেন কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার এক নারী মাদক বহনকারী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই নারী জানান, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে প্রতিবেশী ও ভাইবোনের বাচ্চাদের নেওয়া হয়। এ জন্য দিনপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা গুনতে হয়। আর শিশুটির সঙ্গে পরিচিত হয়ে উঠতে তাঁদের পূর্বপ্রস্তুতিও থাকে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব সার্কেলের পরিদর্শক তমিজ উদ্দিন মৃধা জানান, ব্যক্তি, প্রশাসন ও বিচারকদের কাছ থেকে সহানুভূতি আদায় করতে নারী মাদক বহনকারীরা শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ এই কাজে ব্যবহার করছে। জানা গেছে, গত ৪ এপ্রিল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের হাতে ধরা পড়েন তানহিয়া বেগম। কোলের শিশুটি তাঁর ছিল না। ভাড়ায় এনেছিলেন।
মাদক ব্যবসায় জড়িত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঝুঁকি এড়াতে অন্য যেকোনো পেশার চেয়ে এ পেশায় অতি কৌশলী হতে হয়। কিছুদিন পর পর বদলাতে হয় সেই কৌশল। তবে পুরুষের চেয়ে নারীরা এ পেশায় বেশ যোগ্য ও নিরাপদ। 
মাদক ব্যবসায়ীরা জানান, ভৈরব রেলওয়ে থানার ভৈরব থেকে ঢাকার টঙ্গী এবং কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করে। অপর দিকে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব সার্কেল থেকে নিয়ন্ত্রণ হয় কিশোরগঞ্জ জেলার সাতটি উপজেলা। র‌্যাব-৯ ভৈরব ক্যাম্পের অধীনে আছে কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা। ভৈরব মূল থানাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো প্রতিষ্ঠানে নারী সদস্য নেই। এই সুযোগটি নেন নারী মাদক বহনকারীরা। তাঁরা গায়ে মাদকদ্রব্য পেঁচিয়ে বহন করেন। ফলে পুলিশের পুরুষ সদস্যের পক্ষে দেহ তল্লাশি করা সম্ভব হয় না। 
ভাড়ায় শিশু নিয়ে মাদক বহন করেন ভৈরবের পঞ্চবটির এমন একজন নারী মাদক বহনকারী বলেন, ‘কাঁঠাল, কুমড়া, গাড়ির চাকা, স্যালাইনের প্যাকেট, সাপ রাখার বাক্স এমনকি গরম ভাতের পাত্রে করে মাদক পাচারের কৌশল পুলিশ জেনে গেছে। কী কারণে কোলে শিশু রাখা হয়, তা-ও পুলিশের জানা। এর পরও শিশু কোলে থাকলে কিছু সুবিধা পাওয়া যাবেই। পুলিশের কাছ থেকে মাফ না মিললে আদালতে গিয়ে পাওয়া যায়।’
বেসরকারি সংস্থা সাদ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী সাগর রহমান প্রথম আলোকে জানান, যেসব নারী কোলে নিজের বা ভাড়ায় নিয়ে মাদক বহন করেন, তাঁরা কিন্তু ব্যবসায়ী নয়, বহনকারী। গডফাদারদের দ্বারা পরিস্থিতির শিকার। ভৈরবের নামীদামি অনেক ব্যক্তি এই খাতে বড় অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করেছেন। ওই গডফাদারদের বিরুদ্ধে পুলিশের একার পক্ষে সফল হওয়া কঠিন। 
সমস্যা সমাধানের কিছু প্রস্তাব পাওয়া গেল ভৈরব রেলওয়ে পুলিশের কাছ থেকে। তারা জানায়, ‘বাল্লা লোকাল’ নামে ভৈরব-আখাউড়ার মধ্যে চলাচলকারী ট্রেনে করে নারীরা মাদক বহন করে থাকেন বেশি। সে কারণে স্থানীয়ভাবে ট্রেনটি ‘মাদক ট্রেন’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ট্রেনে নারী পুলিশ সদস্য রাখা, ওঠা ও নামার সময় সন্দেহভাজন যাত্রীদের দেহ তল্লাশি করা, কামরায় আলোর ব্যবস্থা করার মাধ্যমে ভৈরবের নারী মাদক ব্যবসায়ীদের বাধার মুখে ফেলা যায়।

শনিবার, ২৫ জুন, ২০১১

সুন্দরীরা মা হবে কেন?


ঐশ্বরিয়া রাই
সাবেক ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের মা হতে যাওয়ার খবরে ভক্তদের মাঝে আগ্রহের শেষ নেই। শ্বশুর অমিতাভ বচ্চনের ঘনিষ্ঠ জ্যোতিষী ও সংখ্যাতত্ত্ববিদ ভাবিক সাংভির গণনায় সেই আগ্রহে আবার যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা। ঐশ্বরিয়া না কি যমজ কন্যার মা হবেন! এসব এখন পুরোনো কথা।
যমজ কন্যার প্রসঙ্গ দূরে থাক, সুন্দরীদের কি ‘মা’ হওয়া মানায়? মনে হতে পারে, এটা কোনো প্রশ্ন হলো? কিন্তু ঐশ্বরিয়ার মা হওয়ার সংবাদে এমন প্রশ্নই তুলেছেন বলিউডের পরিচালক রামগোপাল ভার্মা। প্রশ্নটা শোনে রাগে গজগজও করতে পারেন অনেকে। 
‘আমি সুন্দরীদের পূজা করি। কিন্তু তাঁদের মা হতে দেখলে আমার ঘৃণা হয়। ঐশ্বরিয়ার ক্ষেত্রে আমার আরও বেশি ঘৃণা হচ্ছে। কারণ ও আমার কাছে বিশ্বের সুন্দরীতম নারী’—নিজের ব্লগে এভাবেই লিখেছেন রামগোপাল ভার্মা। এর পরেই অবশ্য তিনি যোগ করেছেন, ‘আমি পৃথিবীর সব সুন্দরীর ভক্ত। ভালোবেসে কোনো জুটিকে সুখী হতে দেখলে আমার দ্বিগুণ আনন্দ হয়।’
অভিষেক বচ্চনকে উদ্দেশ করে রামগোপাল লিখেন, ‘কোনো সুন্দরীর মা হওয়াকে আমি ঘৃণা করি। কিন্তু ও তোমার স্ত্রী বলে আমি অন্যকিছু বলব, অভিননননননন্দন।’ ওয়েবসাইট।
প্রথম আলো

সোমবার, ২০ জুন, ২০১১

গাইবান্ধায় স্ত্রীর লাথিতে স্বামীর মৃত্যু

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় আবদুস সাত্তার (৪৬) নামের এক ব্যক্তি স্ত্রীর লাথিতে মারা গেছন। গতকাল রোববার সাহাপাড়া ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ রেশমা বেগম নামের ওই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে।
প্রতিবেশীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, পাঁচ বছর আগে রেশমা বেগমের সঙ্গে আবদুস সাত্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাঁদের মধ্যে কলহ চলছিল। গতকাল বিকেল পাঁচটার দিকে দুজনের মধ্যে ঝগড়া বাধলে একপর্যায়ে স্ত্রী রেশমা সাত্তারের অণ্ডকোষে লাথি দেন। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারের পর রেশমা বেগম পুলিশের কাছে অপরাধ স্বীকার করেছেন। তাঁকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা হয়েছে।

পুকুরপাড়ের রহিমারা



undefined
ভৈরব পৌর শহরের রেলওয়ে স্টেশনলাগোয়া পুকুরপাড়
ছবি: প্রথম আলো
তিনি কখনো ঢাকায় যাননি। কোনো মামলার আসামিও ছিলেন না। অথচ ২০০৭ সালের ২০ জুলাই ঢাকার মতিঝিল থানার পুলিশের করা মাদক মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাত মাস কারাভোগের পর একটি মানবাধিকার সংস্থার সহায়তায় কিশোরগঞ্জ কারাগার থেকে মুক্তি পান। তাঁর নাম রহিমা বেগম। কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌর শহরের ভৈরবপুর এলাকার একটি পাটকলের শ্রমিক ছিলেন তিনি।
এই রহিমা আসলে মাদক ব্যবসায়ীদের কৌশল আর প্রতারণার শিকার। ভৈরব পৌর শহরের মাদকপল্লি হিসেবে পরিচিত পঞ্চবটীর পুকুরপাড়ে থাকতেন তিনি। এই পুকুরপাড়ে থাকেন রহিমা নামের একাধিক মাদক ব্যবসায়ী। তাঁদেরই একজন রহিমা বেগম মতিঝিল থানার পুলিশের হাতে মাদকসহ ধরা পড়েন। পরে জামিনে মুক্তি নিয়ে তিনি আর আদালতে হাজিরা দেননি। আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে পুলিশ ঠিকানা ধরে যাঁকে গ্রেপ্তার করে, তিনি পাটকলশ্রমিক রহিমা। কারণ মাদক ব্যবসায়ী রহিমা পুলিশকে এই রহিমার ঠিকানা দিয়েছিলেন গ্রেপ্তারের পর এবং মামলার কাগজপত্রে তা-ই স্থান পেয়েছে।
প্রথম আলোর অনুসন্ধানে অন্তত চারজন মাদক ব্যবসায়ী রহিমার খোঁজ মিলেছে, যাঁদের সবার ঠিকানা এই পুকুরপাড়। তবে ভৈরবের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. আক্তারুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, রহিমা নামের ভৈরবে অন্তত এক ডজন মাদক ব্যবসায়ী রয়েছেন। ধরা পড়ার পর তাঁরা অন্য রহিমার ঠিকানা ব্যবহার করে থাকেন। নিজেকে নিরপরাধ দাবি করে অন্য রহিমার ওপর দোষ চাপান। তাঁদের প্রত্যেকে একাধিক বিয়ে করেছেন। তাঁদের সন্তানের পিতৃপরিচয় নিয়েও হ-য-ব-র-ল অবস্থায় পড়তে হয়।
গত সপ্তাহে পঞ্চবটীর পুকুরপাড়ে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে চারজন রহিমার অবস্থান নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাঁরা হলেন চয়ন মিয়ার স্ত্রী রহিমা ওরফে রুহি, ধন মিয়ার স্ত্রী রহিমা বেগম (৪০), ইউসুফ মিয়ার স্ত্রী রহিমা বেগম (৩৬) এবং আবু বক্করের স্ত্রী রহিমা আক্তার (৩৮)। তাঁরা সবাই মাদক ব্যবসার সঙ্গ জড়িত। প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ভৈরব, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া ও ঢাকার বিভিন্ন থানায় মাদক আইনে একাধিক মামলা আছে বলে স্থানীয় থানার সূত্র জানায়।
রহিমা ওরফে রুহি: পুকুরপাড়ের লোকজন ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চারজনের মধ্যে রহিমা ওরফে রুহির (৩৫) পরিচিতি ব্যাপক। ভৈরব থানা পুলিশের হাতে একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করেছেন।
রহিমা ওরফে রুহি চারটি বিয়ে করেছেন। তাঁর সর্বশেষ স্বামীর নাম চয়ন মিয়া (৩২)। চয়ন মিয়ার বাড়ি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায়। ভৈরবে ফেনসিডিল সেবন করতে এসে রহিমার সঙ্গে তাঁর পরিচয়। চার মাস আগে এই ক্রেতা-বিক্রেতা বিয়ে করেন।
এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে রহিমা বলেন, ‘আমার পৈতৃকবাড়ি ভৈরবের পুকুরপাড়ে। বাবা কফিল উদ্দিন মুদি দোকানি ছিলেন। ১৫ বছর আগে তিনি মারা যান। ছয়জনের সংসার ছিল। আমি সবার ছোট। অভাবের সংসার। কষ্ট লাগত। পুকুরপাড়ে থেকে সহজে যে ব্যবসা করা যায়, তা হলো মাদক। সেই ১৫ বছর আগে জড়িয়ে গেলাম। লাভ খারাপ না। এক বোতল ফেনসিডিল থেকে কয়েক বোতল করা যায়। ১০০ টাকার ফেনসিডিল কখনো ৫০০ থেকে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা যায়। কিন্তু লাভ ঘরে নিয়ে যাওয়া যায় না। পুলিশ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও সমাজপতিদের ভাগ দিয়ে বেশি কিছু থাকে না। কয়েকবার ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু আগের তিন স্বামী ছেড়ে যাওয়ার কারণে তাঁদের ঘরের সন্তানদের নিয়ে বারবার সমস্যায় পড়তে হয়েছে। নিরুপায় হয়ে আবার ব্যবসায় ফিরেছি। সর্বশেষ ফেনসিডিল বিক্রি করতে গিয়ে চয়নের সঙ্গে প্রেম হয়। আমি ব্যবসা ছেড়ে দেব আর চয়ন মাদক খাওয়া ছাড়বে—এমন শর্তে রাজি হয়ে আমরা বিয়ে করি। এখন আর এই ব্যবসা করছি না।’
রহিমা ওরফে রুহি আরও বলেন, ভৈরবে রহিমা নামের অনেকে মাদক ব্যবসা করেন। এতে যেমন অসুবিধা, তেমনি সুবিধাও আছে।
ভৈরবে নারী মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে রহিমা নামের আধিক্য কেন—জানতে চাইলে রহিমা ওরফে রুহি বলেন, ‘পুকুরপাড়ের রহিমাদের নাম নকল না। বাবা-মায়ের দেওয়া নাম নিয়েই আমরা আছি। যেহেতু পুকুরপাড়ের কয়েকজন মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাই ভৈরবের বাইরে কোনো মহিলা পুলিশের হাতে ধরা পড়লে নিজের নাম না বলে পুকুরপাড়ের রহিমাদের কারও নাম বলে দেয়। পরে সে জামিন নিয়ে সটকে পড়ে। একপর্যায়ে পুলিশ এসে আমাদের ধরে নিয়ে যায়।’
তবে ভৈরব থানার উপপরিদর্শক ফরহাদ আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ভৈরবের কোনো মাদক ব্যবসায়ী সহজে মাদক ব্যবসা ছেড়ে দেয় না। রহিমা ওরফে রুহিও ছাড়েনি। কয়েক দিন আগেও রুহি আমার হাতে মাদকসহ ধরা পড়েছিল।
রহিমা বেগম: ধন মিয়ার স্ত্রী রহিমা বেগম ৩ জুন র‌্যাবের মাদকবিরোধী অভিযানে গুলিবিদ্ধ হয়ে বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনিও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। থানা সূত্র জানায়, তিনি ২০০৭ সালে মাদক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করেন। কারাগারে তাঁর একটি কন্যাসন্তান হয়। পহেলা বৈশাখে হওয়ায় কারা কর্তৃপক্ষ শিশুটির নাম রাখে বৈশাখী। বৈশাখীর বয়স এখন চার বছর।
গুলিবিদ্ধ রহিমার স্বামী ধন মিয়ার ভাইয়ের মেয়ে মনোয়ারা বেগম (৩০), বোনের মেয়ে সেলিনা বেগম (৩২), প্রতিবেশী নুরু মিয়ার ছেলে আজিজ মিয়া (৪০) এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, রহিমা বেগম একবার ফেনসিডিল নিয়ে নারায়ণগঞ্জে ধরা পড়েছিলেন। ওই মামলায়ই তিনি কারাগারে যান।
রহিমা বেগমের স্বামী ধন মিয়া স্বীকার করেন, তাঁর স্ত্রী একসময় মাদক ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। এখন করছেন না। ব্যবসা ছেড়ে দিলেও অন্য রহিমাদের খুঁজতে এসে পুলিশ তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে টানাহেঁচড়া করে। তিনি বলেন, ‘অনেক কষ্টে বোঝাতে হয়, এই রহিমা সেই রহিমা নয়।’
প্রতিবেশীরা জানান, স্বামীসহ আটজনের সংসার রহিমা বেগমের। স্বামী ধন মিয়া আগে রিকশা চালাতেন। কয়েক বছর আগে যক্ষ্মা ধরা পড়ে। এরপর থেকে কাজ করতে পারেন না। এ অবস্থায় মাঝেমধ্যে মাদক ব্যবসা করতেন রহিমা। তাঁদের দাবি, রহিমা বেগম এখন আর মাদক ব্যবসা করেন না।
রহিমা আক্তার: পুলিশকে সব সময় বিপাকে পড়তে হয়েছে রহিমা আক্তারকে (৩৮) নিয়ে। তাঁকে ধরামাত্র পুলিশের উদ্দেশে অকথ্য ভাষায় গালাগালি শুরু করেন। গলাটিপে নিজের সন্তান মেরে পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করার ও যৌন হয়রানির অভিযোগ আনার হুমকি দেন তিনি।
ভৈরব থানা সূত্র জানায়, ২০০৭ সালে পুলিশ অনেক কষ্টে রহিমা আক্তারকে ধরে আনে। থানাহাজতে ঢোকানোর পর কয়েকজন পুলিশের নাম ধরে অকথ্য ভাষায় গালাগালি শুরু করেন। ছেড়ে না দেওয়ায় হাজতের দেয়ালের সঙ্গে মাথা ঠুকে মাথা ফাটিয়ে ফেলেন। তাতেও কাজ না হওয়ায় হাজতে মলত্যাগের মতো ঘটনা ঘটান। তখন পুলিশের ছোটাছুটি শুরু হয়ে যায়।
থানা সূত্র জানায়, রহিমা আক্তার পুকুরপাড় ছেড়ে কিছু দিন ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বসবাস করছেন।
রহিমা বেগম: ইউসুফ মিয়ার স্ত্রী রহিমা বেগমের (৩৬) সঙ্গে কথা বলতে পুকুরপাড়ের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। মতিঝিল থানার মামলায় এই রহিমা বেগমই পাটকলশ্রমিক রহিমার ঠিকানা ব্যবহার করে তাঁকে বিপদে ফেলেছিলেন।
এলাকাবাসী জানান, ৩ জুন র‌্যাবের অভিযানে ধন মিয়ার স্ত্রী রহিমা বেগম গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর সব মাদক ব্যবসায়ীরা পুকুরপাড় ছেড়েছে। ফলে সেখানে মাদক বেচাকেনা আপাতত বন্ধ।
বিপত্তি ও কৌশল: পুলিশ ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পুকুরপাড়ে রহিমা এখন বিপত্তি ও কৌশলের নাম। পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পর এই মাদক ব্যবসায়ীরা স্বামীর নাম পাল্টে বলেন। যাঁদের একাধিক স্বামী আছে, তাঁরা একেক সময় একেক স্বামীর নাম ব্যবহার করেন। এটা তাঁদের আইনের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির কৌশল। আর পুলিশের জন্য বিপত্তির। পুকুরপাড়ে গিয়ে তাই এদের ঠিকানা শনাক্ত করতে হিমশিম খায় পুলিশ। আবার এতে পাটকলশ্রমিক রহিমার মতো নিরপরাধ নারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হন।
ভৈরব থানা: ভৈরব থানার উপপরিদর্শক ফরহাদ আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, শুধু পুকুরপাড় নয়, ভৈরবের মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের হাত থেকে রক্ষা পেতে ঘন ঘন অবস্থান পরিবর্তন করেন। ঠিকানা অনুযায়ী গিয়ে দেখা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই বাড়িতে থাকেন না, থাকেন অন্যজন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান কবির বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা কৌশলী হয়। শুধু নাম কেন, কোনো কিছুই তাদের কাছ থেকে সঠিকভাবে পাওয়া যায় না।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীদের ভূমিকা: রহিমাদের এ গল্প পড়লে মনে হতে পারে, ভৈরবের পুলিশ বুঝি কত অসহায়! কিন্তু সংশ্লিষ্টরা বলছেন ভিন্ন কথা। ভৈরব উপজেলা মাদকবিরোধী সামাজিক কমিটির সভাপতি ফখরুল আলম বলেন, ‘একসময় মনে হতো, সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা গেলে মাদক নির্মূল করা যাবে। পরে দেখলাম সমস্যা অনেক। কারণ, এর সঙ্গে আমাদের পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন দপ্তরের লোকজন জড়িত। সুবিধা নিচ্ছে সমাজের কিছু প্রভাবশালী লোকও। খেয়াল করে দেখবেন, ভৈরব থেকে পুলিশ সদস্যরা বদলি হতে চান না। এর মূল কারণ, মাদকের বিরাট অঙ্কের মাসোহারা।’
৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাদকবিরোধী কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাদল মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘পুকুরপাড় আর পঞ্চবটীর মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কথা বলা মানে নিজের ইজ্জতের ওপর হুমকি ডেকে আনা। এক বছর আগে এক নারী মাদক ব্যবসায়ী আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা নারী নির্যাতনের মামলা ঠুকে দেয়। পুলিশ জানে, আমরা মাদকবিরোধী আন্দোলন করি। তার পরও তারা মিথ্যা মামলাটি নেয়। অনেক বিড়ম্বনা পোহাতে হয় ওই মামলায়।’
বাদল মিয়া আরও বলেন, ‘আমাদের মাদকবিরোধী ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি মমতাজ উদ্দিনও একজন মাদক ব্যবসায়ীর করা নারী নির্যাতন মামলার আসামির অপবাদ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। এখানকার মাদক ব্যবসায়ীরা এলাকার ভোট নিয়ন্ত্রণ করেন। তাঁদের মন না জুগিয়ে কারও পক্ষে জনপ্রতিনিধি হওয়াও কঠিন।’
এসব বিষয় প্রশাসনেরও জানা ছিল। তাই ২০০৫ সালের দিকে ইউএনওকে সভাপতি আর থানার ওসিকে সদস্য-সচিব করে সাত সদস্যের মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছিল। সেলের অন্যতম দায়িত্ব ছিল, সামাজিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা যেন কোনোভাবেই মাদক ব্যবসায়ীদের হামলা ও মিথ্যা মামলার শিকার না হন। শুরুতে মনিটরিং সেল বেশ সক্রিয় ছিল। পরে নানা চাপে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন ঝিমিয়ে পড়লে এ সেলও ঝিমিয়ে পড়ে।’
ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান কবির বলেন, মাদক বিষয়ে পুলিশ খুব সতর্ক। র‌্যাব-পুলিশের ঘন ঘন অভিযানের কারণে এখন মাদক ব্যবসায়ীরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। তবে তারা খুবই সংঘবদ্ধ ও চতুর। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের আটকানো কঠিন হয়ে পড়ে।
পুকুরপাড়ের যাত্রা: স্বাধীনতার কয়েক বছর আগে মগল মিয়া নামের এক ব্যক্তি ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনসংলগ্ন পতিত জমিতে ঘর বাঁধেন। অল্প সময়ের মধ্যে মন্নাফ মিয়া, গফুর মিয়া ও উমর আলী নামের আরও তিন ব্যক্তি প্রতিবেশী হন মগল মিয়ার। তখন স্থানটি সড়ক ও বিদ্যুৎবিহীন ছিল। ক্রমে বসতির সংখ্যা বাড়ে। রেলওয়ের এই জমিতে একটি পুকুরও আছে। এ কারণে এলাকাটি পুকুরপাড় নামে পরিচিতি পায়।
এই পুকুরপাড় এখন প্রশাসন ও স্থানীয় বাসিন্দারের কাছে মাদকপল্লি হিসেবে পরিচিত। এখান থেকেই ভৈরবের মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রিত হয়। বর্তমানে পুকুরপাড়সংলগ্ন রেলওয়ের জায়গা দখল করে বা ইজারা এনে বস্তি গড়ে তুলেছেন স্থানীয় সমাজপতিরা। এসব বস্তি ভ্রাম্যমাণ মাদক ব্যবসায়ীদের আস্তানায় পরিণত হয়েছে।
ভৈরব পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে পুকুরপাড়ের অবস্থান। ২০০ গজের মধ্যে রেলওয়ে স্টেশন। পুকুরপাড়ে এখন পরিবারের সংখ্যা প্রায় ১৫০। মূলত, ১৯৯১ সালে কিছু মাদক ব্যবসায়ী এখানে আস্তানা গড়ে তোলেন।
সুমন মোল্লা, ভৈরব, প্রথম আলো

বুধবার, ১৫ জুন, ২০১১

ইতিহাস গড়ছেন মা-মেয়ে

জরায়ু প্রতিস্থাপনের পরিকল্পনা
নিজের দেহ থেকে মেয়ের দেহে জরায়ু প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যুক্ত করতে যাচ্ছেন ব্রিটেনের ইভা ওটোসন (৫৬)।
পরিকল্পনাধীন এ অস্ত্রোপচারটি সফল হলে সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা পেতে পারেন ওটোসনের মেয়ে সারা (২৫)। আর তা সত্যি হলে যে জরায়ুতে সারার নিজের জন্ম হয়েছে, তা থেকেই আবার নিজের সন্তান জন্ম দিবেন তিনি।

সারা এমআরকেএইচ সিনড্রোম নামের একটি উপসর্গে ভুগছেন। জন্মগতভাবেই তাঁর দেহে গর্ভাশয় ও যোনিপথের কয়েকটি অংশ অনুপস্থিত। গড়ে পাঁচ হাজার মানুষের মধ্যে একজনের এ সমস্যা থাকে। এর কারণ বিশেষজ্ঞদের কাছে এখনো অজানা। কৈশোরে পেঁৗছার পর যখন সারার ঋতুস্রাব শুরু হচ্ছিল না, তখনই সমস্যাটি ধরা পড়ে। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের নতুন একটি গবেষণায় সারার দেহে জরায়ু প্রতিস্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। গবেষণায় অংশ নিতে রাজি হয়েছেন সারার মা ইভা। সুইডেনের গোথেনবার্গের একদল চিকিৎসক আগামী বসন্তে এ অস্ত্রোপচারের পরিকল্পনা করেছেন। প্রতিস্থাপনটি সফল হলে সারা হয়তো বাচ্চা জন্ম দিতে পারবেন।

সোমবার, ১৩ জুন, ২০১১

২০ বছর পর অবশেষে নারী!


নিজের লিঙ্গ পরিচয় নিয়ে অতৃপ্তিতে ভোগে এমন মানুষ কি আছে? একজন পুরুষ হাসিমুখে নিজেকে পুরুষ হিসেবে পরিচয় দেয়, একজন নারীও নিজেকে নারী বলতে কুণ্ঠাবোধ করে না। পুরুষ নিজের পৌরুষে উদ্দীপ্ত আর নারী স্বমহিমায় উদ্ভাসিত। কেউই নিজের লৈঙ্গিক পরিচয়ে বিব্রত বা বিষণ্ন হয়ে নিয়তিকে দোষারোপ করে না।
তবে ইংল্যান্ডের অ্যাডেলে মার্কহ্যামের বেলায় ব্যাপারটা একটু ভিন্ন। অ্যাডেলের বয়স এখন ৩১। সুন্দর, সুগঠিত শরীরের পূর্ণাঙ্গ যুবতী। শিগগিরই বিয়েশাদী করে ঘর বাঁধার স্বপ্ন তার চোখে। কিন্তু গত ২৮ বছর ধরে অ্যাডেলে পরিচিত হয়ে এসেছেন ম্যাথু মার্কহ্যাম হিসেবে। একজন টগবগে যুবক হিসেবে সবাই চিনত তাকে। কিন্তু ওই যুবক ম্যাথুই এখন তন্বী-তরুণী। একটা জটিল অপারেশন তার আসল লৈঙ্গিক পরিচয় উদ্ঘাটন করে দিয়েছে। আর তিনি যে পুরুষ নন, এটা তার বাবা-মার বুঝতে সময় লেগেছে কমপক্ষে ২০ বছর!

১০৬ বছর বয়সেও কুমারী!

ইসা ব্লিথ নামের এক বৃদ্ধা নিজেকে কুমারী দাবী করছেন। তার বয়স হয়েছে ১০৬ বছর, কিন্তু এখনো তিনি কুমারী বলে নিজেকে দাবী করেন এই ব্রিটিশ নারী। তিনি বলেন যে একা থাকাই তাকে দৃঢ় থাকতে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, রোমান্সের কোনো প্রয়োজন আমি বোধ করিনি এবং কোনো পুরুষের জন্য আমার সময় ছিল না। তিনি চার্চে যেতেন ও সমবেত সঙ্গীত করতেন। সব সময় তিনি এডিনবার্গেই বসবাস করতেন। ৩৫ বছর একজন হুইস্কি উৎপাদকের ব্যাক্তিগত সচিব হিসেবে কাজ করেছেন।

সুন্দরী নারী স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি!

সুন্দরী নারীর সঙ্গ পুরুষের স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হতে পারে। ভ্যালেন্সিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের একটি গবেষণায় এই তথ্য দেয়া হয়েছে। এ গবেষণায় বলা হয়, কোনো দৃষ্টিনন্দন নারীর সাক্ষাতের পাঁচ মিনিটের মধ্যে পুরুষদের মধ্যে করটিসল (যে হরমোন শারীরিক ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করে) নামের এক ধরনের হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। যেসব পুরুষ সাক্ষাত পাওয়া সুন্দরী নারীদের নিজেদের নাগালের বাইরে বলে মনে করেন তাদের ক্ষেত্রে এই প্রতিক্রয়া আরো বেশি হয়। এতে পরবর্তী সময়ে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ ও পুরুষত্বহীনতা দেখা দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মানসিক ও শারীরিক চাপের সময় করটিসল নামের হরমোনটি উৎপন্ন হয়। বিজ্ঞানীরা ৮৪ জন ছেলে শিক্ষার্থীর ওপর এই গবেষণা চালান। এখানে একটি কক্ষে দুজন করে ছাত্রকে সুডোকু মেলাতে বলা হয়। কক্ষটিতে তাদের সঙ্গে একজন সুন্দরী তরুণী এবং একজন তরুণকে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে পাঠানো হয়। এ দুজনই ছাত্রদের নিকট ছিল অপরিচিত।

বোরকা বনাম বিকিনি

মূলঃ ডক্টর হেনরি মেকোও
আমার টেবিলের সামনের দেয়ালে একটা ছবি আছে একজন মুসলিম নারীর, যার সমগ্র দেহ বোরখায় আবৃত। পাশাপাশিই আরেকটা ছবি যেখানে একজন আমেরিকান সুন্দরী প্রতিযোগী, যার পরনে রয়েছে বিকিনি। একজন সম্পূর্ণভাবে লোকচক্ষুর আড়ালে, যাকে চেনার কোনো উপায়ই নাই। আরেকজন বলতে গেলে পুরোপুরি নগ্ন। ‘সভ্যতার সংঘাত’ বলে যদি কিছু থাকে, এই দুই ছবি তা অনেকটুকু পরিষ্কার করে তুলে।



যেকোন সভ্যতার সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দুতে নারীর ভুমিকা মুখ্য। আফগানিস্তান এবং ইরাকে পরিচালিত যুদ্ধ কেবল তেল চুরির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, তা আরো বিস্তৃত হয়ে মুসলিমদের ধর্ম আর সংস্কৃতির উপরও হাত দিতে শুরু করেছে, যার অন্যতম লক্ষ্য হল বোরখা উৎখাত করে বিকিনি আমদানি করা।
আমি মুসলিম নারীদের বর্তমান অবস্থার উপর কোন বিশেষজ্ঞ নই। আমি বোরকা’র পক্ষেও কথা বলছিনা। কিন্তু বোরকা কিছু মূল্যবোধকে তুলে ধরে, যেগুলোকে এড়িয়ে যাওয়ার কোনো উপায় নেই। আমার মতে, বোরকা একজন মেয়ের তার স্বামী এবং পরিবারের প্রতি গুরুত্বকে স্পষ্ট করে তুলে। একজন মুসলিম নারীর কাছে সবচেয়ে প্রাধান্য পায় তার পরিবার। যেখানে তার সন্তানরা নিশ্চিন্তে বড় হয়ে উঠে। যেখানে তার স্বামী বাইরের সংঘাতপূর্ণ জীবন থেকে ফিরে এসে আশ্রয় নিতে পারে।

সতীত্ব মেরামতের রমরমা ব্যবসা

আরবের অবিবাহিত তরুণীদের কাছে কুমারীত্ব বড়ই গুরুতর বিষয়। বিয়ের আগে প্রেমে পড়েই হোক, আর ঘটনাচক্রের হোক কোনো পুরুষের সঙ্গে দৈহিক মিলনের কথা জানাজানি হলে কেবল সামাজিক লাঞ্ছনাই নয়, খুন হওয়াটাও তাদের কাছে বিচিত্র কিছু নয়। এ কারণেই বিয়ের আগে সতীত্ব যারা হারিয়েছে, তারা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সেটা আবার ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী। যাতে বাসর রাতে স্বামী বুঝতে পারে নববধূ সত্যিই কুমারী।

বড় ধরনের ঝুঁকি ছাড়াই আজকাল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মেয়েদের সতীত্ব ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তার জন্য খরচ পড়ে এক হাজার ৭০০ পাউন্ড (২ হাজার ইউরো)। তবে আরব তরুণীদের ওই অস্ত্রোপচারের জন্য ক্লিনিক দুবাই কিংবা কায়রোসহ মধ্যপ্রাচ্যের কোনো নগরীতে নেই। সেজন্য তাদের যেতে হয় প্যারিসে। যেমন ডা. মার্ক আবেকাসিস নামের এক চিকিৎসকের একটি ক্লিনিক আছে, যেখানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মেয়েদের সতীত্ব ফিরিয়ে আনা হয়। ওই চিকিৎসক সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার মেয়েদের যে অস্ত্রোপচার করে থাকেন, তাকে বলা হয় ‘হিমেনোপ্লাস্টি’। সোজা কথায় সতীচ্ছদ পুনঃস্থাপন। লোকাল অ্যানেসথেশিয়ার সাহায্যে সতীচ্ছদের টিস্যু স্থাপনের ওই কাজ সারতে সময় লাগে বড় জোর ৩০ মিনিট। ডা. আবেকাসিস জানান, ঐতিহ্যগত ও পারিবারিক দিক থেকে বিপদের আশঙ্কা করেই মেয়েরা তাদের কাছে আসে। তাদের ফিরিয়ে দেওয়া কিংবা বিচার করা চিকিৎসকের কাজ নয় বলে তিনি জানান।

বাসর রাতে নববধূর সন্তান প্রসব


বুড়িচংয়ের নিমসারে বাসর রাতেই নববধূর সন্তান প্রসবের ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। নিমসার মধ্যপাড়া গ্রামের সুন্দর আলীর পুত্র দরিদ্র দিনমজুর আবু ইউসুফের (২২) গত ২৭শে সেপ্টেম্বর সোমবার চান্দিনার নাঁওতলা গ্রামের ময়নাল হোসেনের কন্যা রেখা আক্তারের সঙ্গে বিয়ে হয়।

ছোট প্রেমিক + বড় প্রেমিকা = প্রেমময় মধুর সম্পর্ক

প্রেমিক ছোট, প্রেমিকা বড়। প্রেমের বাজারে এটাই সাম্প্রতিক ট্রেন্ড। বিশ্ব জুড়েই চলছে এ ট্রেন্ড। প্রেমিক বয়সে ছোট হলেই প্রেমিকা ‘হট এন্ড হ্যাপিনিং’। অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে? এমন অসম সম্পর্কে জড়ানো তারকাদের প্রেমের বর্তমান হালচাল জানলেই বিষয়টা স্পষ্ট হবে। হলিউড তারকা ডেমি মুর নিজের চেয়ে ১৬ বছরের ছোট অ্যাশটন কুচারকে বিয়ে করে বেশ ভালোভাবেই বেভারলি হিলসে সংসার করছেন। পপসম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা বয়সে ১০ বছরের ছোট ব্রিটিশ পরিচালক গাই রিচির সঙ্গে ঘর করছেন মহানন্দে।
বর্তমানে সম্পর্ক না থাকলেও হলিউডের আরেক অভিনেত্রী ক্যামেরন ডিয়াজও একসময় তার চেয়ে ৯ বছরের ছোট জাস্টিন টিমবারলেকের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করেছিলেন। শুধু হলিউড নয়, ভারতেও এমনটা দেখা যায়। ভারতীয়দের প্রিয় ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার তার চেয়ে ৭ বছরের বড় অঞ্জলিকে বিয়ে করেছেন। শেষ অবধি দাম্পত্য না টিকলেও বয়সে ১২ বছরের বড় অমৃতা সিংয়ের সঙ্গে সাইফ আলী খানের বিয়ের ঘটনা তো আছেই।

রাতের দুবাই নানা দেশের সুন্দরীদের আসর


দুবাইয়ের হোটেলে হোটেলে চলছে নানা দেশের সুন্দরীদের জমজমাট আসর। রঙিন আলোর নিচে এ ব্যবসায় ব্যবহৃত হচ্ছেন বিভিন্ন দেশের সুন্দরী ললনা। তারা অর্থের বিনিময়ে বিলিয়ে দিচ্ছেন দেহ।
বাইরে থেকে দেখতে ঝলমলে ওই সব হোটেলের ভিতরে কি ঘটে তা বাইরের মানুষের জানা কঠিন। সুরড়্গিত, অভিজাত এ রকম অনেক হোটেলে এ বাণিজ্যে ব্যবহৃত হচ্ছেন পূর্ব ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়া, চীনসহ বিভিন্ন অঞ্চলের যুবতীরা। এ বিষয়ে অনুসন্ধানী একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে অনলাইন নিউজ অব দ্য উইক-এ। এতে বলা হয়েছে, লা পিয়াজ্জা হোটেলে রাতের দৃশ্য অন্যরকম। সেখানে রাতে যেন বিশ্বের সুন্দরীদের মেলা বসে। অকস্মাৎ এর ভিতরে তাদের কেউ একজন কোন পুরম্নষ দর্শনার্থীর পাশে দাঁড়িয়ে মোলায়েম ভঙ্গিতে দৈহিক সম্পর্ক স’াপনের আবেদন জানিয়ে বসেন। ওই পত্রিকার এক সাংবাদিক এ দৃশ্য সরেজমিনে অবলোকন করেছেন। ওই হোটেলের প্রবেশপথের ওপরে টাঙানো সংযুক্ত আরব আমিরাতের শাসকের ছবি। ওই সাংবাদিক ১৭ পাউন্ড ফি দিয়ে তার নিচ দিয়ে প্রবেশ করেন। দেখতে পান ভিতরে সাজানো বিয়ারের বোতল, স্পিরিট ঢেকে রাখা হয়েছে ন্যাপকিন দিয়ে। বিশাল আকারের একটি পস্নাজমা টেলিভিশনে পপ মিউজিক বাজছে। এমন অবস’ায় তুরস্কের আয়েশা নামের এক রমণী ঘোষণা দিতে থাকেন- আমার কাছে সেরা মেয়ে আছে। আপনার দৈহিক সম্পর্ক স’াপনের জন্য তা হবে সেরা। মাত্র ২৫০ পাউন্ডের বিনিময়ে আপনি তাদের যে কাউকে সারারাত কাছে রাখতে পারবেন। সেজন্য ওপর তলায় রম্নমের ব্যবস’া আছে। তা ব্যবহার করতে আপনাকে দিতে হবে বাড়িত ৮৫ পাউন্ড। শুধু আয়েশাই নন, সেখানে আছেন রাশিয়ান মেয়ের কালেকশন। তাদের একজন

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | JCPenney Coupons