College-Student লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
College-Student লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২৪ জুলাই, ২০১১

বাস থেকে ছাত্রীকে ধাক্কা, মধুখালীতে সড়ক অবরোধ

ফরিদপুরের মধুখালীতে সরকারি আইনউদ্দিন কলেজের এক ছাত্রীকে বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলা দেওয়ার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন। গতকাল শনিবার সকালের ওই ঘটনায় শিক্ষার্থীরা গাছের গুঁড়ি ফেলে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক আধঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন।
জানা গেছে, সকাল নয়টার দিকে ফরিদপুর থেকে মাগুরাগামী যাত্রীবাহী লোকাল বাসে উঠেছিলেন কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী লাবণী সরকার। কলেজের সামনে নামিয়ে দিতে বললে চালক বাসের গতি কমান। লাবণী বাস থেকে এক পা নামাতেই চালকের সহকারী তাঁকে ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেন। এতে লাবণী পড়ে গিয়ে পায়ে ও হাতে আঘাত পান। পরে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এ খবর কলেজ ক্যাম্পাসে পৌঁছামাত্র শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে রাস্তায় নেমে আসেন এবং বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা মিছিল করে মহাসড়ক অবরোধ করেন। এ সময় মহাসড়কের দুই পাশে কয়েক শ গাড়ি আটকা পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অবরোধ তুলে নিতে অনুরোধ করলে শিক্ষার্থীরা তা প্রত্যাখ্যান করেন।
কলেজের অধ্যক্ষ আলাউদ্দিন মোল্লা জানান, মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মোস্তফা কামাল তাঁকে ফোন করে কলেজের সামনের সড়কে গতিরোধক নির্মাণ করা হবে—এ আশ্বাস দেওয়ার পর শিক্ষার্থীরা প্রায় আধঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেন।প্রথম আলো

সোমবার, ১১ জুলাই, ২০১১

ফাও খাবার না পেয়ে রেস্তোরাঁ ভাঙচুর

ফাও খাবার না পেয়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল ছাত্র রাজধানীর কলেজগেটে একটি রেস্তোরাঁয় ভাঙচুর করেছেন। এ সময় হোটেলের কর্মচারীরা ছয়জন ছাত্রকে পিটিয়ে আহত করেন। আহত ব্যক্তিরা সবাই ছাত্রলীগের কর্মী বলে জানা গেছে। 
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হাসানুজ্জামান বাদী হয়ে রেস্তোরাঁর মালিক ও কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করার পর পুলিশ রেস্তোরাঁর দুজন কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী এক ছাত্র জানান, গতকাল বেলা পৌনে তিনটার দিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উল্টো দিকের অনুরাগ রেস্তোরাঁয় খেতে যান শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল হাসান নিপুণ, কর্মী জান্নাত চৌধুরী ও জাহিদ। তিনজনের খাবারের দাম হয় ৩১১ টাকা। কিন্তু কর্মীরা মাত্র ১০০ টাকা দিয়ে চলে যেতে উদ্যত হন। এ সময় ব্যবস্থাপক তাঁদের ডাক দিলে ছাত্ররা ফিরে এসে জানান, তাঁরা ২০ ভাগ মূল্যছাড় পেয়ে থাকেন। ব্যবস্থাপক ওই ছাড় দিয়েই বাকি দাম দিতে বলেন। ছাত্ররা এতেও রাজি না হলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ছাত্ররা ব্যবস্থাপককে মারধর শুরু করেন। 
প্রত্যক্ষদর্শী আরও একজন জানান, ছাত্রদের মধ্যে একজন ফোন করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১০-১৫ জন ছাত্রকে ডেকে নিয়ে আসেন। ছাত্ররা এসেই রেস্তোরাঁর সামনের কাচ ভেঙে ফেলেন। এ সময় রেস্তোরাঁর সব খদ্দের বের হয়ে যান। শুরু হয় মারামারি। মারামারিতে ছাত্রলীগের ও রেস্তোরাঁকর্মী উভয় পক্ষই আহত হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। ঘটনার পর পুলিশ এসে ছাত্রলীগের কর্মীদের পক্ষ নিয়ে তৎ পরতা শুরু করলে রেস্তোরাঁকর্মীরা পালিয়ে যান।
ছাত্ররা জানান, মারামারির সময় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর সরোয়ার মামুন, সহসভাপতি এ এম আহসান হায়দার শুভ, সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল হাসান নিপুণ, ইব্রাহিম খলিল খান, কর্মী জান্নাত চৌধুরী ও সুমন চন্দ্র সরকার আহত হন। তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, গতকাল ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ছিল বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে। সম্মেলন শেষে নেতারা কয়েকজনকে টাকা দিয়ে রেস্তোরাঁয় গিয়ে খেতে বলেন। টাকা নিয়ে ওই তিনজন রেস্তোরাঁয় খেতে যান। খাওয়া শেষে দাম হয় ১২০ টাকা। তাঁরা ১০০ টাকা দিতে চান। কিন্তু ব্যবস্থাপক ২০০ টাকা দাবি করেন। রেস্তোরাঁকর্মীরা ধারালো অস্ত্র ও রড-লাঠি নিয়ে তাঁদের মারধর করেছেন বলে তিনি জানান। 
মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় পুলিশ রেস্তোরাঁর মালিকের আত্মীয় ও রেস্তোরাঁর কর্মী সৈয়দ হোসাইনুল ইসলাম তালুকদার ও রাকিব হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে।

শুক্রবার, ৮ জুলাই, ২০১১

১৮ না পেরুতেই যৌন অভিজ্ঞতা ৫০% শহুরে তরুণের


বাংলাদেশে বয়স ১৮ হওয়ার আগেই যৌন অভিজ্ঞতা হচ্ছে ৫০ শতাংশ শহুরে তরুণের। এছাড়া প্রায় ৮০ শতাংশ তরুণ পরোক্ষভাবে প্ররোচিত হয়ে যৌন কর্মে লিপ্ত হচ্ছেন। এদের এক-তৃতীয়াংশ আবার লিপ্ত হচ্ছেন দলগত যৌনকর্মে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের যৌনসঙ্গী হচ্ছেন পেশাদার যৌনকর্মী।
কিন্তু এসব তরুণের অর্ধেকই যৌনকর্মে একদমই নিরোধ ব্যবহার করছেন না। বাকীরাও নিরোধ ব্যবহারে অনিয়মিত। তাই তাদের মধ্যে এইডস ঝুঁকি বাড়ছে।
আইসিডিডিআরবি পরিচালিত সাম্প্রতিক এক গবেষণা জরিপ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
পেশাদার যৌনকর্মীর কাছে যান এমন এক হাজার তরুণের ওপর এ জরিপ চালানো হয়।
এদিকে এমন অনিরাপদ যৌনকর্মের মাধ্যমে ৫২ শতাংশ এইডস ছড়ায় বলে মনে করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
জাতীয় এইডস কর্মসূচি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে শক্তিশালী যৌন ব্যবসা গড়ে উঠেছে। আর তরুণরাই বেশি এইডস ঝুঁকিতে রয়েছে।
তরুণদের এইডস ঝুঁকি সম্পর্কে জানতে চাইলে জাতীয় এইডস/এসটিডি কর্মসূচির পরিচালক অধ্যাপক মো. ওয়াদুদ বাংলানিউজকে বলেন, ‘যৌন আচরণে পরিবর্তন হওয়ার কারণে তরুণের মধ্যে এইডস ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে ঢাকাসহ শহরাঞ্চলের তরুণদের মধ্যেই এইডস ছড়াচ্ছে বেশি।’
তিনি বলেন, ‘তরুণ সমাজকে এই ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে আমরা বিশেষ সচেতনামূলক কর্মসূচি হাতে নিচ্ছি। এতে তরুণদের জন্য কাউন্সেলিং থাকবে। এছাড়া পাঠ্য পুস্তকে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পর্যায়ক্রমে ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত বিষয়টি সিলেবাসে নিয়ে আসা হবে।’
এছাড়া সরকার জেলা পর্যায়ের প্রতিটি হাসপাতাল যুব বান্ধব করার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান তিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, পেশাদার যৌনকর্মীর কাছে যেতে অভ্যস্ত হয়ে পড়া তরুণের প্রায় ৭৯ শতাংশই এইডস সম্পর্কে সচেতন নন। যৌন মিলনের পর যৌনাঙ্গ পরিষ্কার করলে এইডস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না বলেও মনে করেন তারা।
যৌনকর্মে লিপ্ত হতে এসব তরুণের ৮০ শতাংশ যাচ্ছেন আবাসিক হোটেলে। আর ২০ শতাংশ অপেশাদার যৌনকর্মীর কাছে যাচ্ছেন।
আর জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ তরুণ হওয়ায় দেশের বৃহৎ ও নিভর্রশীল এই জনগোষ্ঠী ব্যাপক ঝুঁকিতে মধ্যে আছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখনই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। না হলে বড় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
জরিপ অনুযায়ী, তরুণদের অধিকাংশ যৌন চাহিদা মেটাতে যৌনকর্মীর কাছে যাচ্ছেন। সব ধরণের যৌন আচরণ করছেন।
গবেষণায় দেখা যায়, এসব তরুণের প্রায় ২০ শতাংশের মধ্যে যৌনবাহিত ইনফেকশনের লক্ষণ দেখা যায়। তবে এদের মাত্র ১৫ শতাংশ চিকিৎসকের কাছে যান।
ঢাকার ৯টি আবাসিক হোটেলে আইসিডিডিআরবি পরিচালিত জরিপটিতে আরো দেখা গেছে, তরুণের দুই তৃতীয়াংশ স্কুল ও কলেজ পড়–য়া। তারা যৌনকর্মে প্ররোচিত হন বন্ধু বা বন্ধুস্থানীয় কাউকে দিয়ে। প্রায় ৮০ শতাংশ তরুণ পরোক্ষভাবে প্ররোচিত হয়ে যৌন কর্মে লিপ্ত জন। আবার অনেকে পর্ন সিডি দেখে যৌন কর্মে উৎসাহিত হন। এদের অনেকের বয়স ১১ থেকে ১৪ বছর।
এছাড়া বিবাহিতরাও যৌনকর্মীর কাছে যাচ্ছেন বলে দেখা গেছে গবেষণা জরিপে।
সাইদ আরমান
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম


রবিবার, ১৯ জুন, ২০১১

জমি দখল করতে গিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ!


পিরোজপুর শহরের বসন্তপুল এলাকায় গত শুক্রবার জমি দখল করতে গিয়ে ছাত্রলীগের এক নেতার নেতৃত্বে দুর্বৃত্তরা এক কলেজছাত্রীর শ্লীলতাহানি করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় আরও চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করা হয়। আহত ব্যক্তিদের পিরোজপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল শনিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুর পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী শেখ বাদশার বসন্তপুল এলাকার বাড়ির পেছনের একখণ্ড জমি নিয়ে তাঁর সঙ্গে একই এলাকার ব্যবসায়ী দুলাল তালুকদারের বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। তবে এই জায়গা বর্তমানে লিয়াকত আলীর দখলে রয়েছে। তিনি সেখানে আশ্রিত হিসেবে এক ব্যক্তি (৭০) ও তাঁর পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন।
ওই শ্রমজীবীর এক ছেলে অভিযোগ করেন, শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে সদর থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদুর করিম মিথুনের নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি সন্ত্রাসী দল দা, চায়নিজ কুড়াল ও রড নিয়ে তাঁদের বাড়িতে হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা তাঁকেসহ তাঁর তিন বোন ও এক ভাইকে পিটিয়ে জখম করে। তিনি অভিযোগ করেন, এ সময় মিথুনসহ চার-পাঁচজন তাঁর কলেজপড়ুয়া এক বোনকে ঘরের মধ্যে আটকে ধর্ষণ করে। পরে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে কথা বলতে সাজ্জাদুর করিম মিথুনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
শ্রমজীবীর ওই ছেলে আরও অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় গতকাল তিনি থানায় মামলা করতে গেলে প্রথমে পুলিশ মামলা নেয়নি। পরে ভাঙচুর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা রেকর্ড করে পুলিশ।

সোমবার, ১৩ জুন, ২০১১

ইডেন কলেজ নেত্রীদের ব্যবসা-বাণিজ্য এবং…

ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের কোন্দল ও আধিপত্যের লড়াইয়ে বেরিয়ে আসছে থলের বিড়াল। নিঝুম-তানিয়া গ্রুপের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা কলেজে ভর্তি বাণিজ্য করে। টাকা নেয়, টেন্ডারবাজি করে। নানা ধরনের কাজ বাগিয়ে আনে। বিটিভির স্লট কিনে আয় করছে লাখ লাখ টাকা। এছাড়া বিভিন্ন তদবির বাণিজ্য করে এ গ্রুপ।

এজন্য তারা ব্যবহার করে নতুন ছাত্রীদের। তাদের দেখানো হয় আগামী দিনের নেতা হওয়ার স্বপ্ন। সচ্ছল হওয়ার স্বপ্ন। এসব স্বপ্ন পূরণের জন্য তাদের নিয়ে যাওয়া হয় বিভিন্ন নেতার বাসায়। বাসাবাড়ি ছাড়াও বিভিন্ন হোটেলে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের বাধ্য করা হয় বিভিন্ন নেতার মনোরঞ্জন করতে। অবশ্য তানিয়া তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বলেছেন, এসব করি না। এগুলো ঠিক নয়। উল্টো তিনি অভিযোগ তুলেছেন হ্যাপী-শর্মী গ্রুপের বিরুদ্ধে। তানিয়া বলেছেন, ওরা বহিষ্কৃৃত।

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | JCPenney Coupons