History লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
History লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১২ জুলাই, ২০১১

সেরাদের মহাযুদ্ধে সেরা হলেন তৃষ্ণা তিথি খান

চ্যানেল আই’এর বিভিন্ন রিয়েলিটি শো’র সেরাদের নিয়ে অনুষ্ঠিত রিয়েলিটি শো ‘সেরাদের মহাযুদ্ধ’র বিজয়ী নির্বাচিত হয়েছেন চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠে’র তৃষ্ণা তিথি খান। বিজয়ী হিসেবে তিনি পেয়েছেন নগদ পাঁচ লক্ষ টাকা। তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন হোমষ্টোনের জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ শাহানুল হক এবং প্রধান বিচারক আমজাদ হোসেন, রিজিয়া পারভিন ও মেহরীন।  

এ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় বিজয়ী হয়েছেন লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার স্বর্ণা। তিনি পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন ওয়ালটনের সৌজন্যে ৪২ ইঞ্চি এলসিডি টেলিভিশন। প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অধিকারী জুয়েল রানা পেয়েছেন ওয়ালটনের সৌজন্যে এলসিডি টেলিভিশন।  

চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়া ৮ প্রতিযোগীর প্রত্যেকেই পেয়েছেন ৫ হাজার টাকার গিফ্ট ভাউচার, হোটেল প্রাসাদ প্যারাডাইস কক্সবাজারের সৌজন্যে একটি করে গিফ্ট ভাউচার এবং ফারহাস্ ক্রিয়েশন-এর সৌজন্যে গিফ্ট ভাউচার।  




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

সোমবার, ১১ জুলাই, ২০১১

ভলভো বাস আর চলবে না!

 প্রতিটি বাস কেনা হয় এক কোটি তিন লাখ টাকায়  বয়সসীমা ছিল ১৫ বছর চলেছে আট বছর  বর্তমানে প্রতিটি মেরামতে ৫০ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হচ্ছে  রক্ষণাবেক্ষণে গাফিলতি  নতুন বাস কেনায় আগ্রহ বেশি

গত রোববার বেলা তিনটা। ফার্মগেট বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) একটি টিকিট কাউন্টার। সরকারি একটি ব্যাংকে কর্মরত আবদুল মতিন মতিঝিল যাওয়ার জন্য ১০ টাকার একটি টিকিট কিনে দেখেন গায়ে লেখা ‘ভলভো বাস সেবা’। কিন্তু বাসে উঠতে গিয়ে দেখেন ভলভো নয়, চীনের তৈরি বাসের জন্য এই টিকিট দেওয়া হয়েছে। টিকিট বিক্রেতার কাছে কারণ জানতে চাইলে বলেন, ভলভো দ্বিতল বাস আর যাত্রী পরিবহন করে না। 
টিকিট বিক্রেতার এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, প্রায় ৬১ কোটি টাকায় কেনা বিআরটিসির ৫০টি ভলভো বাসের ৪০টিই এখন পুরোপুরি অকেজো। অচল বাসগুলো গাজীপুরে সংস্থার মেরামত কারখানায় পড়ে আছে। বাকি ১০টি বাস কিছুটা সচল হলেও সেগুলো দিয়ে সাধারণ যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে না। ‘স্টাফ বাস’ হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা দপ্তরের কাছে ভাড়া দেওয়া হয়েছে।
ভলভো বাসগুলোর ন্যূনতম বয়সসীমা ১৫ বছর নির্ধারিত ছিল। কিন্তু নয় বছরের মধ্যেই প্রায় সব বাস অকেজো হয়ে গেছে। বিআরটিসি সূত্র জানায়, কিছু বাস পাঁচ-ছয় বছরের মধ্যেই মেরামত কারখানায় যায়। 
ভলভোর পতন: সুইডিশ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সির (সিডা) আর্থিক সহায়তায় সুইডেন থেকে ভলভো বাসগুলো আমদানি করা হয় ২০০২ সালে। সিডা, ভলভো বাসের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সুইডিস মোটরস ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সূত্রগুলো বলছে, রক্ষণাবেক্ষণের গাফিলতির কারণেই বাসগুলো অল্প সময়ের মধ্যে অকেজো হয়ে গেছে। বিআরটিসির একটি সূত্র জানায়, সব সরকারের আমলেই যোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও বিআরটিসির কর্মকর্তারা নতুন বাস কেনার প্রকল্প নিয়ে দৌড়ঝাঁপ করেন। ‘কমিশন বাণিজ্যের’ কারণে নতুন বাস কেনার পেছনে ছুটতে গিয়ে পুরোনো বাস আর মেরামত হয় না। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই বাসগুলো অকেজো হয়ে পড়ে। ভলভো বাসের ক্ষেত্রেও এমন ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। 
২০০৮ সালে বিভিন্ন সময় ভারত, চীনসহ অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করা প্রায় দেড় শ অকেজো বাসের তালিকা করে সেগুলো নিলামে বিক্রি করার উদ্যোগ নেয় বিআরটিসি। সেই বাসগুলোর মধ্যে কিছু কিছু বাসের বয়স পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে ছিল। তবে তখন ভলভো নিলামে দেওয়ার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। 
বিআরটিসির উপমহাব্যবস্থাপক (কারিগরি) মেজর কাজী শফিক উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, প্রতিটি অকেজো ভলভো বাস মেরামতে প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয় হবে। সরকারি অনুদান না পাওয়া গেলে এই বাস মেরামত করা যাবে না। অর্থায়নের চেষ্টা চলছে। তিনি দাবি করেন, প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ না পাওয়ায় এবং যন্ত্রাংশের দাম বেশি হওয়ার কারণে এই সেবাটি চালু রাখা যাচ্ছে না। 
বিআরটিসির একজন কর্মকর্তা বলেন, চীন থেকে নতুন বাস কেনা হয়েছে ৩৩ লাখ টাকায়। নতুন বাস কেনার সময় কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ থাকে। সে ক্ষেত্রে প্রতিটিতে ৫০ লাখ টাকা খরচ করে ভলভো বাস মেরামতে আগ্রহ নেই কারও। ওই কর্মকর্তা বলেন, ধরে নেওয়া যায়, এই সেবাটির ভবিষ্যৎ এখানেই শেষ।
বিআরটিসি সূত্র জানায়, ৪০টি অকেজো বাসের ১৭টি ২০০৮ সাল থেকে চলে না। ২০০৯ সালে এসে অকেজো বাসের সংখ্যা দাঁড়ায় ২৪-এ। গত দেড় বছরের ব্যবধানে বাকি বাসগুলো অকেজো হয়ে পড়ে। সূত্র জানায়, গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে খুচরা যন্ত্রাংশের অভাবে ভলভো বাসগুলো আস্তে আস্তে রাস্তা থেকে উঠে যায়। 
শুরু থেকে ভলভো বাসের যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সুইডিস মোটরস থেকে নেওয়া হতো। বিগত জোট সরকারের আমল থেকে বাকিতে যন্ত্রাংশ কেনার কারণে প্রতিষ্ঠানটি বিআরটিসির কাছে প্রায় ৭০ লাখ টাকা পাওনা হয়। জোট সরকার এ টাকা পরিশোধ না করায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারে আমলে সুইডিস মোটরস যন্ত্রাংশ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। 
যেভাবে শুরু: শুরু থেকেই ভলভো বাসগুলো রাজধানীর মতিঝিল-মিরপুর ও মতিঝিল-আবদুল্লাহপুর পথে চলাচল শুরু করে। অল্প দিনের মধ্যেই এই সেবাটি জনপ্রিয়ও হয়ে ওঠে। 
যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রথম আওয়ামী লীগের সরকার ভলভো বাস কেনার প্রকল্প হাতে নেয়। প্রকল্প বাস্তবায়নে সিডা ৬১ কোটি টাকার অর্ধেক সাহায্য এবং বাকি অর্ধেক সহজ শর্তে ঋণ হিসেবে দেয়। প্রতিটি বাস এক কোটি তিন লাখ টাকা হিসেবে ৫০টি বাস কেনায় ব্যয় হয় প্রায় ৫২ কোটি টাকা। বাকি অর্থ ব্যয় হয় রক্ষণাবেক্ষণের সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি ক্রয়ে। 
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ১৯৯৯ সালে নেওয়া ঢাকা নগর পরিবহন উন্নয়ন প্রকল্পে রাজধানীর যানজট নিরসনে বড় এবং দ্বিতল বাস বেশি করে নামানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। এর আলোকে ২০০২-০৪ সালের মধ্যে সুইডেন থেকে ৫০টি ভলভো এবং ভারত থেকে ২০৫টি আশোক লিল্যান্ড দ্বিতল বাস নামানো হয়। ভলভো দ্বিতল বাসে মোট আসন ১২০টি। শুরুতে বলা হয়, আসনের অতিরিক্ত আরও ৪০ জন যাত্রী দাঁড়িয়ে ভ্রমণ করতে পারবে। একটি ভলভো বাসে পাঁচটি মিনিবাসের সমান যাত্রী বহন করা সম্ভব।
সিডার মূল্যায়ন: সিডা ২০০৪ সালে ৫০টি ভলভো বাসের ওপর একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন তৈরি করে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৪ সাল পর্যন্ত ভলভো বাসের শতকরা ৯০ ভাগ সচল ছিল, যা ইউরোপীয় মানদণ্ডের চেয়েও বেশি। চালুর কয়েক মাসের মধ্যেই একটি বাস পুড়িয়ে দেওয়ায় সচলতার হার কিছুটা কম হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভলভো বাসগুলো ২০০৪ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর গড়ে ছয় হাজার কিলোমিটার চলেছে। ১৯৯৯ সালে যখন এই প্রকল্পটি নেওয়া হয় তখন প্রতিটি বাস বছরে ছয় হাজার কিলোমিটার চালানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সে সময় প্রতি বাসে বছরে সাত লাখ ২০ হাজার যাত্রী পরিবহনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু ২০০৪ সাল পর্যন্ত প্রতি বাসে বছরে যাত্রী পরিবহন করা হয় তিন লাখ ১৪ হাজার ৮০০।

শনিবার, ৯ জুলাই, ২০১১

দুনিয়ার বিচিত্র আইন সমুহ

সবচেয়ে লম্বা কোন হাত? ডান হাত,বাম হাত অথবা অজুহাত? এই প্রশ্ন করলে কেউ বিন্দুমাত্র না ঘাবড়ে গিয়ে বলবে আইনের হাত।কারন আইনের হাত যে কত শক্ত তা মানুষ জানে।আইন যতক্ষন হাত হিসেবে থাকে তখন তা অনেক লম্বা ক্ষমতাশালী।কিন্তু কার্বনের মত আইনের বহুরূপতা য়াছে।এর দুটা রূপের আরেকটা হল জাল।আইন যখন জাল হয়ে যায় তখন তার ফাঁক ফোকড় হয়ে যায় বিশাল এবং বিস্তৃত।এর বিশাল ফাকঁ গুলো দিয়ে রাগব বোয়ালরা সহজেই চলাচল করতে পারে।তবে আইনের হাত কিন্তু অনেক শক্ত।

আইনের হাতের এই শক্তিমত্তার রূপক হিসেবে বিচারকদের লম্বা হাতার পোষাক পড়তে হয় কোন কোন দেশে।এই পোষাকের আরো বিভিন্ন রূপক অর্থ আছে।যেমন এই কাল রঙের পোষাকের অর্থ নাকী নিজের পরিচয় গোপন রাখা।আর গলার সাদা ব্যান্ডের অর্থ মিথ্যার কাল আধাঁর থেকে সত্য প্রকাশ।আমাদের দেশের প্রধান বিচারপতি যে পরচুলা পড়েন এই পরচুলা দিয়ে বোঝানো হয় বিচারক মায়ের মত।মায়ের কাছে যেমন আপনি যেমন আপনার ছোট তেমন ঠিক তেমনি এই বিচারকের কাছে বাদী বিবাদী সবাই সন্তানের মত ,সবাই সমান।

দেশে এবং বিদেশে এমন কিছু আইন আছে যেগুলো শুনতে একটু হাস্যকর এবং অদ্ভুত বলে মনে হয়।বাংলাদেশের আইনের দন্ডবিধির ৪৪৮ ধারায় আছে অনুমতি ছাড়া কারো ঘরে প্রবেশ করলে তার শাস্তি এক হাজার টাকা জরিমানা অথবা একবছরের কারাদন্ড দেয়ার বিধান।এক্ষেত্রে উভয় দন্ডেও হতে পারে।

কলোরাডতে যৌক্তিক কোন কারন না দেখিয়ে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করা এক ধরনের চুরি।প্রতারনা অথবা ছিনতাইয়ের পর্যায়েও পড়ে।মহান আদালত এ ব্যাপারে বলেছেন, বৃষ্টির পানি এভাবে ধরে রাখলে কৃষিকাজের জন্য পানি পাওয়া যাবে না।অর্থনীতিতে খারাপ প্রভাব পড়বে।

হংকংযে একটা আইন আছে যদি কারো স্ত্রী পরকীয়া করে তবে স্বামী তাকে খুন করতে পারে।তবে শর্ত একটাই খুন করতে হবে খালি হাতে।তবে যে লোকের সাথে পরকীয়া করেছে তাকে অস্ত্র দিয়ে খুন করতে পারবে।

আমেরিকার আরিজোয়ানাতে শিশুরা পেয়াজ খেয়ে স্কুলে যেতে পারবে না বলে আইন আছে।১৮৮০ সালে এই পেয়াজ নিষিদ্ধকরন আইন পাশ হয়।আমেরিকার আরেকটি আইন হল কেউ রসুন খেয়ে গির্জা থিয়েটার ইত্যাদিতে যেতে পারবে না।ম্যাসাটুচেসের একটা আইন কেউ গির্জায় চীনাবাদাম খেতে পারবে না।

ক্যালিফোর্নিয়ার সুসানভিলে শব্দ করে সুপ খাওয়া অপরাধ।মায়ামীতে পুরুষের স্ট্র্যাপলেস গাউন পরে জনসমক্ষে যাওয়া আইনত অপরাধ।

ইলিনয়িস রাজ্যে আরেকটি আইন রয়েছে শীতকালে কোনো বাচ্চা জমে থাকা তুষার দিয়ে স্নো বল বানিয়ে গাছের দিকে ছুঁড়তে পারবে না।


আলাস্কায় কোনো গ্রিজলি ভালুককে মোটেও বিরক্ত করা যাবে না।উনি সম্মানী লোক।আপনি কেন বিরক্ত করবেন।

মেইন-এ একটা অতি পুরনো আইন রয়েছে, কোনো খচ্চরকে আগুনে ফেলা যাবে না।

মেইন-এ রাস্তায় হাঁটা অবস্থায় কোনো পথচারীর জুতার ফিতে যদি খোলা পাওয়া যায়, তাহলে এটা আইনত অপরাধ।

সান দিয়েগোতে একটা আইন রয়েছে, রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে গান গেয়ে পেট চালায়, তাদের অবশ্যই কাপড় পরতে হবে।

কানেকটিকাট রাজ্যে কড়া আইন রয়েছে, কোনো বাচ্চা পা ওপরে তুলে হাতে হেঁটে রাস্তা পেরোতে পারবে না।এই এলাকার বাচ্চাগুলা এককালে বান্দরস্বভাবের ছিল এটার প্রমান পাওয়া যায় এই আইন থেকে।ডারউইনের বিবর্তনবাদ প্রমানে এটা একটা যুক্তি হতে পারে।


মিশিগানে কঠোর আইন রয়েছে, যদি দোতলার চেয়ে উঁচু কোনো দালান তোলা হয়, তাহলে সেই দালানের প্রতিটা জানালায় একটা করে দড়ি ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
আমেরিকার মিশিগানে কোন বিবাহিত মহিলার চুল কাটাতে স্বামীর অনুমতি লাগে।


ইন্ডোনেশিয়ায় হস্তমৈথুনের শাস্তি হলো মুন্ডচ্ছেদ।

আমেরিকার কলাম্বিয়া প্রদেশে মেয়ের বাসর রাতে তার মার উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

গুয়ামের আইন অনুসারে কোন কুমারী মেয়ে বিয়ে করতে পারেনা। তাই কিছু লোক আছে যারা পয়সার বিনিময়ে কুমারিত্বের অভিশাপ মুক্ত করার কাজ করে। মেয়ের বাবা-মা সাধারনতঃ এই কাজের জন্য অনেক টাকা থরচ করেন।এরা কাজ শেষে সার্টিফিকেট দেয়।

লেবাননের আইন অনুসারে কোন পুরুষ লোক গৃহপালিত পশুর সাথে সহবাস করতে পারে। কিন্তু পশুটা অবশ্যই মাদী হতে হবে। মদ্দা পশুর সাথে সহবাস করার শাস্তি হলো মৃত্যুদন্ড।

এথেন্সের পুলিশ কোনও গাড়ির চালকের লাইসেন্স বাতিল করে দেবার ক্ষমতা রাখে যদি ঐ চালক গোসল না করে গাড়ি চালায় অথবা চালকের বেশভূষা না ঠিক থাকে।

মস্কোতে আবহাওয়াবিদরা ভুল তথ্য প্রচার করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান আছে।এটা বাংলাদেশে হলে বিটিভির আবহাওয়াবিদদের খবর হয়ে যেত।

ইংল্যাণ্ডে পার্লামেন্টে মৃত্যুবরন করা বেআইনি।

ফ্রান্সে শুকরের নাম নেপোলিয়ন রাখা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।

ইংল্যান্ডে একজন গর্ভবতী মহিলা যেকোন জায়গায়মুত্র বিসর্জন করতে পারেন।এমনকি তিনি চাইলে কোন ট্রাফিক পুলিশে হেলমেটে মুত্র বিসর্জন করতে পারেন।এটা তার বিবেচনা।

সিঙ্গাপুরে চুইং গাম অবৈধ।
ইন্ডিয়ানাতে রবিবারে গাড়ি বিক্রি করা আইনত দন্ডনীয়।


জাপানে কোন মেয়েকে ছেলে ডেটিং য়ে যেতে বললে মেয়েটি আইন অনুসারে না করতে পারবে না।


জাপানে কারো বড় ভাই তার গার্লফ্রেন্ডকে বিয়ে করে ছোট ভাইকে সম্মানীত করতে চাইলে আইন অনুসারে গার্লফ্রেন্ড অসম্মতি জানাতে পারবে না।

জাপানে একটা মাছের নাম ফাগু।এই ফাগু মাছ ৮০ সেকেন্ডের বেশী রান্না করা আইনত অপরাধ।৮০ সেকেন্ডের বেশী রান্না করলে এটি থেকে একধরনের বিষাক্ত পদার্থ বের হয়।


জাপানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বিল্ডিংযে মেয়েদের ব্রা না পড়া আইনত দন্ডনীয়।

১৬০৪ সালে ইংল্যান্ডের রাজা কিং জেমস witch craft act নামে একটা আইন প্রনয়ন করেন।এই আইনে যারা কালোশক্তি মানে ব্ল্যাক ম্যাজিক ব্যবহার করবে তাদের মৃত্যুদন্ড দেয়ার বিধান রাখা হয়।সাধারনত যারা কৃষ্ণশক্তি বা এই ব্ল্যাকম্যাজিক ব্যবহার করত তাদের বলা হত ডাইনি।ডাইনিদের পুড়িয়ে মারা হত,যদিও বিধান ছিল ফাসিতে ঝুলিয়ে মারা।এই আইনের আয়তায় প্রায় ৭০ হাজার মানুষকে মারা হয়।ফ্রান্সের সেই বিখ্যাত জোয়ান অব আর্ক কে এই আইনের অধীনেই পুড়িয়ে মারা হয়েছিল।তিনি ফ্রান্সকে ইংল্যান্ডের শাষন থেকে মুক্ত করতে চেয়েছিলেন।১৯৫১ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট এই আইন বাতিল করে দেয়।


প্রাচীন ভারতে এক আইন ছিল সতীদাহ প্রথা।এই প্রথায় স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীদের সহমরনে যেতে বাধ্য করা হত।কোন ধনী লোকের মৃত্যুর সম্পত্তি অধিকার করার লোভে তার আত্মীয়রা তার সদ্যবিধবা স্ত্রীকে ধরে বেঁধে, ঢাক-ঢোলের শব্দ দ্বারা তার কান্নার আওয়াজকে চাপা দিয়ে তার স্বামীর সাথে চিতায় শুইয়ে পুড়িয়ে মারতো।পরবর্তীতে ১৮২৯ সালে ৪ ডিসেম্বর রামমোহন রায়ের সামাজিক আন্দোলনের ফলে উইলিয়াম বেন্টিংক এই প্রথা বেঙল প্রেসিডেন্সিতে বাতিল করেন।


তথ্যসুত্রঃ
বিভিন্ন ওয়েবসাইট
হুমায়ুন আহমেদের ম্যাজিক মুন্সী
উইকিপিডিয়া

পৃথিবী বিখ্যাত সব ব্যর্থ কাহিনী

দৈনন্দিন জীবনে আমাদের প্রত্যেকেরই রয়েছে বিভিন্ন ব্যর্থতার কাহিনী। এখানে পৃথিবীর বিখ্যাত সব ব্যর্থতার কাহিনী দেয়া হল। যা পড়ে আমাদের নিজেদের ব্যর্থ জীবনে কিছুটা হলেও স্বস্তি আসতে পারে। অতএব Don’t worry be happy.

১. ব্যর্থতম লেখক: জার্মানীর এক লেখক তার জীবনে ৬৪ টা বই লেখেন যার মধ্যে মাত্র ৩টি বই এর প্রকাশক ধরতে তিনি সমর্থ হন। এর মধ্যে একটি বই প্রকাশক তার নিজের নামে ছাপিয়ে ফেলে। দ্বিতীয়টি ভুলক্রমে লেখকের নাম ছাড়াই প্রকাশিত হয়ে পড়ে। আর তৃতীয়টির ক্ষেত্রে এ রকম কোন সমস্যা হয়নি। পুরো বইযের বান্ডিল মার্কেটে যাবার পথে মিসিং হয় আর সে বই এর কোন হদিস পাওয়া যায়নি। পরে অবশ্য এক ঠোঙ্গা বিক্রেতার কাছে হারানো বই এর হদিস পাওয়া যায়। তবে বই হিসেবে নয় ঠোঙ্গা হিসেবে।

২. ব্যর্থতম ব্যাংক ডাকাত: ১৯৭১ সালে তিনজন ব্যাংক ডাকাত ডাকাতির উদ্দেশ্যে ইংল্যান্ডের স্থানীয় একটি ব্যাংক এ ঢুকে পড়ে। এটা ছিল তাদের প্রথম ব্যাংক ডাকাতি। তাই উত্তেজনাবশত তারা ভুল করে ব্যাংক এ না ঢুকে পাশের ডির্পামেন্টাল স্টোরে ঢুকে পড়ে। হাতের অস্ত্র উচিয়ে চিৎকার করে বলতে থাকে আমরা ব্যাংক লুট করতে এসেছি। দোকানের কর্মচারীরা এটাকে উচুদরের রসিকতা ভেবে উচ্চস্বরে হেসে উঠে। তাদের হাসি শুনে ডাকাতরা ঘাবড়ে গিয়ে কিছু না বুঝেই এক গাদা কয়েন চকলেট নিয়ে এলোপাথারি গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যায়।

৩. ব্যর্থতম কম্পিউটার প্রোগ্রামার: জার্মানীর জন মারথুস পেশায় একজন সৌখিন কম্পিউটার প্রোগ্রামার। তার কাজ হচ্ছে এন্টি ভাইরাস প্রোগ্রাম তৈরী করা। একবার বহু ঢাকঢোল পিটিয়ে তিনি একটি এন্টি ভাইরাস তৈরী করে পরীক্ষামূলক ভাবে বন্ধুর পিসিতে এটাকে টেস্ট রান করান। পিসিটি চালাতে গিয়ে দেখা গেল তার এন্টি ভাইরাসটি আসল ভাইরাস হয়ে বন্ধুর পিসির হার্ডডিস্ক ক্রাশ করে ফেলেছে।

৪. ব্যর্থতম বই: পশ্চিমা লেখক রুডলফ স্বাস্থ্যের জন্য পুষ্টি নামে একটি গবেষণামূলক বই লেখেন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বইটি বেস্ট সেলার বই এর তালিকায় চলে যায়। এর মধ্যে আকস্মাৎ লেখকের মৃত্যূ হলে ময়না তদন্ত করে ডাক্তার সার্টিফিকেট দেন। তাতে মৃত্যুর কারণ দেখানো হয় পুষ্টিহীনতা। এ খবর প্রচার হলে পরের সপ্তাহেই বই এর বিক্র বেস্ট সেলার থেকে ওর্স্ট সেলারে নেমে আসে। 

৫. ব্যর্থতম আর্কিওলজিস্ট: মরক্কোর আবিওয়ালা আল রাজি একজন সৌখিন আর্কিওলজিস্ট। পেশায় তিনি একজন ইন্জিনিয়ার হলেও তার নেশা হচ্ছে প্রাচীণ কালের হাড়-গোড় খুজে বের করা। দীর্ঘ বার বছর পরিশ্রম করে তিনি নিজের এলাকাতেই নিয়ানডারথল যুগের মানুষের চোয়াল খুজে পান। যা নিয়ে আর্কিওলজিস্টদের মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। পরে কার্বন টেস্টে ধরা পড়ে যে ঐ চোয়ালটি কোন নিয়ানডারথল যুগের মানুষের নয় তারই মৃত দাদার চোয়াল।

৬. ব্যর্থতম শিক্ষক: আফ্রিকার এক প্রত্যন্ত গ্রামের এক প্রাইমারী স্কুল। স্কুলের অবস্থা খুবই করুণ। ঐ স্কুলে কোন ঘন্টা ছিল না। ফলে তারা ক্লাশ শেষ হলে বা ছুটির আগে স্কুলের বাইরে অপেক্ষমান এক আইসক্রিমওয়ালার কাছ থেকে ঘন্টা ধার করে এনে বাজাত। কিন্তু এক পর্যায়ে বিরক্ত হয়ে আইসক্রিমওয়ালা ঐ স্কুলে ঘন্টার বিনিময়ে শিক্ষকের চাকুরী দাবী করে বসে। স্কুলে শিক্ষকের কিছু স্বল্পতাও ছিল আবার ঘন্টারও দরকার তাই তার চাকরী হয়ে যায়। কিন্তু কিছুদিন পর ঐ ঘন্টা স্কুল থেকে চুরি হয়ে গেলে ঐ আইসক্রিমওয়ালা শিক্ষকের চাকরী চলে যায়।

৭. ব্যর্ততম ধূমপায়ী: কলম্বিয়ার মাইকেল জর্জ কখনই ধূমপান করতেন না। কিন্তু বিয়ের পর তার স্ত্রী তাকে ধূমপান করতে উৎসাহিত করেন। কেননা তার স্ত্রীর ধারণা পুরুষ মানুষ সিগারেট না খেলে ম্যনলি লাগে না। স্ত্রীর অনুরোধে জর্জ একদিন বিমর্ষ মুখে এক প্যাকেট সিগারেট কিনে এনে একটি ধরালেন। সিগারেটে টান দেয়া মাত্র তিনি কাশতে কাশতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরে আসলে তিনি একটি চিঠি পান। তার স্ত্রীর ডিভোর্স লেটার।

৮. ব্যর্থতম উদ্ধার অভিযান: ১৯৭৮ সালের ১৪ জানুয়ারী সম্ভবত পৃথিবীর সব চাইতে সফল পশু উদ্ধার ঘটনাটি ঘটে বৃটেনে। এক বৃদ্ধার পোষা বিড়াল ছানাটি কি ভাবে যেন এক বিশাল বৃক্ষের মগডালে উঠে আটকে যায়। তখন দমকল বাহিনীর ধর্মঘট চলছিল বলে বৃটিশ সৈন্যরা বিপুল উদ্যমে ঐ বিড়ালটিকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসে। এবং অসাধারণ দক্ষতায় বিড়ালটিতে উদ্ধার করতে সমর্থ হয়। সমস্ত ব্যাপরটিতে বৃদ্দা এতই খুশি হন যে তিনি উদ্ধার কাজে নিয়োজিত সৈন্যদের না খাইয়ে ছাড়েন না। সৈন্যরা বিদায় পর্ব শেষ করে গাড়ীতে উঠে যাওয়ার সময় উদ্ধারকৃত বিড়ালটিকে চাপা দিয়ে চলে যায়। কারণ কোন ফাকে বিড়ালটি বৃদ্ধার কোল থেকে নেমে গাড়ীর চাকার নিচে অবস্থান করছিল তা কেউই লক্ষ্য করেনি।

৯. ব্যর্থতম সার্কাস: ফ্রান্সে মিস রিটা থান্ডারবার্ড নামে এক মহিলা কামানের গোলা হিসেবে খেলা দেখাতেন সার্কাসে। খেলার নিয়ম অনুযায়ী তিনি কামানের ভেতর গিয়ে ঢুকতেন, কামান দাগা হলে তিনি ছিটকে গিয়ে দূরবর্তী জালে গিয়ে পড়তেন। একদিন শহরের মেয়র আসলেন খেলা দেখতে। যথারীতি কামান দাগা হল। কিন্তু রহস্যজনক ভাবে মিস রিটার পরিবর্তে তার অর্ন্তবাসটি ছিটকে গিয়ে মেয়রের মাথায় পড়ে। কামানের ভেতর মিস রিটার কাছে দ্বিতীয় অর্ন্তবাসটি পৌছানো পর্যন্ত সার্কাস বন্ধ রাখতে হয়।

১০. ব্যর্থতম রাজনৈতিক হত্যা প্রচেষ্টা: ফিদেল কাস্ট্রো ভাগ্যবানদের একজন। ১৯৭৪ সালের ভেতরেই উনাকে অন্তত ২৪ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়। এবং প্রতিবারই তা ব্যর্থ হয়। একবার কোল্ড ক্রিমের ডিব্বায় বিষ ভরা ক্যাপসুল রাখলে তা গলে যায়। আরেকবার কালো চুলের এক মায়াবিনী ঘাতক উল্টো্ উনার প্রেমে পড়ে যায়। আরেকবার ফ্রিজে রাখা চকলেট মিল্ক শেকে বিষ মিশিয়ে রাখা হয়। কিন্তু তা জমে বরফ হয়ে গিয়ে খাবার অযোগ্য হয়ে পড়ে। উনাকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন সময়ে প্রচুর পয়জন পেলেটস ছোড়া হয় যা প্রতিবারই ব্যর্থ হয়। আরেকবার এক আস্ত বাজুকা নিয়ে মারতে আসা দুই ঘাতক ধরা পড়ে যায়। বিস্ফোরিত একগাদা সী শেল মাত্র চল্লিশ মিনিটের জন্য ক্যাস্ট্রোকে মিস করলেও মূল হাভানা শহরের সমস্ত ট্রাফিক লাইট ফিউজ করে দিতে সক্ষম হয়।

১১. ব্যর্থতমবিদ্যুত প্রতিমন্ত্রী: বাংলাদেশের বিদ্যুত প্রতিমন্ত্রী বর্তমানে দেশের বিদ্যুত সমস্যাকে টর্নেডো, সুনামির মত প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে তুলনা করেছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণ করা যেমন মানুষের সাধ্যের বাইরে তেমনি বর্তমানে দেশের বিদ্যুত পরিস্থিতিও সমাধান করা আমাদের ক্ষমতার বাইরে। খুবই চমৎকার যুক্তি। তাই আসুন আমরা সবাই মিলে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিদ্যুত খাতের সমস্যা সমাধান করার জন্য। তিনি যেন শীঘ্রই একজন দেবদূত পাঠিয়ে আমাদের দেশের বিদ্যুত সমস্যার সমাধান করে দেন।

* মাঝে মাঝে দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভাবি পৃথিবীর বর্থ্যতম একজন মানুষ হিসেবে এই জীবনে কিছুইতো করা হল না । মাঝে মাঝে মা-বাবাকে বলতে ইচ্ছে করে তোমরা ভুল মানুষকে নিয়ে কেন স্বপ্ন দেখলে? ক্রমশ ফুরিয়ে আসছে আয়ু। হায়! জীবন এত ছোট কেন?
সংগৃহীত: আহসান হাবীব সম্পাদিত পৃথিবী বিখ্যাত সব ফেলটুস। (১১ নম্বরটি বাদে)
সামু

শুক্রবার, ৮ জুলাই, ২০১১

৬৬ বছরে ৩৯ বউ, চাই আরও!


প্রচলিত আছে ‘কাউকে বিপদে ফেলতে চাও তো বিয়ে করিয়ে দাও’। বিয়ে নিয়ে তাই আমাদের ভাবনার শেষ নেই। বিয়ে তাই অনেকের কাছে রীতিমত ভীতির ব্যাপার- চিকিৎসা বিজ্ঞানে যাকে বলে ম্যারেজ ফোবিয়া। কিন্তু উত্তর ভারতের জিয়না চানা’র কাছে বিয়ে নিয়ে এসব ভাবাভাবির কোনও ফুরসৎ নেই।
মিয়ানমারের সীমানা ঘেষা মিজোরাম রাজ্যের উঁচু পাহাড়ি গ্রামের জিয়না চানার বয়স এখন ৬৭ ছুঁই ছুঁই। বয়সে তাকে ৬৭ বছরের বুড়ো ভাবলেও চানা কিন্তু তেমনটি ভাবেন না। বর্তমানে তার বিয়ে করা স্ত্রীর সংখ্যা মাত্র ৩৯ জন। মাত্র বলছি এ কারণে যে, ৬৭ বছরেও চানার আরও বিয়ের করার ইচ্ছেটা মোটেও কমে যায়নি।
সংবাদ মাধ্যমের ভাষ্যমতে, কেউ আগ্রহী হলে তিনি নাকি আরও কয়েকটি বিয়ে করতে একপায়ে খাড়া। ‘প্রতিদিনই আমি আমার পরিবার বর্ধিত করতে চাই এবং আরও বিয়ে করতে চাই’- বিয়ে এবং পরিবার নিয়ে জিয়না তার মনোভাব প্রকাশ করেন এভাবেই।
১৭ বছর বয়েসে চানা প্রথম বিয়ে করেন। তার সেই স্ত্রীর বয়স ছিল তখন তার চেয়ে ৩ বছর বেশি। সে-ই শুরু। তারপর আর থেমে থাকেনি বিয়ে নামের দিল্লিকা লাড্ডুর পৌণপুনিক স্বাদ গ্রহণ করার পালা।

সন্তান-সন্ততিসহ জিয়না চানা ও তার ১০০ ঘরবিশিষ্ট বাড়ি
বিয়ের অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করতে গিয়ে চানা বলেন- একটা সময় ছিল যখন আমি বছরে সর্বোচ্চ ১০টি পর্যন্ত বিয়ে করেছি। চানার ৩৯ জন স্ত্রীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছে ৯৪ জন ছেলেমেয়ে। ছেলেমেয়েদের ঘরে জন্ম নেওয়া নাতি-নাতনীর সংখ্যা এরই মধ্যে দাঁড়িয়েছে ৩৩। অর্থাৎ ৬৭ বছরের বুড়ো চানার পরিবারের মোট সদস্য সংখ্যা এখন ১৬৭।
চানার নিজ গ্রামের চারতলা একটি দালানে ১০০টি রুমে বসবাস করছে পরিবারের সব সদস্য। আর তার স্ত্রীরা থাকেন চানার নিজ বেডরুমের পাশের একটি ডরমেটরিতে গাদাগাদি করে। তবে স্থানীয়রা জানান, সব সময় স্ত্রীদের অন্তত ৭-৮ জন তার চারপাশ ঘিরে থাকুক-চানার পছন্দ এমনটিই।
১৬৭ সদস্যের বিশাল এ পরিবারের প্রতিদিনের খাবারের চাহিদা মেটাতে প্রয়োজন পড়ে কমপক্সে ৯১ কেজি চাল এবং ৫৯ কেজি আলু যার অধিকাংশ পরিবারের সদস্যরা এবং বাকি তার অনুসারিদের অনুদানের মাধ্যমে সংগৃহীত হয়।
১৯৪২ সালে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বনকারী জিয়না চানা পরে নিজেই একটি ধর্মীয় মতবাদ প্রতিষ্ঠা করেন। বহুবিবাহে বিশ্বাসী চানা মনে করেন- বহুবিবাহের মাধ্যমে তার প্রবর্তিত বিশেষ খ্রিস্ট ধর্ম এক সময় সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে। আর মূলতঃ এ কারণেই নাকি চানা ৩৯ টি বিয়ে করেছেন!

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | JCPenney Coupons