Jokes লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Jokes লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই, ২০১১

বিভীষিকাময় দৃশ্য - টপ লিষ্ট আলোচিত নিউজ!!!


ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট
সদ্যপ্রসূত শিশুটির মাথাভর্তি চুল। নাদুসনুদুস বাচ্চাটা দেখে চোখ চকচক করে ওঠে বেলা সোয়ানের (ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট)। রক্তপিপাসায় উন্মত্ত হয়ে ওঠে বেলা। বাচ্চাটাকে তার চাই-ই চাই। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় আরেক ভ্যাম্পায়ার এডওয়ার্ড কুলেন (রবার্ট প্যাটিনসন)। কারণ, শিশুটি যে তারই ঔরসজাত। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে ধুন্ধুমার লড়াই বেধে যায়। এটি দ্য টোয়ালাইট সাগা: ব্রেকিং ডাউন পার্ট ১ ছবির একটি দৃশ্য। এক সাক্ষাৎকারে ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট জানান, আধা মানব ও আধা ভ্যাম্পায়ার শিশুটি আসলে একটি রোবট। এটি চালাতে গিয়ে ছবির একদল ক্রু নাকি মাথার ঘাম পায়ে ফেলেছে। ওয়েবসাইট
এই নিউজ ছাপা হয়েছে প্রথম আলোতে এর পাঠক প্রতিক্রিয়া দিখুন...


Md. Abdul Gafur
Md. Abdul Gafur
২০১১.০৭.২৮ ০৬:২২




Is it the news for published like as Prothom Alo Newspaper?simply rubbished.


Shajed
Shajed
২০১১.০৭.২৮ ০৮:২২




এধরনের সংবাদ পত্রিকায় ছাপা হতেই পারে। কিন্তু এরকম রহস্যময় শিরোনামের জন্য এটি 'সবচেয়ে পঠিত' সংবাদের তালিকায় চলে আসছে। প্রথম আলোর কাছে অনুরোধ রইল ভবিষ্যতে শিরোনামের ব্যপারে আরও সতর্ক হতে।


Engr. Moshiur Rahman
Engr. Moshiur Rahman
২০১১.০৭.২৮ ১০:৩৮




শিরোনাম দেখে অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে পড়তে শুরু করার একটু পরেই মোহভঙ্গ হলো । তাই আমিও Shajed সাহেবের এর সঙ্গে সম্পূর্ন একমত।


Atanu Chatterjee
Atanu Chatterjee
২০১১.০৭.২৮ ১১:০৮




I agree with the other bloggers. This is done to draw attention.


Mahmud Khan
Mahmud Khan
২০১১.০৭.২৮ ১১:৩০




বিভ্রান্তিকর শিরোনাম। এটি আসলে কোন খবর হওয়ার কথা নয়।


Mohammed Manirul Islam Khan
Mohammed Manirul Islam Khan
২০১১.০৭.২৮ ১২:৪১




প্রথম আলোকে আরও সাবধান হতে হবে খবর প্রকাশ করার জন্য। খবরের শিরোনাম আর খবর এক নয়। বুঝা যাচছে ঘুনে ধরা শুরু করেছে।

 বাবা রামদেবকে বিয়ে করতে চান রাখি

রাখি সাওয়ান্ত রাখি সাওয়ান্ত
উদ্ভট সব কর্মকাণ্ডের জন্য বলিউডে রাখি সাওয়ান্ত একটু অন্যভাবেই পরিচিত। মনোযোগ আকর্ষণে বিতর্কিত কিছু করতেও দ্বিধা নেই তাঁর। মূলত বলিউডি ছবিতে পার্শ্বচরিত্রে তাঁর বিচরণ হলেও স্যাটেলাইট টিভিগুলোয় বিভিন্ন রিয়েলিটি শো ও অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় তিনি নিজের দক্ষতা প্রমাণ করেছেন। একই সঙ্গে আইটেম গার্ল হিসেবেও তৈরি করেছেন আলাদা একটা পরিচিতি। তবে এবার তিনি আলোচনার জন্ম দিয়েছেন ‘যোগগুরু’ বাবা রামদেবকে বিয়ে করার ইচ্ছা পোষণ করে।
সম্প্রতি তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন নিজের রিয়েলিটি শো ‘গজব দেশ কি আজব কাহানিয়া’র প্রচার উপলক্ষে। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের সামনেই নাকি সরাসরি বাবা রামদেবের প্রেমে পড়ার কথা স্বীকার করেছেন। সাংবাদিকেরা রাখির মুখে এ কথা শুনে যখন জিজ্ঞেস করেন, কবে বিয়ে করছেন? ঠিক তখনই রাখি বলেছেন, ‘বাবা রামদেব হ্যাঁ বললেই তাঁকে বিয়ে করব।’
রাখি বলেন, ‘বাবা রামদেবকে যখন দেখেছি, তখন থেকেই তাঁর প্রেমে পড়ে গেছি। আর তাঁকে যখন ইয়োগা করতে দেখেছি, তখন মন্ত্রমুগ্ধের মতো চেয়ে থেকেছি। বারবারই তাঁর চেহারা আমার চোখে ভাসতে থাকে।
শুধু বাবা রামদেবকেই নয়, রাখি এর আগে রাহুল গান্ধীকেও বিয়ে করার ইচ্ছে পোষণ করেছিলেন। কিন্তু এখন রাহুলের চেয়ে রামদেবই নাকি তাঁর বেশি পছন্দের। এ কথা রাখি স্বীকার করেছেন বেশ অকপটেই। টাইমস অব ইন্ডিয়া।
প্রথম আলো

ঝগড়া বন্ধে ঠোঁটে সেলাই!

বউ-শাশুড়ির মধ্যে ঝগড়া নতুন কোন খবর নয়। তবে এ ঝগড়া বন্ধ করতে ঠোঁট সেলাই করে দেয়ার ঘটনা আগে কখনও শোনা যায়নি। তাইওয়ানের লিন নামের ৫৭ বছর বয়সী এক শাশুড়ি তার পুত্রবধূর প্রতি বিরক্ত হয়ে নিজেই এ কাজ করেছেন। জানা গেছে, বউয়ের যে কোন কাজেই লিন খুঁত ধরতেন এবং বকবক করতেন। আর বউও সর্বৰণ শাশুড়ির বকবকানির সমালোচনা করত।
গত সপ্তাহের এক সকালে দু’জনের মধ্যে শুরম্ন হয় তুমুল ঝগড়া। এক পর্যায়ে চেন নামের এ ভিয়েতনামী বধূ পুলিশের সহায়তা চান। তিনি পুলিশকে বলেন, শাশুড়ি লিন একজন মানসিক রোগী। তিনি চিকিৎসা করাতে চাইলেও লিন তা গ্রহণ করছেন না। পুলিশের উপস্থিতিতে শাশুড়ি একটি রম্নমে দরজা আটকে বসেছিলেন। তাদের ঝগড়ার ঠিক দুই ঘণ্টা পর চেন আবারও পুলিশ ডাকেন। এবার পুলিশ দেখেন যে চেনের মাথা ফেটে রক্ত পড়ছে। চেন বলেন, শাশুড়ি তার মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছেন। পরে ওইদিন বিকেলে লিনকে নিকটবর্তী একটি পার্ক থেকে ঠোঁট সেলাই করা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সেলাই খোলার জন্য তাকে পাঠানো হয় হাসপাতালে। লিন পুলিশকে বলেন, পুত্রবধূ তার কথার সমালোচনা করায় তিনি নিজেই সেলাই করে মুখ বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে। _চায়না টাইমস।
জনকন্ঠ

মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০১১

নিলামে উঠছে প্রিসলির 'অশোভন' ভিডিও ফুটেজ

এবার নিলামে উঠছে ‘কিং অফ রক এন’ রোল’খ্যাত মার্কিন গায়ক ও অভিনেতা এলভিস প্রিসলির ‘অশোভন’ ভিডিও ফুটেজ। জানা গেছে, পঞ্চাশের দশকে ধারণকৃত এই ফুটেজ এর আগে কখনোই দেখার সুযোগ হয়নি বিশ্ববাসীর। ধারণা করা হচ্ছে নিলামে এর মূল্য ১০ হাজার পাউন্ড ছাড়িয়ে যাবে। আগামি মাসেই এই ভিডিও ফুটেজ নিলামে তোলা হবে। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়ার।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ১৯৬১ সালে মাত্র আড়াই পাউন্ড খরচ করে এই ফুটেজ সংগ্রহ করেছিলেন প্রিসলি ভক্ত বিলস এলিস। সে সময় মঞ্চে অশোভন ভঙ্গিতে পারফর্মেন্সের অভিযোগ উঠেছিলো প্রিসলির বিরুদ্ধে। শিকাগো পুলিশ ডিপার্টমেন্ট বিষয়টির তদন্তও শুরু করেছিলো। জানা গেছে, নিলামে উঠতে যাওয়া এই ফুটেজে প্রিসলিকে অশোভন ভঙ্গিতে মঞ্চে দেখা গেছে।

ফুটেজে দেখা গেছে, প্রিসলি তার বিখ্যাত সোনালী রংয়ের স্যুট পরে মঞ্চে ‘বেবি, লেটস প্লে হাউস’ গানটি গাইছেন। কোমর দুলিয়ে অশোভন ভঙ্গিতে নাচতেও দেখা গেছে তাকে।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

 ইঁদুর মারতে দরপত্র!

অভিনব এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। ইঁদুরের হাত থেকে হাসপাতালকে মুক্ত করার জন্য রীতিমতো পত্রিকায় দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আর তাতে সায়ও দিয়েছে কলকাতার একটি সংস্থা।
সংস্থাটি দরপত্রে ১০০ বর্গফুট এলাকার ইঁদুর মারার জন্য চার রুপি করে চেয়েছে। এতে রাজিও হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শুরুও করেছে প্রথম পর্যায়ের ইঁদুর নিধন অভিযান।
বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনেক দিন ধরে ইঁদুরের উপদ্রব চলছিল। ইঁদুর রাতে রোগীর টেবিলে থাকা খাবারই শুধু নিয়ে যেত না, মাঝেমধ্যে কামড়েও দিত রোগীদের; কেটে তছনছ করত হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও। কোনোক্রমেই এই ইঁদুরের উপদ্রব বন্ধ করতে না পেরে গত ২৫ জুন কর্তৃপক্ষ ইঁদুর মারার জন্য দরপত্র আহ্বান করে স্থানীয় একটি পত্রিকায়।
৭ জুলাই দরপত্র গ্রহণ করে ইঁদুর মারার দায়িত্ব দেওয়া হয় কলকাতার একটি সংস্থাকে।
হাসপাতালের ডেপুটি সুপার তাপস কুমার ঘোষ বলেছেন, হাসপাতালের ইঁদুরের উপদ্রব কমানোর জন্য একটি সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আশা করি, এতে সুফল পাওয়া যাবে।প্রথম আলো

মঙ্গলবার, ১২ জুলাই, ২০১১

মধুচন্দ্রিমায় বিবসনা কেট মস

সদ্য বিবাহিতা বৃটিশ সুপারমডেল কেট মস ও তার স্বামী জেমি হিঞ্চ সম্প্রতি ফ্রান্সের কর্সিকা দ্বীপে মধুচন্দ্রিমায় গিয়েছেন। জানা গেছে, সেখানে বিলাসবহুল একটি প্রমোদতরীতে বিবসনা অবস্থায় ক্যামেরাবন্দী হয়েছেন ৩৭ বছর বয়সী এই মডেল। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়ার। 

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, প্রমোদতরীতে সূর্যস্নানের সময় ৪২ বছর বয়সী জেমিকে ঘনঘনই আলিঙ্গন করেছেন এবং চুমু খেয়েছেন কেট।

উল্লেখ্য, এ বছরের ১ জুলাই গাঁটছড়া বেঁধেছেন এই জুটি। কর্সিকাতে যাওয়ার পর এই প্রথম তাদের মধুচন্দ্রিমার ছবি প্রকাশিত হলো।
 



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

সোমবার, ১১ জুলাই, ২০১১

ফাও খাবার না পেয়ে রেস্তোরাঁ ভাঙচুর

ফাও খাবার না পেয়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল ছাত্র রাজধানীর কলেজগেটে একটি রেস্তোরাঁয় ভাঙচুর করেছেন। এ সময় হোটেলের কর্মচারীরা ছয়জন ছাত্রকে পিটিয়ে আহত করেন। আহত ব্যক্তিরা সবাই ছাত্রলীগের কর্মী বলে জানা গেছে। 
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হাসানুজ্জামান বাদী হয়ে রেস্তোরাঁর মালিক ও কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করার পর পুলিশ রেস্তোরাঁর দুজন কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী এক ছাত্র জানান, গতকাল বেলা পৌনে তিনটার দিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উল্টো দিকের অনুরাগ রেস্তোরাঁয় খেতে যান শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল হাসান নিপুণ, কর্মী জান্নাত চৌধুরী ও জাহিদ। তিনজনের খাবারের দাম হয় ৩১১ টাকা। কিন্তু কর্মীরা মাত্র ১০০ টাকা দিয়ে চলে যেতে উদ্যত হন। এ সময় ব্যবস্থাপক তাঁদের ডাক দিলে ছাত্ররা ফিরে এসে জানান, তাঁরা ২০ ভাগ মূল্যছাড় পেয়ে থাকেন। ব্যবস্থাপক ওই ছাড় দিয়েই বাকি দাম দিতে বলেন। ছাত্ররা এতেও রাজি না হলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ছাত্ররা ব্যবস্থাপককে মারধর শুরু করেন। 
প্রত্যক্ষদর্শী আরও একজন জানান, ছাত্রদের মধ্যে একজন ফোন করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১০-১৫ জন ছাত্রকে ডেকে নিয়ে আসেন। ছাত্ররা এসেই রেস্তোরাঁর সামনের কাচ ভেঙে ফেলেন। এ সময় রেস্তোরাঁর সব খদ্দের বের হয়ে যান। শুরু হয় মারামারি। মারামারিতে ছাত্রলীগের ও রেস্তোরাঁকর্মী উভয় পক্ষই আহত হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। ঘটনার পর পুলিশ এসে ছাত্রলীগের কর্মীদের পক্ষ নিয়ে তৎ পরতা শুরু করলে রেস্তোরাঁকর্মীরা পালিয়ে যান।
ছাত্ররা জানান, মারামারির সময় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর সরোয়ার মামুন, সহসভাপতি এ এম আহসান হায়দার শুভ, সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল হাসান নিপুণ, ইব্রাহিম খলিল খান, কর্মী জান্নাত চৌধুরী ও সুমন চন্দ্র সরকার আহত হন। তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, গতকাল ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ছিল বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে। সম্মেলন শেষে নেতারা কয়েকজনকে টাকা দিয়ে রেস্তোরাঁয় গিয়ে খেতে বলেন। টাকা নিয়ে ওই তিনজন রেস্তোরাঁয় খেতে যান। খাওয়া শেষে দাম হয় ১২০ টাকা। তাঁরা ১০০ টাকা দিতে চান। কিন্তু ব্যবস্থাপক ২০০ টাকা দাবি করেন। রেস্তোরাঁকর্মীরা ধারালো অস্ত্র ও রড-লাঠি নিয়ে তাঁদের মারধর করেছেন বলে তিনি জানান। 
মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় পুলিশ রেস্তোরাঁর মালিকের আত্মীয় ও রেস্তোরাঁর কর্মী সৈয়দ হোসাইনুল ইসলাম তালুকদার ও রাকিব হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে।

রবিবার, ১০ জুলাই, ২০১১

বিয়ের আগে এ কি শুনলেন জেনেলিয়া!

Details
মিয়া বিবি রাজি। শুভ দিনক্ষণে হাজির হবেন পুরোহিত। পড়াবেন বিয়ে। বাধা পড়বেন দাম্পত্য বাধনে। মনের মধ্যে যখন এই নিয়ে নানা স্বপ্নের জাল তখন কন্যা যদি খবর পায় তার বিয়ে হয়ে গেছে, আরেক পুরুষের সাথে! তাই যাকে নিয়ে বিয়ের স্বপ্ন দেখছে সে বাদ! তখন কেমন লাগে! কেমন লাগে সেটার সঠিক উত্তর এই মুহুর্তে সবচে ভাল দিতে পারবেন বোধহয় বলিউডের গ্ল্যামারগার্ল নায়িকা জেনেলিয়া ডি সুজা। দক্ষিণ ভারতের সুন্দরী এই অভিনেত্রী বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় হিন্দি ছবিতেই অভিনয় করেছেন। সম্প্রতি দেশী বিদেশী অনেক পত্রপত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে, প্রেমিক রিতেশ দেশমুখের সঙ্গে বিয়ের গাটছড়া বাধতে যাচ্ছেন জেনেলিয়া। ‘লাভবার্ড’ বলে পরিচিতি পাওয়া এই জুটি পরস্পরকে গভীরভাবে ভালোবাসার কথাও স্বীকার করেছেন। সামনে বিয়ের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন সবিস্তারে।
কিন্তু কাবাবে হাড্ডি হয়ে হাজির হয়ে এসেছেন এক পুুরোহিত। ভগবত নামের ওই পুরোহিত বলেছেন জেনেলিয়ার বিয়ে হয়ে গেছে ভারতের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেতা জন আব্রাহমের সঙ্গে! সেই বিয়ে তিনি নিজেই পড়িয়েছেন! সুতরাং হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী জেনেলিয়ার নতুন আরেকটি বিয়ে করার সুযোগ নেই! পুরোহিত এই দাবিতে রেজিস্টার অফিসে একটি অভিযোগও দাখিল করে রেখেছেন।
ঘটনাটা খুলে বলা যাক। জন আব্রাহম এবং জেনেলিয়া পরিচালক নীতিশ কামাতের ছবি ‘ফোর্স’ এ নায়ক-নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। ছবিতে তাদের বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের দৃশ্যকে ‘ন্যাচারাল’ করে ফুটিয়ে তুলতে পরিচালক কোনো অভিনেতার পরিবর্তে একজন আসল পুরোহিত খবর দেন। তিনি হলেন আলোচিত এই ভগবত। ভগবত ভুলেই গেছিলেন যে এটা সিনেমার বিয়ে! তাই তাকে ভুয়া মন্ত্রপাঠ করতে বলা হলেও তিনি অভ্যাসবশত বিয়ের আসল মন্ত্র পাঠ করেন! অর্থাত্, ধর্মের বিধান অনুযায়ী সব আনুষ্ঠানিতকা মেনেই ‘বিয়ে’ হয়ে যায়। ছবির ওই দৃশ্য শেষ হবার পর ভগবতের খেয়ালই ছিল না যে তিনি আসল মন্ত্র পড়িয়েছেন। কিন্তু গত সপ্তাহে জেনেলিয়া-রিতেশের প্রেম ও বিয়ের খবর শুনে তিনি দৃশ্যপটে হাজির হয়ে জানান, এক স্বামী বর্তমান থাকতে আরেক বিয়ে অসম্ভব! তার মনে পড়েছে, তিনি ‘আসল বিয়ে’ পড়িয়েছেন!
উল্লেখ্য, জেনেলিয়া হিন্দি, তামিল, কানাড়া, মালায়ালাম মিলে ৩২ টির মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন। কয়েকটিতে সেরা নবাগতা নায়িকার মনোনয়ন পেয়েছেন। টাইমস অব ইন্ডিয়া।

শনিবার, ৯ জুলাই, ২০১১

দুনিয়ার বিচিত্র আইন সমুহ

সবচেয়ে লম্বা কোন হাত? ডান হাত,বাম হাত অথবা অজুহাত? এই প্রশ্ন করলে কেউ বিন্দুমাত্র না ঘাবড়ে গিয়ে বলবে আইনের হাত।কারন আইনের হাত যে কত শক্ত তা মানুষ জানে।আইন যতক্ষন হাত হিসেবে থাকে তখন তা অনেক লম্বা ক্ষমতাশালী।কিন্তু কার্বনের মত আইনের বহুরূপতা য়াছে।এর দুটা রূপের আরেকটা হল জাল।আইন যখন জাল হয়ে যায় তখন তার ফাঁক ফোকড় হয়ে যায় বিশাল এবং বিস্তৃত।এর বিশাল ফাকঁ গুলো দিয়ে রাগব বোয়ালরা সহজেই চলাচল করতে পারে।তবে আইনের হাত কিন্তু অনেক শক্ত।

আইনের হাতের এই শক্তিমত্তার রূপক হিসেবে বিচারকদের লম্বা হাতার পোষাক পড়তে হয় কোন কোন দেশে।এই পোষাকের আরো বিভিন্ন রূপক অর্থ আছে।যেমন এই কাল রঙের পোষাকের অর্থ নাকী নিজের পরিচয় গোপন রাখা।আর গলার সাদা ব্যান্ডের অর্থ মিথ্যার কাল আধাঁর থেকে সত্য প্রকাশ।আমাদের দেশের প্রধান বিচারপতি যে পরচুলা পড়েন এই পরচুলা দিয়ে বোঝানো হয় বিচারক মায়ের মত।মায়ের কাছে যেমন আপনি যেমন আপনার ছোট তেমন ঠিক তেমনি এই বিচারকের কাছে বাদী বিবাদী সবাই সন্তানের মত ,সবাই সমান।

দেশে এবং বিদেশে এমন কিছু আইন আছে যেগুলো শুনতে একটু হাস্যকর এবং অদ্ভুত বলে মনে হয়।বাংলাদেশের আইনের দন্ডবিধির ৪৪৮ ধারায় আছে অনুমতি ছাড়া কারো ঘরে প্রবেশ করলে তার শাস্তি এক হাজার টাকা জরিমানা অথবা একবছরের কারাদন্ড দেয়ার বিধান।এক্ষেত্রে উভয় দন্ডেও হতে পারে।

কলোরাডতে যৌক্তিক কোন কারন না দেখিয়ে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করা এক ধরনের চুরি।প্রতারনা অথবা ছিনতাইয়ের পর্যায়েও পড়ে।মহান আদালত এ ব্যাপারে বলেছেন, বৃষ্টির পানি এভাবে ধরে রাখলে কৃষিকাজের জন্য পানি পাওয়া যাবে না।অর্থনীতিতে খারাপ প্রভাব পড়বে।

হংকংযে একটা আইন আছে যদি কারো স্ত্রী পরকীয়া করে তবে স্বামী তাকে খুন করতে পারে।তবে শর্ত একটাই খুন করতে হবে খালি হাতে।তবে যে লোকের সাথে পরকীয়া করেছে তাকে অস্ত্র দিয়ে খুন করতে পারবে।

আমেরিকার আরিজোয়ানাতে শিশুরা পেয়াজ খেয়ে স্কুলে যেতে পারবে না বলে আইন আছে।১৮৮০ সালে এই পেয়াজ নিষিদ্ধকরন আইন পাশ হয়।আমেরিকার আরেকটি আইন হল কেউ রসুন খেয়ে গির্জা থিয়েটার ইত্যাদিতে যেতে পারবে না।ম্যাসাটুচেসের একটা আইন কেউ গির্জায় চীনাবাদাম খেতে পারবে না।

ক্যালিফোর্নিয়ার সুসানভিলে শব্দ করে সুপ খাওয়া অপরাধ।মায়ামীতে পুরুষের স্ট্র্যাপলেস গাউন পরে জনসমক্ষে যাওয়া আইনত অপরাধ।

ইলিনয়িস রাজ্যে আরেকটি আইন রয়েছে শীতকালে কোনো বাচ্চা জমে থাকা তুষার দিয়ে স্নো বল বানিয়ে গাছের দিকে ছুঁড়তে পারবে না।


আলাস্কায় কোনো গ্রিজলি ভালুককে মোটেও বিরক্ত করা যাবে না।উনি সম্মানী লোক।আপনি কেন বিরক্ত করবেন।

মেইন-এ একটা অতি পুরনো আইন রয়েছে, কোনো খচ্চরকে আগুনে ফেলা যাবে না।

মেইন-এ রাস্তায় হাঁটা অবস্থায় কোনো পথচারীর জুতার ফিতে যদি খোলা পাওয়া যায়, তাহলে এটা আইনত অপরাধ।

সান দিয়েগোতে একটা আইন রয়েছে, রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে গান গেয়ে পেট চালায়, তাদের অবশ্যই কাপড় পরতে হবে।

কানেকটিকাট রাজ্যে কড়া আইন রয়েছে, কোনো বাচ্চা পা ওপরে তুলে হাতে হেঁটে রাস্তা পেরোতে পারবে না।এই এলাকার বাচ্চাগুলা এককালে বান্দরস্বভাবের ছিল এটার প্রমান পাওয়া যায় এই আইন থেকে।ডারউইনের বিবর্তনবাদ প্রমানে এটা একটা যুক্তি হতে পারে।


মিশিগানে কঠোর আইন রয়েছে, যদি দোতলার চেয়ে উঁচু কোনো দালান তোলা হয়, তাহলে সেই দালানের প্রতিটা জানালায় একটা করে দড়ি ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
আমেরিকার মিশিগানে কোন বিবাহিত মহিলার চুল কাটাতে স্বামীর অনুমতি লাগে।


ইন্ডোনেশিয়ায় হস্তমৈথুনের শাস্তি হলো মুন্ডচ্ছেদ।

আমেরিকার কলাম্বিয়া প্রদেশে মেয়ের বাসর রাতে তার মার উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

গুয়ামের আইন অনুসারে কোন কুমারী মেয়ে বিয়ে করতে পারেনা। তাই কিছু লোক আছে যারা পয়সার বিনিময়ে কুমারিত্বের অভিশাপ মুক্ত করার কাজ করে। মেয়ের বাবা-মা সাধারনতঃ এই কাজের জন্য অনেক টাকা থরচ করেন।এরা কাজ শেষে সার্টিফিকেট দেয়।

লেবাননের আইন অনুসারে কোন পুরুষ লোক গৃহপালিত পশুর সাথে সহবাস করতে পারে। কিন্তু পশুটা অবশ্যই মাদী হতে হবে। মদ্দা পশুর সাথে সহবাস করার শাস্তি হলো মৃত্যুদন্ড।

এথেন্সের পুলিশ কোনও গাড়ির চালকের লাইসেন্স বাতিল করে দেবার ক্ষমতা রাখে যদি ঐ চালক গোসল না করে গাড়ি চালায় অথবা চালকের বেশভূষা না ঠিক থাকে।

মস্কোতে আবহাওয়াবিদরা ভুল তথ্য প্রচার করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান আছে।এটা বাংলাদেশে হলে বিটিভির আবহাওয়াবিদদের খবর হয়ে যেত।

ইংল্যাণ্ডে পার্লামেন্টে মৃত্যুবরন করা বেআইনি।

ফ্রান্সে শুকরের নাম নেপোলিয়ন রাখা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।

ইংল্যান্ডে একজন গর্ভবতী মহিলা যেকোন জায়গায়মুত্র বিসর্জন করতে পারেন।এমনকি তিনি চাইলে কোন ট্রাফিক পুলিশে হেলমেটে মুত্র বিসর্জন করতে পারেন।এটা তার বিবেচনা।

সিঙ্গাপুরে চুইং গাম অবৈধ।
ইন্ডিয়ানাতে রবিবারে গাড়ি বিক্রি করা আইনত দন্ডনীয়।


জাপানে কোন মেয়েকে ছেলে ডেটিং য়ে যেতে বললে মেয়েটি আইন অনুসারে না করতে পারবে না।


জাপানে কারো বড় ভাই তার গার্লফ্রেন্ডকে বিয়ে করে ছোট ভাইকে সম্মানীত করতে চাইলে আইন অনুসারে গার্লফ্রেন্ড অসম্মতি জানাতে পারবে না।

জাপানে একটা মাছের নাম ফাগু।এই ফাগু মাছ ৮০ সেকেন্ডের বেশী রান্না করা আইনত অপরাধ।৮০ সেকেন্ডের বেশী রান্না করলে এটি থেকে একধরনের বিষাক্ত পদার্থ বের হয়।


জাপানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বিল্ডিংযে মেয়েদের ব্রা না পড়া আইনত দন্ডনীয়।

১৬০৪ সালে ইংল্যান্ডের রাজা কিং জেমস witch craft act নামে একটা আইন প্রনয়ন করেন।এই আইনে যারা কালোশক্তি মানে ব্ল্যাক ম্যাজিক ব্যবহার করবে তাদের মৃত্যুদন্ড দেয়ার বিধান রাখা হয়।সাধারনত যারা কৃষ্ণশক্তি বা এই ব্ল্যাকম্যাজিক ব্যবহার করত তাদের বলা হত ডাইনি।ডাইনিদের পুড়িয়ে মারা হত,যদিও বিধান ছিল ফাসিতে ঝুলিয়ে মারা।এই আইনের আয়তায় প্রায় ৭০ হাজার মানুষকে মারা হয়।ফ্রান্সের সেই বিখ্যাত জোয়ান অব আর্ক কে এই আইনের অধীনেই পুড়িয়ে মারা হয়েছিল।তিনি ফ্রান্সকে ইংল্যান্ডের শাষন থেকে মুক্ত করতে চেয়েছিলেন।১৯৫১ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট এই আইন বাতিল করে দেয়।


প্রাচীন ভারতে এক আইন ছিল সতীদাহ প্রথা।এই প্রথায় স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীদের সহমরনে যেতে বাধ্য করা হত।কোন ধনী লোকের মৃত্যুর সম্পত্তি অধিকার করার লোভে তার আত্মীয়রা তার সদ্যবিধবা স্ত্রীকে ধরে বেঁধে, ঢাক-ঢোলের শব্দ দ্বারা তার কান্নার আওয়াজকে চাপা দিয়ে তার স্বামীর সাথে চিতায় শুইয়ে পুড়িয়ে মারতো।পরবর্তীতে ১৮২৯ সালে ৪ ডিসেম্বর রামমোহন রায়ের সামাজিক আন্দোলনের ফলে উইলিয়াম বেন্টিংক এই প্রথা বেঙল প্রেসিডেন্সিতে বাতিল করেন।


তথ্যসুত্রঃ
বিভিন্ন ওয়েবসাইট
হুমায়ুন আহমেদের ম্যাজিক মুন্সী
উইকিপিডিয়া

পৃথিবী বিখ্যাত সব ব্যর্থ কাহিনী

দৈনন্দিন জীবনে আমাদের প্রত্যেকেরই রয়েছে বিভিন্ন ব্যর্থতার কাহিনী। এখানে পৃথিবীর বিখ্যাত সব ব্যর্থতার কাহিনী দেয়া হল। যা পড়ে আমাদের নিজেদের ব্যর্থ জীবনে কিছুটা হলেও স্বস্তি আসতে পারে। অতএব Don’t worry be happy.

১. ব্যর্থতম লেখক: জার্মানীর এক লেখক তার জীবনে ৬৪ টা বই লেখেন যার মধ্যে মাত্র ৩টি বই এর প্রকাশক ধরতে তিনি সমর্থ হন। এর মধ্যে একটি বই প্রকাশক তার নিজের নামে ছাপিয়ে ফেলে। দ্বিতীয়টি ভুলক্রমে লেখকের নাম ছাড়াই প্রকাশিত হয়ে পড়ে। আর তৃতীয়টির ক্ষেত্রে এ রকম কোন সমস্যা হয়নি। পুরো বইযের বান্ডিল মার্কেটে যাবার পথে মিসিং হয় আর সে বই এর কোন হদিস পাওয়া যায়নি। পরে অবশ্য এক ঠোঙ্গা বিক্রেতার কাছে হারানো বই এর হদিস পাওয়া যায়। তবে বই হিসেবে নয় ঠোঙ্গা হিসেবে।

২. ব্যর্থতম ব্যাংক ডাকাত: ১৯৭১ সালে তিনজন ব্যাংক ডাকাত ডাকাতির উদ্দেশ্যে ইংল্যান্ডের স্থানীয় একটি ব্যাংক এ ঢুকে পড়ে। এটা ছিল তাদের প্রথম ব্যাংক ডাকাতি। তাই উত্তেজনাবশত তারা ভুল করে ব্যাংক এ না ঢুকে পাশের ডির্পামেন্টাল স্টোরে ঢুকে পড়ে। হাতের অস্ত্র উচিয়ে চিৎকার করে বলতে থাকে আমরা ব্যাংক লুট করতে এসেছি। দোকানের কর্মচারীরা এটাকে উচুদরের রসিকতা ভেবে উচ্চস্বরে হেসে উঠে। তাদের হাসি শুনে ডাকাতরা ঘাবড়ে গিয়ে কিছু না বুঝেই এক গাদা কয়েন চকলেট নিয়ে এলোপাথারি গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যায়।

৩. ব্যর্থতম কম্পিউটার প্রোগ্রামার: জার্মানীর জন মারথুস পেশায় একজন সৌখিন কম্পিউটার প্রোগ্রামার। তার কাজ হচ্ছে এন্টি ভাইরাস প্রোগ্রাম তৈরী করা। একবার বহু ঢাকঢোল পিটিয়ে তিনি একটি এন্টি ভাইরাস তৈরী করে পরীক্ষামূলক ভাবে বন্ধুর পিসিতে এটাকে টেস্ট রান করান। পিসিটি চালাতে গিয়ে দেখা গেল তার এন্টি ভাইরাসটি আসল ভাইরাস হয়ে বন্ধুর পিসির হার্ডডিস্ক ক্রাশ করে ফেলেছে।

৪. ব্যর্থতম বই: পশ্চিমা লেখক রুডলফ স্বাস্থ্যের জন্য পুষ্টি নামে একটি গবেষণামূলক বই লেখেন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বইটি বেস্ট সেলার বই এর তালিকায় চলে যায়। এর মধ্যে আকস্মাৎ লেখকের মৃত্যূ হলে ময়না তদন্ত করে ডাক্তার সার্টিফিকেট দেন। তাতে মৃত্যুর কারণ দেখানো হয় পুষ্টিহীনতা। এ খবর প্রচার হলে পরের সপ্তাহেই বই এর বিক্র বেস্ট সেলার থেকে ওর্স্ট সেলারে নেমে আসে। 

৫. ব্যর্থতম আর্কিওলজিস্ট: মরক্কোর আবিওয়ালা আল রাজি একজন সৌখিন আর্কিওলজিস্ট। পেশায় তিনি একজন ইন্জিনিয়ার হলেও তার নেশা হচ্ছে প্রাচীণ কালের হাড়-গোড় খুজে বের করা। দীর্ঘ বার বছর পরিশ্রম করে তিনি নিজের এলাকাতেই নিয়ানডারথল যুগের মানুষের চোয়াল খুজে পান। যা নিয়ে আর্কিওলজিস্টদের মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। পরে কার্বন টেস্টে ধরা পড়ে যে ঐ চোয়ালটি কোন নিয়ানডারথল যুগের মানুষের নয় তারই মৃত দাদার চোয়াল।

৬. ব্যর্থতম শিক্ষক: আফ্রিকার এক প্রত্যন্ত গ্রামের এক প্রাইমারী স্কুল। স্কুলের অবস্থা খুবই করুণ। ঐ স্কুলে কোন ঘন্টা ছিল না। ফলে তারা ক্লাশ শেষ হলে বা ছুটির আগে স্কুলের বাইরে অপেক্ষমান এক আইসক্রিমওয়ালার কাছ থেকে ঘন্টা ধার করে এনে বাজাত। কিন্তু এক পর্যায়ে বিরক্ত হয়ে আইসক্রিমওয়ালা ঐ স্কুলে ঘন্টার বিনিময়ে শিক্ষকের চাকুরী দাবী করে বসে। স্কুলে শিক্ষকের কিছু স্বল্পতাও ছিল আবার ঘন্টারও দরকার তাই তার চাকরী হয়ে যায়। কিন্তু কিছুদিন পর ঐ ঘন্টা স্কুল থেকে চুরি হয়ে গেলে ঐ আইসক্রিমওয়ালা শিক্ষকের চাকরী চলে যায়।

৭. ব্যর্ততম ধূমপায়ী: কলম্বিয়ার মাইকেল জর্জ কখনই ধূমপান করতেন না। কিন্তু বিয়ের পর তার স্ত্রী তাকে ধূমপান করতে উৎসাহিত করেন। কেননা তার স্ত্রীর ধারণা পুরুষ মানুষ সিগারেট না খেলে ম্যনলি লাগে না। স্ত্রীর অনুরোধে জর্জ একদিন বিমর্ষ মুখে এক প্যাকেট সিগারেট কিনে এনে একটি ধরালেন। সিগারেটে টান দেয়া মাত্র তিনি কাশতে কাশতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরে আসলে তিনি একটি চিঠি পান। তার স্ত্রীর ডিভোর্স লেটার।

৮. ব্যর্থতম উদ্ধার অভিযান: ১৯৭৮ সালের ১৪ জানুয়ারী সম্ভবত পৃথিবীর সব চাইতে সফল পশু উদ্ধার ঘটনাটি ঘটে বৃটেনে। এক বৃদ্ধার পোষা বিড়াল ছানাটি কি ভাবে যেন এক বিশাল বৃক্ষের মগডালে উঠে আটকে যায়। তখন দমকল বাহিনীর ধর্মঘট চলছিল বলে বৃটিশ সৈন্যরা বিপুল উদ্যমে ঐ বিড়ালটিকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসে। এবং অসাধারণ দক্ষতায় বিড়ালটিতে উদ্ধার করতে সমর্থ হয়। সমস্ত ব্যাপরটিতে বৃদ্দা এতই খুশি হন যে তিনি উদ্ধার কাজে নিয়োজিত সৈন্যদের না খাইয়ে ছাড়েন না। সৈন্যরা বিদায় পর্ব শেষ করে গাড়ীতে উঠে যাওয়ার সময় উদ্ধারকৃত বিড়ালটিকে চাপা দিয়ে চলে যায়। কারণ কোন ফাকে বিড়ালটি বৃদ্ধার কোল থেকে নেমে গাড়ীর চাকার নিচে অবস্থান করছিল তা কেউই লক্ষ্য করেনি।

৯. ব্যর্থতম সার্কাস: ফ্রান্সে মিস রিটা থান্ডারবার্ড নামে এক মহিলা কামানের গোলা হিসেবে খেলা দেখাতেন সার্কাসে। খেলার নিয়ম অনুযায়ী তিনি কামানের ভেতর গিয়ে ঢুকতেন, কামান দাগা হলে তিনি ছিটকে গিয়ে দূরবর্তী জালে গিয়ে পড়তেন। একদিন শহরের মেয়র আসলেন খেলা দেখতে। যথারীতি কামান দাগা হল। কিন্তু রহস্যজনক ভাবে মিস রিটার পরিবর্তে তার অর্ন্তবাসটি ছিটকে গিয়ে মেয়রের মাথায় পড়ে। কামানের ভেতর মিস রিটার কাছে দ্বিতীয় অর্ন্তবাসটি পৌছানো পর্যন্ত সার্কাস বন্ধ রাখতে হয়।

১০. ব্যর্থতম রাজনৈতিক হত্যা প্রচেষ্টা: ফিদেল কাস্ট্রো ভাগ্যবানদের একজন। ১৯৭৪ সালের ভেতরেই উনাকে অন্তত ২৪ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়। এবং প্রতিবারই তা ব্যর্থ হয়। একবার কোল্ড ক্রিমের ডিব্বায় বিষ ভরা ক্যাপসুল রাখলে তা গলে যায়। আরেকবার কালো চুলের এক মায়াবিনী ঘাতক উল্টো্ উনার প্রেমে পড়ে যায়। আরেকবার ফ্রিজে রাখা চকলেট মিল্ক শেকে বিষ মিশিয়ে রাখা হয়। কিন্তু তা জমে বরফ হয়ে গিয়ে খাবার অযোগ্য হয়ে পড়ে। উনাকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন সময়ে প্রচুর পয়জন পেলেটস ছোড়া হয় যা প্রতিবারই ব্যর্থ হয়। আরেকবার এক আস্ত বাজুকা নিয়ে মারতে আসা দুই ঘাতক ধরা পড়ে যায়। বিস্ফোরিত একগাদা সী শেল মাত্র চল্লিশ মিনিটের জন্য ক্যাস্ট্রোকে মিস করলেও মূল হাভানা শহরের সমস্ত ট্রাফিক লাইট ফিউজ করে দিতে সক্ষম হয়।

১১. ব্যর্থতমবিদ্যুত প্রতিমন্ত্রী: বাংলাদেশের বিদ্যুত প্রতিমন্ত্রী বর্তমানে দেশের বিদ্যুত সমস্যাকে টর্নেডো, সুনামির মত প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে তুলনা করেছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণ করা যেমন মানুষের সাধ্যের বাইরে তেমনি বর্তমানে দেশের বিদ্যুত পরিস্থিতিও সমাধান করা আমাদের ক্ষমতার বাইরে। খুবই চমৎকার যুক্তি। তাই আসুন আমরা সবাই মিলে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিদ্যুত খাতের সমস্যা সমাধান করার জন্য। তিনি যেন শীঘ্রই একজন দেবদূত পাঠিয়ে আমাদের দেশের বিদ্যুত সমস্যার সমাধান করে দেন।

* মাঝে মাঝে দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভাবি পৃথিবীর বর্থ্যতম একজন মানুষ হিসেবে এই জীবনে কিছুইতো করা হল না । মাঝে মাঝে মা-বাবাকে বলতে ইচ্ছে করে তোমরা ভুল মানুষকে নিয়ে কেন স্বপ্ন দেখলে? ক্রমশ ফুরিয়ে আসছে আয়ু। হায়! জীবন এত ছোট কেন?
সংগৃহীত: আহসান হাবীব সম্পাদিত পৃথিবী বিখ্যাত সব ফেলটুস। (১১ নম্বরটি বাদে)
সামু

শুক্রবার, ৮ জুলাই, ২০১১

সাতক্ষীরায় ময়না পাখির হাজতবাস

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় ময়না পাখির মালিকানা নিয়ে বিপত্তিতে পড়েছে পুলিশ। প্রকৃত মালিককে খুঁজে না পাওয়ায় পাখিটির আশ্রয় হয়েছে কলারোয়া থানার হাজতে। আজ শুক্রবার দুপুর দুইটার দিকে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার গদখালী গ্রাম থেকে এক স্কুলছাত্র ওই পাখিটি ধরে।
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা বলেছেন, গত বুধবার সকাল থেকে পথহারা ময়না পাখিটি গদখালী গ্রামের এক গাছ থেকে আরেক গাছে আশ্রয় খুঁজতে থাকে। গ্রামের নাহিদ হোসেন (১৪) নামের এক কিশোর কৌশলে পাখিটিকে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাবার খেতে দেয়। পরে ঘুমতাড়িত পাখিটি উড়ে ওই গ্রামের জিল্লুর রহমানের উঠানে বসে। জিল্লুর রহমানের ছেলে স্কুলছাত্র আল শাহারিয়ার (১২) পাখিটি ধরে ফেলে। 
ধরার পর নাহিদ হোসেনের পিতা মোসলেম আলী ও আল শাহারিয়ারের পিতা জিল্লুর রহমান পাখিটি নিজেদের বলে দাবি করতে থাকেন। এ নিয়ে একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে শুরু হয় বাগবিতণ্ডা।
খবর পেয়ে পুলিশ পাখিটিকে উদ্ধার করে। পাখিটিকে কলারোয়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। প্রকৃত মালিক খুঁজে না পাওয়ায় পাখিটির আশ্রয় হয় থানার হাজতে।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুভাষ বিশ্বাস বলেন, ধারণা করা হচ্ছে ময়না পাখিটি পাশের দেশ থেকে উড়ে এসেছে। পাখিটি হিন্দিতে কথা বলে, বাংলা বলে না। পাখিটি বন বিভাগের মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রয়োজন নেই, তবু ১২ কোটি টাকার যন্ত্র ক্রয়!

দুই বছরে প্রায় ১২ কোটি টাকার অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কিনেছে জাতীয় হূদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল (এনআইসিভিডি)। বায়োজিন ফার্মা এ যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছে। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে আরও পাঁচ-ছয় কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কেনার প্রক্রিয়া চলছে।
ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকেরা অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এক নেতা এই যন্ত্রপাতি কিনতে বাধ্য করছেন। বায়োজিন ফার্মা ওই নেতাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে।
জাতীয় হূদরোগ ইনস্টিটিউটের সাবেক একজন পদস্থ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বায়োজিন ফার্মার মাধ্যমে ব্যয়বহুল, কম প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কিনতে বাধ্য করছেন আওয়ামী লীগের ওই নেতা। এনআইসিভিডির বাইরে অন্যান্য মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালেও তিনি প্রভাব খাটাচ্ছেন। চিকিৎসকেরা ভয়ে প্রতিবাদ করতে পারছেন না।
ওই ইনস্টিটিউটের অন্তত ছয়জন চিকিৎসক একই অভিযোগ করেছেন।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খন্দকার মো. সিফায়েতউল্লাহ বলেন, জাতীয় হূদরোগ ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ কেনাকাটার অনিয়ম নিয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। এই অনিয়মের সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে ইনস্টিটিউটের পরিচালক আবদুল্লাহ আল শাফি মজুমদার এ প্রসঙ্গে কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন। 
নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, ২০০৯ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে কেনা যন্ত্রপাতির মধ্যে আছে দুটি রেনাল গার্ড, একটি স্টেম সেল থেরাপি মেশিন ও দুটি ইইসিপি মেশিন। দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, অপ্রয়োজনীয় আরও কিছু যন্ত্রপাতির নাম যুক্ত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নতুন তালিকা পাঠিয়েছে। তালিকা থেকে নির্দিষ্ট কিছু যন্ত্রপাতির নাম যেন ইনস্টিটিউটের ক্রয় কমিটি বাদ না দেয়, সে জন্য কর্তৃপক্ষকে হুমকি দিচ্ছেন আওয়ামী লীগের ওই নেতা ও তাঁর লোকজন।
তবে ওই নেতা বায়োজিন ফার্মার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। প্রথমে তিনি বলেন, ওই প্রতিষ্ঠানের কেনাকাটা সম্পর্কে তাঁর জানার কথা নয়। পরে বলেন, স্বাস্থ্য খাতে যুগান্তকারী যে সংস্কার চলছে, তার সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত। তাঁর দাবি, হূদরোগ ইনস্টিটিউটে অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনা হয়নি। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে না পারা চিকিৎসকদের ব্যর্থতা। 
বায়োজিন ফার্মার চেয়ারম্যান মো. শাফায়াতুল ইসলামও যন্ত্রপাতি চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষের চাহিদার ভিত্তিতে যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, কোনোভাবেই আওয়ামী লীগের কোনো নেতার সঙ্গে তিনি বা তাঁর প্রতিষ্ঠান যুক্ত নয়। তবে গতকাল বৃহস্পতিবার ধানমন্ডি ৮ নম্বরে ওই বায়োজিন ফার্মার অফিসে গিয়ে জানা যায়, আওয়ামী লীগের ওই নেতা এ অফিসে শাফায়াতুল ইসলামের পাশের কক্ষে বসেন। 
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্যয়বহুল বেসরকারি হাসপাতালের হূদেরাগ বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এসব যন্ত্রপাতি চালানোর মতো বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশে নেই। একজন বিশেষজ্ঞ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘অলংকার পরলে তো অলংকারের শেষ নেই। কিন্তু দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষকে সেবা দিতে যেসব যন্ত্রপাতি দরকার আগে সেগুলো কেনা উচিত।’
হূদরোগ ইনস্টিটিউটের কয়েকজন চিকিৎসক জানিয়েছেন, এই বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানটিতে তিন বছরের কম বয়সী রোগীদের অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা মাঝে বন্ধ ছিল। কারণ নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) প্রস্তুত ছিল না। এখন অস্ত্রোপচার চালু হলেও এ ব্যবস্থার মান নিয়ে চিকিৎসকেরাই সন্তুষ্ট নন। তা ছাড়া রোগীর সার্বক্ষণিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য কার্ডিয়াক মনিটর দরকার। ৪২টির মধ্যে ২৫টি এক বছর ধরে নষ্ট। বিপুলসংখ্যক রোগীর চিকিৎসায় ইসিজি ও ইকো মেশিন দরকার। অতি প্রয়োজনীয় এসব যন্ত্রপাতি জরুরি ভিত্তিতে কেনা দরকার।
ইনস্টিটিউট সূত্র জানিয়েছে, বায়োজিন ফার্মা একচেটিয়া কাজ শুরু করে ২০০৯ সালে। ওই বছর ৩০ মে ও ৫ জুন এক কোটি টাকা মূল্যের দুটি রেনাল গার্ড যন্ত্র সরবরাহ করে প্রতিষ্ঠানটি।
চিকিৎসকেরা জানান, রোগীর শরীরে পানি ও লবণের ভারসাম্য রক্ষা করে রেনাল গার্ড ক্ষতি কমিয়ে আনে। কিন্তু সরবরাহ করা যন্ত্র দুটির একটিও কাজ করছে না। ২০০৯ সালের ৮ জুন যন্ত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসক খন্দকার শহীদ হোসেন ও এম জালাল উদ্দিন লিখিত মন্তব্য দেন, যন্ত্র দুটি রোগীর শরীরে পানি ও লবণের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করতে অক্ষম। 
তখন ক্রয় কমিটির সভাপতি ছিলেন কার্ডিওভাসকুলার সার্জারি বিভাগের খাজা এন মাহমুদ। তিনিই সই করে যন্ত্র দুটি গ্রহণ করেন। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘অন্যান্য চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে যন্ত্র দুটি বায়োজিন ফার্মার কাছ থেকে বুঝে নিয়েছিলেন। সচল না অচল তা জানা ছিল না।’ তবে এখন যন্ত্র দুটি পড়ে আছে। নতুন একটি রেনাল গার্ড যন্ত্র কেনার প্রক্রিয়া চলছে।
ওই বছর বায়োজিন ফার্মা চার কোটি ১৬ লাখ ২৭ হাজার টাকা দামের একটি টিএমআর যন্ত্র ও ৯৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা দামের একটি ইইসিপি যন্ত্র দেয়। যেসব রোগীর এনজিওপ্লাস্টি বা বাইপাস সার্জারি করা যায় না, তাদের চিকিৎসায় এই যন্ত্র দুটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠানটি চার কোটি ৭৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা দামের স্টেম সেল থেরাপি যন্ত্র ও ২০১১ সালে আরও একটি ইইসিপি মেশিন দেয়। যাদের হূৎপিণ্ডের মাংসপেশি অত্যন্ত দুর্বল, স্টেম সেল থেরাপির মাধ্যমে তাদের হূৎপিণ্ডের গায়ে রক্ত চলাচল উন্নত করা যায়।
সূত্র জানায়, স্টেম সেল থেরাপি যন্ত্র ও ইইসিপি চালানো শেখাতে ইনস্টিটিউটের কয়েকজনকে বিদেশে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা ছিল বায়োজিন ফার্মার। কিন্তু তারা তা করেনি। এখন দুটি ইইসিপি যন্ত্র নষ্ট। নতুন একটি যন্ত্র আসছে। অন্যদিকে, স্টেম সেল থেরাপি যন্ত্রটিও অচল পড়ে আছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিঠি: কম প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির তালিকা আমলে না নেওয়ায় জাতীয় হূদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালককে ২০ জুন কড়া চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কিছুদিন আগে ইনস্টিটিউটকে যন্ত্রপাতির একটি তালিকা পাঠায়। ওই তালিকায় ৯০ লাখ টাকা দামের দুটি স্ফিগমোকর যন্ত্র, এক কোটি ১০ লাখ টাকা দামের ইইসিপি যন্ত্র ও ৫০ লাখ টাকা দামের স্পার্টান (ডিএনএ টেস্ট ডিভাইস) আছে। কর্তৃপক্ষ কম প্রয়োজনীয় যন্ত্র বাদ দিয়ে খুব প্রয়োজন এমন যন্ত্রপাতির একটি তালিকা পাঠায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ২০ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর লেখে, ইনস্টিটিউটকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রের তালিকা পাঠানো হয়েছিল। সেই তালিকা থেকে যন্ত্র না বেছে কেন নিজেদের প্রয়োজনীয় যন্ত্রের নাম পাঠানো হলো তা জানাতে বলা হয়।
কিনছে অন্য প্রতিষ্ঠানও: খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও মিটফোর্ড হাসপাতালেও বায়োজিন ফার্মা ইইসিপি যন্ত্র সরবরাহ করেছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগের ওই নেতা ইইসিপি যন্ত্র এখানেও দিতে চেয়েছিলেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের প্রতিরোধের মুখে সফল হননি।

ফারুককে লাঠিপেটার পর মামলা দিল পুলিশ

জয়নুল আবদিন ফারুক
জয়নুল আবদিন ফারুক
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুককে লাঠিপেটা করার পর তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও দিয়েছে পুলিশ। সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে বুধবার রাতে এ মামলা করা হয়।
তবে ফারুকের ওপর পুলিশের হামলার অভিযোগে বিএনপি মামলা করতে চাইলেও থানা মামলা নেয়নি। গুলশানে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ফারুককে ঘিরে রেখেছে পুলিশ।
শেরেবাংলা নগর থানা সূত্র জানায়, গত বুধবার মধ্যরাতে শেরেবাংলা নগর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নাজমুল করিম বাদী হয়ে পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলা করেন। এজাহারে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন, সাংসদ আশিফা আশরাফীসহ আরও ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়।
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইমাম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বুধবার মানিক মিয়া এভিনিউতে বেআইনিভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে জয়নুল আবদিন ফারুক, আশিফাসহ ১০ থেকে ১২ জন পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা ও ভয়ভীতি দেখান। এ ছাড়া তাঁদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার হারুনুর রশিদ, সহকারী কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও থানার এক উপপরিদর্শককে (এসআই) মারধর করার অভিযোগ আনা হয়।
মহানগর পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, জয়নুল আবদিন ফারুকের বিরুদ্ধে মামলা হলেও সাংসদ হওয়ার কারণে এ মুহূর্তে তাঁকে গ্রেপ্তার করা যাবে না। এ জন্য স্পিকারের অনুমতি লাগবে। তবে সরকারকে যাতে কোনোভাবে তিনি বিপদে ফেলতে না পারেন, সে জন্য ইউনাইটেড হাসপাতালে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
থানা মামলা নেয়নি: গতকাল বেলা তিনটায় লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের বিএনপিদলীয় সাংসদ আশরাফউদ্দিন নিজানের নেতৃত্বে বিএনপির নেতা-কর্মীরা শেরেবাংলা নগর থানায় যান। তাঁরা পুলিশের তেজগাঁও অঞ্চলের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ লিখে থানার অপারেশন কর্মকর্তা তানভীর হাসানের হাতে দেন।
সাংসদ আশরাফউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, অতিরিক্ত উপকমিশনার হারুন অর রশীদ ও সহকারী কমিশনার বিপ্লব কুমার বিরোধীদলীয় চিফ হুইপকে হত্যার চেষ্টা করেছেন। তাই তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ মামলা নেয়নি।
থানার অপারেশন কর্মকর্তা তানভীর হাসান প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপির নেতা-কর্মীদের অভিযোগপত্রটি তিনি পড়ে দেখেননি। থানার কর্তব্যরত উপপরিদর্শক (এসআই) সাদেকুল ইসলাম জানান, বিএনপির অভিযোগ মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি।
তদন্ত কমিটি: বিরোধীদলীয় চিফ হুইপকে মারধরের ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আবদুল জলিলকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ একটি শৃঙ্খলা বাহিনী। তাই তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উঠলেই ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিতে হয়। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রাজনীতিবিদদের মতো আমিও বিষয়টি ভালোভাবে দেখছি না। আমরা রাজনীতিবিদদের প্রতি সংবেদনশীল। সরকার পুলিশকে প্রভাবমুক্ত থেকে কাজ করার সুযোগ দিয়েছে।’
বিভিন্ন দল ও সংগঠনের নিন্দা: জয়নুল আবদিন ফারুকের ওপর পুলিশি নির্যাতনের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন দল ও সংগঠন।
প্রথম আলোবিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বিবৃতিতে বলেন, এর মাধ্যমে গোটা পুলিশ প্রশাসনকে কলঙ্কিত করা হয়েছে। তিনি দোষী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী বলেন, সরকার নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে এ হামলা চালিয়েছে।
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি সাংসদ রাশেদ খান মেনন ও সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান মল্লিক বিবৃতিতে বলেন, জনপ্রতিনিধিদের ওপর পুলিশের এমন মারমুখী আচরণ অতীতের সরকারগুলোর সময়েও হয়েছে। সংসদীয় রাজনীতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের এই আচরণ কাম্য নয়।
বিজেপির সভাপতি আন্দালিব রহমান ও সাধারণ সম্পাদক শামিম আল মামুন, অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, এক হাজার ১১১ জন চিকিৎসক, শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ, ঢাকা মহানগর বিএনপি, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলও এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে

বুধবার, ৬ জুলাই, ২০১১

বারাক ওবামা আততায়ীর গুলি তেঁ নিহত


মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল ফক্স নিউজের টুইটার অ্যাকাউন্টে হামলা চালিয়েছে হ্যাকাররা। শুধু তাই নয়, তারা সেখানে লিখেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা নিহত হয়েছেন। তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। প্রায় দুই ঘণ্টা এই বার্তা ফক্স নিউজ চ্যানেলের টুইটারে থাকে। গতকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসে এ ঘটনা ঘটে। টুইটার অ্যাকাউন্টে প্রথমে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানানো হয়। এরপর লেখা হয়, প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এই মাত্র মারা গেছেন। আততায়ীর গুলিতে তিনি নিহত হয়েছেন। ঘটনা টের পেলে ফক্স নিউজ চ্যানেল দ্রুত তাদের অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দেয়।
কে বা কারা এই অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেছে, তা জানা যায়নি। এ ব্যাপারে ফক্স নিউজ কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। রক্ষণশীল অবস্থানের জন্য ফক্স নিউজ চ্যানেল অনেক মার্কিনির কাছে প্রিয় নয়। তাদেরই কেউ হ্যাক করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি দেখা চ্যানেলের মধ্যে ফক্স নিউজ সবার শীর্ষে। এরপর রয়েছে সিএনএন ও এমএসএনবিসি। হ্যাকার গ্রুপ লুলজসিকিউরিটি গত মে মাসে ফক্স এন্টারটেইনমেন্ট গ্রুপের ওয়েবসাইট ফক্স ডটকমে হামলা চালায়।
একটা গল্প


Read more: http://techtunes.com.bd/news/tune-id/78478/#ixzz1RJNVlMWH

মঙ্গলবার, ৫ জুলাই, ২০১১

ভালোবাসার প্রতিযোগিতা

ছেলেটি স্কুলে গিয়ে নতুন শিখেছে, প্রতিটা কাজই মূল্যবান। কোনো কাজই ফেলনা নয়। সব কাজেরই একটা অর্থমূল্য আছে। এ ছাড়া কীভাবে বিল করতে হয়, তা-ও তাকে শেখানো হয়েছে। একদিন সন্ধ্যায় মা রান্নাঘরে কাজ করছেন। ছেলেটি তাঁর কাছে গিয়ে একটা বিল জমা দিল। মায়ের হাত ভেজা। তিনি কাগজটা রেখে দিলেন একটু পরে পড়বেন বলে। কাজ শেষে তিনি ছেলের দেওয়া চিরকুটটা হাতে নিলেন। ছেলে লিখেছে:
গাছে পানি দেওয়া: ১০ টাকা।
দোকান থেকে এটা-ওটা কিনে দেওয়া (তিনবার): ১৫ টাকা
ছোট ভাইকে কোলে রাখা: ৪০ টাকা
ডাস্টবিনে ময়লা ফেলতে যাওয়া: ২১ টাকা
পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করা: ৫০ টাকা
মশারি টানানো: পাঁচ টাকা
মোট: ১৪১ টাকা মাত্র
মা বিলটা পড়লেন। মুচকি হাসলেন। তারপর তাঁর আট বছরের ছেলের মুখের দিকে খানিকক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। তাঁর চোখে জল চলে আসছে। তিনি এক টুকরো কাগজ হাতে নিলেন। তারপর তিনি লিখতে লাগলেন:
তোমাকে ১০ মাস পেটে ধারণ করা:
বিনা পয়সায়
তোমাকে দুগ্ধপান করানো:
বিনা পয়সায়
তোমার জন্য রাতের পর রাত জেগে থাকা:
বিনা পয়সায়
তোমার অসুখ-বিসুখে তোমার জন্য প্রার্থনা করা, শুশ্রূষা করা, ডাক্তারের কাছে ছুটে যাওয়া, তোমার জন্য চোখের জল ফেলা:
বিনা পয়সায়
তোমাকে গোসল করানো, পরিষ্কার করা:
বিনা পয়সায়
তোমাকে গল্প শোনানো, গান শোনানো, ছড়া শোনানো:
বিনা পয়সায়
তোমার জন্য খেলনা, কাপড়চোপড়, প্রসাধনী কেনা:
বিনা পয়সায়
তোমার কাঁথা ধোওয়া, শুকানো, বদলে দেওয়া:
বিনা পয়সায়
তোমাকে লেখাপড়া শেখানো:
বিনা পয়সায়
এবং তোমাকে আমার নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসা:
বিনা পয়সায়
ছেলের হাতে মা কাগজটা তুলে দিলেন। ছেলে পড়তে লাগল মায়ের বিল। পড়তে পড়তে তার চোখ জলে ভরে উঠল। সে তখন তার নিজের লেখা চিরকুটটা হাতে তুলে নিয়ে লিখল:
পুরো বিল পরিশোধিত।
ভালোবাসার প্রতিযোগিতা হয় না। কে বেশি ভালোবাসে, আমি না তুমি, এভাবে কথা বলা যায় না। তবে একটাই প্রতিযোগিতা করা যায়। তা হলো, দেবার বেলায় এগিয়ে থাকা। যে দেয়, সে দেওতা, মানে দেবতা। আর যে নেয়, সে কী? সে কি নেতা?
নেতা তিনিই, যিনি দেবেন। নেতার কাজই তো দেওয়া। নেতারা ভালো কাজ করবেন, এটাই তো স্বাভাবিক। আর যা স্বাভাবিক, তা খবর নয়। যা অস্বাভাবিক তা-ই খবর। ছয়টার উড়োজাহাজ ছয়টায় ছেড়ে দিয়ে ঠিক সময়ে ঠিক বন্দরে পৌঁছালে সেটা খবর হয় না। ওই প্লেন ভেঙে পড়লেই সেটা খবর। সেই খবর পত্রিকায় না ছাপানো হলেই পাঠকেরা চিৎকার করে উঠবেন, এত বড় নিউজ ছাপা হলো না কেন? বিমান ঠিক সময়ে পৌঁছালে সে খবর না ছাপালে পাঠক আপত্তি করবে না। কিন্তু আমাদের দেশে সবকিছুই উল্টোপাল্টা। এখানে ভালো করাটাই যেহেতু ব্যতিক্রম, তাই ভালো কাজও এখানে খবর।
তবে হ্যাঁ, ভালো কাজকে উৎসাহিত করতে পারতে হবে। এক লোক সবকিছুরই নিন্দা করে। তাকে তার বন্ধু দাওয়াত করে খাওয়াল। খাওয়াদাওয়ার আয়োজন ছিল ব্যাপক, রান্নাও হয়েছে ভালো। পেটপুরে খেয়ে সে বলল, ভালোই হয়েছে, তবে লবণটা একটু কম। এর পরের বার লবণও ঠিকভাবে দেওয়া হলো। এবার আর আয়োজনে কোনো গলদ নেই। এবার মেহমান কী বলবেন? তিনি বললেন, খুব ভালো হয়েছে, তবে এত ভালো ভালো না।
আমরা এই রকম সমালোচনা নিশ্চয়ই চাই না। ভালো কাজের প্রশংসা নিশ্চয়ই করতে হবে। প্রশংসা মানুষকে ভালো কাজে উৎসাহিত করে। এ জন্য সমাজে ভালো কাজের স্বীকৃতি ও পুরস্কার থাকতে হয়। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ তাঁর ছোটবেলার স্মৃতিতে লিখেছেন, ছোটবেলায় তিনি উল্টো হাঁটা প্রতিযোগিতায় তৃতীয় হয়ে একটা চা-চামচ পুরস্কার পেয়েছিলেন। সেই চামচ নিয়ে তিনি সারাক্ষণ গর্বভরে ঘুরে বেড়াতেন। বাড়িতে মেহমান এলে বৈঠকখানায় তিনি চামচটা নিয়ে হাজির হতেন। চামচটা নাড়তেন, যাতে মেহমানেরা জিজ্ঞেস করে, ‘ও খোকা, তুমি চামচ নাড়ো কেন?’ তাহলে তো তিনি বলতে পারবেন, ‘এটা আমি পুরস্কার হিসেবে পেয়েছি।’
শাসকদের ভালো কাজের প্রশংসা তাই অকুণ্ঠভাবেই করা দরকার। কিন্তু মনে রাখতে হবে, ভালো কাজ করবেন বলেই তাঁরা ওই পদে আসীন হয়েছেন। সেই কাজে ভুল হলে তাঁরা যত সমালোচিত হবেন, ভুল না করলে ততটা প্রশংসিত হবেন না।
আর গণতন্ত্রে সবাই সমান। রাজার ছেলেরও এক ভোট, ভিখিরির ছেলেরও এক ভোট। কিন্তু, ‘এ জগতে হায় সেই বেশি চায় আছে যার ভূরি ভূরি, রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি।’ রাজার ছেলে কাঙালের ধন চুরি করলে তাকে নিবৃত্ত করবে কে? স্বাধীন বিচার বিভাগ, আইনের শাসন আর স্বাধীন সংবাদমাধ্যম। গণতন্ত্র যাতে দুর্বিষহ নিপীড়নতন্ত্রে পরিণত না হয়, তা দেখার দায়িত্ব সংবাদমাধ্যমেরই। সে জন্যই কবি বলেন, ‘নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো।’
এ লেখা শুরু করেছিলাম মায়ের সঙ্গে সন্তানের ভালো কাজের প্রতিযোগিতা দিয়ে। মায়ের কাছে আমাদের যে ঋণ, তা কি শোধাবার মতোন? রবীন্দ্রনাথের এই গান কি আমাদের চোখ ভিজিয়ে দেয় না, ‘অনেক তোমার খেয়েছি গো, অনেক নিয়েছি মা—/ তবু জানি নে-যে কী বা তোমায় দিয়েছি মা!/ আমার জনম গেল বৃথা কাজে,/ আমি কাটানু দিন ঘরের মাঝে—’
আমাদের জনম আসলে বৃথা কাজেই যাচ্ছে। আমরা আসলে আমাদের দেশমাতাকে কিছুই দিইনি। জানি না কীভাবে দেশমাতার ঋণ আমরা শোধ করতে পারব। সত্যিই জানি না।
আনিসুল হক: সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

সোমবার, ৪ জুলাই, ২০১১

পামেলার 'ব্রা' বিপত্তি

সম্প্রতি বেভারলি হিলস-এ একটি পার্টিতে আলোকচিত্রীদের ক্যামেরায় ধরা পড়েন ‘বেওয়াচ’ তারকা পামেলা এন্ডারসন। সেসময় ক্যামেরার ফ্ল্যাশলাইটে দেখা যায়, তার পরনের স্বচ্ছ কালো পোশাকটির নীচে কোনো অন্তর্বাস পরেননি তিনি। ব্যাপারটিতে তিনি যথেষ্ট বিব্রতও হন। খবর ডেইলিমেইল-এর। 

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ৪৩ বছর বয়সী এই তারকা ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মিডিয়া স্পটলাইটের নীচে রয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি আবারো ক্যামেরায় ধরা পড়লেন তিনি।

সংবাদমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, পুরো পার্টিটি স্বাচ্ছন্দেই উপভোগ করেছেন পামেলা। বেশ কয়েকটি ছবির জন্য হাস্যোজ্জ্বলভাবে পোজও দিয়েছেন। কিন্তু কয়েকটি ছবি তোলার পরই তিনি নিজের ভুল বুঝতে পারেন। 

জানা গেছে, অন্তর্বাস না পরার ভুলটি বুঝতে পেরেই পামেলা এক হাতে বুক ঢেকে দ্রুত নিজের গাড়িতে গিয়ে ওঠেন এবং ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। 




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/তানভীর/এইচআর/

শনিবার, ২ জুলাই, ২০১১

চাকরির জন্য বিলবোর্ডে!

আয়ারল্যান্ডের এক নাগরিক নিজের চাকরির জন্য বিলবোর্ডে বিজ্ঞাপন দিয়েছেন। ফিলিপ লুমারি নামের চাকরিহীন এই ব্যক্তি তিন হাজার ইউএস ডলার খরচ করে এই বিজ্ঞাপন দিয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, 'আমাকে নিজের দেশত্যাগের হাত থেকে বাঁচান।' মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই অন্য রকমের বিজ্ঞাপনের এক সপ্তাহের মধ্যে অন্তত ২০টি প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁকে ইন্টারভিউর জন্য ডাকা হয়। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি থেকে চাকরির অফারও আসে। কালের কন্ঠ

সোমবার, ২৭ জুন, ২০১১

৯৯ বছরে খোঁজ মিলল মনের মানুষের


বিয়ের পর হেরিক ও ভার্জিনিয়া
ভালোবাসার কোনো নির্দিষ্ট বয়স নেই। সেটাই আরেকবার প্রমাণ করলেন গিলবার্ট হেরিক। মনের মানুষের খোঁজে নিউইয়র্কের এ বাসিন্দা ৯৯ বছর বয়স পর্যন্ত অপেক্ষা করেছেন। অবশেষে জীবনসায়াহ্নে এসে খুঁজে পেয়েছেন কাঙ্ক্ষিত নারী ভার্জিনিয়া হার্টম্যানকে। তাঁকে বিয়ে করে অবসান ঘটালেন কুমার জীবনের।
নিউইয়র্কে অবস্থিত মনরো কমিউনিটি হাসপাতাল নার্সিং হোমে বসবাস করছেন গিলবার্ট। ডাক বিভাগ থেকে অবসর নিয়ে এখানেই আছেন দীর্ঘকাল ধরে। একই নার্সিং হোমে থাকেন ৮৬ বছর বয়সী ভার্জিনিয়া। ২৫ বছর আগে তিনি বিধবা হয়েছেন। ছবি আঁকায় আছে তাঁর পারদর্শিতা। 
বছর খানেক আগের কথা। ভার্জিনিয়ার আঁকা ছবি নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আয়োজন করল একটি প্রদর্শনীর। সেই প্রদর্শনীর একটি তেলচিত্র নজর কাড়ে গিলবার্টের। খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন এই শিল্পের স্রষ্টা ভার্জিনিয়া। এরপর প্রতিদিন তাঁর কক্ষে যাওয়া-আসা আর আড্ডা। ধীরে ধীরে দুজন দুজনায় ভালোলাগা, মন দেওয়া-নেওয়া, অবশেষে ভালোবাসা।
বুড়ো কপোত-কপোতী ভাবলেন এভাবে আর নয়, এখন একই কক্ষে থাকলে মন্দ না। কিন্তু বাদ সাধে বেরসিক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। জানানো হলো, বিয়ে ছাড়া এক কক্ষে থাকা অসম্ভব। কী আর করা! অনেক ভেবেচিন্তে ভার্জিনিয়া দিলেন বিয়ের প্রস্তাব। এতদিনে মনের মানুষকে খুঁজে পেয়ে ভার্জিনিয়াকে হারাতে চাননি গিলবার্টও। 
অবশেষে ৬ জুন বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হলেন তাঁরা। বিয়ের সব আয়োজন করেন ভার্জিনিয়ার সন্তান, নাতি-নাতনি ও তাঁদের ছেলেমেয়েরা। অনুষ্ঠানে নবদম্পতির আত্মীয়স্বজন, নার্সিং হোমের চিকিৎসক ও সেবিকারা ছাড়াও বহু গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। 
বিয়ের পর গিলবার্ট তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন,
আমি ভার্জিনিয়াকে ভালোবাসি। এতদিন বিয়ে না করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁকে (ভার্জিনিয়া) খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত আমি কখনোই আমার মনের মতো কোনো নারীকে খুঁজে পাইনি। 
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেওয়া এই প্রায় শতবর্ষী মানুষটির জীবনে কোনো অভাব ছিল না। জীবনজুড়ে ছিল শুধুই সফলতা আর সমৃদ্ধি। পেয়েছেন মার্কিন সামরিক পুরস্কার পার্পল হার্ট। তবু এত কিছুর পর তাঁর হূদয়ের একটা জায়গা ছিল শূন্যতায় ভরা। জীবনসঙ্গী হিসেবে কাউকে খুঁজে না পাওয়া। অবশেষে ভার্জিনিয়াকে বিয়ে করে সেই শূন্যতা পূরণ হলো তাঁর। সিবিসি নিউজ।
prothom-alo

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | JCPenney Coupons