পরকিয়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
পরকিয়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০১২

বিনোদন খবর রাত ৩টা পর্যন্ত শাহরুখের অফিসে প্রিয়াঙ্কা!

বলিউডি তারকা শাহরুখ খান ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার মধ্যকার সম্পর্কের বিষয়টি এখন আর গোপন কিছু নয়। চারপাশে কানাঘুষা চলছে, প্রিয়াঙ্কা-শাহরুখের ঘনিষ্ঠতা স্ত্রী গৌরি খানের সঙ্গে শাহরুখের সম্পর্কে প্রভাব ফেলছে। অবশ্য এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা। আর সেগুলোকে মোটেও পাত্তা দিচ্ছেন না কিং খানও। দিনকে দিন যেন আরো বেশি সাহসী হয়ে উঠছেন তারা। সম্প্রতি রাত ৩ টায় শাহরুখের অফিস থেকে প্রিয়াঙ্কাকে বের হতেও দেখা গেছে। খবর ওয়ান ইন্ডিয়া’র।

সম্প্রতি শীর্ষ স্থানীয় একটি ওয়েবসাইটের সাংবাদিক রাত ৩টায় এই দুজনকে ক্যামেরাবন্দী করেছেন। তখন শাহরুখের অফিস থেকে বেরোচ্ছিলেন প্রিয়াঙ্কা। শাহরুখের মুম্বাইয়ের অফিসে রাত ১১টায় প্রিয়াঙ্কা ঢুকেছিলেন বলেই দাবী করেছে ওয়েবসাইটটি।

শাহরুখ ও প্রিয়াঙ্কা ছবি তোলার বিষয়টি টের না পেলেও, প্রিয়াঙ্কার ড্রাইভার ও শাহরুখের নিরাপত্তাকর্মীরা বিষয়টি আঁচ করতে পেরে আলোকচিত্রীর খোঁজে বের হন। অবশ্য তাদের সেই চেষ্টা যে সফল হয়নি তা প্রকাশিত ছবিই বলে দেয়।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১১

পালিয়ে বেড়াচ্ছেন শাহরুখ!

কথায় বলে, দুইজনে বন্ধুত্ব তিনজনে শোরগোল। শাহরুখ খান-গৌরি দম্পতির ভালোই কাটছিলো। কিন্তু তাদের মধ্যে তৃতীয়জন হিসেবে প্রিয়াংকা চোপড়া ঢুকে পড়ে পুরো বিনোদন জগতেই শোর তুলেছেন। শাহরুখ-গৌরির সংসার ভাঙার উপক্রম হয়েছে, কিন্তু প্রিয়াংকার সেদিকে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। সম্প্রতি জানা গেছে, সারাক্ষণ শাহরুখের পেছনেই ঘুর ঘুর করতে দেখা যাচ্ছে প্রিয়াংকাকে। আর এ নিয়ে গৌরি প্রশ্ন তুলবেন- এ কথা জেনেই স্ত্রীর কাছ থেকে শাহরুখ পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এবং কাজ নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকছেন। খবর এনডিটিভি’র।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, বিটাউনে এখন শাহরুথ-প্রিয়াংকার মাখামাখির বিষয়টি মুখোরোচক আলোচনায় পরিণত হয়েছে। শাহরুখ-গৌরির সংসারে ‘কাবাব মে হাড্ডি’ হিসেবে প্রিয়াংকার ঢুকে পড়ার বিষয়টি সহজ ভাবে নেননি গৌরি খান। তিনি খুবই বিচলিত হয়ে পড়েছেন। 

সংবাদমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, ঘটনার শুরুতে মুখ না খুললেও, এবার শাহরুখ খানের কাছে জবাব চাইবেন বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন গৌরি। এ প্রসঙ্গে গৌরি বলেছেন, ‘আমি তার মুখ থেকেই সব শুনতে চাই।’ 

জানা গেছে, এতোসব ঝামেলার মধ্যে পড়ে শাহরুখ খান নিজেকে শুটিংসহ বাইরের কাজেই বেশি ব্যস্ত রাখছেন।  

এদিকে এখন নাকি শাহরুখ খানের নামটি মুখে আনতে লজ্জাই পাচ্ছেন প্রিয়াংকা চোপড়া। শাহরুখের বিষয়ে কোনো কিছু মুখে আনতে গেলেই পিগিচপস নাকি তোতলাচ্ছেন! 




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট, ২০১১

দুখু বাহিনী নয়, মায়ের পরকীয়ার বলি ইরান


চরমপন্থী দুখু বাহিনী নয়, মায়ের পরকীয়ার বলি হয়েছে মেহেরপুরের স্কুলছাত্র ইরান-উল হক। পথের কাঁটা সরাতে ইরানকে ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে হত্যা করেন তার বিধবা মায়ের প্রেমিক আহমেদ শরীফ ওরফে দীপু (২৬)।
গত সোমবার মেহেরপুরের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মাসুদ আলীর আদালতে ১৬৪ ধারায় হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আহমেদ শরীফ। তাঁর বাড়ি জেলার গাংনী উপজেলার কাথুলী ইউনিয়নের ধলা গ্রামে।
৫ আগস্ট শুক্রবার সকালে কাথুলীর ধলা রাধাগোবিন্দপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশের মাঠ থেকে শিশু ইরানের (১০) জবাই করা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ইরান ওই বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্র ছিল। এর আগে ২০০৮ সালের ৩১ আগস্ট রাতে চরমপন্থী দুখু বাহিনী ইরানের সামনে তার বাবা এমদাদুল হক ও দুই চাচাকে বাড়ির উঠানে জবাই করে খুন করে। ইরান ওই ঘটনার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী থাকায় শুক্রবার পুলিশ ও ইরানের মা ধারণা করেছিলেন চরমপন্থী দুখু বাহিনীই ইরানকে খুন করেছে। 
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিমল কৃষ্ণ মল্লিক বলেন, ইরানের হত্যার এক দিন পর তার মা বারবার ‘আমি কার বিচার চাইব’ বলে আর্তনাদ করেন। এতে পুলিশ ও এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। তখন ইরানের মা পুলিশকে আহমেদ শরীফের কথা বলেন। 
এরপর মেহেরপুর সদর থানার ওসি হাসান হাফিজুর রহমান ও গাংনী থানার ওসি যৌথভাবে আহমেদকে রোববার দুপুরে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে অনুশোচনা প্রকাশ করেন।
আদালত সূত্র জানায়, ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে আহমেদ শরীফ বলেন, ইরানের বাবার মৃত্যুর পর ইরানের মায়ের সঙ্গে তাঁর পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক সন্তানের মা হওয়ায় শরীফের পরিবার এই সম্পর্কে আপত্তি জানায়। আবার মেলামেশা দেখলেই ইরান তার মাকে বলত, ‘মা, বাপজি তোকে খুব ভালোবাসত, তুই কাউকে নিকে করিস নে।’ তখন মায়ের মনটা ভেঙে যেত। এভাবে ইরান তাঁর পরকীয়ায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
পুলিশ সুপার মো. শাহরিয়ার বলেন, ইরান হত্যার জন্য পুলিশ প্রথমে সন্ত্রাসী চরমপন্থী দুখু বাহিনীকে সন্দেহ করেছিল। পরে তার মায়ের প্রশ্নবোধক কান্নায় পুলিশের সন্দেহ হলে দুই দিনের ব্যবধানে এই খুনের রহস্য বের হলো। ফলে এই মামলায় সন্দেহজনকভাবে চারজনকে আটক করা হলেও এখন মামলায় আহমেদ শরীফ ছাড়া অন্য কেউ আসামি নয়।
প্রথম আলো

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | JCPenney Coupons