যৌন হয়রানী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
যৌন হয়রানী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১৬ মার্চ, ২০১২

রাজশাহীতে নারী কনস্টেবলের শ্লীলতাহানি এসআই সাসপেন্ড

রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ অফিসে এক নারী কনস্টেবলের শ্লীলতাহানির দায়ে উপ-পরিদর্শক শফিকুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে । নারী কনস্টেবলের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনা তদন্ত করছেন রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝি।
সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে উপ-পরিদর্শক শফিকুর রহমান ওই নারী কনস্টেবলকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। যখন তখন তার গায়ে পড়ে কথা বলার চেষ্টা করতো সে। গত সোমবার দুপুরে গোয়েন্দা অফিসে মামলার সিডি (কেস ডকেট) লেখার কথা বলে নারী কনস্টেবলকে অপেক্ষা করতে বলে শফি। এসময় ডিবি’র অন্য সদস্যরা খাবারের জন্য অফিস ত্যাগ করে চলে যান। ফাঁকা অফিস পেয়ে শফিকুর রহমান ওই নারী কনস্টেবলের গায়ে হাত দেয়। এক পর্যায়ে অফিসের ভেতরেই তাকে জড়িয়ে ধরে। তবে ওই সময় ডিবি পুলিশের একজন পুরুষ কনস্টেবল অফিসে এসে পড়ায় শফিকও তাকে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনা কারও কাছে প্রকাশ না করার জন্য হুমকি দেয়। যৌন হয়রানির শিকার ওই নারী কনস্টেবল অভিযোগ দিতে প্রথমে যান রিজার্ভ পরিদর্শকের কাছে। তিনি পুলিশ সুপারকে অভিযোগ দেয়ার পরামর্শ দেন। তবে শফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ করে সুবিচার পাওয়ার বিষয়ে সন্দিহান ছিলেন ওই নারী কনস্টেবল। শেষ পর্যন্ত তিনি  সোমবার বিকালে যান রাজশাহীর রেঞ্জ ডিআইজির কাছে। ঘটনা খুলে বলে তিনি বিচার প্রার্থনা করেন। বিষয়টি শোনার পর ডিআইজি তাৎক্ষণিকভাবে অতিরিক্ত ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝির কাছে তাকে পাঠিয়ে দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। সূত্র জানায়, এস আই শফি ছাড়াও আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে নারী পুলিশ সদস্যদের হয়রানির অভিযোগ তুলে ধরেন ওই নারী কনস্টেবল। অতিরিক্ত ডিআইজি তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে রাজশাহীর পুলিশ সুপারকে উপ-পরিদর্শক শফিকুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেন। পুলিশ সুপার সোমবার সন্ধ্যায় সে আদেশ জারি করেন। তবে এ ঘটনা জানাজানির পর শফিকুর রহমান অসুস্থ বলে রাজশাহী পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি হন, রাতেই উন্নত চিকিৎসার কথা বলে ঢাকায় চলে যান। এদিকে অভিযোগকারী নারী কনস্টেবলকে জেলা গোয়েন্দা শাখা থেকে পুলিশ লাইনে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া, নারী পুলিশ সদস্যদের যৌন হয়রানিসহ নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রাজশাহী পুলিশ সুপারের দেহরক্ষী শামীম হোসেন, আর্দালি ইকবাল হোসেন, মেস ম্যানেজার নাসির উদ্দিন ও কম্পিউটার অপারেটর কাম টাইপিস্ট নুুরুল ইসলামকে ঢাকা মহানগর পুলিশে বদলির আদেশ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিবসনা ছবি ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয় পেয়েছেন স্কারলেট

বিবসনা ছবি ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয় পেয়েছেন স্কারলেট জোহানসন। কারণ এ ছবি ব্যবহার করে অনেকেই অনেক কিছু করে ফেলতে পারেন বলে তার ধারণা। তিনি দাবি করেছেন ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার ইমেইল ঠিকানা দিয়ে হ্যাকাররা ওই ছবিগুলো চুরি করেছে। এর আগেও তিনি এমন ঘটনার শিকার হয়েছিলেন ২০১১ সালে। সে সময়ের কথা উল্লেখ করে বর্তমান ঘটনাকে তিনি ফোন হ্যাকিং বলে অভিহিত করেছেন। এ বিষয়ে স্কারলেট বলেছেন, সমপ্রতি আমার ফোন হ্যাকিং হওয়ার পর আমি অস্বস্তি অনুভব করছিলাম এবং এটা খুব বিপজ্জনকও বটে। আমি আসলেই জানি না এমন ঘটনার জন্য কি করা উচিত।

বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সমকামী নারীরা

ননো নেশানগানি নামের এই সমকামী নারী বেশ কয়েকবার হামলার শিকার হয়েছেনননো নেশানগানি নামের এই সমকামী নারী বেশ কয়েকবার হামলার শিকার হয়েছেন
লিকামভা সেকিসোর বয়স ২৯ বছর। তিনি এগারো বছর বয়সী এক কন্যাসন্তানের মা। এক দিন চাচাতো ভাইয়ের ঘর পরিষ্কার করছিলেন সেকিসো। এমন সময় সেই ভাই ওই ঘরে ঢোকে। একপর্যায়ে দরজা বন্ধ করে দিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করে। ‘আমি সমকামী, তাই সমকামিতা দূর করার জন্য সে আমাকে ধর্ষণ করে।’ বলেন সেকিসো। ওই চাচাতো ভাই পরে তাঁকে আরও একবার ধর্ষণ করে।
শুধু সেকিসো নন, দক্ষিণ আফ্রিকায় তাঁর মতো সমকামী নারীরা ধর্ষণসহ নানা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। নির্যাতনকারীরা তাঁদের উপহাস করে বলছে, পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট করতে ‘সংশোধনের পদক্ষেপ’ হিসেবে তারা সমকামী নারীদের ধর্ষণ করছে। সমকামী নারীরা পরিবার, এমনকি আইনের আশ্রয় নিতে গেলে পুলিশের কাছেও বিদ্রূপের শিকার হচ্ছেন।
লিন্ডেকা স্টুলো নামের ২৫ বছর বয়সী একজন নারী বলেন, ‘আমি অন্তত চারবার হামলার শিকার হয়েছি।’ একবার লিন্ডেকার পা ভেঙে দেয় দুর্বৃত্তরা। এ জন্য তাঁকে প্রায় এক মাস হাসপাতালে থাকতে হয়। লিন্ডেকা বলেন, ‘তারা আমাকে মারতে মারতে বলছিল, আমাকে অবশ্যই বদলে যেতে হবে...আমি একজন নারী, তাই একজন নারীর সঙ্গে অভিসার করতে পারি না। আমি নারী, এটা বোঝাতে আমাকে ধর্ষণেরও চেষ্টা করে তারা।’ তিনি বলেন, সমকামী নারীদের কুমারী হিসেবে মনে করা হয়। তাই ধর্ষণের শিকার হওয়ারও আশঙ্কা থাকে বেশি।
চাচাতো ভাইয়ের হাতে ধর্ষণের শিকার লিকামভা সেকিসো জানান, সমকামী এক নারী তাঁর নিজের বাবার হাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার সমকামীদের অধিকার নিয়ে কাজ করে ক্রিশ্চিয়ান সেন্টার অ্যান্ড সেফ হাউস। এ সংস্থার কর্মকর্তা বুলেলওয়া পান্ডা বলেন, ‘কৃষ্ণাঙ্গ সমকামীরা বেশি সহিংসতার ঝুঁকিতে থাকে। আমাদের সংস্কৃতির কারণেই তাঁদের ওপর সহিংসতার ঘটনা বেশি ঘটে।’
পুলিশের তথ্যমতে, ২০১০-১১ সালে ৫৬ হাজার ২৭২টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। সমকামী নারী ও পুরুষেরা এর শিকার হন।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিচার মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টিলালি টিলালি এসব ঘটনাকে ‘বর্বরোচিত’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। এসব ঘৃণ্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তি হবে।’
২০০৬ সালে বিশ্বের পঞ্চম দেশ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকায় সমলিঙ্গের বিয়ের বৈধতা দেওয়া হয়। এএফপি।

মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১২

বলাৎকারের দায়ে ৩ বছরের জেল

সংযুক্ত আরব আমিরাতে স্কুল পড়ুয়া এক বালককে বলাৎকার করার দায়ে এক ব্যক্তিকে ৩ বছরের জেল দিয়েছে দুবাইয়ের এক আদালত। এম এ ছদ্ম নামের ২৬ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১৪ বছরের এক বালককে ২০ দিনে ৪০ বারের বেশি বলাৎকার করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিচারক হামাদ আবদুল লতিফ আবদুল জাওয়াদ বৃহস্পতিবার এই রায় দিয়েছেন। তবে সাজাপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তি উভয়ের সম্মতিক্রমে বালকের সঙ্গে সেক্স করেছেন উল্লেখ করে আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। অভিযোগপত্র মতে, ওই ব্যক্তি তার গাড়িতে বালকের সঙ্গে সেক্স করার পাশাপাশি ওই বালক তার সঙ্গে সেক্স করতে অস্বীকৃতি জানালে মোবাইল ফোনের ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে তাদের সম্পর্কের কথা বালকটির মাকে জানিয়ে দেয়ারও হুমকি দিয়েছিল। মানবজমিন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০১২

আদিবাসী নারীদের নগ্ন নৃত্য, ভারতে তোলপাড়

ভারতের আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে পর্যটকদের মনোরঞ্জনের উদ্দেশ্যে আদিবাসী নারীদের প্রায় নগ্ন করে নাচতে বাধ্য করার ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে প্রশাসনে। সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। বৃটেনের গার্ডিয়ান পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টের সঙ্গে দেয়া এক ভিডিওতে দেখা গেছে, আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের তিন হাজার বছরের পুরনো আদিবাসী জারাওয়া উপজাতির নারীদেরকে পর্যটকদের আনন্দ দেয়ার উদ্দেশ্যে প্রায় নগ্ন করে নাচানো হচ্ছে। আর এ কাজে সহযোগিতা করছে সেখানকারই পুলিশ। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে সেখানকার স্থানীয় পুলিশকে পর্যটকরা ঘুষের বিনিময়ে আদিবাসী নারীদেরকে প্রায় নগ্ন অবস্থায় নাচাতে উদ্বুদ্ধ করে। আর এ ধরনের মনোরঞ্জনের আশায় সেখানে সমপ্রতি পর্যটকের সংখ্যাও অনেক বেড়ে গেছে বলে গার্ডিয়ান জানিয়েছে। একজন টুরিস্টের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, স্থানীয় পুলিশ আদিবাসী এক নারীকে নাচার নির্দেশ দিচ্ছেন। ভিডিওতে অবশ্য নির্দেশকারী ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে দেখা যায়নি। পুলিশ আদিবাসী নারীকে খাবারের লোভ দেখিয়ে নাচতে উদ্বুদ্ধ করছে বলে ভিডিওতে শোনা গেছে। এ জন্য অবশ্য পুলিশকে পর্যটকরা ২০০ পাউন্ড পর্যন্ত ঘুষ দেয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নিভৃতচারী জারাওয়া উপজাতির সদস্যরা এতদিন লোক চক্ষুর আড়ালেই ছিলেন। সমপ্রতি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। বহির্বিশ্বের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পরেই তাদেরকে এ ধরনের কাজে বাধ্য করা লজ্জার বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারি তথ্যানুযায়ী দক্ষিণ আন্দামানের প্রত্যন্ত জঙ্গলে জারাওয়া উপজাতির ৪০৩ জন সদস্য রয়েছেন। তারা বেশ বিশ্বাসপ্রবন এবং নিরীহ। তাদের অবস্থাও বেশ করুণ। তাই তারা সহজেই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন বলে গার্ডিয়ান উল্লেখ করেছে। এদিকে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আন্দামান এবং নিকোবর প্রশাসনের কাছে এ ধরনের উপজাতি নারীকে নগ্ন নাচে বাধ্য করার ব্যাপারে উপযুক্ত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। এ ঘটনাকে অত্যন্ত আপত্তিকর এবং ঘৃণ্য বলে উল্লেখ করে উপজাতিবিষয়ক মন্ত্রী কে পি সিং দেও একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে বলেছেন, এ ঘটনায় জড়িতদের কোনভাবেই ক্ষমা করা হবে না। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হবে। আইন ও সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রী সালমান খুরশিদও বলেছেন এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রবিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০১২

ভারতে তরুণীদের ড্রেস কোড বিতর্কে তসলিমা নাসরিন

undefined
মানবজমিন ডেস্ক: ভারতে তরুণীদের ড্রেস কোড কি হবে তা নিয়ে সমালোচনার মধ্যে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সমপ্রতি সেখানে নারীদের পোশাকের কারণে ধর্ষণের ঘটনা বাড়ছে বলে বিভিন্ন পর্যায় থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ বলেছেন- নারীদের পোশাক পুরুষকে ধর্ষণে প্রলুব্ধ করে। টুইটারে এরই জবাব দিয়েছে তসলিমা নাসরিন। তিনি লিখেছেন- নারীদের ধর্ষণ প্রতিহত করতে বিশেষ ধরনের পোশাক পরতে বলা হচ্ছে। কিন্তু পুরুষদের ধর্ষণ না করার কথা বলছে না। নারীরা বোরকা বা বিকিনি যাই পরুক না কেন, তারা ধর্ষণের শিকার হবেন। ধর্ষণটা দর্শনের সঙ্গে জড়িত নয়। এটি এক ধরনের অপরাধ। তরুণীদের ড্রেস কোড সম্পর্কে সমপ্রতি এক মন্তব্য করে তীব্র সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছেন ব্যাঙ্গালোরের উইমেন স্টাডিজের এক বিশেষজ্ঞ। ওই ইউনিভার্সিটির উইমেন স্টাডিজ বিভাগের সাবেক প্রধান ড. কে কে সীথামা একটি জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, নারীদের নিজের নিরাপত্তার জন্যই তিনি ড্রেস কোডের পরামর্শ দিচ্ছেন। তিনি বলেন, ব্যাঙ্গালোর ইউনিভার্সিটির অনেক প্রভাষকই জিন্স এবং সালোয়ার পরেন। এ ধরনের পোশাক পরে তারা ছেলেদের কাছ থেকে কি ধরনের সম্মান আশা করতে পারেন? তার এ বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন রাজধানী নয়া দিল্লির অনেক শিক্ষিকাই। তারা এ ধরনের পরামর্শকে অবাস্তব এবং পশ্চাৎপদ হিসেবে বিবেচনা করছেন। ভারতের বসবাসকারী বাংলাদেশী লেখিকা তসলিমা নাসরিনও তার টুইটারের এ ব্যাপারে মন্তব্য দিতে গিয়ে ওই কথা লিখেছেন।

বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১১

মিশরে সতীত্ব পরীক্ষা বন্ধের নির্দেশ

undefined
মিশরের সামরিক জেলে মেয়েদের সতীত্ব পরীক্ষা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে কায়রোর এক প্রশাসনিক আদালত। সামিরা ইব্রাহিম নামের এক মানবাধিকার কর্মীর দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার এই রায় দেয়া হয়। সামিরা গত এপ্রিল মাসে তাহরীর স্কয়ারের এক প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে গ্রেপ্তার হলে সামরিক কারাগারে তাকে জোর করে সতীত্ব পরীক্ষা করানোর অভিযোগে এই মামলাটি করেছিলেন।  মিশরের মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে এরকম আরও অনেক পরীক্ষা সেনাবাহিনী করে থাকে। আদালতের প্রধান আলী ফিকরি তার রায়ে সামরিক কারাগারে সতীত্ব পরীক্ষা বন্ধ করতে নির্দেশ দিলে আদালত কক্ষে উপস্থিত অনেকেই আনন্দে চিৎকার করে উঠে।mzamin

শনিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১১

এবারে অমিতাভের বিরুদ্ধে অভিযোগ শায়লি'র!

সম্প্রতি শাইনি আহুজার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এবার অমিতাভ বচ্চনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন সাবেক মিস ইন্ডিয়া ও বলিউডি অভিনেত্রী শায়লি ভগত। খবর সান্তাবান্তাডটকম-এর।
  
কয়েক বছর ধরেই টিনসেলে কাজ করছেন শায়লি ভগত। সম্প্রতি বলিউডি ছবিকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ২৭ বছর বয়সী এই তারকা। এর পেছনের কারণ সম্পর্কে তিনি জানিয়েছেন, ‘৭ বছর ধরে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির প্রবীণ তারকা থেকে শুরু করে আমার সহ-তারকাদের কাছে বিভিন্নভাবে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছি। তাদের মধ্যে অমিতাভ বচ্চন এবং সাজিদ খানের মতো ব্যক্তিরাও আছেন।’

অমিতাভ সম্পর্কে শায়লির অভিযোগ, ‘সম্প্রতি টিনু ভার্মার ‘দিস উইকএন্ড’ ছবির মহরত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে এসেছিলেন অমিতাভ। আর সবার মতো আমিও তার পা ছুঁয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ চাইলাম। কিন্তু তখন এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটালেন তিনি। আমার নিতম্বে হাত রাখলেন এবং আস্তে আস্তে উপরের দিকে হাতটাকে ওঠাতে লাগলেন। ঘটনায় আমি পুরোপুরি হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম।’

শায়লি জানিয়েছেন, ‘আমি বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম, কাউকেই কিছু বলতে পারিনি। অমিতাভের বয়স এখন ৭০। তিনি আমার দাদার বয়সী। এই বয়সে আমার সঙ্গে এ ধরনের বিষয় তিনি কীভাবে করলেন তার কোনো উত্তর আমার জানা নেই!’

সাজিদ খান সম্পর্কে শায়লির অভিযোগ, ‘হাউসফুল ছবির অভিনয়শিল্পী নির্বাচনের অজুহাতে সাজিদ আমাকে তার অফিসে ডেকেছিলেন। সেখানে যাওয়ার পর এক বিস্ময়কর ঘটনার মুখোমুখি হলাম। আমার সামনে সাজিদ পুরোপুরি বিবসন অবস্থায় দাঁড়ালেন এবং সেখানেই তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দিলেন। আমি চিৎকার করে তার অফিস থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলাম।’

‘চোরো কি বারাত’ ছবির সহ-অভিনেতা আরিয়ান বাব্বরের বিরুদ্ধেও যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন শায়লি। তিনি জানিয়েছেন, ‘চোরো কি বারাত ছবিতে একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে আরিয়ানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিলো আমার। কিন্তু কিছুদিন পর থেকেই তিনি আমাকে ঘনঘন উত্তেজক এসএমএস পাঠানো শুরু করলেন।’

শায়লির ভাষ্য, ‘এতোকিছুর পরও আমি চুপ করেইছিলাম। কিন্তু আর নয়। আমি বলিউডি ছবিকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শিগগিরই মিলানে চলে যাবো। সেখানে মডেলিংয়ে আমার ক্যারিয়ার গড়ে তুলবো।’



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১১

এবার শাইনির বিরুদ্ধে শায়লির যৌন হয়রানির মামলা

undefinedবলিউডি অভিনেতা শাইনি আহুজা বিপাকে পড়লেন আরো একবার। ধর্ষণের অভিযোগে ৭ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এই অভিনেতার বিরুদ্ধে সম্প্রতি আরেকটি যৌন হয়রানির মামলা করতে যাচ্ছেন অভিনেত্রী শায়লি ভগত। খবর এনডিটিভি’র।

শাইনি আহুজার মুক্তি প্রতিক্ষীত ‘ঘোস্ট’ ছবিতে তার সহ-অভিনেত্রী শায়লির অভিযোগ, ছবির শুটিং চলাকালে বিভিন্ন সময় শাইনির অশালীন ব্যবহারের শিকার হয়েছেন তিনি। এ ছাড়াও শাইনি অভিনয়ের সুযোগ নিয়ে তাকে হয়রানির চেষ্টা করেছন বলেও তিনি অভিযোগ তুলেছেন। এসব অভিযোগ দায়ের করে শিগগিরই তিনি মুম্বাইয়ের মালাড় পুলিশ স্টেশনে মামলা করতে যাচ্ছেন।

এদিকে শায়লি দাবী করেছেন, শাইনির এসব কুকীর্তি একটি সাক্ষাৎকারে ফাঁস করে দেওয়ার পর থেকে তাকে এসএমএস-এর মাধ্যমে অনবরত এসব কিছুকে অস্বীকারের জন্য চাপ দিয়ে আসছেন শাইনির স্ত্রী অনুপম। আর তাই অনুপমের বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়েরের পরিকল্পনা আঁটছেন শায়লি।

উল্লেখ্য, গৃহ পরিচারিকাকে ধর্ষণের মামলায় দোষী প্রমাণিত হয়ে চলতি বছরের শুরুতে ৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন শাইনি। বর্তমানে বোম্বে হাই কোর্টের দেওয়া জামিনে কারাগারের বাইরে আছেন তিনি।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১১

 বিচার না পেয়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহনন!

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় গণধর্ষণের শিকার হয় দশম শ্রেণীর এক ছাত্রী। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দিলে অপহরণচেষ্টার অভিযোগে মামলা নেয় পুলিশ। এতে মেয়েটিকে আবার গণধর্ষণ ও হত্যার হুমকি দেয় ধর্ষকেরা।
বিচার না পেয়ে সেঁজুতি ওরফে কমলা (১৬) নামের ওই ছাত্রী গত শুক্রবার রাতে বাকেরগঞ্জের পাদ্রিশিবপুর ইউনিয়নের বড় রঘুনাথপুর গ্রামে ঘরের চৌকাঠের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।
কমলা রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা সৌদি আরব প্রবাসী সাদেক মৃধার মেয়ে। পড়ত চৈতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে।
গতকাল শনিবার সকালে কমলার আত্মহত্যার খবর ছড়িয়ে পড়লে তার সহপাঠী এবং পাশের চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়ি ও বাকেরগঞ্জ-বরগুনা সড়ক অবরোধ করে। তারা বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ রবিউল হককে প্রত্যাহার ও ধর্ষকদের গ্রেপ্তারের দাবি জানায়।
ওসি রবিউল গতকাল সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে স্থানীয় লোকজনের তোপের মুখে পড়েন। বিক্ষুব্ধ জনতা তাঁকে ঘেরাও করলে তিনি ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাস দিয়ে এলাকা ত্যাগ করেন।
রঘুনাথপুর গ্রামবাসী ও কমলার পরিবারের ভাষ্যমতে, ১৩ অক্টোবর রাত সাড়ে সাতটার দিকে মায়ের অসুস্থতার কথা বলে কমলার চাচাতো ভাই মো. নয়ন মৃধা কমলাকে তার ঘর থেকে ডেকে নেয়। এ সময় ঘরের বাইরে থাকা গ্রামের মো. নাসির আকন, মো. শামীম আকন, মো. রাজীব, মো. সবুজ ও মো. সাইফুল ইসলাম কমলাকে জোর করে বাড়ির পাশের বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে। এতে চাচাতো ভাই নয়নও যোগ দেয়। কমলার চিৎকারে তার মা ও অন্যরা গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় কমলার মা হাফিজা বেগম ওই ছয়জনকে আসামি করে পরের দিন বাকেরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। কিন্তু পুলিশ কমলার ডাক্তারি পরীক্ষার ব্যবস্থা করেনি।
হাফিজা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, ‘গণধর্ষণের পর আসামিরা নানাভাবে আমার অন্য দুই মেয়েকে অপহরণের হুমকি দেয়। কিন্তু বাকেরগঞ্জ থানার ওসি রবিউল ধর্ষকদের গ্রেপ্তার না করে আমাকে মীমাংসা করতে বলেন। মীমাংসায় রাজি না হলে ওসি অপহরণচেষ্টার অভিযোগে মামলা নেন। এ ঘটনার পর থেকে ধর্ষকেরা কমলাকে আবার গণধর্ষণ ও হত্যার হুমকি দিতে থাকে। বিচার না পেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে কমলা। শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার দিকে সবার অজান্তে ঘরের চৌকাঠের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে সে।’
রঘুনাথপুর গ্রামবাসীর অভিযোগ, ওসি রবিউল ধর্ষকদের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে ধর্ষণের মামলা না নিয়ে অপহরণচেষ্টার মামলা নেন। তাঁর আশ্রয়-প্রশ্রয় পেয়ে ধর্ষকেরা কমলা ও তার পরিবারকে হুমকি দেওয়া অব্যাহত রাখে। বিচার না পেয়ে লজ্জায়-ঘৃণায় আত্মহননের পথ বেছে নেয় কমলা।
চৈতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবির বলেন, কমলার আত্মহত্যার খবর জানার পর তাঁর বিদ্যালয়সহ পাশের আরও চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করে সড়ক ও কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়ি অবরোধ করে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে তাদের শান্ত করলে আধঘণ্টা পর অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
যোগাযোগ করা হলে ওসি রবিউল হক বলেন, ‘আর্থিক সুবিধা নেওয়া ও মীমাংসা করার পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন। সব আসামি পলাতক। তাদের আমি চিনিও না। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার পরও কমলার ডাক্তারি পরীক্ষা না করার কারণ জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করেননি ওসি রবিউল।

সোমবার, ১০ অক্টোবর, ২০১১

পারসোনার ক্যামেরা কেলেঙ্কারি - ইন্টারনেটে পর্নোসাইটগুলো সবচেয়ে বেশি হিট হচ্ছে



পারসোনার ক্যামেরা ক্যালেঙ্কারির পর ইন্টারনেটে পর্নোসাইটগুলো সবচেয়ে বেশি হিট হচ্ছে। ইন্টারনেটের সার্চ ইঞ্জিন গুগল ও ইয়াহুতে পারসোনার পর্নো নিয়ে ব্যাপক খোঁজাখুঁজি চলছে। ইন্টারনেটের সার্চ ইঞ্জিনের হিসাব রাখা ওয়েবসাইট বলছে, অন্তত গত এক সপ্তাহ ধরে এ পর্নো সাইটগুলোতে হামলে পড়ছেন প্রচুর ইন্টারনেট ব্যবহারকারী।

একই সাথে ব্লগ দুনিয়ায় এখন এটি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আছে। সামহয়্যারইনব্লগ, সচলায়তন, বিডিনিউজব্লগ,ফেসবুকসহ বিভিন্ন ব্লগ ও সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। পুলিশ কোনো রকমের ছাড় না দিয়ে তদন্ত করছে বলে বাংলানিউজ শুক্রবার সংবাদ প্রকাশ করেছে।


বিডিনিউজের ব্লগে আইরিন একটি পোস্টে বলেছেন, যে ক্যামেরাটিকে সিসি ক্যামেরা বলে চালানো হচ্ছে, সেটি আদতে আইপি ক্যামেরা কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। এটি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, সিসি ক্যামেরার চেয়ে আইপি ক্যামেরা অনেক বেশি ভয়ঙ্কর। তাই আমাদের এটি জানতে হবে। ঢাকা ও চট্টগ্রামে ব্যবসায় করছে পারসোনা। তাই পারসোনার সব আউটলেটে অবশ্যই এ ধরনের ক্যামেরা থাকতে পারে, সেটি খুলে নেয়া জরুরি বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন।


কানিজ আলমাসের কাছে যে প্রশ্নগুলো রেখেছেন ইন্টারনেট দুনিয়ার পাঠক-লেখকরা, সেগুলো হলো-‘পারসোনায় গ্রাহকদের ব্যক্তিগত জিনিস রাখার জন্য লকার রাখা হয়নি কেন?’, ‘সিসি ক্যামেরা আছে, এমন জায়গাগুলোতে দিজ প্লেস ইজ আন্ডার সার্ভিলেন্সের মতো সতর্ক নোটিশ রাখা হয়নি কেন?’, ‘যে কর্মীরা ভিডিও সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে তাদের ব্যাপারে কী ব্যবস'া নেয়া হয়েছে?’, ‘কোন প্রতিষ্ঠানের, কোন টেকনিশিয়ান ক্যামেরা সেট করে দিয়েছেন?’, ‘আমরা ধরে নেই কেষ্ট বেটাই চোর, তাহলে সেই টেকনিশিয়ানের বিরুদ্ধে কাজে গাফেলতি নিয়ে শোকজ করবেন কি কানিজ আলমাস?’, ‘ত্রুটিপূর্ণ ক্যামেরা সম্পর্কে ডিউটিরত কর্মচারীরা রিপোর্ট করেননি কেন?’, ‘চিকিৎসক গ্রাহকের স্বামীর প্রশ্ন- যদি ব্যাড ইনটেশন না থাকে, তাহলে ওই কক্ষের ক্যামেরা দ্রুততার সাথে সরিয়ে নেয়া হলো কেন?’


এসব প্রশ্নের কোনো জবাব দেয়নি পারসোনা। কেবল বক্তব্য অস্বীকার করে বিবৃতি প্রকাশ করেছে। ফেসবুকে পারসোনার নিজস্ব হোমপেজে বলা হয়েছে, গ্রাহকের মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি হওয়ার কারণে তারা সিসি ক্যামেরা বসিয়েছেন।
ব্লগাররা প্রশ্ন তুলেছেন এটি কোনোভাবেই যৌক্তিক ব্যাখ্যা হতে পারে না। আইরিন বলছেন, এটি খুবই ন্যক্কারজনক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।


বিডি নিউজের ব্লগে কান্তা লিখেছেন, ‘কানিজ আলমাস ও তার স্বামীর (ইনি পার্সোনার কর্মচারী) শাস্তি হওয়া উচিত। তাদের কোটি কোটি টাকার সম্পদের হিসাব তদন্ত করার জন্য আয়কর বিভাগকে অনুরোধ করছি। নাপিতের ব্যবসায় ছাড়া এদের আর কোনো অবৈধ ব্যবসায় আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। এ ছাড়া এই জাতীয় ব্যবসায়ের সাথে জড়িত অন্যান্য মহিলা যেমন, ফারজানা শাকিল এবং তার স্বামী শাকিলের (ইনিও কর্মচারী) কার্যকলাপও তদন্ত হওয়া দরকার। তাদের আউটলেটগুলোতে কোনো লিখিত সার্ভিস রেট নেই। তারা মহিলাদের কাছ থেকে ইচ্ছেমতো টাকা আদায় করে থাকেন। ফেসিয়ালের নামে তেঁতুলের পানি আর স্পার নামে মহিলাদের গায়ে কাদামাটি মাখিয়ে এরা ১০ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করে থাকেন। পত্রিকার সম্পাদক ও পুলিশের বড় কর্তাদের মনোরঞ্জনের জন্য তাদের এখানে স্পেশাল ব্যবস'া আছে। তাই কোনো পত্রিকায় পারসোনার বিরুদ্ধে লেখা দেখবেন না। মিডিয়ার মেয়েরাও মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছেন। ’


মায়া রহমান লিখেছেন, ‘অনেক সেলিব্রেটির নগ্ন/ অর্ধনগ্ন ছবি অনলাইনে দেখা যায়। এইবার এর সোর্স বোঝা গেলো। কিন' সেই (কয়েকজন অভিনেত্রীর নাম...) ও অন্যদের কাউকেই কিন' একবারো প্রতিবাদ করতে দেখলাম না। বাংলাদেশের ব্যাপারটা বোঝা আমার কর্ম নয়। ’
ব্লগার কানা বাবা অবশ্য পারসোনা বন্ধের পক্ষে নন। তিনি কিছু নীতিমালা চান, কোথায় কোথায় বসানো যাবে সিসি টিভি ক্যামেরা। তা সরকার যেন নির্ধারণ করে দেয়, সেটি তিনি দাবি করেছেন। একই সাথে পারসোনার ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করে বলেছেন, এটি তদন্ত না করা হলে সামনে এ ধরনের ঘটনা বাড়বেই।


শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১১

প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন পোলানস্কি

১৯৭৭ সালে ১৩ বছর বয়সী কিশোরী সামান্থা গেইমারকে ধর্ষণের অপরাধের জন্য জনসমক্ষে ক্ষমা চাইলেন অস্কারজয়ী চিত্রনির্মাতা রোমান পোলানস্কি। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়ার।

সম্প্রতি জুরিখ ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়েছে পোলানস্কিকে। এই উৎসবেই ২৭ সেপ্টেম্বর উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয়েছে তার বর্ণাঢ্য জীবন নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘রোমান পোলানস্কি: এ ফিল্ম মেমোয়ার’-এর। এই প্রামাণ্যচিত্রের একটি অংশে নিজের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন ৭৮ বছর বয়সী এই নির্মাতা।

সামান্থার কাছে ক্ষমা চেয়ে পোলানস্কি বলেছেন, ‘প্রতিটি মানুষই ভুল করে। আমিও ভুলের ঊর্ধ্বে নই। আমি অনেক বড় ভুল করেছি। সামান্থার সঙ্গে যা ঘটেছে তার জন্য আমি খুবই অনুতপ্ত। সেই ঘটনার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।’

পোলানস্কি আরো বলেছেন, ‘৩ দশক আগে আমার কৃতকর্মের জন্য সামান্থার জীবনটা এলোমেলো হয়ে গিয়েছিলো। মিডিয়ার ঝড়কে এড়াতে তাকে বাধ্য হয়েই হাওয়াই চলে যেতে হয়েছিলো। আসলে তিনি ডাবল ভিকটিম। আমি যেমন তাকে ভুগিয়েছি, তেমনি মিডিয়াও তাকে ভুগিয়েছে। এসব কারণে আমি সত্যিই খুবই দুঃখিত।’

উল্লেখ্য, ৪৭ বছর বয়সী সামান্থা এখন ৩ সন্তান নিয়ে সংসার করছেন। ২০০৯ সালে তার কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়েছিলেন পোলানস্কি।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/

বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০১১

স্কুলপড়ুয়া শিশুরা যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে


স্কুলপড়ুয়া ছেলেদের প্রায় সাত শতাংশ এবং মেয়েদের ১৬ শতাংশ যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় এ তথ্য পাওয়া গেছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের শিক্ষক ফারাহ দীবা এ তথ্য প্রকাশ করেন। 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে, ‘সেক্সুয়াল অ্যাবিউজ ইন স্কুল চিলড্রেনস লাইফ’ শীর্ষক এক সেমিনারে ফারাহ দীবা বলেন, বাংলাদেশে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এবং শহরের তুলনায় গ্রামের শিশুরা বেশি হয়রানির শিকার হচ্ছে। যৌন হয়রানির কারণে শিশুর বিকাশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন হারুন-অর-রশীদ বলেন, স্কুলপড়ুয়া ছাত্রছাত্রীরা অপেক্ষাকৃত ভালো অবস্থায় আছে। পথশিশু ও বস্তিবাসী শিশুরা বেশি নিরাপত্তাহীন। তিনি সর্বস্তরের শিশুকে নিয়ে একটি সমীক্ষার ওপর জোর দেন। যৌন হয়রানি রোধে পারিবারিক মূল্যবোধ টিকিয়ে রাখারও আহ্বান জানান অধ্যাপক হারুন-অর-রশীদ। 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান শহীদ আখতার হোসেন বলেন, ‘ভিকারুননিসা নূন স্কুলের ছাত্রী যখন হয়রানির শিকার হয় তখন এর প্রভাব পুরো সমাজে পড়ে। আমরা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ি। কী করে আমাদের শিশুদের রক্ষা করা যাবে তা এখনই ভাবতে হবে।’
নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে গৃহীত মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রামের কর্মসূচি পরিচালক আবুল হোসেন বলেন, শিশুদের স্বার্থে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধাপে ধাপে পরামর্শক নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন। 
কারা যৌন হয়রানির শিকার সমীক্ষায় রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সুনামগঞ্জ ও সীতাকুণ্ডের নয় থেকে ১৭ বছর বয়সী ৫৮১টি শিশু অংশ নেয়। ইভ টিজিং, যৌন স্পর্শ ও যৌন নির্যাতন এই তিনটি বিষয়ে তারা বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দেয়। দেখা গেছে, পরিচিতজনেরাই সবচেয়ে বেশি হয়রানি করছে শিশুদের। কোনো কোনো ক্ষেত্রে শিক্ষক ছাত্রছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করছেন। এসব ভুক্তভোগী শিশু আত্মীয়স্বজন ও বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলছে। 
সমীক্ষার আওতাভুক্ত পাঁচটি জেলায় গ্রামাঞ্চলে ৫ দশমিক ৭ জন ছেলে এবং ১০ দশমিক ৫ জন মেয়ে; শহরাঞ্চলে শতকরা নয়জন ছেলে এবং ৪ দশমিক ৮ জন মেয়ে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে বা বন্ধুবান্ধব নিকটাত্মীয়কে হয়রানির শিকার হতে দেখেছে। এই শিশুদের ২৫ শতাংশ মারাত্মক মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছে, ২০ শতাংশ চরম উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছে এবং ৫৭ দশমিক ২ জন বিষণ্নতায় ভুগছে। 
গবেষক ফারাহ দীবা বলেন, শৈশবে যৌন হয়রানির শিকার শিশুরা ভবিষ্যতে নিজেরা নির্যাতকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারে। তাদের যৌনকর্মী, মাদকাসক্ত হওয়া ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত হওয়ারও আশঙ্কা থাকে। 
ফারাহ দীবা বাবা-মায়ের প্রতি শিশুদের কথা বলার পরিবেশ তৈরি করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, সমীক্ষার আওতায় আসা শিশুরা অনেক সময় তাদের অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করতে চায়নি। বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাত্রছাত্রীদের সমীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দিলেও অনেক প্রতিষ্ঠান তাকে প্রত্যাখ্যান করেছে।

শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১১

শিক্ষক যখন ভক্ষক !


হাসানুর রশীদ : গর্জনিয়া ,চট্টগ্রাম থেকে : মূলত শিক্ষকদের অভিবাবকের পরেই স্থান দেয়া হয়। নিজের বাবা-মার পর শিক্ষকদের মাঝেই আশ্রয় খুঁজে পান শিক্ষার্থীরা। কিন্তু শিক্ষক দ্বারা ছাত্রী নির্যাতন দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে। বর্তমানে কিছু শিক্ষক নামধারী পশু ছাত্রীদের রক্ষকের পরিবর্তে ভক্ষক রূপে প্রতিনিয়ত অর্বিভূত হচ্ছে। এবার কঙ্বাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের থোয়াইংগাকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর এক ছাত্রী (১৩) প্রধান শিক্ষকের ধর্ষণের শিকার হয়ে পাঁচ মাসের অন্ত:সত্ত্বা হয়ে পড়েছে। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি জানাজানি হলে প্রধান শিক্ষক একেএম মিজানুর রহমান (৪০) তা ধামা-চাপা দিতে উঠে-পড়ে লেগেছেন। ওই ছাত্রীর বাড়ি উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের থিমছড়ি এলাকায়।

ধর্ষিতা ছাত্রীর বাবা মনির আহমদ জানান, প্রায় পাঁচ মাস আগে বিদ্যালয় ছুটি হলে প্রধান শিক্ষক একেএম মিজানুর রহমান তার মেয়েকে বিদ্যালয় কক্ষ ঝাড়ু দেয়ার কথা বলে রেখে দেন। ছুটির পর সবাই চলে গেলে তাকে বিদ্যালয়ের নবনির্মিত একটি ভবনের কক্ষে নিয়ে মুখে কাপড় বেঁধে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা কাউকে না বলার জন্য তার মেয়েকে ভয়-ভীতি ও হুমকি দেন ওই প্রধান শিক্ষক। দীর্ঘদিন ভয় ও লজ্জায় এ ঘটনাটি কাউকে প্রকাশ করেনি তার মেয়ে। সম্প্রতি শারিরীক অবস্থার পরিবর্তন দেখা দিলে মেয়ে বিষয়টি তার মাকে বলতে বাধ্য হয়। প্রধান শিক্ষকের লালসার শিকার হয়ে বর্তমানে ওই ছাত্রী পাঁচ মাসের অন্তসত্তা হয়ে পড়েছে। নিরুপায় হয়ে সমপ্রতি এ বিষয়ে তারা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তৈয়ব উল্য্লাহ চৌধুরীকে অবহিত করেন।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি নুরুল আমিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, 'ঘটনাটি শুনেই আমি ওই ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে অভিভাবক ও তার সাথে কথা বলেছি। ওই ছাত্রীর মুখে পুরো ঘটনাটি শুনে আমি হতবাক। আসলে যা ঘটেছে খুবই দুঃখজনক।'

তিনি আরও বলেন, 'প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে এলাকার প্রভাবশালীরা ঘটনাটি ধামা-চাপা দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।'

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক একেএম মিজানুর রহমান বলেন, 'বিষয়টি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৈয়ব উল্য্লাহ চৌধুরীর মাধ্যমে মিমাংসা করা হয়েছে। উপবৃত্তি না দেয়ার কারণে এটি তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।'

পাঁচ মাসের অন্ত:সত্ত্বা হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'গত ছয়মাস ধরে ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত।'

তবে বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১, ২, ১৩ ও সর্বশেষ ১৬ জুনও ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলো বলে হাজিরা খাতায় তা উল্লেখ রয়েছে।
গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৈয়ব উল্লাহ চৌধুরী বলেন, 'ঘটনাটি সত্য। ওই মেয়ের বাবা-মা আমার কাছে এসেছে। আমি তাদের আগে একটি থানায় সাধারণ ডাইরি করতে বলেছি।'

'তানজানিয়ায় একতৃতীয়াংশ মেয়েশিশু যৌন পীড়নের শিকার'

তানজানিয়ায় প্রায় এক তৃতীয়াংশ মেয়েশিশু ১৮ বছর হওয়ার আগেই যৌন সহিংসতার শিকার হয়।

আর ছেলেশিশুদের ক্ষেত্রে একই ধরনের সহিংসতার শিকার হয় ১৩.৪ শতাংশ।

সম্প্রতি জাতিসংঘের শিশু সংস্থার এক জরিপে এই পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয় বলে বিবিসি জানায়।

এতে বলা হয়, দেশটিতে যৌন হয়রানির সবচেয়ে সাধারণ উপায় হলো জোরপূর্বক যৌনকর্মের প্রচেষ্টা। এরই জের ধরে এসেছে শরীরের স্পর্শকাতর অংশ স্পর্শ করা।

জরিপে আরো দেখা যায়, ১৮ বছর বয়সের আগেই যৌন সম্পর্কের অভিজ্ঞতা হয়েছে এমন ২৯.১ শতাংশ মেয়ে ও ১৭.৫ শতাংশ ছেলে জানিয়েছে, এতে তাদের সম্মতি ছিল না।

আর এর অর্থ, তাদের বাধ্য করা হয়েছে।

জাতিসংঘের কর্মকর্তা অ্যান্ডি ব্র"কস বলেন, যেকোন দেশে এ বিষয়ে পরিচালিত এটাই হচ্ছে সবচেয়ে বিস্তৃত জরিপ। আর দেশটির সরকারও এ সমস্যা মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।

বিবিসির আফ্রিকা বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, "ছেলে ও মেয়েশিশু হয়রানির বিষয়ে বিস্তৃত তথ্য প্রদানের বিষয়ে তানজানিয়াই সর্বপ্রথম সাহস দেখিয়েছে।"

দেশটির শিক্ষামন্ত্রী সুকুরু কাওয়াম্বাওয়া জানান, যৌন হয়রানি বন্ধে সরকার উদ্যোগ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আওতায় হয়রানির শিকার শিশুরা যাতে তা জানাতে পারে তার ব্যবস্থা করা হবে। একইসঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের যতœ নেওয়ার জন্য শিক্ষকদের প্রতিও আহ্বান জানানো হবে।

কেনিয়া, রুয়ান্ডা, মালায়ি, জিম্বাবুয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকায় একই ধরনের জরিপ চালানো হবে বলেও জাতিসংঘ কর্মকর্তা ব্র"কস জানান।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/

তানজানিয়ায় অবিবাহিতা মেয়েরা স্কুল ছাড়ছে বিয়ের কারণে নয় গর্ভবতী হওয়ার কারণে


হ-বাংলা নিউজ : প্রতি বছর তানজানিয়ায় প্রায় আট হাজার মেয়ে গর্ভবতীর হওয়ায় স্কুল ছাড়তে বাধ্য হয়৷ এত অল্প বয়সে গর্ভধারণ রোধের নানা বিষয়গুলো এদের কাছে পুরোপুরি আজানা থাকায় এরা গর্ভবতী হয়ে পড়ে৷ ইহানামিলো উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ধরণের ঘটনা গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকবার ঘটেছে৷ প্রতিদিনের মত মেয়েরা স্কুল ড্রেস পডরে স্কুলে এসেছে, সবাই মনোযোগ দিয়ে ক্লাস করছে৷ এদের একজন ১৯ বছরের এস্থার৷ ক্লাশ টেনের ছাত্রী৷ এক বছর আগে এস্থার একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছে৷ অথচ এস্থার এখনো অবিবাহিতা৷ এস্থার জানাল, ‘‘আমি যখন গর্ভবতী ছিলাম তখন নিয়মিত স্কুলে আসতে পারতাম না৷ শারীরিকভাবে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন আমি হয়েছিলাম৷ আমার পুরো জীবন পাল্টে যায়৷ আগের মত আর কোন কিছুই নেই৷''

এস্থারের ভাগ্য ভাল৷ কারণ তার বাবা-মা সন্তানসম্ভা থাকার সময় এস্থারের পাশে থেকেছে৷ বার বার মেয়েকে বুঝিয়েছে গর্ভবতী হলে বা একটি সন্তান হলেই সব শেষ হয়ে যায় না৷ এস্থারের বাবা-মা স্কুলের পাট শেষ করার ওপর জোর দিয়েছেন, এস্থার এখন নিয়মিত স্কুলে আসছে৷


তবে সবাই এস্থারের মত ভাগ্যবতী নয়৷ এস্থারের ক্লাশে আরো চারটি মেয়ে আছে৷ তাদের সবার একটি করে সন্তান রয়েছে এবং এরা সবাই প্রাণপণে চেষ্টা করছে স্কুল শেষ করার৷ তবে বেশিরভাগ মেয়েই শেষ পর্যন্ত আর স্কুলে আসার সময় পায় না৷ বাড়িতে বাচ্চাকে দেখাশোনার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় আর স্কুলে আসা হয় না৷ তবে বাবা-মায়ের কাছ থেকে সব ধরণের সাহায্য আর সহযোগিতা পাওয়ার পরও এস্থার মনে করে একই সঙ্গে মা এবং স্কুল ছাত্রী হওয়া সহজ নয়৷ বাড়ি থেকে স্কুল ১০ কিলোমিটারের পথ৷ প্রতিদিন পায়ে হেঁটে স্কুলে যেতে হয়৷ বাড়ি ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যা হয়ে যায়৷


এসব মেয়েদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছে তানজানিয়া মেডিয়া ওম্যান এসোসিয়েশন৷ সংস্থায় কাজ করছেন আনানিলেয়া ইনকিয়া৷ তিনি জানান, এত দূরের পথ যেন হাঁটতে না হয় তাই অনেকেই মেয়েদের বলে যে সাইকেল অথবা মোটর বাইকে স্কুলে পৌঁছে দেয়া হবে তাদের৷ আর মেয়েগুলোও রাজি হয়ে যায় এরপরই ঘটে অঘটনগুলো৷ এর পাশাপাশি রয়েছে স্কুলের কোন কোন শিক্ষকের হুমকি৷ ছাত্রীকে যদি হাতের মুঠোয় না পাওয়া যায় তাহলে সেই ছাত্রীকে কখনোই পরীক্ষায় পাশ করানো হয় না৷


এসব মেয়েদের বাবা-মায়েরা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে না কারণ তাদের আগে থেকেই টাকা দেয়া হয় প্রতিবাদ না করার জন্য৷ তবে ইনকিয়ার বিশ্বাস, একদিন এই অবস্থার পরিবর্তন হবে এবং সেই দিন খুব দূরে নয়৷

মঙ্গলবার, ২ আগস্ট, ২০১১

এটি কেউ বানিয়ে আমার নামে ছেড়ে দিয়েছে - শখ

মানবজমিন অফিসে শখ

সাইফ চন্দন: এ ভিডিওটি আমার নয়। এ ধরনের কোন কাজ আমি করিনি। এটি কেউ বানিয়ে আমার নামে ছেড়ে দিয়েছে। ছোটবেলা থেকেই আমি নাচের সঙ্গে যুক্ত। তাই আমি মিডিয়ায় এসেছি একজন পরিপূর্ণ শিল্পী হতে। আমার বর্তমান ব্যস্ততা মডেলিং এবং অভিনয়কে ঘিরেই। কথাগুলো একনাগাড়ে বলে গেলেন সময়ের আলোচিত মডেল ও অভিনেত্রী শখ। গত দু’দিন ধরে তার নামে ই-মেইলে ও বিভিন্ন সেলফোনে ছড়িয়ে পড়া আপত্তিকর দুই মিনিট দুই সেকেন্ড ব্যাপ্তির নগ্ন ভিডিও প্রসঙ্গে গতকাল মানবজমিন অফিসে বসে শখ এসব কথা বলেন। গতকাল বাবাকে সঙ্গে নিয়ে মানবজমিন-এ এসেছিলেন তিনি। শখ আরও বলেন, আমি মিডিয়ায় কাজ করছি বেশি দিন নয়। এর মধ্যেই আমাকে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের গেম চলেছে। তবে এসবে কখনও কান দেইনি। কিন্তু এবার আমি বেশ ক্ষুব্ধ। কারণ, এটি আমার ক্যারিয়ারের প্রশ্ন, আমার জীবনের প্রশ্ন। তাছাড়া আমার মনে হয় যে কেউ ভিডিওটি একটু ভালভাবে দেখলে বুঝতে পারবেন এটি আমি নই। শখের মতো উঠতি তারকাকে নিয়ে এমন ঘটনা প্রসঙ্গে তার বাবা মানবজমিনকে বলেন, মেয়েকে আমি আমার বাসার উল্টোদিকের লন্ড্রিতেও একা বের হতে দেই না। আর মিডিয়ায় কাজের সময়ে ওর সঙ্গে আমি অথবা ওর মা থাকি সব সময়। আমার মনে হয় শখের ক্ষতি করার জন্যই কেউ এমনটি ছড়াচ্ছে। শখ বলেন, আমার শিল্পী জীবন এবং ব্যক্তি জীবন দু’টোই ধ্বংস করার জন্য কেউ এমনটি করছে। জানি না কোথায় তাদের স্বার্থ। তবে আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি কেউ যদি প্রমাণ করতে পারেন ভিডিওটি আমার তাহলে আমি সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে মিডিয়া ছেড়ে দেবো। তিনি আরও বলেন, যারা সম্পূর্ণ নিশ্চিত না হয়ে এমন খবর ছড়াচ্ছেন তাদের বিচারের ভার আমি সৃষ্টিকর্তার ওপর ছেড়ে দিচ্ছি। আমি মনে করি নিরপরাধ কারো ক্ষতি করে কেউ শান্তিতে থাকতে পারবে না। এদিকে শখ বর্তমানে বিজ্ঞাপন নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। বাংলালিংকের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী নিয়মিত একের পর এক বিজ্ঞাপনে কাজ করছেন তিনি। বর্তমানে তার বাংলালিংক দেশ সিক্স-এর বিজ্ঞাপনটি বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচার হচ্ছে। বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করেছেন তানভীর। এতে শখের সঙ্গে আরও রয়েছেন সারিকা ও নিলয়। এছাড়া শখ সমপ্রতি মডেল হয়েছেন ভারতের সোনক মিত্রের পরিচালনায় ওয়ালটন পণ্যের একটি বিজ্ঞপনে। এতে শখের বিপরীতে রয়েছেন চলচ্চিত্র নায়ক ফেরদৌস। চলতি মাসের শেষের দিকে বিজ্ঞাপনটি বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচার হবে বলে। এছাড়া এনটিভিতে বর্তমানে প্রচার চলছে শখ অভিনীত ধারাবাহিক নাটক ‘চাঁদের নিজের কোন আলো নেই’। আনিসুল হকের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করছেন মোহাম্মদ মুস্তফা কামাল রাজ। শুটিং শেষ করেছেন একটি একক নাটকের। জয়ন্ত মণ্ডলের পরিচালনায় এতে শখের বিপরীতে অভিনয় করেছেন সজল। এছাড়া রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম সার্ধশতবার্ষিকী উপলক্ষে একুশে টেলিভিশন ও আরটিভিতে প্রচার হবে শখের অংশগ্রহণে বিশেষ নৃত্যনাট্য। শখের আগামীর ভাবনা শুধুই চলচ্চিত্র। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চলচ্চিত্রে যতটা সময় দেয়া প্রয়োজন আমি তেমনটি দিতে পারছি না। এর কারণ বাংলালিংকের সঙ্গে চুক্তি। আসছে বছরে নতুন চুক্তি হওয়ার সময়ে এর একটি পরিপূর্ণ আলোচনা করবো। কারণ, আমি আসলেই চলচ্চিত্রে অভিনয়ে ইচ্ছুক। চাই ভালভাবে বুঝে শুনে একের পর এক চলচ্চিত্রে কাজ করতে চাই।

প্রভার পর মিলার সেক্স ভিডিও



প্রভার পর মিলার সেক্স ভিডিও


গত কয়েক সপ্তাহধরে মিড়িয়া পাড়ায় কানাঘুষা চলছে হালের জনপ্রিয় গায়িকা মিলাকে নিয়ে।তবে এই বির্তকের শুরু মিলার অরুচিপূর্ণ ভিডিওকে ঘিরে। মিড়িয়ার এক মুখ থেকে সবার মুখে এখন মিলার এই অসামাজিক ভিডিও রসাত্মক গল্প শোনা যাচ্ছে। ৩৩ সেকেন্ডের এই সেক্স ভিডিওতে মেয়েটি মিলা কি না অনেকের মনে সন্দেহ জাগে। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায় হ্যাঁ, এটি মিলা। ভিডিওর প্রথমে মিলাকে একটি রুমে সম্পূর্ণ অবচেতন অবস্থায় পড়তে দেখা যায়। অপরিচিত এক ব্যক্তির মিলার পুরো নগ্ন দেহের ভিডিও করছে এবং তার কিছু সময় পরে মিলার সঙ্গে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হয়। তবে মিলার সাথে উক্ত ব্যক্তির চেহারা দেখা এবং খোঁজ পাওয়া যায় নি। মিলার সাথে এই বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে পাওয়া যায়নি। তবে মিলার ঘনিষ্ঠ লোকজন স্বীকার করেছেন প্রায়ই মিলা নেশাজাতক দ্রব্যে ডুবে থাকেন। সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিকদের এক মিলন মেলায়ও মিলাকে উম্মাদ অবস্থায় দেখা যায়। অনেকে তখন বলাবলি করতে থাকেন মিলার ক্যারিয়ার ধ্বংসের পথে।
নিউজ : বিনোদন২৪ ডট কম, 

Click here for video clip download

রবিবার, ৩১ জুলাই, ২০১১

লামায় ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় মা, ভাই ও দাদাকে খুন

বান্দরবানের লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে গতকাল শনিবার এক আদিবাসী কিশোরীকে ধর্ষণ ও অপহরণের চেষ্টা করেন আবু মুসা নামের এক যুবক। এ সময় বাধা দিলে কিশোরীর মা, বৃদ্ধ দাদা ও পাঁচ বছরের ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেন ওই যুবক।
এলাকাবাসী মুসাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। মুসা আশির দশকে অভিবাসন করা (স্থানীয়ভাবে সেটেলার হিসেবে পরিচিত) লামার রূপসী বাজার মুসলিমপাড়ার শাহজাহানের ছেলে। নিহত ব্যক্তিরা হলেন কিশোরীর মা হ্লামেচিং (৩৬), দাদা অংসাউ মারমা (৭০) ও ভাই মংনুচিং মারমা (৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের ভাষ্যমতে, লামা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে রূপসীপাড়া ইউনিয়নের সিলেরতুয়া নাইক্ষ্যংঝিড়ি আগার নির্জন জুমঘরে থাকে ওই কিশোরীর পরিবার। গতকাল তার বাবা জুমঘরে ছিলেন না। এই সুযোগে স্থানীয় বখাটে যুবক আবু মুসা সেখানে যায়। প্রথমে সে ঘরের ধারালো দা-গুলো খুঁজে নেয়। পরে সে ওই কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং টেনেহিঁচড়ে অপহরণের চেষ্টা করে। এ সময় কিশোরীর মা হ্লামেচিং ও বৃদ্ধ দাদা বাধা দিলে আবু মুসা তাঁদের দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে এবং কিশোরীর হাতে দা দিয়ে কোপ দিয়ে তাকে মারাত্মকভাবে আহত করে। মা ও দাদার সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময় কিশোরী পালিয়ে আত্মরক্ষা করে। পরে কিশোরীর পাঁচ বছরের শিশু ভাইকেও কুপিয়ে হত্যা করে মুসা।
রূপসীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য নাইক্ষ্যংঝিড়ির রমজান আলী বলেন, ‘জানতে পেরেছি কিশোরীকে ধর্ষণের বাধা দেওয়ায় আবু মুসা নৃশংসভাবে ধারালো দা দিয়ে তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে।’
পার্শ্ববর্তী নোয়াপাড়ার বাসিন্দা ক্যজহ্লা মারমা বলেন, জুমঘরটি পাড়া থেকে দূরে নির্জন এলাকায়। ঘটনার পর দ্রুতগতিতে পাড়া দিয়ে যাওয়ার সময় সন্দেহ হওয়ায় পাড়াবাসী মুসাকে আটক করে।
ক্যজহ্লা মারমা বলেন, আপাতদৃষ্টিতে শুধু ধর্ষণের কারণে হত্যা করা হয়েছে মনে হয়েছে। তবে জমি নিয়ে কিশোরীর নানির সঙ্গে আবু মুসার বাবা শাহজাহান ও তার চাচার বিরোধ রয়েছে। এ ছাড়া সিলেরতুয়া ও নাইক্ষ্যংঝিড়িতে আশির দশকে বাইরের লোকজনের অভিবাসনের পর থেকে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে বিশেষ করে আদিবাসীদের সঙ্গে ভূমি নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। বর্তমানে তা চরম আকার ধারণ করেছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পেছনে ওই ভূমি বিরোধের যোগসূত্র রয়েছে কি না, খতিয়ে দেখা দরকার বলে ক্যজহ্লা মারমা মন্তব্য করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হোসাইন বলেছেন, লাশ তিনটি উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। আহত ওই কিশোরী আবু মুসাকে খুনি হিসেবে শনাক্ত করেছে।
ওসি বলেন, এ ঘটনা শুধু ধর্ষণে বাধা দেওয়ার কারণে নাকি আরও অন্য কোনো কারণ রয়েছে তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে।
ঘটনাস্থল দুর্গম হওয়ায় সেখানে গিয়ে আটক আবু মুসা ও তার পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

শুক্রবার, ২৯ জুলাই, ২০১১

যৌন হয়রানির শিকার নাফিজা!

যৌন হয়রানির শিকার হলেন লাক্স তারকা নাফিজা জাহান। তবে সেটা নাটকে নয়। সত্যি সত্যি যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন নাফিজা।
নাফিজা জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি উত্তরার হইচই শুটিং হাউসে মুহাম্মদ মোস্তফা কামালের পরিচালনায় ‘দেনমোহর’ নাটকের শুটিং করছিলেন। হঠাত্ পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে কয়েকজন বখাটে যুবক তাঁকে উদ্দেশ করে অশ্লীল মন্তব্য করেন। বিষয়টি পরিচালককে জানালে দ্রুত নিকটস্থ থানায় জানানো হয়। তাত্ক্ষণিকভাবে পুলিশ সেখান থেকে দুজন বখাটেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নাফিজা আরও বলেন, ‘যৌন হয়নারির বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ হতে হবে। এটি যদি না হয়, তা হলে আজ আমি যৌন হয়রানির শিকার হয়েছি আরেক দিন অন্যরা হবেন। এ ব্যাপারে সবাইকে আরও বেশি সজাগ হতে হবে।’
দেনমোহর নাটকের অন্য অভিনয়শিল্পীরা হলেন—মোশাররফ করিম, মিথিলা, হাসান মাসুদ, ডা. এজাজুল ইসলাম, মিশু সাব্বির, জয়রাজ, শামীমা নাজনীন, মাশিয়াত প্রমুখ।
দেনমোহর নাটকটি ঈদের বিশেষ অনুষ্ঠানমালায় এনটিভিতে প্রচারিত হবে।প্রথম আলো

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | JCPenney Coupons