This is featured post 1 title
Replace these every slider sentences with your featured post descriptions.Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha - Premiumbloggertemplates.com.
This is featured post 2 title
Replace these every slider sentences with your featured post descriptions.Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha - Premiumbloggertemplates.com.
This is featured post 3 title
Replace these every slider sentences with your featured post descriptions.Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha - Premiumbloggertemplates.com.
তরুন-তরুনী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
তরুন-তরুনী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বুধবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১১
লজ্জা ভুলেছেন অসিন
২১১৪ পিস ইয়াবাসহ যুবতী আটক
উখিয়া উপজেলার মরিচ্যা বিজিবির যৌথ চেকপোস্টে ঢাকাগামী এস আলম পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে ২১১৪ পিস ইয়াবাসহ এক যুবতীকে আটক করেছে। মরিচ্যা বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার ইছহাক মোল্লা জানিয়েছেন, গতকাল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ থেকে ঢাকাগামী এস আলম পরিবহনের একটি কোচের সিটের নিচে লুকানো ২১১৪ পিস ইয়াবাসহ খালেদা বেগম (১৮) নামের এক যুবতীতে আটক করা হয়েছে। আটক যুবতী উখিয়া টিএন্ডটি এলাকার আবুল হোসেনের মেয়ে। আটক ইয়াবার মূল্য প্রায় ৭ লাখ টাকা বলে বিজিবি সূত্র জানিয়েছে।
মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১১
বিবার-সেলেনার বিলাসবহুল প্যারিস অভিসার
সম্প্রতি ১৭ হাজার পাউন্ড খরচ করে সেলেনাকে হিরের ব্রেসলেট উপহার দেওয়ার পর প্যারিসে বিলাসবহুল হোটেলে সেলেনার সঙ্গে একান্ত সময় কাটিয়েছেন বিবার। প্যারিসের এক হোটেলের পেন্টহাউস স্যুইটে থাকার জন্য তিনি প্রতিরাতে খরচ করেছেন ১১০০ ডলার।
সম্প্রতি বিবার তার নতুন অ্যালবামের প্রচারণার কাজে প্যারিস গিয়েছিলেন। সেখানে সেলেনাও ছিলেন তার সঙ্গে। তারা প্যারিসের আর্ক দো ট্রায়াম্ফ হোটেলে ৪ দিন অবস্থান করেছেন।
এ প্রসঙ্গে ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘বিবার এবং সেলেনা হোটেলটির সবচেয়ে সুন্দর পেন্টহাউস সুইটেই উঠেছিলেন। সেটা খুবই রোমান্টিক একটি সুইট। সেখানে দাঁড়িয়ে আইফেল টাওয়ারকে খুব কাছ থেকে দেখা যায়।’
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই এ ধরনের অভিসারে ব্রাজিলে গিয়েছিলেন বিবার-সেলেনা জুটি। ব্রাজিলের কোপাকাবানা প্যালেস হোটেলের পেন্টহাউস সুইটে থাকার জন্য সেবার প্রতিরাতে বিবারকে গুণতে হয়েছিলো ২৩০০ মার্কিন ডলার।
বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম
মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১১
তরুণেরা অনিরাপদ যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছে
বিশ্বের তরুণসমাজের একটা বড় অংশ অনিরাপদ যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছে এবং তারা কার্যকর গর্ভনিরোধক ব্যবস্থা সম্পর্কেও খুব বেশি জানে না। বহুজাতিক একটি জরিপে এ তথ্য পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়।
বিশ্ব গর্ভনিরোধক দিবস (ডব্লিউসিডি) উপলক্ষে জরিপটি পরিচালনা করা হয়।
জরিপে দেখা গেছে, তরুণসমাজের একটা বড় অংশ নতুন সঙ্গীদের সঙ্গে অনিরাপদ সম্পর্ক গড়ে তুলছে। গত তিন বছরে ফ্রান্সে এই সম্পর্কের হার ১১১ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ৩৯ শতাংশ ও যুক্তরাজ্যে ১৯ শতাংশ বেড়েছে।
ডব্লিউসিডি টাস্কফোর্সের সদস্য ডেনিস কেলার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আপনি বিশ্বের কোথায় আছেন, সেটি কোনো বিষয় নয়। যৌন সম্পর্ক ও গর্ভনিরোধক সম্পর্কে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে তরুণসমাজের বাধাগুলো সবখানেই আছে।’ ডেনিস কেলার বলেন, ‘তরুণ-তরুণীরা গর্ভনিরোধের বিষয়ে তথ্য ও ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে পারলে, তা তাদের পছন্দ অনুযায়ী কাজে লাগাতে পারবে। কাজেই সহজে তাদের সঠিক ও নিরপেক্ষ তথ্য লাভের বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ।’
যৌন বিষয় ও গর্ভনিরোধের ব্যাপারে মনোভাব জানতে চিলি, পোল্যান্ড, চীনসহ ২৬টি দেশের ছয় হাজারের বেশি তরুণকে প্রশ্ন করা হয়। এতে দেখা গেছে, তরুণসমাজের মধ্যে অপরিকল্পিতভাবে সন্তান নেওয়ার প্রবণতা বেশি, যা গোটা বিশ্বের জন্য মাথাব্যথার কারণ।
জরিপের ফলাফলে বলা হয়েছে, অনেক দেশে যৌনশিক্ষার অভাবে তরুণসমাজের অনিরাপদ শারীরিক সম্পর্ক বেড়ে চলেছে। ইউরোপে দেখা গেছে, জরিপে অংশ নেওয়া সেখানকার অর্ধেক তরুণ স্কুলে যৌনশিক্ষা পায়। অথচ যুক্তরাষ্ট্র, লাতিন আমেরিকা, এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে এর হার তিন-চতুর্থাংশ।
জরিপে অংশ নেওয়া অনেকে বলেছে, গর্ভনিরোধ বিষয়ে কোনো চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে তারা বিব্রতবোধ করে। রয়টার্স।
বিশ্ব গর্ভনিরোধক দিবস (ডব্লিউসিডি) উপলক্ষে জরিপটি পরিচালনা করা হয়।
জরিপে দেখা গেছে, তরুণসমাজের একটা বড় অংশ নতুন সঙ্গীদের সঙ্গে অনিরাপদ সম্পর্ক গড়ে তুলছে। গত তিন বছরে ফ্রান্সে এই সম্পর্কের হার ১১১ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ৩৯ শতাংশ ও যুক্তরাজ্যে ১৯ শতাংশ বেড়েছে।
ডব্লিউসিডি টাস্কফোর্সের সদস্য ডেনিস কেলার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আপনি বিশ্বের কোথায় আছেন, সেটি কোনো বিষয় নয়। যৌন সম্পর্ক ও গর্ভনিরোধক সম্পর্কে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে তরুণসমাজের বাধাগুলো সবখানেই আছে।’ ডেনিস কেলার বলেন, ‘তরুণ-তরুণীরা গর্ভনিরোধের বিষয়ে তথ্য ও ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে পারলে, তা তাদের পছন্দ অনুযায়ী কাজে লাগাতে পারবে। কাজেই সহজে তাদের সঠিক ও নিরপেক্ষ তথ্য লাভের বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ।’
যৌন বিষয় ও গর্ভনিরোধের ব্যাপারে মনোভাব জানতে চিলি, পোল্যান্ড, চীনসহ ২৬টি দেশের ছয় হাজারের বেশি তরুণকে প্রশ্ন করা হয়। এতে দেখা গেছে, তরুণসমাজের মধ্যে অপরিকল্পিতভাবে সন্তান নেওয়ার প্রবণতা বেশি, যা গোটা বিশ্বের জন্য মাথাব্যথার কারণ।
জরিপের ফলাফলে বলা হয়েছে, অনেক দেশে যৌনশিক্ষার অভাবে তরুণসমাজের অনিরাপদ শারীরিক সম্পর্ক বেড়ে চলেছে। ইউরোপে দেখা গেছে, জরিপে অংশ নেওয়া সেখানকার অর্ধেক তরুণ স্কুলে যৌনশিক্ষা পায়। অথচ যুক্তরাষ্ট্র, লাতিন আমেরিকা, এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে এর হার তিন-চতুর্থাংশ।
জরিপে অংশ নেওয়া অনেকে বলেছে, গর্ভনিরোধ বিষয়ে কোনো চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে তারা বিব্রতবোধ করে। রয়টার্স।
বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১১
সামিরার ডিজে পার্টি এবং…
এ অভিযানে উদ্ধার করা হয় ৪০৮ ক্যান বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিয়ার ও ৩০ বোতল বিদেশী মদ। যখন মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সেখানে হানা দেন তখন ওই বাড়িতে প্রায় ১৫০ নারী-পুরুষ মদ্যপ অবস্থায় একে অপরের সঙ্গে উচ্চ শব্দে বাজানো মিউজিকের তালে ড্যান্স করছিল। বেশির ভাগ তরুণীর পরনে সংক্ষিপ্ত পোশাক ছিল। পার্টিতে অংশ নেয়া অনেক তরুণ-তরুণীর সামাজিক পরিচয় ছিল রীতিমতো আঁতকে ওঠার মতো। অভিযানের সময় তাদের অনেকেই মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের নানা হুমকি ধমকি দেন। আবার অনেকেই মুখ ঢেকে পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান।
অবৈধভাবে তৈরি করা বারে থরে থরে সাজানো ছিল নানা ব্র্যান্ডের মদ ও বিয়ার। গ্রেপ্তারকৃত সামিরা কায়জার অকপটে সব কিছু স্বীকার করেন। কিভাবে তিনি এ জগতে এলেন তার বিস্তারিত বর্ণনাও দেন। গুলশান এলাকায় কারা অবৈধ মদ ও বিয়ারের আসর বসায় তাদের অনেকের নামও বলেন তিনি। সামিরা জানায়, এমপি থেকে পুলিশ কর্মকর্তা অনেকেই নিয়মিত তাদের অতিথি হয়ে আসেন। রাতভর ফুর্তি করে সকাল হওয়ার আগে বাসায় ফিরে যান। পরে এ বিষয়ে গুলশান থানায় মামলা করা হয়। মামলা করেন মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রমনা বিভাগের পরিদর্শক রাজু আহমেদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, আমাদের সমাজ ও মূল্যবোধের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এমন সব অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে। এতে বিপথগামী হচ্ছে উঠতি বয়সীরা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এসব অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি নেয়া হয় না। অনুমতি নেয়া হলেও বলা হয় অনুষ্ঠিত হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। কিন্তু পরে মদ-বিয়ারের জমজমাট আসর বসানো হয়। শতাধিক মেয়ে এসব অবৈধ বার ও পার্টি সেন্টারে কাজ করছে। তারা বিভিন্ন স্থান থেকে কলগার্ল সংগ্রহ করে দেয়। সংক্ষিপ্ত পাশ্চাত্য পোশাক পরা এসব তরুণী নিজেরাও হাই সোসাইটি কলগার্ল হিসাবে কাজ করে। গত ২৯শে জুলাই আরেকটি অভিযানে উদ্ধার করা হয় ৬,৪৭২ ক্যান বিয়ার ও ১,৭০০ বোতল বিদেশী মদ। গুলশান ২-এর ১১৩ নম্বর রোডের ১১ নম্বর বাড়িতে কোরিয়ান ক্লাবের নামে নিয়মিত মদ-বিয়ারের অবৈধ আসর বসছিল।
এ সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য পেয়ে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় গ্রেপ্তার করা হয় দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক কিং জং সু-কে। তার সঙ্গে গ্রেপ্তার হয় সু’র বাংলাদেশী সহযোগী আবদুর রহিম ওরফে রহমানকে। যৌথভাবে অভিযানটি চালায় র্যাব-১ ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত দেড় ঘণ্টা ধরে অভিযান চালানো হয়। পরে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গুলশান সার্কেলের পরিদর্শক হেলাল উদ্দীন ভূঁইয়া বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলা করেন।
ইন্সপেক্টর হেলাল উদ্দীন বলেন, কোরিয়ান ক্লাবের আড়ালে এখানে নিয়মিত মদের আসর বসছিল। কিন্তু তাদের কোন অনুমোদন ছিল না। তিনি বলেন, ক্লাবটিতে নানা রকম অনুষ্ঠানের আড়ালে নানা অসামাজিক কার্যকলাপ চলতো বলে আমাদের কাছে অভিযোগ আসছিল। ওদিকে র্যাব ১-এর একটি সূত্র জানিয়েছে গুলশান, বনানী এলাকায় অবৈধ মদ-বিয়ারের আসরের পেছনে রাজনীতিবিদ, এমপি ও মন্ত্রীদের হাত রয়েছে। এ ছাড়া এসব হাইপ্রোফাইল ব্যক্তির ঘনিষ্ঠরাও এসবের আয়োজন করছে। ফলে চাইলেই এসব বন্ধ করা যাচ্ছে না।
তোহুর আহমদ – মানবজমিন
তাহিরপুরে এক তরুণী পুরুষে রূপান্তরিত
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় ১৬ বছরের তরুণী বেবী আক্তার পুরুষে রূপান্তরিত হওয়ায় এলাকাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের গোলাবাড়ি গ্রামের মৃত মোক্তার আলীর মেয়ে বেবী আক্তার শ্রীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী। বেবীর মা আনোয়ারা বেগম জানান, পুরুষে রূপান্তরিত হওয়ার বেশ কিছু দিন আগে থেকেই বেবীর শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। গত সোমবার রাতে পুরুষে রূপান্তর হওয়ার ঘটনাটি সে পরিবারের লোকদের জানায়। এই সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে তাহিরপুর উপজেলাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার লোকজন তাকে এক নজর দেখার জন্য তার বাড়িতে ভিড় জমায়। এই উত্সুক মানুষকে সামাল দিতে হিমসিম খাচ্ছে তার পরিবার। জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোদাচ্ছির আলম বলেন, বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষকদের নিয়ে তার বাড়িতে গিয়ে কথাবার্তা বলে ও দেহের গঠন আকৃতি দেখে বেবী আক্তারকে একজন পরিপূর্ণ পুরুষ মনে হয়েছে। তাহিরপুর স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আজহারুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তিনি লোক মুখে শুনেছেন; কিন্তু পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য কেউ তার কাছে আসেনি। বিষয়টি উচ্চতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
ইত্তেফাক
বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট, ২০১১
সম্পর্ক ভাঙ্গেনি বিবার-সেলেনার
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, সম্প্রতি লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত টিন চয়েজ অ্যাওয়ার্ডস আসরে একসঙ্গেই উপস্থিত হয়েছিলেন এই জুটি। অনুষ্ঠান চলাকালীন তারা পাশাপাশিই বসেছিলেন। শুধু তাই নয়, একে অপরকে চুমুও খেয়েছেন তারা।
এ ছাড়া, মঞ্চের পেছনে সেলেনা যখন তার ব্যান্ড সিনের সঙ্গে পারফর্মেন্সের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন সেখানে বিবার এবং সেলেনাকে বেশ অন্তরঙ্গভাবেই মিশতে দেখা গেছে।
জানা গেছে, অনুষ্ঠানে সাদা রংয়ের পোশাক পরে হাজির হয়েছিলেন ১৯ বছর বয়সী সেলেনা। পরে ‘জুলিয়েন ম্যাকডোনাল্ড’ গানটি পরিবেশনের আগে রূপালি রংয়ের পিঠখোলা পোশাক পরেছিলেন তিনি। আর ১৭ বছর বয়সী বিবারকে দেখা গেছে চামড়ার ওয়েস্টকোট, বো টাই এবং শার্ট পরা অবস্থায়।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে সেলেনার কনসার্টে বন্ধু শ্যন কিংস্টনকে নিয়ে বিবার হাজির হওয়ার পর থেকেই সেলেনার সঙ্গে তার সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়। কারণ শৈশবে চৌর্যবৃত্তির সঙ্গে জড়িত ছিলেন শ্যন। এ ছাড়া, অপরাধী তকমা পাওয়া লিল ওয়েনের সঙ্গেও বন্ধুত্ব রয়েছে বিবারের। তার সখ্যতা রয়েছে রিদম অ্যান্ড ব্লুজ গায়ক ক্রিস ব্রাউনের সঙ্গেও যিনি ২০০৯ সালে সাবেক গার্লফ্রেন্ড রিহানাকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়েছিলেন। এসব মন্দ স্বভাবের বন্ধুদের কারণেই বিবারের সঙ্গে সেলেনা সম্পর্কের ইতি টেনেছেন বলেই খবর চাউর হয়েছিলো।
বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম
শুক্রবার, ৮ জুলাই, ২০১১
১৮ না পেরুতেই যৌন অভিজ্ঞতা ৫০% শহুরে তরুণের
বাংলাদেশে বয়স ১৮ হওয়ার আগেই যৌন অভিজ্ঞতা হচ্ছে ৫০ শতাংশ শহুরে তরুণের। এছাড়া প্রায় ৮০ শতাংশ তরুণ পরোক্ষভাবে প্ররোচিত হয়ে যৌন কর্মে লিপ্ত হচ্ছেন। এদের এক-তৃতীয়াংশ আবার লিপ্ত হচ্ছেন দলগত যৌনকর্মে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের যৌনসঙ্গী হচ্ছেন পেশাদার যৌনকর্মী।
কিন্তু এসব তরুণের অর্ধেকই যৌনকর্মে একদমই নিরোধ ব্যবহার করছেন না। বাকীরাও নিরোধ ব্যবহারে অনিয়মিত। তাই তাদের মধ্যে এইডস ঝুঁকি বাড়ছে।
আইসিডিডিআরবি পরিচালিত সাম্প্রতিক এক গবেষণা জরিপ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
পেশাদার যৌনকর্মীর কাছে যান এমন এক হাজার তরুণের ওপর এ জরিপ চালানো হয়।
এদিকে এমন অনিরাপদ যৌনকর্মের মাধ্যমে ৫২ শতাংশ এইডস ছড়ায় বলে মনে করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
জাতীয় এইডস কর্মসূচি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে শক্তিশালী যৌন ব্যবসা গড়ে উঠেছে। আর তরুণরাই বেশি এইডস ঝুঁকিতে রয়েছে।
তরুণদের এইডস ঝুঁকি সম্পর্কে জানতে চাইলে জাতীয় এইডস/এসটিডি কর্মসূচির পরিচালক অধ্যাপক মো. ওয়াদুদ বাংলানিউজকে বলেন, ‘যৌন আচরণে পরিবর্তন হওয়ার কারণে তরুণের মধ্যে এইডস ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে ঢাকাসহ শহরাঞ্চলের তরুণদের মধ্যেই এইডস ছড়াচ্ছে বেশি।’
তিনি বলেন, ‘তরুণ সমাজকে এই ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে আমরা বিশেষ সচেতনামূলক কর্মসূচি হাতে নিচ্ছি। এতে তরুণদের জন্য কাউন্সেলিং থাকবে। এছাড়া পাঠ্য পুস্তকে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পর্যায়ক্রমে ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত বিষয়টি সিলেবাসে নিয়ে আসা হবে।’
এছাড়া সরকার জেলা পর্যায়ের প্রতিটি হাসপাতাল যুব বান্ধব করার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান তিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, পেশাদার যৌনকর্মীর কাছে যেতে অভ্যস্ত হয়ে পড়া তরুণের প্রায় ৭৯ শতাংশই এইডস সম্পর্কে সচেতন নন। যৌন মিলনের পর যৌনাঙ্গ পরিষ্কার করলে এইডস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না বলেও মনে করেন তারা।
যৌনকর্মে লিপ্ত হতে এসব তরুণের ৮০ শতাংশ যাচ্ছেন আবাসিক হোটেলে। আর ২০ শতাংশ অপেশাদার যৌনকর্মীর কাছে যাচ্ছেন।
আর জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ তরুণ হওয়ায় দেশের বৃহৎ ও নিভর্রশীল এই জনগোষ্ঠী ব্যাপক ঝুঁকিতে মধ্যে আছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখনই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। না হলে বড় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
জরিপ অনুযায়ী, তরুণদের অধিকাংশ যৌন চাহিদা মেটাতে যৌনকর্মীর কাছে যাচ্ছেন। সব ধরণের যৌন আচরণ করছেন।
গবেষণায় দেখা যায়, এসব তরুণের প্রায় ২০ শতাংশের মধ্যে যৌনবাহিত ইনফেকশনের লক্ষণ দেখা যায়। তবে এদের মাত্র ১৫ শতাংশ চিকিৎসকের কাছে যান।
ঢাকার ৯টি আবাসিক হোটেলে আইসিডিডিআরবি পরিচালিত জরিপটিতে আরো দেখা গেছে, তরুণের দুই তৃতীয়াংশ স্কুল ও কলেজ পড়–য়া। তারা যৌনকর্মে প্ররোচিত হন বন্ধু বা বন্ধুস্থানীয় কাউকে দিয়ে। প্রায় ৮০ শতাংশ তরুণ পরোক্ষভাবে প্ররোচিত হয়ে যৌন কর্মে লিপ্ত জন। আবার অনেকে পর্ন সিডি দেখে যৌন কর্মে উৎসাহিত হন। এদের অনেকের বয়স ১১ থেকে ১৪ বছর।
এছাড়া বিবাহিতরাও যৌনকর্মীর কাছে যাচ্ছেন বলে দেখা গেছে গবেষণা জরিপে।
সাইদ আরমান
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই, ২০১১
বিয়ে ভেঙে স্কুলের পথে কাকলী
বিয়ে ভেঙে দিয়ে স্কুলে আসতে শুরু করেছে কাকলী (১১)। তাকে সাহায্য করেছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক। ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৫০ নম্বর কালীকৃর্তী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী কাকলী।
ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাতব্বর বাড়িতে তাদের কুঁড়েঘর। প্রান্তিক কৃষক বাবা মহসিন ও মা রহিমা বেগম তার বিয়ে ঠিক করেন একই গ্রামের শেখ বাড়ির সিরাজ মাঝির ছেলে মিজান মাঝির (২৮) সঙ্গে। মিজানও পেশায় জেলে।
গত জুনের মাঝামাঝি সময় ছেলেপক্ষ মেয়েকে স্বর্ণের নাকফুল ও কানফুল দিয়ে বাগদান করে। কথামতো ৮ জুলাই বিয়ের দিন ধার্য করা হয় কাকলীর। চার ভাইবোনের মধ্যে সবার বড় কাকলী এ বিয়ে মেনে নিতে পারে না। সে জানায়, ওই নাকফুল ও কানফুল পরিয়ে দেওয়ার পর থেকে তার ঘুম নেই; নাওয়া-খাওয়া নেই। কোথাও যেতে পারছে না, খেলতে পারছে না বন্ধুদের সঙ্গে। মা-বাবা স্কুলে যাওয়া পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছেন। সারা দিন ঘরের মধ্যে বসে থাকতে হয়। ‘বিয়ে বিয়ে’ করে সমাপনী পরীক্ষা দিতে দেননি মা-বাবা। অনেক কষ্টে সহপাঠীদের দিয়ে কাকলী স্কুলের প্রধান শিক্ষকের মুঠোফোন নম্বর জোগাড় করে। মুঠোফোনেই সবকিছু জানিয়ে তার বিয়ে বন্ধ করতে প্রধান শিক্ষককে অনুরোধ করে সে।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক মনির উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘কাকলী ফোন করে আমাকে বলে—“স্যার, আমারে বাঁচান। আমার বিয়া ঠিক অইছে। আমনে আব্বারে বুজান, এই বিয়া বন্দ করেন, আমি পড়তাম চাই।” এ কথা শোনার পর আমি ও কয়েকজন শিক্ষক কাকলীর বাড়িতে একাধিকবার যাই। তার মা-বাবাকে বাল্যবিবাহের কুফল, আইনের ধারা-শাস্তি বুঝিয়ে ভয়ভীতি দেখাই। একসময় কাকলীর মা-বাবা তাঁদের ভুল বুঝতে পারেন এবং কাকলীকে আবার স্কুলে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন। গত মঙ্গলবার থেকে মেয়েটা স্কুলে আসছে।’
প্রধান শিক্ষক জানান, পড়াশোনার প্রতি কাকলীর প্রচণ্ড আগ্রহ। ছাত্রীও ভালো। ওর সমাপনী পরীক্ষা আলাদাভাবে নেওয়া হবে। কাকলী বলে, ‘আমার ভালো লাগদেছে। স্যারে গো জন্য আমি আবার স্কুলোত আসতাম পারছি। আমি অনেক পড়তাম চাই।’
ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাতব্বর বাড়িতে তাদের কুঁড়েঘর। প্রান্তিক কৃষক বাবা মহসিন ও মা রহিমা বেগম তার বিয়ে ঠিক করেন একই গ্রামের শেখ বাড়ির সিরাজ মাঝির ছেলে মিজান মাঝির (২৮) সঙ্গে। মিজানও পেশায় জেলে।
গত জুনের মাঝামাঝি সময় ছেলেপক্ষ মেয়েকে স্বর্ণের নাকফুল ও কানফুল দিয়ে বাগদান করে। কথামতো ৮ জুলাই বিয়ের দিন ধার্য করা হয় কাকলীর। চার ভাইবোনের মধ্যে সবার বড় কাকলী এ বিয়ে মেনে নিতে পারে না। সে জানায়, ওই নাকফুল ও কানফুল পরিয়ে দেওয়ার পর থেকে তার ঘুম নেই; নাওয়া-খাওয়া নেই। কোথাও যেতে পারছে না, খেলতে পারছে না বন্ধুদের সঙ্গে। মা-বাবা স্কুলে যাওয়া পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছেন। সারা দিন ঘরের মধ্যে বসে থাকতে হয়। ‘বিয়ে বিয়ে’ করে সমাপনী পরীক্ষা দিতে দেননি মা-বাবা। অনেক কষ্টে সহপাঠীদের দিয়ে কাকলী স্কুলের প্রধান শিক্ষকের মুঠোফোন নম্বর জোগাড় করে। মুঠোফোনেই সবকিছু জানিয়ে তার বিয়ে বন্ধ করতে প্রধান শিক্ষককে অনুরোধ করে সে।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক মনির উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘কাকলী ফোন করে আমাকে বলে—“স্যার, আমারে বাঁচান। আমার বিয়া ঠিক অইছে। আমনে আব্বারে বুজান, এই বিয়া বন্দ করেন, আমি পড়তাম চাই।” এ কথা শোনার পর আমি ও কয়েকজন শিক্ষক কাকলীর বাড়িতে একাধিকবার যাই। তার মা-বাবাকে বাল্যবিবাহের কুফল, আইনের ধারা-শাস্তি বুঝিয়ে ভয়ভীতি দেখাই। একসময় কাকলীর মা-বাবা তাঁদের ভুল বুঝতে পারেন এবং কাকলীকে আবার স্কুলে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন। গত মঙ্গলবার থেকে মেয়েটা স্কুলে আসছে।’
প্রধান শিক্ষক জানান, পড়াশোনার প্রতি কাকলীর প্রচণ্ড আগ্রহ। ছাত্রীও ভালো। ওর সমাপনী পরীক্ষা আলাদাভাবে নেওয়া হবে। কাকলী বলে, ‘আমার ভালো লাগদেছে। স্যারে গো জন্য আমি আবার স্কুলোত আসতাম পারছি। আমি অনেক পড়তাম চাই।’
শনিবার, ২ জুলাই, ২০১১
চলছে উত্তেজক ওষুধের অবৈধ বাণিজ্য, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে যুবসমাজ
'ভয়ংকর নেশা' উত্তেজক ওষুধে ঝুঁকছে যুবসমাজ। গোপনে চলছে আমদানি ও বিপণন নিষিদ্ধ উত্তেজক ওষুধের বিজ্ঞাপন-বাণিজ্য। চোরাপথে দেশের বাজারে আসছে এসব ওষুধ। বিক্রি হচ্ছে অনেকটা প্রকাশ্যেই। বিক্রেতারা এসব ওষুধকে 'পাওয়ার' বলে অভিহিত করছেন। এসব পাওয়ারের মধ্যে 'ইয়াবা' নিয়ে দেশে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হলেও অন্যান্য ওষুধ নিয়ে নেই তৎপরতা। এসব ওষুধ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিছু অভিযান চালালেও মূল হোতারা থাকছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। 'যৌন উত্তেজক' বলে প্রচার করা অনুমোদনহীন দেশীয় ওষুধের বাজারও বাড়ছে। তবে স্বাস্থ্য ও মাদকবিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব ওষুধ এক ধরনের মাদক। আসক্তি বাড়ানো ওষুধগুলো শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, ঢাকা ও সারা দেশের খুচরা ওষুধ বিক্রেতারা রাজধানীর মিটফোর্ড, বাবুবাজার ও চানখাঁরপুল থেকে দেশি-বিদেশি উত্তেজক ওষুধ কিনে এলাকায় চড়া দামে বিক্রি করছেন। খুচরা বিক্রেতারা এসব ওষুধকে পাওয়ার বলে ডাকেন। অন্যান্য ওষুধের সঙ্গে তাঁরা পাওয়ারও নিয়ে নেন প্রয়োজনমতো। শাহবাগ, মতিঝিল, ধানমণ্ডি, মিরপুর রোড, শেরে বাংলানগরসহ সবখানেই পাওয়ার খুচরা বিক্রি হচ্ছে। পরিচয় গোপন রাখার শর্তে মিটফোর্ডের কয়েকজন ওষুধ বিক্রেতা জানান, সরদার মার্কেটকে বলা হয় ইন্ডিয়ান মার্কেট। এ মার্কেটের নিচতলার দোকানগুলোতেই পাওয়ার ওষুধ বেশি বিকিকিনি হয়। এ ছাড়া হাবিব মার্কেটসহ সব মার্কেটে এখন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি হয়। রাজধানীর অভিজাত এলাকার ওষুধের দোকানেই বিক্রি বেশি। উচ্চবিত্ত শ্রেণীর যুবক-যুবতীরা এসব ওষুধ খাচ্ছে। কিছু উত্তেজক ওষুধ খেলে চেহারার লাবণ্য অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। এ কারণে শখ করে খায় অনেকে। উত্তেজনার পাশাপাশি নেশার কারণে ইয়াবা বেশি প্রচলিত হয়ে ওঠে। এ ছাড়া আইসপিল, ভায়াগ্রা, সানাগ্রা, ইন্টাগ্রা, কেজি প্লাসসহ বিভিন্ন ওষুধে আসক্ত হয়ে পড়েছে যুবসমাজ। এক শ্রেণীর অপচিকৎসায় এ ধরনের ওষুধের মাধ্যমে যৌন দুর্বলতা দূর করার চেষ্টা চালানো হয়। ওই সব কথিত চিকিৎসক এ ধরনের ওষুধ-বাণিজ্যের সিন্ডিকেটেও জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিক্রেতারা জানান, ভারতের তৈরি 'ইন্টাগ্রা' ৫০ মিলিগ্রাম ট্যাবলেট বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। আমেরিকার ভায়াগ্রার প্রতি ট্যাবলেটের মূল্য ৭৫০ টাকা। ভারতের সেনেগ্রা ও কামাগ্রা প্রতি ট্যাবলেট ৫০ থেকে ৭০ টাকা। সেনেগ্রা, টেনেগ্রা, ফরজেস্ট, ক্যাবেটরা, টার্গেট ও ইডেগ্রা বেশি বিক্রি হচ্ছে বলে জানান বিক্রেতারা। অধিকাংশ ওষুধের গায়ে মূল্য, উৎপাদন ও মেয়াদের তারিখ লেখা থাকে না। আমেরিকার টাইটানিক এক বোতলের দাম চার হাজার টাকা। খুচরা ট্যাবলেট ৪০০ টাকা। টাইটানিকে ইয়াবার মতো উত্তেজনার পাশাপাশি নেশা হয়। তাই ইয়াবার ক্রেতারা কেউ কেউ টাইটানিক সেবন করছেন। কম দামে পাওয়া যাচ্ছে চীনের জিয়ংবার। একটি ট্যাবলেটের দাম ৭০ টাকা। কেজি প্লাস (ইউএসএ) কৌটা ৫০০ টাকা। জে হরমালিন ৭৫০ টাকা। কস্তুরি গোল্ড ৫২০ টাকা। পাকিস্তানি ফরজেস্ট-২০-এর মূল্য ৩৫০ টাকা। জিনসিন প্লাস ৯০০ টাকার বঙ্ েবিক্রি হয়। পাওয়া যাচ্ছে দেশে তৈরি উত্তেজক ওষুধও। বিভিন্ন কম্পানির নিশাত, নিশাত সিলভার, লিভিজ্ঞা, এনডিউরেঙ্, লিপিডেঙ্, ডিউরেঙ্, বাইটোলেঙ্, ফ্রুডেঙ্ ও চায়না গোল্ড নামের ওষুধগুলো বিক্রি হচ্ছে দেদার।
মাদকের তালিকায় নেই : ইয়াবা, আইসপিলসহ সব ধরনের পাওয়ার বা উত্তেজক ওষুধ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদকের তালিকায় নেই। ফলে ক্ষতিকর ওষুধগুলো থেকে যাচ্ছে অন্তরালে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ঢাকা মেট্রোপলিটন উপ-অঞ্চল) মজিবুর রহমান পাটোয়ারী কালের কণ্ঠকে বলেন, ইয়াবায় ব্যবহৃত হয় কাঁচামাল মিথাইল অ্যামফিটামিন ও অ্যামফিটামিন। এই অ্যামফিটামিনকেই আলাদা করে আইসপিল বলে বিক্রি করা হয়। এ ছাড়া অন্য উত্তেজক ওষুধগুলোয়ও এ রকম মাদকের উপাদান ব্যবহার করা হতে পারে। তবে ওই সব ওষুধ মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পরীক্ষা করে দেখেছে কি না তা জানাতে পারেননি তিনি।
ক্ষতিকর স্বাস্থ্যের জন্য : উত্তেজক ওষুধে আসক্ত কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রথমে কৌতূহলেই খাওয়া শুরু করেন তাঁরা। ভালো লাগা থেকে এখন আসক্তি ও নেশা। কেউ কেউ বিশেষ শারীরিক ক্ষমতা বাড়াতে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবন করেন। পরে ওষুধ না খেলে তাঁরা স্বস্তি পান না। তবে স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা বলেন, উপযুক্ত চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া কোনো ধরনের উত্তেজক ওষুধ সেবন করা ঠিক নয়। এতে শরীরের স্বাভাবিক ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।
চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. এম এন হুদা জানান, পুরুষ-মহিলাদের মধ্যে ২ থেকে ৫ শতাংশের দুর্বলতা থাকতে পারে। ৯৫ থেকে ৯৮ শতাংশের মানসিক সমস্যা। সে জন্য বিভ্রান্ত হয়ে উত্তেজক ওষুধ খায় অনেকে। এসব ওষুধ হৃদরোগ ও কিডনি সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়। দীর্ঘদিন ব্যবহারে দৃষ্টিশক্তি ও স্মৃতিশক্তি কমে যায়। এতে লিভার ও নার্ভ ড্যামেজ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।
আসছে যেভাবে : অনুসন্ধানে জানা যায়, পাকিস্তান, ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি-নিষিদ্ধ ওষুধ দেশে আসছে। বিমানবন্দরে প্রায়ই ধরা পড়ে এ ধরনের বড় চালান। অভিযোগ আছে, পাচারকারীদের সঙ্গে সিভিল অ্যাভিয়েশনসহ বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত বিভিন্ন সংস্থার অসাধু কর্মকর্তারা জড়িত আছেন। তাই মূল হোতারা থাকছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। বিমানবন্দর কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২৯ জুলাই হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিন লাগেজ আমদানি-নিষিদ্ধ ওষুধ আটক করেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। তবে লাগেজ বহনকারী সন্দেহভাজন পাকিস্তানি নাগরিক পালিয়ে যায়। ২০০৭ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বিমানবন্দর কাস্টমস প্রায় সোয়া কোটি টাকার আমদানি-নিষিদ্ধ উত্তেজক ওষুধ আটক করে। তবে রহস্যজনকভাবে ওষুধ পাচারকারী চক্রের কাউকেই আটক করতে পারেনি কাস্টমস। চারটি লাগেজে তল্লাশি চালিয়ে পাকিস্তানে তৈরি ২৩ ধরনের উত্তেজক ট্যাবলেট, ক্যাপসুল ও ইনজেকশন জব্দ করা হয়। সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সকালে কার্গো ভিলেজে পড়ে থাকা পাঁচটি বড় কার্টন কাস্টমস কর্মকর্তারা গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতিতে খুলে দেখেন কয়েক হাজার পিস উত্তেজক ওষুধ। এ চালান আনা হয় ভুয়া একটি গার্মেন্টের নামে। এর সঙ্গে জড়িত সিদ্দিক নামের এক পাকিস্তানি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা গেছে, কঙ্বাজার, উখিয়া, টেকনাফ এবং উত্তরাঞ্চলের ভারতের সীমান্ত হয়ে ইয়াবার সঙ্গে উত্তেজক ওষুধের চালান আসছে দেশে। গত ২১ মে চাঁদপুর শহরের লঞ্চঘাট এলাকা থেকে ভারতে তৈরি আট হাজার উত্তেজক ট্যাবলেটসহ রফিক খন্দকার ও শাহাদাত হোসেন নামের দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে স্থানীয় থানার পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, কুমিল্লা সীমান্ত থেকে এসব উত্তেজক ট্যাবলেট কিনে বিক্রির জন্য চাঁদপুরের লঞ্চঘাট হয়ে রফিক ও শাহাদাত নারায়ণগঞ্জ যাচ্ছিল।
কার্যকর অভিযান নেই : আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, মাদক হিসেবে নয়, আমদানি ও বিপণন-নিষিদ্ধ ওষুধ হিসেবেই উত্তেজক ওষুধ উদ্ধার করা হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে পুলিশ ও র্যাবের কিছু বড় অভিযান চললেও পরে তা স্তিমিত হয়ে পড়ে। পরে ইয়াবার বিরুদ্ধে যে পরিমাণ অভিযান চালানো হচ্ছে, এর তুলনায় অন্য ওষুধের ক্ষেত্রে অভিযান খুবই কম। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওষুধ প্রশাসন ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তৎপরতার অভাবে নিয়মিত অভিযান নেই।
র্যাবের গণমাধ্যম ও আইন বিভাগের তথ্যে জানা যায়, ইয়াবার পাশাপাশি উত্তেজক ওষুধও আটক করছে র্যাব। ২০১০ সালের মার্চ থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত দুই লাখ ৯৯ হাজার ৯৮৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এই সময়ে পাঁচ হাজার ৯২ পিস আইসপিল উদ্ধার করেছে র্যাব। ভায়াগ্রা আটক করেছে ১৫ হাজার ১৫২ পিস। নিষিদ্ধ আরো বিভিন্ন ধরনের উত্তেজক ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার পিস।
র্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান কালের কণ্ঠকে বলেন, 'কোথায়, কিভাবে এসব ওষুধ বিক্রি হয় তা খতিয়ে দেখার জন্য আলাদা প্রশাসন কাজ করছে। তবে ভেজাল ও ক্ষতিকর ওষুধ নিয়ন্ত্রণের জন্য আমাদের একজন ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এসব ওষুধ ভেজাল বা অনুমোদনহীন বলেই এর বিরুদ্ধে অভিযান চালানো যায়।'
ওষুধ প্রশাসনের তৎপরতা নেই : মিটফোর্ডের ওষুধ ব্যবসায়ী আবুল কাসেম জানান, ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অভিযানের অভাবেই এসব ওষুধ বিক্রি হয়। ডাক্তাররা এসব ওষুধ নিতে ব্যবস্থাপত্রে লিখে দেন, তাই অনেকে দোকানে নিষিদ্ধ উত্তেজক ওষুধ রাখেন। এমন বক্তব্য আরো অনেক ব্যবসায়ীর। কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, বিদেশি আমদানি-নিষিদ্ধ ওষুধের আদলে এখন দেশি কম্পানি উত্তেজক ওষুধ বানিয়ে বাজারে ছাড়ছে। ওষুধ প্রশাসন ওই সব ওষুধের অনুমোদনও দিয়ে থাকে।
বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির যুগ্ম সম্পাদক মনির হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, 'কিছু ব্যবসায়ী প্রকাশ্যেই উত্তেজক ওষুধ বিক্রি করেন। তাঁরা প্রভাবশালী। প্রশাসনের সঙ্গে আঁতাত করেই মিটফোর্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় নীতিমালা অমান্য করে ওষুধ বিক্রি হয়। এসব বিষয়ে প্রশাসন ভূমিকা না রাখলে আমাদের কিছু করার থাকে না।' তবে ওষুধ প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, লোকবল সংকটের কারণে এসব ওষুধের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো যাচ্ছে না। সারা দেশে মাত্র ২৮ জন কর্মকর্তা আছেন ওষুধ প্রশাসনের। তাই মনিটরিং করাও দুষ্কর।
ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল কালাম আজাদ কালের কণ্ঠকে বলেন, উত্তেজক ওষুধ হিসেবে যেসব ওষুধ বাজারে বিক্রি হয় তা ভেজাল এবং অনুমোদনহীন। অসাধু ব্যবসায়ীরা নিজেরা তৈরি করে বিদেশি সিল লাগিয়ে দিচ্ছেন। দেশি কোনো কম্পানিকেও এ জাতীয় ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়নি। ল্যাবে পরীক্ষা করে দেখা গেছে, এর মধ্যে ক্ষতিকর সব উপাদান আছে। তিনি আরো বলেন, ভেজাল ও ক্ষতিকর ওষুধ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির সুপারিশ এবং লোকবল বাড়ানো হলে অভিযান জোরদার করা হবে। কালের কন্ঠ
শুক্রবার, ১৭ জুন, ২০১১
সিরাজগঞ্জের সুখিতন এখন জাহিদুল!
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল ইউনিয়নের চরবড়ধুল গ্রামের জামাল উদ্দিনের কন্যা সুখিতন খাতুন (১২) কিশোরী থেকে কিশোরে পরিণত হয়েছে। এখন তার নাম রাখা হয়েছে জাহিদুল ইসলাম। এ ঘটনা জানাজানি হবার পর শত শত মানুষ জাহিদুলকে দেখার জন্য ভিড় জমাচ্ছে তার বাড়িতে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন পূর্বে সুখিতন স্বপ্নে দেখে একজন মানুষ তাকে বলছে তুই খুব শীঘ্রই পুরুষ হবি। এর পর থেকে সুখিতন নিজের শরীরের পরিবর্তন বুঝতে পেরে বিষয়টি তার বাবা-মাকে জানায়। সুখিতনের শারীরিক পরিবর্তনের কথা তার মা বাবা স্বীকার করেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সুখিতনের চেহারা, শরীর ও কণ্ঠের কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন, ২০১১
ইচ্ছামতো জিনিস ভাঙার ক্লাব
অনেকেই আছেন যারা উত্তেজিত হয়ে পড়লে, হাতের কাছে যা পান, সেটাই ভেঙে ফেলতে চান। আবার অনেকেই রাগ কমাতেই যেন বেছে নেন জিনিস ভাঙচুরের পদ্ধতি। যদিও তা স্বাভাবিকতার পর্যায়ে পড়ে না। তবে, এবার আর জিনিসপত্র ভাঙতে আপনাকে রাগের সাহায্য নিতে হবে না। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের একটি ক্লাব তার সদস্যদের জন্য একেবারেই নতুন ও ভিন্নধর্মী একটি উদ্যোগ নিয়েছে। মুম্বই মিরর জানিয়েছে, ক্লাবটিতে যোগদানকারী সদস্যরা পছন্দমাফিক যে কোন হাতিয়ার বেছে নিয়ে ইচ্ছামতো ভাঙচুর করতে পারবেন।
নিউ জার্সিতে অবস্থিত ওই ক্লাবটির ঠিকানা গোপন রাখা হয়েছে। ক্লাবটির সদস্যদেরকে ইচ্ছামাফিক ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর জন্য বিভিন্ন বস্তুর একটি তালিকা দেয়া হবে।
সোমবার, ১৩ জুন, ২০১১
মালয়েশিয়ায় স্বামী ভাড়া
পুরুষের দাম বেড়েগেছে মালয়েশিয়ায়। মাসিক ১৫শ’ থেকে ২ হাজার ডলারে স্বামী ভাড়া পাওয়া যাচ্ছে। না। এটি আর গোপন নেই। সে দেশের ইমিগ্রেশন বিভাগের প্রধান কর্তা ব্যক্তি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, কারা স্বামী ভাড়া করছেন। অবশ্যই যৌনকর্মীরা। মালয়েশিয়ায় যৌন ব্যবসা নিষিদ্ধ হলেও এটি আয়ের অন্যতম পথ অনেকেরই। যেখানে নিয়মের বেড়াজাল, সেখানে ফাঁকফোঁকড়ও আছে।আর এ ফাঁকটাই হলো স্বামীত্ব বরণ করে নেয়া। মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনের প্রধান কর্তার বক্তব্য, বিদেশি যৌনকর্মীরা মালয়েশিয়ায় থাকতে এ ফর্মুলা গ্রহণ করছে। সে দেশের আইন অনুযায়ী একজন
নারী ছলনাময়ী-পুরুষ কিন্তু ছলনায় সেরা
সঙ্গিনীর চেয়ে কম রোজগার করলে পুরুষের প্রতারণা করার প্রবণতা বেড়ে যায় কে বেশি ছলনা করে? নারী না পুরুষ সঙ্গীটি? সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় এসব প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজে পাওয়া গেছে। বিবাহিত বা কমপক্ষে ১ বছর ধরে একসঙ্গে আছেন এমন ১০২৪ জন পুরুষ ও ১৫৫৯ জন নারীর কাছ থেকে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য এবং অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করেই এ সমীক্ষাটি করা হয়েছে। সমীক্ষাটির লেখক কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞানের ডক্টরেট প্রার্থী ক্রিস্টিন মুনস্চ বিষয়টিকে বলেছেন এইভাবে, যখন কোনো পুরুষ মনে করেন সঙ্গিনীর চেয়ে কম রোজগার তার জন্য হুমকি, তখন তিনি তার নিজস্বতাকে বজায় রাখার জন্য প্রতারণার আশ্রয় নেন। ‘অ্যামেরিকান স্যোসিওলোজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন’-এর বার্ষিক আলোচনা সভায় লেখক এ বিষয়টি উপস্থাপন করেন। ক্রিস্টিন বলেন, পুরুষ নারীর চেয়ে বেশি রোজগার করবে এবং পুরুষই পরিবারের প্রধান রোজগেরে, এ ধারণাটি এতটাই বদ্ধমূল, যে সঙ্গিনীর চেয়ে কম রোজগার করাটা পুরুষের সামনে হুমকি হয়ে দেখা দেয়। পুরুষতান্ত্রিক সমাজগুলোতে এ বিষয়টি আরো প্রকট। সমীক্ষায় দেখা
সতীত্ব মেরামতের রমরমা ব্যবসা
আরবের অবিবাহিত তরুণীদের কাছে কুমারীত্ব বড়ই গুরুতর বিষয়। বিয়ের আগে প্রেমে পড়েই হোক, আর ঘটনাচক্রের হোক কোনো পুরুষের সঙ্গে দৈহিক মিলনের কথা জানাজানি হলে কেবল সামাজিক লাঞ্ছনাই নয়, খুন হওয়াটাও তাদের কাছে বিচিত্র কিছু নয়। এ কারণেই বিয়ের আগে সতীত্ব যারা হারিয়েছে, তারা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সেটা আবার ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী। যাতে বাসর রাতে স্বামী বুঝতে পারে নববধূ সত্যিই কুমারী।
বড় ধরনের ঝুঁকি ছাড়াই আজকাল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মেয়েদের সতীত্ব ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তার জন্য খরচ পড়ে এক হাজার ৭০০ পাউন্ড (২ হাজার ইউরো)। তবে আরব তরুণীদের ওই অস্ত্রোপচারের জন্য ক্লিনিক দুবাই কিংবা কায়রোসহ মধ্যপ্রাচ্যের কোনো নগরীতে নেই। সেজন্য তাদের যেতে হয় প্যারিসে। যেমন ডা. মার্ক আবেকাসিস নামের এক চিকিৎসকের একটি ক্লিনিক আছে, যেখানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মেয়েদের সতীত্ব ফিরিয়ে আনা হয়। ওই চিকিৎসক সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার মেয়েদের যে অস্ত্রোপচার করে থাকেন, তাকে বলা হয় ‘হিমেনোপ্লাস্টি’। সোজা কথায় সতীচ্ছদ পুনঃস্থাপন। লোকাল অ্যানেসথেশিয়ার সাহায্যে সতীচ্ছদের টিস্যু স্থাপনের ওই কাজ সারতে সময় লাগে বড় জোর ৩০ মিনিট। ডা. আবেকাসিস জানান, ঐতিহ্যগত ও পারিবারিক দিক থেকে বিপদের আশঙ্কা করেই মেয়েরা তাদের কাছে আসে। তাদের ফিরিয়ে দেওয়া কিংবা বিচার করা চিকিৎসকের কাজ নয় বলে তিনি জানান।
বড় ধরনের ঝুঁকি ছাড়াই আজকাল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মেয়েদের সতীত্ব ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তার জন্য খরচ পড়ে এক হাজার ৭০০ পাউন্ড (২ হাজার ইউরো)। তবে আরব তরুণীদের ওই অস্ত্রোপচারের জন্য ক্লিনিক দুবাই কিংবা কায়রোসহ মধ্যপ্রাচ্যের কোনো নগরীতে নেই। সেজন্য তাদের যেতে হয় প্যারিসে। যেমন ডা. মার্ক আবেকাসিস নামের এক চিকিৎসকের একটি ক্লিনিক আছে, যেখানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মেয়েদের সতীত্ব ফিরিয়ে আনা হয়। ওই চিকিৎসক সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার মেয়েদের যে অস্ত্রোপচার করে থাকেন, তাকে বলা হয় ‘হিমেনোপ্লাস্টি’। সোজা কথায় সতীচ্ছদ পুনঃস্থাপন। লোকাল অ্যানেসথেশিয়ার সাহায্যে সতীচ্ছদের টিস্যু স্থাপনের ওই কাজ সারতে সময় লাগে বড় জোর ৩০ মিনিট। ডা. আবেকাসিস জানান, ঐতিহ্যগত ও পারিবারিক দিক থেকে বিপদের আশঙ্কা করেই মেয়েরা তাদের কাছে আসে। তাদের ফিরিয়ে দেওয়া কিংবা বিচার করা চিকিৎসকের কাজ নয় বলে তিনি জানান।
ছোট প্রেমিক + বড় প্রেমিকা = প্রেমময় মধুর সম্পর্ক
প্রেমিক ছোট, প্রেমিকা বড়। প্রেমের বাজারে এটাই সাম্প্রতিক ট্রেন্ড। বিশ্ব জুড়েই চলছে এ ট্রেন্ড। প্রেমিক বয়সে ছোট হলেই প্রেমিকা ‘হট এন্ড হ্যাপিনিং’। অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে? এমন অসম সম্পর্কে জড়ানো তারকাদের প্রেমের বর্তমান হালচাল জানলেই বিষয়টা স্পষ্ট হবে। হলিউড তারকা ডেমি মুর নিজের চেয়ে ১৬ বছরের ছোট অ্যাশটন কুচারকে বিয়ে করে বেশ ভালোভাবেই বেভারলি হিলসে সংসার করছেন। পপসম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা বয়সে ১০ বছরের ছোট ব্রিটিশ পরিচালক গাই রিচির সঙ্গে ঘর করছেন মহানন্দে।
বর্তমানে সম্পর্ক না থাকলেও হলিউডের আরেক অভিনেত্রী ক্যামেরন ডিয়াজও একসময় তার চেয়ে ৯ বছরের ছোট জাস্টিন টিমবারলেকের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করেছিলেন। শুধু হলিউড নয়, ভারতেও এমনটা দেখা যায়। ভারতীয়দের প্রিয় ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার তার চেয়ে ৭ বছরের বড় অঞ্জলিকে বিয়ে করেছেন। শেষ অবধি দাম্পত্য না টিকলেও বয়সে ১২ বছরের বড় অমৃতা সিংয়ের সঙ্গে সাইফ আলী খানের বিয়ের ঘটনা তো আছেই।
বর্তমানে সম্পর্ক না থাকলেও হলিউডের আরেক অভিনেত্রী ক্যামেরন ডিয়াজও একসময় তার চেয়ে ৯ বছরের ছোট জাস্টিন টিমবারলেকের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করেছিলেন। শুধু হলিউড নয়, ভারতেও এমনটা দেখা যায়। ভারতীয়দের প্রিয় ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার তার চেয়ে ৭ বছরের বড় অঞ্জলিকে বিয়ে করেছেন। শেষ অবধি দাম্পত্য না টিকলেও বয়সে ১২ বছরের বড় অমৃতা সিংয়ের সঙ্গে সাইফ আলী খানের বিয়ের ঘটনা তো আছেই।
রাতের দুবাই নানা দেশের সুন্দরীদের আসর
দুবাইয়ের হোটেলে হোটেলে চলছে নানা দেশের সুন্দরীদের জমজমাট আসর। রঙিন আলোর নিচে এ ব্যবসায় ব্যবহৃত হচ্ছেন বিভিন্ন দেশের সুন্দরী ললনা। তারা অর্থের বিনিময়ে বিলিয়ে দিচ্ছেন দেহ।
বাইরে থেকে দেখতে ঝলমলে ওই সব হোটেলের ভিতরে কি ঘটে তা বাইরের মানুষের জানা কঠিন। সুরড়্গিত, অভিজাত এ রকম অনেক হোটেলে এ বাণিজ্যে ব্যবহৃত হচ্ছেন পূর্ব ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়া, চীনসহ বিভিন্ন অঞ্চলের যুবতীরা। এ বিষয়ে অনুসন্ধানী একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে অনলাইন নিউজ অব দ্য উইক-এ। এতে বলা হয়েছে, লা পিয়াজ্জা হোটেলে রাতের দৃশ্য অন্যরকম। সেখানে রাতে যেন বিশ্বের সুন্দরীদের মেলা বসে। অকস্মাৎ এর ভিতরে তাদের কেউ একজন কোন পুরম্নষ দর্শনার্থীর পাশে দাঁড়িয়ে মোলায়েম ভঙ্গিতে দৈহিক সম্পর্ক স’াপনের আবেদন জানিয়ে বসেন। ওই পত্রিকার এক সাংবাদিক এ দৃশ্য সরেজমিনে অবলোকন করেছেন। ওই হোটেলের প্রবেশপথের ওপরে টাঙানো সংযুক্ত আরব আমিরাতের শাসকের ছবি। ওই সাংবাদিক ১৭ পাউন্ড ফি দিয়ে তার নিচ দিয়ে প্রবেশ করেন। দেখতে পান ভিতরে সাজানো বিয়ারের বোতল, স্পিরিট ঢেকে রাখা হয়েছে ন্যাপকিন দিয়ে। বিশাল আকারের একটি পস্নাজমা টেলিভিশনে পপ মিউজিক বাজছে। এমন অবস’ায় তুরস্কের আয়েশা নামের এক রমণী ঘোষণা দিতে থাকেন- আমার কাছে সেরা মেয়ে আছে। আপনার দৈহিক সম্পর্ক স’াপনের জন্য তা হবে সেরা। মাত্র ২৫০ পাউন্ডের বিনিময়ে আপনি তাদের যে কাউকে সারারাত কাছে রাখতে পারবেন। সেজন্য ওপর তলায় রম্নমের ব্যবস’া আছে। তা ব্যবহার করতে আপনাকে দিতে হবে বাড়িত ৮৫ পাউন্ড। শুধু আয়েশাই নন, সেখানে আছেন রাশিয়ান মেয়ের কালেকশন। তাদের একজন
শুক্রবার, ১০ জুন, ২০১১
বগুড়ার সালমা এখন মজিদ
বাবা-মায়ের সঙ্গে নারী থেকে পুরুষে রূপান্তরিত আবদুল মজিদ
বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলার জামুন্নাহাট গ্রামে নারী থেকে পুরুষে রূপান্তরিত হয়ে আলোচিত ১৯ বছরের তরুণী সালমা। পুরুষ হওয়ার পর তার নাম রাখা হয়েছে আবদুল মজিদ। তাকে দেখার জন্য প্রতিদিন তার বাড়িতে ভিড় করছে শত শত মানুষ। এদিকে ছোটবেলার বান্ধবী মলি খাতুনকে বিয়ে করে সংসার করতে চায় মজিদ।
বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলার জামুন্নাহাট গ্রামে নারী থেকে পুরুষে রূপান্তরিত হয়ে আলোচিত ১৯ বছরের তরুণী সালমা। পুরুষ হওয়ার পর তার নাম রাখা হয়েছে আবদুল মজিদ। তাকে দেখার জন্য প্রতিদিন তার বাড়িতে ভিড় করছে শত শত মানুষ। এদিকে ছোটবেলার বান্ধবী মলি খাতুনকে বিয়ে করে সংসার করতে চায় মজিদ।
জানা যায়, নারী থেকে পুরুষে রূপান্তরিত হয়ে আলোচিত ১৯ বছরের তরুণী সালমার বাড়ি শাহজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের জামুন্না হাটপাড়ায়। তার বাবা সোহরাব আলী ও মা সাজেদা খাতুন। পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে দ্বিতীয় সালমা। অভাব-অনটনের কারণে জামুন্না প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণীর পর আর লেখাপড়া করা হয়নি তার। প্রায় তিন বছর আগে পরিবার থেকে সালমার বিয়ে দেয়া হয় উপজেলার জামালপুর গ্রামের কৃষক নুর আলমের সঙ্গে। বিয়ের পর থেকে স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সে বাবার বাড়িতে ফিরে আসে।




১:৫৮ PM
Akashnill
Posted in: 

